সংবাদ শিরোনাম ::
প্রতিমন্ত্রীর জাল সিল-স্বাক্ষরে কোটি টাকার তদবির বাণিজ্যের অভিযোগ মোংলায় চক্রের মূলহোতা গ্রেফতার, উদ্ধার জাল সিল-স্ট্যাম্প ৫২ নম্বর রহমতপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি নির্বাচিত ইঞ্জিনিয়ার ইয়াছির আরাফাত নলছিটিতে ২ ভূমি কর্মকর্তা শোকজ, কানুনগো বদলি গৌরনদীতে সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনার দুইজন গ্রেপ্তার, মানববন্ধন ঝালকাঠিতে জাতীয় মৎস্য পক্ষ ২০২৬ উদযাপনের প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত নলছিটিতে ভোক্তা অধিকারের অভিযান: ৫টি দোকানকে ১৮ হাজার টাকা জরিমানা পটুয়াখালী নৌযান শ্রমিক ইউনিয়নের সাংগঠনিক পদে নতুন মুখ: নির্বাচিত হলেন আলোচিত অন্তর বাবুগঞ্জের দুর্গাসাগর থেকে হরিণ চুরির অভিযোগে কেয়ারটেকার ও মালী গ্রেপ্তার ঝালকাঠি প্রেস ক্লাবের দাতা সদস্য কুদ্দুস খান বাংলাদেশ বক্সিং ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় প্রেসক্লাবের সভাপতি শুভেচ্ছা রাজাপুরে টিসিবি ডিলার নিয়োগে অনিয়মের সত্যতা, পুনঃতদন্তে প্রশাসন

ঘোড়াঘাটে শিক্ষক মোঃ আইয়ুব হোসেন ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছেন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৫০:৫৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ অগাস্ট ২০২২ ৫৬৯ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মাহতাব উদ্দিন আল মাহমুদ,ঘোড়াঘাট(দিনাজপুর)
দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার নূরপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ আইয়ুব হোসেন বিদ্যালয়ে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছেন। শিক্ষক মোঃ আইয়ুব হোসেনের বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারীতা,্অনিয়ম,দুর্নীতি ও অসদাচারণের সংবাদ অনলাইন পোর্টাল ও পত্রিকায় প্রকাশ হওয়ায় প্রধান শিক্ষক মোছাঃ আঞ্জুয়ারা বেগম আলোকে দোষারোপ করে বিদ্যালয় চলাকালে তাকে মারমুখী হয়েছেন তিনি। তাকে ্অকথ্য ভাষায় গালিগালাজসহ বিভিন্ন হুমকী দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সহ সভাপতি মোঃ শহিদুল ইসলাম আকাশ জানান, প্রধান শিক্ষক মোছাঃ আঞ্জুয়ারা বেগম আলো আমাকে বলেন, সহকারী শিক্ষক মোঃ আইয়ুব হোসেন ২০২০ সালে নূরপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের যোগদান করেন।এই বিদ্যালয়ে যোগদানের পর থেকে তিনি সহকারী শিক্ষকের দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন না করে তিনি প্রধান শিক্ষকের সাথে ঔধত্ত্যপুর্ন আচরণ,স্বেচ্ছাচারীতা,্অনিয়ম,দুর্নীতি ও অসদাচারণ করে আসছেন।ফলে বিদ্যালয়টি অনিয়মের আঁকড়ায় পরিণত হয়।বিদ্যালয় পচিালনা কমিটি ও প্রধান শিক্ষককে তোয়াক্কা না করে অনিয়ম ও দুর্নীতি করে আসতেছেন। ফলে শিক্ষা কার্যক্রম একে বারেই মুখ থুবড়ে পড়ে।বিদ্যালয় থেকে ঝরে পড়েছে ্অনেক শিক্ষার্থী।্সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিয়ে ্অনিশ্চয়তায় ভুগেন অবিভাবকরা। শিক্ষকরা নিয়মিত শ্রেণী কক্ষে শিক্ষার্থীদের পাঠ দান না করে পরিবারের সাথে মোবাইল ফোনে ব্যস্ত থাকেন বলে শিক্ষার্থী ও ্অবিভাবকরা ্অভিযোগ করেন। ।তার বিদ্যালয়ে নিয়মিত উপস্থিতি নেই।তিনি ক্লাসে যান না ঠিকমত। ক্লাসে গিয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের পাঠদানে মনোযোগি না হয়ে মোবাইল ফোন নিয়ে পরিবারের সাথে কথা বলা নিয়ে ব্যস্ত থাকেন। কøাশের সময় ক্লাশ না করে ঘুম পাড়েন। এ সব ্অনিয়মে বাধা দেয়ায় তিনি প্রধান শিক্ষকের সাথে বিরুদ্ধাচারণ করছেন। সহকারী শিক্ষক মোঃ আইয়ুব হোসেন একজন বখাটে টাইপের নারীলুলোপ ব্যক্তি। শিক্ষক আইয়ুব হোসেন ৭ম শ্রেণীর নাবালিকা ছাত্রীকে জোর পুর্বক বিয়ে করেছেন। ৫ম শ্রেণীর ছাত্রীদের সাথে খারাপ আটরণ করেন বলে ্অনেক ্অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এ কারণে ঘোড়াঘাট উপজেলার সুনাম ধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নুরপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান দিন দিন নি¤œ গামী হচ্ছে ও ছাত্র-ছাত্রীদের উপস্থিতির হার অনেক কমে যাচ্ছে। প্রধান শিক্ষকের নির্দেশকে গুরুত্ব না দিয়ে তাদের ইচ্ছা মতো যাওয়া আসা করে থাকেন। নিজেদের ইচ্ছামত চলেন। স্কুল হতে প্রধান শিক্ষকের অনুমতি ছাড়াই বের হয়ে যখন তখন যেখানে সে খানে যান। এ সবের মুলে নাটের গুরু একজন সহকারী শিক্ষক রয়েছেন। তার গোপন পরামর্শে সহকারীরা বিরুদ্ধ আচরন করেন। বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান ফিরিয়ে আনতে সহকারী শিক্ষক মোঃ আইয়ুব হোসেনকে ্অন্যত্র বদলি করা আশু প্রয়োজন বলে মনে করছেন,শিক্ষার্থী,শিক্ষার্থী অবিভাবক,সুধী,্অভিজ্ঞ সচেতন মহল ও পরিচালনা কমিটির নেতৃবৃন্দ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ঘোড়াঘাটে শিক্ষক মোঃ আইয়ুব হোসেন ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছেন

