সংবাদ শিরোনাম ::
ঘোড়াঘাটের সিংড়া ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্ল্যাণ কেন্দ্রটি ৪ বছর ধরে পরিত্যক্ত ,’অস্থায়ী’ ভবনে স্বাস্থ্যসেবা চুয়াডাঙ্গায় মাথাভাঙ্গা নদী থেকে মরদেহ উদ্ধার, পিবিআইয়ের সহায়তায় মিললো পরিচয় ঝালকাঠিতে রেড ক্রিসেন্টের পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও ডেঙ্গু সচেতনতা কর্মসূচি বরিশালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যাত্রীবাহী বাস পুকুরে: কাঁচামাল ব্যবসায়ী নিহত বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ পরিচ্ছন্ন রাখতে কাঠালিয়া পাইলট বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রাণবন্ত পরিচ্ছন্নতা অভিযান তেল, গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটময় অবস্থায় পৌঁছেছে ঝালকাঠিতে অ্যাডভোকেট মুয়াযযম হোসাইন হেলাল চুয়াডাঙ্গায় ইয়াবাসহ সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আ.লীগ নেতা আটক ভান্ডারিয়ায় নাম্বারপ্লেটবিহীন মোটরসাইকেলে মোবাইল কোর্ট, ৭ মামলায় ৩২ হাজার টাকা জরিমানা ঢাকা রেঞ্জের নবগত ডিআইজি কে নিয়ে অপপ্রচারের মেতে উঠেছে কুচক্রী মহল নারীসহ ফ্ল্যাটে ওসি আটক, ‘ষষ্ঠ স্ত্রী’র বিস্ফোরক অভিযোগ

স্ত্রী-কন্যার মর্মান্তিক মৃত্যু:ডোমারে স্ত্রী-কন্যা ও শাশুড়িকে কুপিয়ে নিজ প্রাণনাশের চেষ্টা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:১৯:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩১ অগাস্ট ২০২২ ৯৩ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ক্রাইম রিপোর্টার।।নীলফামারীর ডোমারে ১৪দিন বয়সী শিশু পুত্রকে পানিতে ফেলে দিয়ে স্ত্রী, কন্যা ও শাশুড়িকে ধারালো ছুরি দিয়ে কুপিয়ে নিজ পেটে ছুরি চালিয়ে জিয়ারুল ইসলাম জিয়া(৩০)নামে এক যুবক প্রাণনাশের চেষ্টা করেছেন।ঘটনাস্থলে স্ত্রী রত্না বেগম(২৫) ও আড়াই বছর বয়সি কন্যা ইয়াছমিনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।গুরুতর আহত অবস্থায় আহত জিয়ারুলসহ তার ১৪দিন বয়সী শিশু পুত্র ও শাশুড়ি বিলকিস বেগম(৪৫)কে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়।ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন নীলফামারী পুলিশ সুপার(এসপি)মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান ও ডোমার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি)মাহমুদ উন নবী।বুধবার(৩১আগস্ট)দুপুর আনুমানিক দুইটার সময় উপজেলার বোড়াগাড়ী ইউনিয়নের হরিতকীতলা ও নিমোজখানা একটি কাচাঁ রাস্তায় এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে।নিহত রত্না বেগম ও কন্যা ইয়াছমিন ওই এলাকায় তার বাবা আব্দুল করিমের বাড়ীত থাকতেন। ঘাতক জিয়ারুল একই ইউনিয়নের চান্দিনাপাড়া গ্রামের মো. সমারু মামুদের ছেলে।সে শশুর বাড়ীতে ঘর জামাই থাকলেও কিছুদিন ধরে নিজ বাড়ীতে থাকেন।সে কখনো রাজমিস্ত্রীর কাজ ও কখনো অটো চার্জার গাড়ী চালাতেন।
এলাকাবাসীর বরাত দিয়ে ওই ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য অশনী কুমার রায় বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে দেখি দুইটি লাশ পড়ে আছে।রক্তাক্ত অবস্থায় এক নারীর কোলে একটি শিশু ও একজন পুরুষ পড়ে আছে।শুনেছি দীর্ঘ দিন হতে তাদের স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে অবনতা চলছিল। দুপুরে জিয়া আর তার স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া হয়।জিয়া ক্ষিপ্ত হয়ে তার স্ত্রী,এক কন্যা ও শ্বাশুড়িকে ছুরি দিয়ে কোপায় এবং ১৪ দিন বয়সী শিশু পুত্রকে পানিতে ফেলে দিয়ে নিজের পেটে ছুরি দিয়ে কোপ মেরে আত্মহত্যার চেষ্টা করে।ডোমার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক ডা. আবু সাঈদ জানান, বিলকিস বেগমের শরীরে একাধিক জখম রয়েছে ও ১৪ দিন বয়সী একটি শিশুর চিকিৎসা চলছে। এবং জিয়ারুলের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে।
ডোমার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি)মাহমুদ-উন-নবী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন,তিন জনকে আহত অবস্থায় ও দুই জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

