সংবাদ শিরোনাম ::
ঘোড়াঘাটের সিংড়া ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্ল্যাণ কেন্দ্রটি ৪ বছর ধরে পরিত্যক্ত ,’অস্থায়ী’ ভবনে স্বাস্থ্যসেবা চুয়াডাঙ্গায় মাথাভাঙ্গা নদী থেকে মরদেহ উদ্ধার, পিবিআইয়ের সহায়তায় মিললো পরিচয় ঝালকাঠিতে রেড ক্রিসেন্টের পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও ডেঙ্গু সচেতনতা কর্মসূচি বরিশালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যাত্রীবাহী বাস পুকুরে: কাঁচামাল ব্যবসায়ী নিহত বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ পরিচ্ছন্ন রাখতে কাঠালিয়া পাইলট বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রাণবন্ত পরিচ্ছন্নতা অভিযান তেল, গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটময় অবস্থায় পৌঁছেছে ঝালকাঠিতে অ্যাডভোকেট মুয়াযযম হোসাইন হেলাল চুয়াডাঙ্গায় ইয়াবাসহ সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আ.লীগ নেতা আটক ভান্ডারিয়ায় নাম্বারপ্লেটবিহীন মোটরসাইকেলে মোবাইল কোর্ট, ৭ মামলায় ৩২ হাজার টাকা জরিমানা ঢাকা রেঞ্জের নবগত ডিআইজি কে নিয়ে অপপ্রচারের মেতে উঠেছে কুচক্রী মহল নারীসহ ফ্ল্যাটে ওসি আটক, ‘ষষ্ঠ স্ত্রী’র বিস্ফোরক অভিযোগ

নুডলস খাওয়ার সময় শিশুর গলায় আটকে গেল সেফটি পিন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৪৪:২৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ অগাস্ট ২০২২ ১৩৬ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স ॥ মায়ের হাতে নুডলস খেতে গিয়ে সোহানা আক্তার জিদনি (০৩) নামে এক শিশুর গলায় সেফটি পিন আটকে গেছে। অসুস্থ অবস্থায় গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

বর্তমানে শিশুটি হাসপাতালের ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসক। শিশু সোহানা আক্তার জিদনি নাটোরের লালপুর উপজেলার বিলমাড়িয়া ইউনিয়নের বড়বাগপাড়া এলাকার শফিকুল ইসলামের মেয়ে।

হাসপাতালে শিশুটির সঙ্গে এসেছেন তার চাচাতো ভাই হাসান আলী। তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার বিকেলে শিশু জিদনিকে নুডলস খাওয়াচ্ছিলেন তার মা জুলেখা বেগম। একপর্যায়ে তার গলায় কিছু একটা আটকে যায়।

এরপর শিশুটি বমি করতে করতে অসুস্থ হয়ে পড়ে। রাতেই তাকে রাজশাহীর বাঘা উপজেলার একটি ক্লিনিকে নেওয়া হয়। এক্স-রে করে সেখানে গলায় সেফটি পিন আটকে থাকতে দেখা যায়। সেখান থেকে রাত ১২টার দিকে জিদনিকে রামেক হাসপাতালে আনা হয়েছে।

আজ শুক্রবার সকাল ৮টার দিকে রাজশাহীর ইসলামী ব্যাংক মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ফের এক্স-রে করা হয়েছে। সেখানেও গলায় সেফটি পিন আটকে থাকতে দেখা গেছে।

হাসান আলী আরও জানান, কীভাবে গলায় সেফটি পিন গেল সেটি বোঝা যাচ্ছে না। সেফটি পিন পানিতে ছিল, নাকি নুডলসের মধ্যে ছিল তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

দায়িত্বরত চিকিৎসক নাজমুল হাসানের বরাত দিয়ে তিনি জানান, শুক্রবার সকালে চিকিৎসক রাউন্ডে এসেছিলেন। তিনি জানিয়েছেন, শিশুটির অস্ত্রোপচার প্রয়োজন। কিন্তু সেই ধরনের যন্ত্রপাতি এখানে নেই। সে জন্য দ্রুত ঢাকায় নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসক।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

নুডলস খাওয়ার সময় শিশুর গলায় আটকে গেল সেফটি পিন

আপডেট সময় : ১১:৪৪:২৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ অগাস্ট ২০২২

আজকের ক্রাইম ডেক্স ॥ মায়ের হাতে নুডলস খেতে গিয়ে সোহানা আক্তার জিদনি (০৩) নামে এক শিশুর গলায় সেফটি পিন আটকে গেছে। অসুস্থ অবস্থায় গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

বর্তমানে শিশুটি হাসপাতালের ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসক। শিশু সোহানা আক্তার জিদনি নাটোরের লালপুর উপজেলার বিলমাড়িয়া ইউনিয়নের বড়বাগপাড়া এলাকার শফিকুল ইসলামের মেয়ে।

হাসপাতালে শিশুটির সঙ্গে এসেছেন তার চাচাতো ভাই হাসান আলী। তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার বিকেলে শিশু জিদনিকে নুডলস খাওয়াচ্ছিলেন তার মা জুলেখা বেগম। একপর্যায়ে তার গলায় কিছু একটা আটকে যায়।

এরপর শিশুটি বমি করতে করতে অসুস্থ হয়ে পড়ে। রাতেই তাকে রাজশাহীর বাঘা উপজেলার একটি ক্লিনিকে নেওয়া হয়। এক্স-রে করে সেখানে গলায় সেফটি পিন আটকে থাকতে দেখা যায়। সেখান থেকে রাত ১২টার দিকে জিদনিকে রামেক হাসপাতালে আনা হয়েছে।

আজ শুক্রবার সকাল ৮টার দিকে রাজশাহীর ইসলামী ব্যাংক মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ফের এক্স-রে করা হয়েছে। সেখানেও গলায় সেফটি পিন আটকে থাকতে দেখা গেছে।

হাসান আলী আরও জানান, কীভাবে গলায় সেফটি পিন গেল সেটি বোঝা যাচ্ছে না। সেফটি পিন পানিতে ছিল, নাকি নুডলসের মধ্যে ছিল তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

দায়িত্বরত চিকিৎসক নাজমুল হাসানের বরাত দিয়ে তিনি জানান, শুক্রবার সকালে চিকিৎসক রাউন্ডে এসেছিলেন। তিনি জানিয়েছেন, শিশুটির অস্ত্রোপচার প্রয়োজন। কিন্তু সেই ধরনের যন্ত্রপাতি এখানে নেই। সে জন্য দ্রুত ঢাকায় নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসক।