সংবাদ শিরোনাম ::
রাজাপুরে বেহাল সড়ক পুনঃনির্মাণ ও সংস্কারের দাবিতে মানববন্ধন: দুই যুগের দুর্ভোগে ২০ হাজার মানুষ চুয়াডাঙ্গায় রাইচ কুকারের সুইচ দেবার কালে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে গৃহবধূর মৃত্যু রহমতপুর সমিতি ঢাকা আহ্বায়ক কমিটি গঠন বিজয়নগরে লুডু খেলাকে কেন্দ্র করে নিহত ১ আহত ৫ ঝালকাঠির ভীমরুলির ভাসমান পর্যটন কেন্দ্রে অতিরিক্ত ভাড়া ও উচ্চশব্দে সাউন্ড বক্স বাজানোর দায়ে অভিযান দর্শনায় বিজিবির অভিযানে ১৩ কোটি টাকার স্বর্ণসহ এক পাচারকারী আটক বিজয়নগর উপজেলা আমতলী বাজারের vision এর নতুন শো রুমের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে, বাবুগঞ্জে নদী ভাঙন প্রতিরোধে জরুরি কাজের উদ্বোধন বাবুগঞ্জের চাঁদপাশা ইউপিতে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে মাঠে সক্রিয় জামায়াত নেতা রফিকুল ইসলাম। ঝালকাঠিতে ১০ পিস ইয়াবাসহ নারী মাদক কারবারি গ্রেফতার

ঝালকাঠিতে গৃহবধূ হত্যার অভিযোগে বিচারের দাবিতে স্বজনদের মানববন্ধন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৩৩:০৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ অগাস্ট ২০২২ ১০৮ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ঝালকাঠি প্রতিনিধি :ঝালকাঠি সুতালড়ী এলাকার বাবুল তালুকদারের একমাত্র কণ‍্যা জান্নাতুল ফেরদৌসী ঝন্না (২১) গত ৬/৮/২১ শনিবার রাত ৮টা ৩০ মিনিটে সময় ঢাকা পলাশ নগর বেলতলা এলাকার স্বামী রাজু আহমেদ এর পরিবার পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে আত্মহত্যার প্রচার চালায় । নিহত গৃহবধূর স্বজনদের অভিযোগ। নিহত গৃহবধূর দুই বছরের একটি ছেলে সন্তান রয়েছে।
মানববন্ধনে বক্তারা গৃহবধূ হত্যার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে রাজু পরিবারের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।

আজ মঙ্গলবার সকাল ১১টায় ঝালকাঠি সুতালড়ী জেলা পরিষদের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
২০১৮সালে পারিবারিকভাবে তাদের বিবাহ হয়।
নিহত গৃহবধুর বাবা বাবুল তালুকদার বলেন আমার মেয়েকে হত্যা করে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে যাচ্ছেন শ্বশুরবাড়ি লোকজন। আমি আমার মেয়ে হত্যার বিচার চাই।
নিহত গৃহবধুর ভাই মিরাজ বলেন ঘটনার দিন রাতে
বোন জামাই আমাদের ফোন দিয়ে বলেন যে তোমার বোন হার্ট অ্যাটাক করেছে। ঘটনাস্থলে গিয়ে আমরা জানতে পারি আমার বোন গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে।
আমার বোনকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে আমার বোনের হত্যাকারীর বিচার চাই।
এ বিষয়ে নিহত গৃহবধূর স্বামী রাজু আহমেদের কাছে জানতে চাওয়া হলো তিনি বলেন, আমার স্ত্রী মানসিক সমস্যায় ছিলেন অনেকবার ডাক্তার দেখিয়েছি।
আমার শ্বশুরবাড়ির লোকজনও জানে।
ঘটনার দিন আমার স্ত্রী গহনা কেনার জন্য আমাকে চাপ দেয়। আমি বলি এই মুহূর্তে আমার পক্ষে সম্ভব না।
সন্ধ্যার পরে আমি বাড়িতে ফিরে দেখি আমার ঘরের লাইট বন্ধ। ভিতর থেকে দরজা লাগানো। আমি আশেপাশের লোকজনকে ডাকাডাকি করে ভিতরে প্রবেশ করে দেখি আমার স্ত্রী ফ্যানের সাথে ফাঁস লাগিয়েছে। তাকে উদ্ধার করে আমরা হাসপাতালে নিয়ে যাই। চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
থানা পুলিশকে আমি ফোন দেই। পারিবারিকভাবে আমাদের কোন ঝগড়াঝাঁটি হয় নি কখনও।
আমি আমার স্ত্রীর লাশের সাথে যেতে চেয়েছিলাম কিন্তু আমার স্ত্রীর স্বজনরা আমাকে হুমকি দিয়েছে এর জন্য আমি যেতে পারিনি।
পুলিশ তদন্তের মাধ্যমে যদি প্রমাণিত হয় আমরা হত্যা করেছি আদালত যে শাস্তি দেবে মাথা পেতে নেব।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ঝালকাঠিতে গৃহবধূ হত্যার অভিযোগে বিচারের দাবিতে স্বজনদের মানববন্ধন

