সংবাদ শিরোনাম ::
ঘোড়াঘাটের সিংড়া ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্ল্যাণ কেন্দ্রটি ৪ বছর ধরে পরিত্যক্ত ,’অস্থায়ী’ ভবনে স্বাস্থ্যসেবা চুয়াডাঙ্গায় মাথাভাঙ্গা নদী থেকে মরদেহ উদ্ধার, পিবিআইয়ের সহায়তায় মিললো পরিচয় ঝালকাঠিতে রেড ক্রিসেন্টের পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও ডেঙ্গু সচেতনতা কর্মসূচি বরিশালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যাত্রীবাহী বাস পুকুরে: কাঁচামাল ব্যবসায়ী নিহত বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ পরিচ্ছন্ন রাখতে কাঠালিয়া পাইলট বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রাণবন্ত পরিচ্ছন্নতা অভিযান তেল, গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটময় অবস্থায় পৌঁছেছে ঝালকাঠিতে অ্যাডভোকেট মুয়াযযম হোসাইন হেলাল চুয়াডাঙ্গায় ইয়াবাসহ সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আ.লীগ নেতা আটক ভান্ডারিয়ায় নাম্বারপ্লেটবিহীন মোটরসাইকেলে মোবাইল কোর্ট, ৭ মামলায় ৩২ হাজার টাকা জরিমানা ঢাকা রেঞ্জের নবগত ডিআইজি কে নিয়ে অপপ্রচারের মেতে উঠেছে কুচক্রী মহল নারীসহ ফ্ল্যাটে ওসি আটক, ‘ষষ্ঠ স্ত্রী’র বিস্ফোরক অভিযোগ

অবশেষে মারা গেলেন সিলেটের সেই প্রবাসী মামিরা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:১৬:২৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৬ অগাস্ট ২০২২ ১২৩ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আবুল কাশেম রুমন,সিলেট: অবশেষে মারা গেছেন সিলেটের সেই প্রবাসী মামিরা। সিলেটের ওসমানীনগরের একটি বাসা থেকে একই পরিবারের পাঁচ যুক্তরাজ্য প্রবাসীকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধারের ঘটনায় সিলেট এম এ জি ওসমানী হাসপাতালে ১১ দিন আইসিউতে চিকিৎসকধীন থাকার পর মারা গেলেন যুক্তরাজ্য প্রবাসী সামিরা বেগম (২০)। শনিবার (৬ আগষ্ট) রাত দেড়টার দিকে সিলেট এম এ জি ওসমানী হাসপাতালে তিনি মারা যান। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ওসমানী নগর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাঈন।
এর আগে একই ঘটনায় সামিরার বাবা রফিকুল ইসলাম (৫০) ও ভাই মাইকুল ইসলাম (১৬) মারা যান। মাঈন উদ্দিন জানান, ঘটনার পর থেকে মারা যাওয়া সামিরার জ্ঞান না ফেরায় শঙ্কায় ছিলেন তার ডাক্তাররা। অবশেষে দীর্ঘ ১১ দিন আইসিউতে থাকার পর তিনি মারা গেলেন। ৫ জনের অজ্ঞানের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৩ জন মারা যাওয়ার সুনির্দিষ্ট তথ্য কি আছে পুলিশের কাছে কি আছে জানতে চাইলে তিনি বলেন,এই ঘটনার অনেক আলামত ফরেনসিক ল্যাবে পাঠানো হয়। ল্যাব থেকে রিপোর্ট আসলে ঘটনার মূল কারণ জানা যাবে। প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার (২৬ জুলাই) সিলেটের ওসমানীনগরের একটি বাসা থেকে একই পরিবারের পাঁচ যুক্তরাজ্য প্রবাসীকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে ওসমানীনগর থানা পুলিশ। হাসপাতালে নেওয়ার পর এদের মধ্য থেকে রফিকুল ইসলাম (৫০) ও তার ছোট ছেলে মাইকুল ইসলাম (১৬) মারা যান। একই দিন আশঙ্কাজনক অবস্থায় রফিকুল ইসলামের স্ত্রী হোসনে আরা বেগম (৪৫), ছেলে সাদিকুল ইসলাম (২৫) এবং মেয়ে সামিরা ইসলামকে (২০) সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে হোসনে আরা ও ছেলে সাদিকুল ইসলামের শারীরিক অবস্থার উন্নতি হওয়ায় গত দুদিন থেকে তারা তাদের বাড়িতে অবস্থান করছেন। গত ২৮ জুলাই (বৃহস্পতিবার) ময়না তদন্ত শেষে দুপুর সোয়া ২টায় দয়ামীর ইউনিয়নের পারকুল মাদরাসা মাঠে নিহতদের জানাজার নামাজের পর তাদের পারিবারিক কবর স্থানে দাফন করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

অবশেষে মারা গেলেন সিলেটের সেই প্রবাসী মামিরা

আপডেট সময় : ০৫:১৬:২৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৬ অগাস্ট ২০২২

আবুল কাশেম রুমন,সিলেট: অবশেষে মারা গেছেন সিলেটের সেই প্রবাসী মামিরা। সিলেটের ওসমানীনগরের একটি বাসা থেকে একই পরিবারের পাঁচ যুক্তরাজ্য প্রবাসীকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধারের ঘটনায় সিলেট এম এ জি ওসমানী হাসপাতালে ১১ দিন আইসিউতে চিকিৎসকধীন থাকার পর মারা গেলেন যুক্তরাজ্য প্রবাসী সামিরা বেগম (২০)। শনিবার (৬ আগষ্ট) রাত দেড়টার দিকে সিলেট এম এ জি ওসমানী হাসপাতালে তিনি মারা যান। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ওসমানী নগর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাঈন।
এর আগে একই ঘটনায় সামিরার বাবা রফিকুল ইসলাম (৫০) ও ভাই মাইকুল ইসলাম (১৬) মারা যান। মাঈন উদ্দিন জানান, ঘটনার পর থেকে মারা যাওয়া সামিরার জ্ঞান না ফেরায় শঙ্কায় ছিলেন তার ডাক্তাররা। অবশেষে দীর্ঘ ১১ দিন আইসিউতে থাকার পর তিনি মারা গেলেন। ৫ জনের অজ্ঞানের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৩ জন মারা যাওয়ার সুনির্দিষ্ট তথ্য কি আছে পুলিশের কাছে কি আছে জানতে চাইলে তিনি বলেন,এই ঘটনার অনেক আলামত ফরেনসিক ল্যাবে পাঠানো হয়। ল্যাব থেকে রিপোর্ট আসলে ঘটনার মূল কারণ জানা যাবে। প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার (২৬ জুলাই) সিলেটের ওসমানীনগরের একটি বাসা থেকে একই পরিবারের পাঁচ যুক্তরাজ্য প্রবাসীকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে ওসমানীনগর থানা পুলিশ। হাসপাতালে নেওয়ার পর এদের মধ্য থেকে রফিকুল ইসলাম (৫০) ও তার ছোট ছেলে মাইকুল ইসলাম (১৬) মারা যান। একই দিন আশঙ্কাজনক অবস্থায় রফিকুল ইসলামের স্ত্রী হোসনে আরা বেগম (৪৫), ছেলে সাদিকুল ইসলাম (২৫) এবং মেয়ে সামিরা ইসলামকে (২০) সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে হোসনে আরা ও ছেলে সাদিকুল ইসলামের শারীরিক অবস্থার উন্নতি হওয়ায় গত দুদিন থেকে তারা তাদের বাড়িতে অবস্থান করছেন। গত ২৮ জুলাই (বৃহস্পতিবার) ময়না তদন্ত শেষে দুপুর সোয়া ২টায় দয়ামীর ইউনিয়নের পারকুল মাদরাসা মাঠে নিহতদের জানাজার নামাজের পর তাদের পারিবারিক কবর স্থানে দাফন করা হয়।