আপডেট সময় : ০৯:৫০:৫৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ অগাস্ট ২০২২

মাহতাব উদ্দিন আল মাহমুদ,ঘোড়াঘাট(দিনাজপুর)
দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার নূরপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ আইয়ুব হোসেন বিদ্যালয়ে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছেন। শিক্ষক মোঃ আইয়ুব হোসেনের বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারীতা,্অনিয়ম,দুর্নীতি ও অসদাচারণের সংবাদ অনলাইন পোর্টাল ও পত্রিকায় প্রকাশ হওয়ায় প্রধান শিক্ষক মোছাঃ আঞ্জুয়ারা বেগম আলোকে দোষারোপ করে বিদ্যালয় চলাকালে তাকে মারমুখী হয়েছেন তিনি। তাকে ্অকথ্য ভাষায় গালিগালাজসহ বিভিন্ন হুমকী দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সহ সভাপতি মোঃ শহিদুল ইসলাম আকাশ জানান, প্রধান শিক্ষক মোছাঃ আঞ্জুয়ারা বেগম আলো আমাকে বলেন, সহকারী শিক্ষক মোঃ আইয়ুব হোসেন ২০২০ সালে নূরপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের যোগদান করেন।এই বিদ্যালয়ে যোগদানের পর থেকে তিনি সহকারী শিক্ষকের দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন না করে তিনি প্রধান শিক্ষকের সাথে ঔধত্ত্যপুর্ন আচরণ,স্বেচ্ছাচারীতা,্অনিয়ম,দুর্নীতি ও অসদাচারণ করে আসছেন।ফলে বিদ্যালয়টি অনিয়মের আঁকড়ায় পরিণত হয়।বিদ্যালয় পচিালনা কমিটি ও প্রধান শিক্ষককে তোয়াক্কা না করে অনিয়ম ও দুর্নীতি করে আসতেছেন। ফলে শিক্ষা কার্যক্রম একে বারেই মুখ থুবড়ে পড়ে।বিদ্যালয় থেকে ঝরে পড়েছে ্অনেক শিক্ষার্থী।্সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিয়ে ্অনিশ্চয়তায় ভুগেন অবিভাবকরা। শিক্ষকরা নিয়মিত শ্রেণী কক্ষে শিক্ষার্থীদের পাঠ দান না করে পরিবারের সাথে মোবাইল ফোনে ব্যস্ত থাকেন বলে শিক্ষার্থী ও ্অবিভাবকরা ্অভিযোগ করেন। ।তার বিদ্যালয়ে নিয়মিত উপস্থিতি নেই।তিনি ক্লাসে যান না ঠিকমত। ক্লাসে গিয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের পাঠদানে মনোযোগি না হয়ে মোবাইল ফোন নিয়ে পরিবারের সাথে কথা বলা নিয়ে ব্যস্ত থাকেন। কøাশের সময় ক্লাশ না করে ঘুম পাড়েন। এ সব ্অনিয়মে বাধা দেয়ায় তিনি প্রধান শিক্ষকের সাথে বিরুদ্ধাচারণ করছেন। সহকারী শিক্ষক মোঃ আইয়ুব হোসেন একজন বখাটে টাইপের নারীলুলোপ ব্যক্তি। শিক্ষক আইয়ুব হোসেন ৭ম শ্রেণীর নাবালিকা ছাত্রীকে জোর পুর্বক বিয়ে করেছেন। ৫ম শ্রেণীর ছাত্রীদের সাথে খারাপ আটরণ করেন বলে ্অনেক ্অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এ কারণে ঘোড়াঘাট উপজেলার সুনাম ধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নুরপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান দিন দিন নি¤œ গামী হচ্ছে ও ছাত্র-ছাত্রীদের উপস্থিতির হার অনেক কমে যাচ্ছে। প্রধান শিক্ষকের নির্দেশকে গুরুত্ব না দিয়ে তাদের ইচ্ছা মতো যাওয়া আসা করে থাকেন। নিজেদের ইচ্ছামত চলেন। স্কুল হতে প্রধান শিক্ষকের অনুমতি ছাড়াই বের হয়ে যখন তখন যেখানে সে খানে যান। এ সবের মুলে নাটের গুরু একজন সহকারী শিক্ষক রয়েছেন। তার গোপন পরামর্শে সহকারীরা বিরুদ্ধ আচরন করেন। বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান ফিরিয়ে আনতে সহকারী শিক্ষক মোঃ আইয়ুব হোসেনকে ্অন্যত্র বদলি করা আশু প্রয়োজন বলে মনে করছেন,শিক্ষার্থী,শিক্ষার্থী অবিভাবক,সুধী,্অভিজ্ঞ সচেতন মহল ও পরিচালনা কমিটির নেতৃবৃন্দ।