আপডেট সময় : ০৯:৩৩:০৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ অগাস্ট ২০২২

ঝালকাঠি প্রতিনিধি :ঝালকাঠি সুতালড়ী এলাকার বাবুল তালুকদারের একমাত্র কণ‍্যা জান্নাতুল ফেরদৌসী ঝন্না (২১) গত ৬/৮/২১ শনিবার রাত ৮টা ৩০ মিনিটে সময় ঢাকা পলাশ নগর বেলতলা এলাকার স্বামী রাজু আহমেদ এর পরিবার পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে আত্মহত্যার প্রচার চালায় । নিহত গৃহবধূর স্বজনদের অভিযোগ। নিহত গৃহবধূর দুই বছরের একটি ছেলে সন্তান রয়েছে।
মানববন্ধনে বক্তারা গৃহবধূ হত্যার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে রাজু পরিবারের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।

আজ মঙ্গলবার সকাল ১১টায় ঝালকাঠি সুতালড়ী জেলা পরিষদের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
২০১৮সালে পারিবারিকভাবে তাদের বিবাহ হয়।
নিহত গৃহবধুর বাবা বাবুল তালুকদার বলেন আমার মেয়েকে হত্যা করে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে যাচ্ছেন শ্বশুরবাড়ি লোকজন। আমি আমার মেয়ে হত্যার বিচার চাই।
নিহত গৃহবধুর ভাই মিরাজ বলেন ঘটনার দিন রাতে
বোন জামাই আমাদের ফোন দিয়ে বলেন যে তোমার বোন হার্ট অ্যাটাক করেছে। ঘটনাস্থলে গিয়ে আমরা জানতে পারি আমার বোন গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে।
আমার বোনকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে আমার বোনের হত্যাকারীর বিচার চাই।
এ বিষয়ে নিহত গৃহবধূর স্বামী রাজু আহমেদের কাছে জানতে চাওয়া হলো তিনি বলেন, আমার স্ত্রী মানসিক সমস্যায় ছিলেন অনেকবার ডাক্তার দেখিয়েছি।
আমার শ্বশুরবাড়ির লোকজনও জানে।
ঘটনার দিন আমার স্ত্রী গহনা কেনার জন্য আমাকে চাপ দেয়। আমি বলি এই মুহূর্তে আমার পক্ষে সম্ভব না।
সন্ধ্যার পরে আমি বাড়িতে ফিরে দেখি আমার ঘরের লাইট বন্ধ। ভিতর থেকে দরজা লাগানো। আমি আশেপাশের লোকজনকে ডাকাডাকি করে ভিতরে প্রবেশ করে দেখি আমার স্ত্রী ফ্যানের সাথে ফাঁস লাগিয়েছে। তাকে উদ্ধার করে আমরা হাসপাতালে নিয়ে যাই। চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
থানা পুলিশকে আমি ফোন দেই। পারিবারিকভাবে আমাদের কোন ঝগড়াঝাঁটি হয় নি কখনও।
আমি আমার স্ত্রীর লাশের সাথে যেতে চেয়েছিলাম কিন্তু আমার স্ত্রীর স্বজনরা আমাকে হুমকি দিয়েছে এর জন্য আমি যেতে পারিনি।
পুলিশ তদন্তের মাধ্যমে যদি প্রমাণিত হয় আমরা হত্যা করেছি আদালত যে শাস্তি দেবে মাথা পেতে নেব।