সংবাদ শিরোনাম ::
বাবুগঞ্জে খাল পরিষ্কার কর্মসূচির উদ্বোধন ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন নিশ্চিত করা হবে, স্থানীয় নির্বাচনে থাকবে বিএনপির একক প্রার্থী” — অ্যাড. মো. শাহাদাৎ হোসেন বরিশালে ৫০০ পিস ইয়াবাসহ বাবুগঞ্জের দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার শাপলা চত্বরে হত্যাকান্ডের ঘটনায় সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী গ্রেফতার ভিমরুলী ভাসমান পেয়ারা বাজারে সাউন্ড সিস্টেম ও ডিজে ব্যবহার বন্ধে প্রশাসনের কড়া নজরদারি সড়ক দুর্ঘটনা রোধে চুয়াডাঙ্গায় গণপরিবহন ষ্টাফদের ডোপ টেস্ট পটুয়াখালীতে ধর্ষণের অভিযোগে জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে মামলা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, খুলনা বিভাগে নতুন আক্রান্ত ৮৫ বাগেরহাটে বন্ধুর হাতেই খুন আইনজীবী শান্ত,হত্যা মামলায় দুই ভাইসহ গ্রেপ্তার ৪ বানারীপাড়ায় সন্ধ্যা নদীর ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শনে এমপি সান্টু: ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে চাল বিতরণ

সিলেট জুড়ে বৃষ্টিতে স্বস্তি ফিরে পেয়েছে চা বাগান গুলোতে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:১৭:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ মার্চ ২০২৩ ৬৭ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আবুল কাশেম রুমন,সিলেট: গত কয়েক মাসের খরতাপে সিলেটের চা বাগান গুলোতে দেখা দিয়ে ছিলো হতাশা। যে পরিমান চা উৎপাদন হওয়া কথা ছিলো সে পরিমান না হওয়া তে চা বাগান মালিকদের মাঝে দেখা দিয়ে ছিলো নানা দুঃশ্চিন্তা, তার একমাত্র কারণ হিসেবে ধরা হয় বৃষ্টি সময় মতো এ বছর বৃষ্টি না হওয়াতে অনেক বাগানে চাপাতা গাছ প্রায় হলুদ রংঙ্গের পাতায় দৃষ্টি পায়, অনেক গাছ আবার মরেও গেছে। গত দুদিনের বৃষ্টিতে স্বস্তি ফিরেছে সিলেট ও মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জের চা বাগানগুলোতে। বৃষ্টির কারণে এবার ভালো উৎপাদনের আশা করছেন বাগান সংশ্লিষ্টরা।
সিলেট, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট, মাধবপুর, বাহুবল ও নবীগঞ্জের কয়েকটি চা বাগানে ঘুরে দেখা যায়, বৃষ্টিভেজা চায়ের কুঁড়ি আরো সতেজ হয়ে উঠেছে। তেলিয়াপাড়া চা কারখানায় সবুজ কুড়ির স্তুপ। সব প্রক্রিয়া শেষে কুড়িগুলো রয়েছে বাজারজাতের অপেক্ষায়।
চা বাগান সূত্রে জানা যায়, এ বছর হবিগঞ্জ জেলার ২৫টি চা বাগানে সোয়া এক কোটি কেজি চা পাতা উত্তোলনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে বাগান গুলোতে উৎপাদন শুরু হওয়ায় এ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের আশাবাদ বাগান কর্তৃপক্ষের।
বাগান মালিকরা জানান, কয়েক দিনের বৃষ্টিতে চা বাগানগুলোর জন্য অনেক ভালো হয়েছে। এ সময় টাতে বৃষ্টি না হলে পাতা লালচে রঙ ধারন করাসহ গাছে বিভিন্ন রোগ দেখা দেয়। তবে এবার সঠিক সময়ে বৃষ্টি হওয়ায় বিভিন্ন রোগ থেকে মুক্ত থাকবে গাছ এবং উৎপাদনও ভাল হবে।
এদিকে বৃষ্টি হওয়াতে পোকা-মাকড়ের আক্রমণ কমেছে। দুই সপ্তাহ পর এই বৃষ্টির পুরোপুরি সুফল পাওয়া যাবে। অন্যান্য বছর আরো আগেই বৃষ্টি হয়। ফলে এই সময়ে বাগানের উৎপাদন থাকতো সর্বোচ্চ পর্যায়ে। যেহেতু এখনও মৌসুমের শুরু অবস্থা, তাই যদি আবহাওয়া অনুকূলে থাকে তাহলে মৌসুম শেষে অনেক ভালো উৎপাদন হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

সিলেট জুড়ে বৃষ্টিতে স্বস্তি ফিরে পেয়েছে চা বাগান গুলোতে

আপডেট সময় : ১২:১৭:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ মার্চ ২০২৩

আবুল কাশেম রুমন,সিলেট: গত কয়েক মাসের খরতাপে সিলেটের চা বাগান গুলোতে দেখা দিয়ে ছিলো হতাশা। যে পরিমান চা উৎপাদন হওয়া কথা ছিলো সে পরিমান না হওয়া তে চা বাগান মালিকদের মাঝে দেখা দিয়ে ছিলো নানা দুঃশ্চিন্তা, তার একমাত্র কারণ হিসেবে ধরা হয় বৃষ্টি সময় মতো এ বছর বৃষ্টি না হওয়াতে অনেক বাগানে চাপাতা গাছ প্রায় হলুদ রংঙ্গের পাতায় দৃষ্টি পায়, অনেক গাছ আবার মরেও গেছে। গত দুদিনের বৃষ্টিতে স্বস্তি ফিরেছে সিলেট ও মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জের চা বাগানগুলোতে। বৃষ্টির কারণে এবার ভালো উৎপাদনের আশা করছেন বাগান সংশ্লিষ্টরা।
সিলেট, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট, মাধবপুর, বাহুবল ও নবীগঞ্জের কয়েকটি চা বাগানে ঘুরে দেখা যায়, বৃষ্টিভেজা চায়ের কুঁড়ি আরো সতেজ হয়ে উঠেছে। তেলিয়াপাড়া চা কারখানায় সবুজ কুড়ির স্তুপ। সব প্রক্রিয়া শেষে কুড়িগুলো রয়েছে বাজারজাতের অপেক্ষায়।
চা বাগান সূত্রে জানা যায়, এ বছর হবিগঞ্জ জেলার ২৫টি চা বাগানে সোয়া এক কোটি কেজি চা পাতা উত্তোলনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে বাগান গুলোতে উৎপাদন শুরু হওয়ায় এ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের আশাবাদ বাগান কর্তৃপক্ষের।
বাগান মালিকরা জানান, কয়েক দিনের বৃষ্টিতে চা বাগানগুলোর জন্য অনেক ভালো হয়েছে। এ সময় টাতে বৃষ্টি না হলে পাতা লালচে রঙ ধারন করাসহ গাছে বিভিন্ন রোগ দেখা দেয়। তবে এবার সঠিক সময়ে বৃষ্টি হওয়ায় বিভিন্ন রোগ থেকে মুক্ত থাকবে গাছ এবং উৎপাদনও ভাল হবে।
এদিকে বৃষ্টি হওয়াতে পোকা-মাকড়ের আক্রমণ কমেছে। দুই সপ্তাহ পর এই বৃষ্টির পুরোপুরি সুফল পাওয়া যাবে। অন্যান্য বছর আরো আগেই বৃষ্টি হয়। ফলে এই সময়ে বাগানের উৎপাদন থাকতো সর্বোচ্চ পর্যায়ে। যেহেতু এখনও মৌসুমের শুরু অবস্থা, তাই যদি আবহাওয়া অনুকূলে থাকে তাহলে মৌসুম শেষে অনেক ভালো উৎপাদন হবে।