সংবাদ শিরোনাম ::
বানারীপাড়ায় চাঁদাবাজি মামলায় জামিনে বের হয়ে বাদীসহ তিনজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম ঝালকাঠিতে গৃহবধূ মলিনা রায় হত্যা: মামলার দ্বিতীয় আসামি ঢাকায় গ্রেফতার সড়কে ঝড়লো সাংবাদিক পুত্রের প্রাণ, বিএমএসএফ’র শোক বাবুগঞ্জে ১ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারি আটক ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে রিকসা চালক নিহত, আহত-১০ ​ঝালকাঠিতে ‘ফ্রি নিউজ গ্রুপ’-এর সাংবাদিকদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের উদ্যোগে ৮ লক্ষ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন চুয়াডাঙ্গা হাসপাতাল সড়কে চলন্ত ইজিবাইক চালকের হৃদরোগে মৃত্যু রাজাপুরে আলোচিত দুই ডাকাতি মামলা: ৪ ডাকাত গ্রেপ্তার নারী চিকিৎসককে কক্ষে ডাকতেন-কুপ্রস্তাব দিতেন ব/র/গু/না জেনারেল হাসপাতাল তত্ত্বাবধায়ক।

বরিশাল সিটির ২৬১ সিসি ক্যামেরা অচল, বিপাকে পুলিশ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:০৩:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৩ ৮ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স : ৭ বছর ধরে বিকল অবস্থায় পড়ে আছে আড়াই কোটি টাকার বেশি ব্যয়ে বসানো বরিশাল সিটি করপোরেশনের ২৬১টি সিসি ক্যামেরা।

আর তদারকির জন্য স্থাপন করা ৮টি নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রর মধ্যে মাত্র ২টির অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া গেলেও তাতে নেই যন্ত্রপাতি। পুলিশ বলছে, সিসি ক্যামেরাগুলো অচল থাকায় প্রায়ই বিপাকে পড়তে হয় তাদের। তবে এ বিষয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেয়ার কথা জানান প্যানেল মেয়র।

বরিশালে অপরাধ দমনে নগরীর ৩০টি ওয়ার্ডের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ২৬১টি সিসি ক্যামেরা বসায় সিটি করপোরেশন। তবে বর্তমানে এসব ক্যামেরার সবগুলোই অচল ও পরিত্যক্ত। তদারকির জন্য স্থাপন করা ৮টি নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রর মধ্যে মাত্র ২টির অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া গেলেও তাতেও নেই যন্ত্রপাতি।

জানা গেছে, ২০১৭ সালের ১৩ এপ্রিল তৎকালীন মেয়র প্রয়াত আহসান হাবিব কামাল ২ কোটি ৫৯ লাখ টাকা ব্যয়ে আনুষ্ঠানিক সিসি ক্যামেরাগুলোর উদ্বোধন করেন।

এর তিন মাসের মাথায় কারিগরি ত্রুটি দেখা দিলে সম্পূর্ণরূপে অচল হয়ে পড়ে সিসি ক্যামেরাগুলো। এরপর সাত বছর পেরিয়ে গেলেও এখনও ক্যামেরাগুলো সচল বা পুনঃস্থাপন করেনি সিটি করপোরেশন।

সিসি ক্যামেরাগুলো তদারকি না করায় ক্ষোভ জানিয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার দাবি নগরবাসীর। আসাদ নামে একজন বলেন, ‘আমরা সবসময় চাই শহর নিরাপদ থাকুক। কিন্তু সিসি ক্যামেরা অচল থাকায় প্রায়ই আমাদের দুশ্চিন্তা হয়। আমাদের দাবি দ্রুত সিসি ক্যামেরা গুলো সচল করা হোক।’

কাওছার নামে আরেকজন বলেন, ‘বাসার মেয়েদের নিয়ে প্রায়ই টেনশনে থাকতে হয়। তারা একা বের হলে টেনশন আরও বেড়ে যায়। সিটি করপোরেশনের সিসি ক্যামেরাগুলো সচল থাকলে এই টেনশন হতো না। আমরা চাই দ্রুত এসব ক্যামেরা সচল হোক।’

বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার মো. ফজলুল করিম বলেন, ‘সিটি করপোরেশনের ক্যামেরাগুলো অচল থাকায় প্রায়ই আমাদের বিপাকে পড়তে হয়। সিসি ক্যামরা সচল না থাকায় তদন্ত কাজে বিলম্ব হয়। তাছাড়া অপরাধী চক্রের গতিবিধি শনাক্ত করার ক্ষেত্রেও বিপাকে পড়তে হচ্ছে।’

এদিকে সিটি করপোরেশনের সিসি ক্যামেরার বিষয়ে দুদকে অভিযোগ দেয়া হলে তার তদন্ত শুরু হয়। তবে এ তদন্ত কতদূর এগিয়েছে তা জানে না খোদ করপোরেশনও।

তবে নতুন পরিষদের হাত ধরে সিসি ক্যামেরার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে জানান প্যানেল মেয়র গাজী নঈমুল হোসেন লিটু। পুলিশের তথ্য মতে, মেট্রোপলিটন এলাকায় ব্যক্তিগতভাবে বিভিন্ন বাড়ি অথবা প্রতিষ্ঠানে সিসি ক্যামেরা বসানো আছে ৩ হাজারের বেশি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

বরিশাল সিটির ২৬১ সিসি ক্যামেরা অচল, বিপাকে পুলিশ

আপডেট সময় : ০৬:০৩:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৩

আজকের ক্রাইম ডেক্স : ৭ বছর ধরে বিকল অবস্থায় পড়ে আছে আড়াই কোটি টাকার বেশি ব্যয়ে বসানো বরিশাল সিটি করপোরেশনের ২৬১টি সিসি ক্যামেরা।

আর তদারকির জন্য স্থাপন করা ৮টি নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রর মধ্যে মাত্র ২টির অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া গেলেও তাতে নেই যন্ত্রপাতি। পুলিশ বলছে, সিসি ক্যামেরাগুলো অচল থাকায় প্রায়ই বিপাকে পড়তে হয় তাদের। তবে এ বিষয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেয়ার কথা জানান প্যানেল মেয়র।

বরিশালে অপরাধ দমনে নগরীর ৩০টি ওয়ার্ডের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ২৬১টি সিসি ক্যামেরা বসায় সিটি করপোরেশন। তবে বর্তমানে এসব ক্যামেরার সবগুলোই অচল ও পরিত্যক্ত। তদারকির জন্য স্থাপন করা ৮টি নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রর মধ্যে মাত্র ২টির অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া গেলেও তাতেও নেই যন্ত্রপাতি।

জানা গেছে, ২০১৭ সালের ১৩ এপ্রিল তৎকালীন মেয়র প্রয়াত আহসান হাবিব কামাল ২ কোটি ৫৯ লাখ টাকা ব্যয়ে আনুষ্ঠানিক সিসি ক্যামেরাগুলোর উদ্বোধন করেন।

এর তিন মাসের মাথায় কারিগরি ত্রুটি দেখা দিলে সম্পূর্ণরূপে অচল হয়ে পড়ে সিসি ক্যামেরাগুলো। এরপর সাত বছর পেরিয়ে গেলেও এখনও ক্যামেরাগুলো সচল বা পুনঃস্থাপন করেনি সিটি করপোরেশন।

সিসি ক্যামেরাগুলো তদারকি না করায় ক্ষোভ জানিয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার দাবি নগরবাসীর। আসাদ নামে একজন বলেন, ‘আমরা সবসময় চাই শহর নিরাপদ থাকুক। কিন্তু সিসি ক্যামেরা অচল থাকায় প্রায়ই আমাদের দুশ্চিন্তা হয়। আমাদের দাবি দ্রুত সিসি ক্যামেরা গুলো সচল করা হোক।’

কাওছার নামে আরেকজন বলেন, ‘বাসার মেয়েদের নিয়ে প্রায়ই টেনশনে থাকতে হয়। তারা একা বের হলে টেনশন আরও বেড়ে যায়। সিটি করপোরেশনের সিসি ক্যামেরাগুলো সচল থাকলে এই টেনশন হতো না। আমরা চাই দ্রুত এসব ক্যামেরা সচল হোক।’

বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার মো. ফজলুল করিম বলেন, ‘সিটি করপোরেশনের ক্যামেরাগুলো অচল থাকায় প্রায়ই আমাদের বিপাকে পড়তে হয়। সিসি ক্যামরা সচল না থাকায় তদন্ত কাজে বিলম্ব হয়। তাছাড়া অপরাধী চক্রের গতিবিধি শনাক্ত করার ক্ষেত্রেও বিপাকে পড়তে হচ্ছে।’

এদিকে সিটি করপোরেশনের সিসি ক্যামেরার বিষয়ে দুদকে অভিযোগ দেয়া হলে তার তদন্ত শুরু হয়। তবে এ তদন্ত কতদূর এগিয়েছে তা জানে না খোদ করপোরেশনও।

তবে নতুন পরিষদের হাত ধরে সিসি ক্যামেরার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে জানান প্যানেল মেয়র গাজী নঈমুল হোসেন লিটু। পুলিশের তথ্য মতে, মেট্রোপলিটন এলাকায় ব্যক্তিগতভাবে বিভিন্ন বাড়ি অথবা প্রতিষ্ঠানে সিসি ক্যামেরা বসানো আছে ৩ হাজারের বেশি।