সংবাদ শিরোনাম ::
বিজয়নগরে লুডু খেলাকে কেন্দ্র করে নিহত ১ আহত ৫ ঝালকাঠির ভীমরুলির ভাসমান পর্যটন কেন্দ্রে অতিরিক্ত ভাড়া ও উচ্চশব্দে সাউন্ড বক্স বাজানোর দায়ে অভিযান দর্শনায় বিজিবির অভিযানে ১৩ কোটি টাকার স্বর্ণসহ এক পাচারকারী আটক বিজয়নগর উপজেলা আমতলী বাজারের vision এর নতুন শো রুমের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে, বাবুগঞ্জে নদী ভাঙন প্রতিরোধে জরুরি কাজের উদ্বোধন বাবুগঞ্জের চাঁদপাশা ইউপিতে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে মাঠে সক্রিয় জামায়াত নেতা রফিকুল ইসলাম। ঝালকাঠিতে ১০ পিস ইয়াবাসহ নারী মাদক কারবারি গ্রেফতার ঝালকাঠিতে স্টেকহোল্ডারদের সাথে নৌ পুলিশের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ভীমরুলি পেয়ারা বাগানে শব্দযন্ত্রের অবৈধ ব্যবহার রোধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, দুই ট্রলারকে জরিমানা ঝালকাঠির ঐতিহ্যবাহী পেয়ারা বাগান পরিদর্শনে গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক

বরিশালে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান হচ্ছেন জাহাঙ্গীর, সাইফুল্লাহ ও টুলু

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৫০:৪৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ ৮৭ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স ॥ বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় বরগুনা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন বরগুনা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর কবীর। তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধি মনোনয়ন বোর্ডের সভাপতি শেখ হাসিনার স্বাক্ষরিত ১১ সেপ্টেম্বর সমর্থিতপত্র পেয়েছেন।

জানা যায়, বরগুনা জেলা পরিষদ নির্বাচনে ৮ সেপ্টেম্বর বরগুনা জেলা আওয়ামী লীগের ৭ জন এবং আওয়ামী লীগ ঘরোনার ২ জন চেয়ারম্যান পদে দলীয় মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন। তারা হলেন- বরগুনা জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এলিচ নিজাম, সাধারণ সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর কবীর, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুল মোতালেব মৃধা, আব্বাস হোসেন মন্টু মোল্লা, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক অ্যাডভোকেট এম মজিবুল হক কিসলু, সদস্য অ্যাডভোকেট মো: শাহজাহান, অ্যাডভোকেট জিয়া উদ্দিন হিমু, সাবেক সদস্য মো: আবদুল মোতালেব মিয়া ও জামাল উদ্দিন বিশ্বাস।

এক সাক্ষাতকারে মো. জাহাঙ্গীর কবীর বলেন, আমি ৫০ বছর অধিক সময় আওয়ামী লীগের রাজনীতি করে আসছি। আমি ও আমার পরিবার কোন দিন আওয়ামী লীগের রাজনীতি থেকে দূরে সরে যাইনি। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতার হত্যার প্রতিবাদ করতে গিয়ে কারা বরণ করেছি। আওয়ামী লীগের দুর্দিনে আমি পিছপা হইনি।

এ ব্যাপারে বরগুনা জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা দিলীপ কুমার হাওলাদার বলেন, একক প্রার্থীর ক্ষেত্রে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের দিন ২৫ সেপ্টেম্বরের পর বেসরকারিভাবে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে নির্বাচিত ঘোষণা করা হবে। পরে গেজেট জারি করবে নির্বাচন কমিশন।

সংরক্ষিত ২টি আসনের বিপরীতে ৮ জন ও সাধারণ সদস্য ৬ জনের বিপরীতে ২৩ জন মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন।

উল্লেখ্য, মনোনয়ন বাছাই হবে ১৮ সেপ্টেম্বর। আপিল ১৯ সেপ্টেম্বর। প্রত্যাহার ২৫ সেপ্টেম্বর ও ভোটগ্রহণ ১৭ অক্টোবর। মোট ভোটার ৬১৬ জন।

অপরদিকে
ঝালকাঠি জেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী অ্যাডভোকেট খান সাইফুল্লাহ বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান হওয়ার পথে।

বৃহস্পতিবার বেলা ১২টার দিকে দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা জেলা প্রশাসক মো. জোহর আলীর কাছে তার মনোনয়নপত্র জমা দেন। জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে তিনিই একমাত্র প্রার্থী। ফলে মনোনয়নপত্র বৈধ হলে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় তিনিই হবেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান।

এছাড়া সদস্য ৬টি পদে ১৫ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। জেলা পরিষদের সদস্য ছয়টি পদে আওয়ামী লীগের মনোনিত ছয় প্রার্থী- মো. শমিসুল ইকরাম পিরু, নলছিটি উপজেলায় সোহরাব হোসেন মাস্টার, রাজাপুরে অ্যাডভোকেট খাইরুল আলম সরফরাজ, কাঁঠালিয়ায় এসএম ফয়জুল আলম সিদ্দিকী ফিরোজ, সংরক্ষিত নারী সদস্য হিসেবে হোসনে আরা মান্নান (ঝালকাঠি-নলছিটি) ও নারী সদস্য হিসেবে জাহানারা হক (রাজাপুর-কাঁঠালিয়া) মনোনয়নপত্র দাখিল করেন।

এদিকে সদস্য পদে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ছাড়াও ৯ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। তারা হলেন- মো. তরিকুল ইসলাম, মো. নজরুল ইসলাম, মো. সিদ্দিকুর রহমান, এসএম আমিরুল ইসলাম, মনিরুজ্জামান গোলদার, সেয়দ মো. শামীম জাহাঙ্গীর, নাছরিন সুলতানা মুন্নী, মোসা. সনিয়া ও জ্যোস্না খানম। ফলে আগামী ১৭ অক্টোবর শুধু সদস্য পদে ভোট গ্রহণ করা হবে। এ নির্বাচনে ৪৫৪ জন ভোটার রয়েছেন, যারা চার উপজেলার জনপ্রতিনিধি।

অপরদিকে
ভোলায় জেলা পরিষদ নির্বাচনে একক প্রার্থী হিসেবে তৃতীয়বারের মতো চেয়ারম্যান হয়েছেন বর্তমান প্রশাসক ও জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি আবদুল মমিন টুলু।

বৃহস্পতিবার পর্যন্ত মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ সময়ে চেয়ারম্যান পদে আবদুল মমিন টুলু ছাড়া আর কেউ মনোনয়ন দাখিল করেননি। ফলে প্রাথমিকভাবে টুলুকেই একক প্রার্থী বলে জানান জেলা রির্টানিং অফিসার জেলা প্রশাসক মো. তৌফিক-ইলাহী চৌধুরী।

অপরদিকে সদস্য পদে একক প্রার্থী রয়েছে- লালমোহেনের আনোয়ারুল ইসলাম রিপন। তজুমদ্দিনে মো. হাছান, চরফ্যাশনে নুরুল ইসলাম ভিপি, মনপুরা উপজেলায় একেএম শাজাহান। সংরক্ষিত-১ আসনে একক প্রার্থী জেলা যুব মহিলা লীগের আহ্বায়ক খাদিজা আক্তার স্বপ্না।

সহকারী রিটার্নিং অফিসার সৈয়দ সফিকুল হক জানান, মনোনয়নপত্র যাচাইবাছাইয়ের পর এদের বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করা হবে।

আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন পেয়ে চেয়াম্যান পদে বুধবার মনোনয়নপত্র জমা দেন আবদুল মমিন টুলু। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার আগে দোয়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য ও বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ তোফায়েল আহমেদ।

চেয়ারম্যান পদে একটি ও সাধারণ সদস্য ৭ পদের বিপরীতে ১০টি, নারী সদস্য ৩ পদের বিপরীতে ৫টি মনোনয়নপত্র জমা পড়েছে। আগামী ১৭ অক্টোবর এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতীয় তৃতীয়বার জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়া টুলু সাংবাদিকদের জানান, বিগত দিনে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্বে পালন করেছেন। জেলা পরিষদের তহবিলে ১০ কোটি টাকার স্থায়ী আমানত করেছেন। তার আমলে জেলা পরিষদের নিজস্ব আয় বেড়েছে। তার সাজানো জেলা পরিষদ চত্বর বর্তমানে পর্যটনের অংশ হয়েছে।

এদিকে সাধারণ সদস্য পদে মনোনয়নপত্র জমা দেন- পুরুষ সাধারণ ওয়ার্ড-১ (ভোলা সদর) ভোলা সদর উপজেলা আওয়ামী লীগ সম্পাদক মো. নজরুল ইসলাম গোলদার ও অধ্যক্ষ হুমায়ুন কবির। সাধারণ ওয়ার্ড-২ মো. খায়রুল হাসান খোকন ও উপজেলা আওয়ামী লীগ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন জাহাঙ্গীর।

সাধারণ ওয়ার্ড-৩ (বোরহানউদ্দিন) এমএন আব্দুল্লাহ ও নুরুল আমিন নিরব মিয়া। একক প্রার্থী হয়েছেন সাধারণ ওয়ার্ড-৪ (তজুমদ্দিন) মো. হাছান। সাধারণ ওয়ার্ড-৫ (লালমোহন) আনোয়ারুল ইসলাম রিপন।

ওয়ার্ড-৬ চরফ্যাশন উপজেলা আওয়ামী লীগ সম্পাদক নুরুল ইসলাম ভিপি। ওয়ার্ড-৭ (মনপুরা) একেএম শাজাহান। সংরক্ষিত-১ ওয়ার্ডে একক প্রার্থী খাদিজা আক্তার স্বপ্না। সংরক্ষিত-২ সালমা জাহান ও সাবিনা ইয়াসমিন। সংরক্ষিত-৩ মিসেস লাভলী হাওলাদার ও কামরুন নাহার। ভোটার সংখ্যা ৯৮২ জন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বরিশালে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান হচ্ছেন জাহাঙ্গীর, সাইফুল্লাহ ও টুলু

আপডেট সময় : ০৫:৫০:৪৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২২

আজকের ক্রাইম ডেক্স ॥ বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় বরগুনা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন বরগুনা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর কবীর। তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধি মনোনয়ন বোর্ডের সভাপতি শেখ হাসিনার স্বাক্ষরিত ১১ সেপ্টেম্বর সমর্থিতপত্র পেয়েছেন।

জানা যায়, বরগুনা জেলা পরিষদ নির্বাচনে ৮ সেপ্টেম্বর বরগুনা জেলা আওয়ামী লীগের ৭ জন এবং আওয়ামী লীগ ঘরোনার ২ জন চেয়ারম্যান পদে দলীয় মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন। তারা হলেন- বরগুনা জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এলিচ নিজাম, সাধারণ সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর কবীর, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুল মোতালেব মৃধা, আব্বাস হোসেন মন্টু মোল্লা, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক অ্যাডভোকেট এম মজিবুল হক কিসলু, সদস্য অ্যাডভোকেট মো: শাহজাহান, অ্যাডভোকেট জিয়া উদ্দিন হিমু, সাবেক সদস্য মো: আবদুল মোতালেব মিয়া ও জামাল উদ্দিন বিশ্বাস।

এক সাক্ষাতকারে মো. জাহাঙ্গীর কবীর বলেন, আমি ৫০ বছর অধিক সময় আওয়ামী লীগের রাজনীতি করে আসছি। আমি ও আমার পরিবার কোন দিন আওয়ামী লীগের রাজনীতি থেকে দূরে সরে যাইনি। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতার হত্যার প্রতিবাদ করতে গিয়ে কারা বরণ করেছি। আওয়ামী লীগের দুর্দিনে আমি পিছপা হইনি।

এ ব্যাপারে বরগুনা জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা দিলীপ কুমার হাওলাদার বলেন, একক প্রার্থীর ক্ষেত্রে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের দিন ২৫ সেপ্টেম্বরের পর বেসরকারিভাবে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে নির্বাচিত ঘোষণা করা হবে। পরে গেজেট জারি করবে নির্বাচন কমিশন।

সংরক্ষিত ২টি আসনের বিপরীতে ৮ জন ও সাধারণ সদস্য ৬ জনের বিপরীতে ২৩ জন মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন।

উল্লেখ্য, মনোনয়ন বাছাই হবে ১৮ সেপ্টেম্বর। আপিল ১৯ সেপ্টেম্বর। প্রত্যাহার ২৫ সেপ্টেম্বর ও ভোটগ্রহণ ১৭ অক্টোবর। মোট ভোটার ৬১৬ জন।

অপরদিকে
ঝালকাঠি জেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী অ্যাডভোকেট খান সাইফুল্লাহ বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান হওয়ার পথে।

বৃহস্পতিবার বেলা ১২টার দিকে দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা জেলা প্রশাসক মো. জোহর আলীর কাছে তার মনোনয়নপত্র জমা দেন। জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে তিনিই একমাত্র প্রার্থী। ফলে মনোনয়নপত্র বৈধ হলে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় তিনিই হবেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান।

এছাড়া সদস্য ৬টি পদে ১৫ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। জেলা পরিষদের সদস্য ছয়টি পদে আওয়ামী লীগের মনোনিত ছয় প্রার্থী- মো. শমিসুল ইকরাম পিরু, নলছিটি উপজেলায় সোহরাব হোসেন মাস্টার, রাজাপুরে অ্যাডভোকেট খাইরুল আলম সরফরাজ, কাঁঠালিয়ায় এসএম ফয়জুল আলম সিদ্দিকী ফিরোজ, সংরক্ষিত নারী সদস্য হিসেবে হোসনে আরা মান্নান (ঝালকাঠি-নলছিটি) ও নারী সদস্য হিসেবে জাহানারা হক (রাজাপুর-কাঁঠালিয়া) মনোনয়নপত্র দাখিল করেন।

এদিকে সদস্য পদে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ছাড়াও ৯ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। তারা হলেন- মো. তরিকুল ইসলাম, মো. নজরুল ইসলাম, মো. সিদ্দিকুর রহমান, এসএম আমিরুল ইসলাম, মনিরুজ্জামান গোলদার, সেয়দ মো. শামীম জাহাঙ্গীর, নাছরিন সুলতানা মুন্নী, মোসা. সনিয়া ও জ্যোস্না খানম। ফলে আগামী ১৭ অক্টোবর শুধু সদস্য পদে ভোট গ্রহণ করা হবে। এ নির্বাচনে ৪৫৪ জন ভোটার রয়েছেন, যারা চার উপজেলার জনপ্রতিনিধি।

অপরদিকে
ভোলায় জেলা পরিষদ নির্বাচনে একক প্রার্থী হিসেবে তৃতীয়বারের মতো চেয়ারম্যান হয়েছেন বর্তমান প্রশাসক ও জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি আবদুল মমিন টুলু।

বৃহস্পতিবার পর্যন্ত মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ সময়ে চেয়ারম্যান পদে আবদুল মমিন টুলু ছাড়া আর কেউ মনোনয়ন দাখিল করেননি। ফলে প্রাথমিকভাবে টুলুকেই একক প্রার্থী বলে জানান জেলা রির্টানিং অফিসার জেলা প্রশাসক মো. তৌফিক-ইলাহী চৌধুরী।

অপরদিকে সদস্য পদে একক প্রার্থী রয়েছে- লালমোহেনের আনোয়ারুল ইসলাম রিপন। তজুমদ্দিনে মো. হাছান, চরফ্যাশনে নুরুল ইসলাম ভিপি, মনপুরা উপজেলায় একেএম শাজাহান। সংরক্ষিত-১ আসনে একক প্রার্থী জেলা যুব মহিলা লীগের আহ্বায়ক খাদিজা আক্তার স্বপ্না।

সহকারী রিটার্নিং অফিসার সৈয়দ সফিকুল হক জানান, মনোনয়নপত্র যাচাইবাছাইয়ের পর এদের বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করা হবে।

আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন পেয়ে চেয়াম্যান পদে বুধবার মনোনয়নপত্র জমা দেন আবদুল মমিন টুলু। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার আগে দোয়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য ও বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ তোফায়েল আহমেদ।

চেয়ারম্যান পদে একটি ও সাধারণ সদস্য ৭ পদের বিপরীতে ১০টি, নারী সদস্য ৩ পদের বিপরীতে ৫টি মনোনয়নপত্র জমা পড়েছে। আগামী ১৭ অক্টোবর এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতীয় তৃতীয়বার জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়া টুলু সাংবাদিকদের জানান, বিগত দিনে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্বে পালন করেছেন। জেলা পরিষদের তহবিলে ১০ কোটি টাকার স্থায়ী আমানত করেছেন। তার আমলে জেলা পরিষদের নিজস্ব আয় বেড়েছে। তার সাজানো জেলা পরিষদ চত্বর বর্তমানে পর্যটনের অংশ হয়েছে।

এদিকে সাধারণ সদস্য পদে মনোনয়নপত্র জমা দেন- পুরুষ সাধারণ ওয়ার্ড-১ (ভোলা সদর) ভোলা সদর উপজেলা আওয়ামী লীগ সম্পাদক মো. নজরুল ইসলাম গোলদার ও অধ্যক্ষ হুমায়ুন কবির। সাধারণ ওয়ার্ড-২ মো. খায়রুল হাসান খোকন ও উপজেলা আওয়ামী লীগ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন জাহাঙ্গীর।

সাধারণ ওয়ার্ড-৩ (বোরহানউদ্দিন) এমএন আব্দুল্লাহ ও নুরুল আমিন নিরব মিয়া। একক প্রার্থী হয়েছেন সাধারণ ওয়ার্ড-৪ (তজুমদ্দিন) মো. হাছান। সাধারণ ওয়ার্ড-৫ (লালমোহন) আনোয়ারুল ইসলাম রিপন।

ওয়ার্ড-৬ চরফ্যাশন উপজেলা আওয়ামী লীগ সম্পাদক নুরুল ইসলাম ভিপি। ওয়ার্ড-৭ (মনপুরা) একেএম শাজাহান। সংরক্ষিত-১ ওয়ার্ডে একক প্রার্থী খাদিজা আক্তার স্বপ্না। সংরক্ষিত-২ সালমা জাহান ও সাবিনা ইয়াসমিন। সংরক্ষিত-৩ মিসেস লাভলী হাওলাদার ও কামরুন নাহার। ভোটার সংখ্যা ৯৮২ জন।