সংবাদ শিরোনাম ::
ভরা মৌসুমেও ইলিশের আকাল বৈরী আবহাওয়া, জলবায়ু পরিবর্তন ও অবৈধ জালে সংকটে সুন্দরবন উপকূলের মৎস্য অর্থনীতি সাগরে নেই ট্রলার, আড়তে নেই মাছ বানারীপাড়ায় বিএনপি নেতা সাইফুল ইসলাম রকি তেতলা পিজিএস স্কুলের সভাপতি বরিশালে সিভিল সার্জনের অপসারনের দাবীতে কক্ষে তালা বাবুগঞ্জে মাদক, চুরি-ডাকাতি ও সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক সভা। বানারীপাড়ায় চাঁদাবাজি মামলায় জামিনে বের হয়ে বাদীসহ তিনজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম ঝালকাঠিতে গৃহবধূ মলিনা রায় হত্যা: মামলার দ্বিতীয় আসামি ঢাকায় গ্রেফতার সড়কে ঝড়লো সাংবাদিক পুত্রের প্রাণ, বিএমএসএফ’র শোক বাবুগঞ্জে ১ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারি আটক ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে রিকসা চালক নিহত, আহত-১০ ​ঝালকাঠিতে ‘ফ্রি নিউজ গ্রুপ’-এর সাংবাদিকদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত

চুয়াডাঙ্গায় সাপের উপদ্রবে উদ্বিগ্ন ,১ মাসে সদর হাসপাতালে দামুড়হুদার ১ জনসহ মৃত্যু ৪, চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরেছে ৪৮

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:০৪:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ অগাস্ট ২০২৩ ৪০ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মাহমুদ হাসান রনি, চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধিঃ চুয়াডাঙ্গা জেলায় সাপের উপদ্রব দিন দিন বৃদ্ধি পেয়েছে। গত জুলাই মাসে সাপে কামড়ানো ৪৮ রোগী চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে। বিপরীতে চিকিৎসা সেবা নিতে এসে চিকিৎসারত অবস্থায় ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। অন্যদিকে জেলার ৩টি উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২০ জন সাপে কামড়ানো রোগী প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে।

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, গত ১ থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত ৪৮ জন সাপে কামড়ানো রোগী সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। তার মধ্যে পুরুষ ২৫ জন ও নারী ২৩ জন। মারা গেছে ৪ জন। জেলার দামুড়হুদা, আলমডাঙ্গা ও জীবননগর উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স গুলোতে মোট ২০ জন সাপে কামড়ানো রোগী প্রাথমিক চিকিৎসা নিলেও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।সাপের কামড়ে মারা যাওয়া ব্যক্তিরা হলেন, ৪ জুলাই ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর উপজেলার কুশোডাঙ্গা গ্রামের শওকতের ছেলে হালিম, ৮ জুলাই চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার নুরনগর গ্রামের চান্দু ফকিরের ছেলে নাজমুল,২৪ জুলাই আলমডাঙ্গা উপজেলার নওলামারী গ্রামের জোসনা বেগম ও ২৮ জুলাই দামুড়হুদা উপজেলার আকন্দবাড়ীয়া গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে আব্দুর রাজ্জাক। চুয়াডাঙ্গার সিভিল সার্জন ডা. সাজ্জাৎ হাসান বলেন, সাপে কামড়ানোর পর রোগীকে দ্রুত স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে আনতে হবে। চিকিৎসক যদি মনে করেন বিষধর সাপে কামড় দিয়েছে, তাহলে সেই রোগীকে অ্যান্টিভেনম ভ্যাকসিন দিবে। বর্তমানে জেলার হাসপাতাল গুলোতে পর্যাপ্ত অ্যান্টিভেনম ভ্যাকসিনের মজুদ রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

চুয়াডাঙ্গায় সাপের উপদ্রবে উদ্বিগ্ন ,১ মাসে সদর হাসপাতালে দামুড়হুদার ১ জনসহ মৃত্যু ৪, চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরেছে ৪৮

আপডেট সময় : ০৫:০৪:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ অগাস্ট ২০২৩

মাহমুদ হাসান রনি, চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধিঃ চুয়াডাঙ্গা জেলায় সাপের উপদ্রব দিন দিন বৃদ্ধি পেয়েছে। গত জুলাই মাসে সাপে কামড়ানো ৪৮ রোগী চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে। বিপরীতে চিকিৎসা সেবা নিতে এসে চিকিৎসারত অবস্থায় ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। অন্যদিকে জেলার ৩টি উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২০ জন সাপে কামড়ানো রোগী প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে।

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, গত ১ থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত ৪৮ জন সাপে কামড়ানো রোগী সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। তার মধ্যে পুরুষ ২৫ জন ও নারী ২৩ জন। মারা গেছে ৪ জন। জেলার দামুড়হুদা, আলমডাঙ্গা ও জীবননগর উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স গুলোতে মোট ২০ জন সাপে কামড়ানো রোগী প্রাথমিক চিকিৎসা নিলেও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।সাপের কামড়ে মারা যাওয়া ব্যক্তিরা হলেন, ৪ জুলাই ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর উপজেলার কুশোডাঙ্গা গ্রামের শওকতের ছেলে হালিম, ৮ জুলাই চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার নুরনগর গ্রামের চান্দু ফকিরের ছেলে নাজমুল,২৪ জুলাই আলমডাঙ্গা উপজেলার নওলামারী গ্রামের জোসনা বেগম ও ২৮ জুলাই দামুড়হুদা উপজেলার আকন্দবাড়ীয়া গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে আব্দুর রাজ্জাক। চুয়াডাঙ্গার সিভিল সার্জন ডা. সাজ্জাৎ হাসান বলেন, সাপে কামড়ানোর পর রোগীকে দ্রুত স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে আনতে হবে। চিকিৎসক যদি মনে করেন বিষধর সাপে কামড় দিয়েছে, তাহলে সেই রোগীকে অ্যান্টিভেনম ভ্যাকসিন দিবে। বর্তমানে জেলার হাসপাতাল গুলোতে পর্যাপ্ত অ্যান্টিভেনম ভ্যাকসিনের মজুদ রয়েছে।