সংবাদ শিরোনাম ::
ভরা মৌসুমেও ইলিশের আকাল বৈরী আবহাওয়া, জলবায়ু পরিবর্তন ও অবৈধ জালে সংকটে সুন্দরবন উপকূলের মৎস্য অর্থনীতি সাগরে নেই ট্রলার, আড়তে নেই মাছ বানারীপাড়ায় বিএনপি নেতা সাইফুল ইসলাম রকি তেতলা পিজিএস স্কুলের সভাপতি বরিশালে সিভিল সার্জনের অপসারনের দাবীতে কক্ষে তালা বাবুগঞ্জে মাদক, চুরি-ডাকাতি ও সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক সভা। বানারীপাড়ায় চাঁদাবাজি মামলায় জামিনে বের হয়ে বাদীসহ তিনজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম ঝালকাঠিতে গৃহবধূ মলিনা রায় হত্যা: মামলার দ্বিতীয় আসামি ঢাকায় গ্রেফতার সড়কে ঝড়লো সাংবাদিক পুত্রের প্রাণ, বিএমএসএফ’র শোক বাবুগঞ্জে ১ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারি আটক ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে রিকসা চালক নিহত, আহত-১০ ​ঝালকাঠিতে ‘ফ্রি নিউজ গ্রুপ’-এর সাংবাদিকদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত

১৫ই জুলাই ২০২৩ পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ২৫তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি প্রদত্ত

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৫১:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ জুলাই ২০২৩ ১৪ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

শুভেচ্ছা বাণীঃ-

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অদম্য সাহসী কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সুদক্ষ, সুদূরপ্রসারী ও প্রাজ্ঞ নেতৃত্বে কোনো তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপ ছাড়া ১৯৯৭ সালের ০২রা ডিসেম্বর ঐতিহাসিক পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। যার ফলশ্রুতিতে পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে বিরাজমান দীর্ঘ দুই যুগের বিরাজমান সংঘাতের অবসান ঘটে। আমি এজন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রতি পার্বত্য চট্টগ্রামবাসীর পক্ষ থেকে আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

ঐতিহাসিক পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তির পরিপ্রেক্ষিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় ১৯৯৮ সালের ১৫ জুলাই বৃহত্তর পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের আর্থ-সামাজিক অবস্থা ও সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় নামকরণে একটি বিশেষায়িত মন্ত্রণালয় স্থাপন করা হয়। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকে দৃঢ়তার সাথে শান্তিচুক্তির ধারাকে অগ্রাধিকার বিবেচনা করে সরকারের নীতি অনুসরণপূর্বক পার্বত্য অঞ্চলের সার্বিক উন্নয়ন কাজ অব্যাহত রেখেছে। বিশেষ করে শান্তিচুক্তির ৭২টি ধারার মধ্যে ইতোমধ্যে ৬৫টি ধারা পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়ন করা হয়েছে। বাকি ৭টি ধারার পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বের কারণেই ঐতিহাসিক পার্বত্য শান্তি চুক্তির পটভূমিতে তিন পার্বত্য জেলায় শান্তি, উন্নয়ন ও অগ্রগতির ধারা আজ অবধি অব্যাহত রয়েছে। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকার পার্বত্য অঞ্চলের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে সুশিক্ষিত নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার মহান ব্রত নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ উদ্যোগ ও সুনির্দেশনায় পার্বত্য অঞ্চলে ব্যাপক উন্নয়ন সাধিত হচ্ছে। আমার দৃঢ় বিশ্বাস পার্বত্য অঞ্চলের উন্নয়নের ধারা এভাবে অব্যাহত থাকলে দেশের এক দশমাংশ এলাকা বেষ্টিত পার্বত্য চট্টগ্রাম দেশের জন্য বোঝা নয়, বরং দেশের জন্য স্মার্ট জনপদ হিসেবে অন্যতম সম্পদে রূপান্তরিত হবে।

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ২৫তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে আমি তিন পার্বত্য জেলায় দীর্ঘমেয়াদী শান্তি প্রতিষ্ঠা, আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণ এবং বিকাশে সকলের সার্বিক সহযোগিতা একান্তভাবে কামনা করছি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী ২০৪১ সালের মধ্যে দেশকে একটি উন্নত সমৃদ্ধ ও স্মার্ট বাংলাদেশ রূপান্তরে পার্বত্য চট্টগ্রাম যাতে অনুকরণীয় মডেল হিসেবে খ্যাতি অর্জন করতে পাওে সেই লক্ষ্যে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানাচ্ছি।

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ২৫তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষ্যে আমি পার্বত্য চট্টগ্রামবাসীর পক্ষ থেকে দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা, অভিনন্দন ও ভালোবাসা জ্ঞাপন করছি।

জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।

বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি,
মন্ত্রী
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

১৫ই জুলাই ২০২৩ পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ২৫তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি প্রদত্ত

আপডেট সময় : ০৩:৫১:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ জুলাই ২০২৩

শুভেচ্ছা বাণীঃ-

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অদম্য সাহসী কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সুদক্ষ, সুদূরপ্রসারী ও প্রাজ্ঞ নেতৃত্বে কোনো তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপ ছাড়া ১৯৯৭ সালের ০২রা ডিসেম্বর ঐতিহাসিক পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। যার ফলশ্রুতিতে পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে বিরাজমান দীর্ঘ দুই যুগের বিরাজমান সংঘাতের অবসান ঘটে। আমি এজন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রতি পার্বত্য চট্টগ্রামবাসীর পক্ষ থেকে আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

ঐতিহাসিক পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তির পরিপ্রেক্ষিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় ১৯৯৮ সালের ১৫ জুলাই বৃহত্তর পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের আর্থ-সামাজিক অবস্থা ও সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় নামকরণে একটি বিশেষায়িত মন্ত্রণালয় স্থাপন করা হয়। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকে দৃঢ়তার সাথে শান্তিচুক্তির ধারাকে অগ্রাধিকার বিবেচনা করে সরকারের নীতি অনুসরণপূর্বক পার্বত্য অঞ্চলের সার্বিক উন্নয়ন কাজ অব্যাহত রেখেছে। বিশেষ করে শান্তিচুক্তির ৭২টি ধারার মধ্যে ইতোমধ্যে ৬৫টি ধারা পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়ন করা হয়েছে। বাকি ৭টি ধারার পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বের কারণেই ঐতিহাসিক পার্বত্য শান্তি চুক্তির পটভূমিতে তিন পার্বত্য জেলায় শান্তি, উন্নয়ন ও অগ্রগতির ধারা আজ অবধি অব্যাহত রয়েছে। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকার পার্বত্য অঞ্চলের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে সুশিক্ষিত নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার মহান ব্রত নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ উদ্যোগ ও সুনির্দেশনায় পার্বত্য অঞ্চলে ব্যাপক উন্নয়ন সাধিত হচ্ছে। আমার দৃঢ় বিশ্বাস পার্বত্য অঞ্চলের উন্নয়নের ধারা এভাবে অব্যাহত থাকলে দেশের এক দশমাংশ এলাকা বেষ্টিত পার্বত্য চট্টগ্রাম দেশের জন্য বোঝা নয়, বরং দেশের জন্য স্মার্ট জনপদ হিসেবে অন্যতম সম্পদে রূপান্তরিত হবে।

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ২৫তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে আমি তিন পার্বত্য জেলায় দীর্ঘমেয়াদী শান্তি প্রতিষ্ঠা, আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণ এবং বিকাশে সকলের সার্বিক সহযোগিতা একান্তভাবে কামনা করছি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী ২০৪১ সালের মধ্যে দেশকে একটি উন্নত সমৃদ্ধ ও স্মার্ট বাংলাদেশ রূপান্তরে পার্বত্য চট্টগ্রাম যাতে অনুকরণীয় মডেল হিসেবে খ্যাতি অর্জন করতে পাওে সেই লক্ষ্যে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানাচ্ছি।

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ২৫তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষ্যে আমি পার্বত্য চট্টগ্রামবাসীর পক্ষ থেকে দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা, অভিনন্দন ও ভালোবাসা জ্ঞাপন করছি।

জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।

বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি,
মন্ত্রী
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার