সংবাদ শিরোনাম ::
ঘোড়াঘাটের সিংড়া ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্ল্যাণ কেন্দ্রটি ৪ বছর ধরে পরিত্যক্ত ,’অস্থায়ী’ ভবনে স্বাস্থ্যসেবা চুয়াডাঙ্গায় মাথাভাঙ্গা নদী থেকে মরদেহ উদ্ধার, পিবিআইয়ের সহায়তায় মিললো পরিচয় ঝালকাঠিতে রেড ক্রিসেন্টের পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও ডেঙ্গু সচেতনতা কর্মসূচি বরিশালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যাত্রীবাহী বাস পুকুরে: কাঁচামাল ব্যবসায়ী নিহত বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ পরিচ্ছন্ন রাখতে কাঠালিয়া পাইলট বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রাণবন্ত পরিচ্ছন্নতা অভিযান তেল, গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটময় অবস্থায় পৌঁছেছে ঝালকাঠিতে অ্যাডভোকেট মুয়াযযম হোসাইন হেলাল চুয়াডাঙ্গায় ইয়াবাসহ সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আ.লীগ নেতা আটক ভান্ডারিয়ায় নাম্বারপ্লেটবিহীন মোটরসাইকেলে মোবাইল কোর্ট, ৭ মামলায় ৩২ হাজার টাকা জরিমানা ঢাকা রেঞ্জের নবগত ডিআইজি কে নিয়ে অপপ্রচারের মেতে উঠেছে কুচক্রী মহল নারীসহ ফ্ল্যাটে ওসি আটক, ‘ষষ্ঠ স্ত্রী’র বিস্ফোরক অভিযোগ

আত্মগোপনে থাকা সৈয়দ আবুল বরকত এর নাটকের অবসান।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৫৭:২৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ অগাস্ট ২০২২ ২৬৫ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ গত ৯ আগস্ট সন্ধা আনুমানিক ৭টার দিকে ছেলের ঔষধ আনার কথা বলে ঘর থেকে বের হয় সৈয়দ মোঃ আবুল বরকত(৪৫) নিখোঁজ হন। এরপর আর বাসায় ফেরেননি। তার স্ত্রী জোহরা লাইজু তার কোনো খোঁজ খবর না পেয়ে বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানায় ১০ তারিখ সকালে একটি সাধারন ডাইরি যার( নং ৫২৩) করেন।তাতে তিনি উল্লেখ করেন তার স্বামী সৈয়দ মোঃ আবুল বরকত পিতা আবুল খায়ের মোঃ শফি উল্লাহ সাং দক্ষিন আলেকান্দা সি এন্ড বি পোল মীরা বাড়ি বরিশাল। ৯ আগস্ট সন্ধা ৭টার সময় থেকে তার কোনো খোজ পাচ্ছেননা।

১৬ আগস্ট সকাল ৮ সার দিকে ঝালকাঠি বিশ্বরোডের পাশে ব্রাক মোড়ে রাস্তার পাশ থেকে অচেতন অবস্থায় স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে ঝালকাঠী সদর হাসপাতালে জরুরী বিভাগে ভর্তি করেন। ভর্তি করার কয়েক ঘন্টা পরে তার কিছুটা চেতনা ফিরে আসলে সে নিজেকে হাসপাতালে আবিস্কার করেন। কিন্তু সে কিভাবে একটানে আসলো ও তার সাথে কি হইছে সেব্যপারে কিছুই বলতে পারেনা। সামাজিক মাধ্যমে বরকতের ছবি প্রচার হলে তার বোন ও আত্নীয় সজনরা ঝালকাঠী হাসপাতালে ছুটে আসে। ঝালকাঠী থানা পুলিশ খবর পেয়ে হাসপাতালে যান ও উদ্ধার স্থল পরিদর্শন করেন। পরে বরিশালের পুলিশের সাথে যোগাযোগ করা হলে বরিশার থেকে পুলিশের একটি টিম সেখানে যায় ও বরকত কে বরিশাল নিয়ে আসে ও বিতালে ৩ঃ৩০ এন দিকে শেবাচিমে ভর্তি করেন। বরকতের বোন শায়লা যুথী সাংবাদিকদের জানায় একটি পক্ষের সাথে তাদের জায়গাজমি নিয়ে ঝামেলা চলছে, সম্ভবত তারা তাকে গুম করতে চেয়েছিলো। কিন্তু আল্লাহর রহমতে তার ভাই সম্পুর্ন অক্ষত অবস্থায় ফিরে আসছেন।

বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল এ গিয়ে দেখাযায় তিনি বর্তমানে মোটামুটি সুস্থ আছেন। তার কাছে প্রশ্ন করলে তিনি জানান সন্ধা বেলা বাসা থেকে বের হয়ে মানসিক ও পারিবারিক চাপে তিনি ঢাকার উদ্দেশ্যে সুরভি লঞ্চ যোগে ঢাকায় চলে যায়। কিন্তু ঢাকায় যাওয়ার পরে কিছু লোক তাকে অজ্ঞান করে কোথায় নিয়ে যায় তা তিনি জানেননা। তাকে একটা রুমে চোখ হাত পা বাধা অবস্থায় রাখা হয়েছিলো। কিন্তু কোনো শারীরিক নির্যাতন করা হয়নি। কেনো তাকে তুলে নেয়া হয়েছে সেব্যাপারে সে কিছুই বলতে পারে নায়।

স্থানীয় লোকদের সাথে কথা বলে জানাযায় বরকতের পিতা আবুল খায়ের মোঃ শফিউল্লাহ তার সম্পত্তি থেকে তার মেয়েদের নামে ১০ শতাংশ লিখে দেন। পিতার সম্পত্তি থেকে তাকে বঞ্চিত করা হয়। এছারা স্থানীয় দোকান দার ও পাওনাদারেরা তাকে তাদের টাকা পয়শার জন্য চাপ দিতে থাকে। তাই হয়তো সে আত্মগোপনে চলে গেছিলো। পরবর্তীতে তার পিতা পাওনাদারদের পাওনা আংশিক পরিশোধ করায় সে ফিরে আসেন। অপহরন বা গুম এর ঘটনা প্রতিপক্ষ কে ফাসানোর জন্য সাজানো নাটক।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

আত্মগোপনে থাকা সৈয়দ আবুল বরকত এর নাটকের অবসান।

আপডেট সময় : ০৪:৫৭:২৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ অগাস্ট ২০২২

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ গত ৯ আগস্ট সন্ধা আনুমানিক ৭টার দিকে ছেলের ঔষধ আনার কথা বলে ঘর থেকে বের হয় সৈয়দ মোঃ আবুল বরকত(৪৫) নিখোঁজ হন। এরপর আর বাসায় ফেরেননি। তার স্ত্রী জোহরা লাইজু তার কোনো খোঁজ খবর না পেয়ে বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানায় ১০ তারিখ সকালে একটি সাধারন ডাইরি যার( নং ৫২৩) করেন।তাতে তিনি উল্লেখ করেন তার স্বামী সৈয়দ মোঃ আবুল বরকত পিতা আবুল খায়ের মোঃ শফি উল্লাহ সাং দক্ষিন আলেকান্দা সি এন্ড বি পোল মীরা বাড়ি বরিশাল। ৯ আগস্ট সন্ধা ৭টার সময় থেকে তার কোনো খোজ পাচ্ছেননা।

১৬ আগস্ট সকাল ৮ সার দিকে ঝালকাঠি বিশ্বরোডের পাশে ব্রাক মোড়ে রাস্তার পাশ থেকে অচেতন অবস্থায় স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে ঝালকাঠী সদর হাসপাতালে জরুরী বিভাগে ভর্তি করেন। ভর্তি করার কয়েক ঘন্টা পরে তার কিছুটা চেতনা ফিরে আসলে সে নিজেকে হাসপাতালে আবিস্কার করেন। কিন্তু সে কিভাবে একটানে আসলো ও তার সাথে কি হইছে সেব্যপারে কিছুই বলতে পারেনা। সামাজিক মাধ্যমে বরকতের ছবি প্রচার হলে তার বোন ও আত্নীয় সজনরা ঝালকাঠী হাসপাতালে ছুটে আসে। ঝালকাঠী থানা পুলিশ খবর পেয়ে হাসপাতালে যান ও উদ্ধার স্থল পরিদর্শন করেন। পরে বরিশালের পুলিশের সাথে যোগাযোগ করা হলে বরিশার থেকে পুলিশের একটি টিম সেখানে যায় ও বরকত কে বরিশাল নিয়ে আসে ও বিতালে ৩ঃ৩০ এন দিকে শেবাচিমে ভর্তি করেন। বরকতের বোন শায়লা যুথী সাংবাদিকদের জানায় একটি পক্ষের সাথে তাদের জায়গাজমি নিয়ে ঝামেলা চলছে, সম্ভবত তারা তাকে গুম করতে চেয়েছিলো। কিন্তু আল্লাহর রহমতে তার ভাই সম্পুর্ন অক্ষত অবস্থায় ফিরে আসছেন।

বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল এ গিয়ে দেখাযায় তিনি বর্তমানে মোটামুটি সুস্থ আছেন। তার কাছে প্রশ্ন করলে তিনি জানান সন্ধা বেলা বাসা থেকে বের হয়ে মানসিক ও পারিবারিক চাপে তিনি ঢাকার উদ্দেশ্যে সুরভি লঞ্চ যোগে ঢাকায় চলে যায়। কিন্তু ঢাকায় যাওয়ার পরে কিছু লোক তাকে অজ্ঞান করে কোথায় নিয়ে যায় তা তিনি জানেননা। তাকে একটা রুমে চোখ হাত পা বাধা অবস্থায় রাখা হয়েছিলো। কিন্তু কোনো শারীরিক নির্যাতন করা হয়নি। কেনো তাকে তুলে নেয়া হয়েছে সেব্যাপারে সে কিছুই বলতে পারে নায়।

স্থানীয় লোকদের সাথে কথা বলে জানাযায় বরকতের পিতা আবুল খায়ের মোঃ শফিউল্লাহ তার সম্পত্তি থেকে তার মেয়েদের নামে ১০ শতাংশ লিখে দেন। পিতার সম্পত্তি থেকে তাকে বঞ্চিত করা হয়। এছারা স্থানীয় দোকান দার ও পাওনাদারেরা তাকে তাদের টাকা পয়শার জন্য চাপ দিতে থাকে। তাই হয়তো সে আত্মগোপনে চলে গেছিলো। পরবর্তীতে তার পিতা পাওনাদারদের পাওনা আংশিক পরিশোধ করায় সে ফিরে আসেন। অপহরন বা গুম এর ঘটনা প্রতিপক্ষ কে ফাসানোর জন্য সাজানো নাটক।