স্ত্রী-কন্যার মর্মান্তিক মৃত্যু:ডোমারে স্ত্রী-কন্যা ও শাশুড়িকে কুপিয়ে নিজ প্রাণনাশের চেষ্টা

আপডেট সময় : ০৪:১৯:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩১ অগাস্ট ২০২২

ক্রাইম রিপোর্টার।।নীলফামারীর ডোমারে ১৪দিন বয়সী শিশু পুত্রকে পানিতে ফেলে দিয়ে স্ত্রী, কন্যা ও শাশুড়িকে ধারালো ছুরি দিয়ে কুপিয়ে নিজ পেটে ছুরি চালিয়ে জিয়ারুল ইসলাম জিয়া(৩০)নামে এক যুবক প্রাণনাশের চেষ্টা করেছেন।ঘটনাস্থলে স্ত্রী রত্না বেগম(২৫) ও আড়াই বছর বয়সি কন্যা ইয়াছমিনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।গুরুতর আহত অবস্থায় আহত জিয়ারুলসহ তার ১৪দিন বয়সী শিশু পুত্র ও শাশুড়ি বিলকিস বেগম(৪৫)কে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়।ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন নীলফামারী পুলিশ সুপার(এসপি)মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান ও ডোমার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি)মাহমুদ উন নবী।বুধবার(৩১আগস্ট)দুপুর আনুমানিক দুইটার সময় উপজেলার বোড়াগাড়ী ইউনিয়নের হরিতকীতলা ও নিমোজখানা একটি কাচাঁ রাস্তায় এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে।নিহত রত্না বেগম ও কন্যা ইয়াছমিন ওই এলাকায় তার বাবা আব্দুল করিমের বাড়ীত থাকতেন। ঘাতক জিয়ারুল একই ইউনিয়নের চান্দিনাপাড়া গ্রামের মো. সমারু মামুদের ছেলে।সে শশুর বাড়ীতে ঘর জামাই থাকলেও কিছুদিন ধরে নিজ বাড়ীতে থাকেন।সে কখনো রাজমিস্ত্রীর কাজ ও কখনো অটো চার্জার গাড়ী চালাতেন।
এলাকাবাসীর বরাত দিয়ে ওই ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য অশনী কুমার রায় বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে দেখি দুইটি লাশ পড়ে আছে।রক্তাক্ত অবস্থায় এক নারীর কোলে একটি শিশু ও একজন পুরুষ পড়ে আছে।শুনেছি দীর্ঘ দিন হতে তাদের স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে অবনতা চলছিল। দুপুরে জিয়া আর তার স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া হয়।জিয়া ক্ষিপ্ত হয়ে তার স্ত্রী,এক কন্যা ও শ্বাশুড়িকে ছুরি দিয়ে কোপায় এবং ১৪ দিন বয়সী শিশু পুত্রকে পানিতে ফেলে দিয়ে নিজের পেটে ছুরি দিয়ে কোপ মেরে আত্মহত্যার চেষ্টা করে।ডোমার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক ডা. আবু সাঈদ জানান, বিলকিস বেগমের শরীরে একাধিক জখম রয়েছে ও ১৪ দিন বয়সী একটি শিশুর চিকিৎসা চলছে। এবং জিয়ারুলের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে।
ডোমার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি)মাহমুদ-উন-নবী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন,তিন জনকে আহত অবস্থায় ও দুই জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।