ডিমলায় সাংবাদিকের সাথে প্রধান শিক্ষকের অশালীন আচরন
- আপডেট সময় : ০৬:২৬:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ অগাস্ট ২০২২ ১৪৬ বার পড়া হয়েছে

মোঃ গোলাম রাব্বানী , ডিমলা নীলফামারী ডিমলা প্রতিনিধিঃ
সংবাদ পরিবেশনের জন্য মুঠোফোনে তথ্য চাওয়ায় সাংবাদিকদের সাথে অশ্লীল আচরন ও গালিগালাজ করে। ঘটনাটি ঘটেছে ৩ আগষ্ট ( বুধবার) নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার বালাপাড়া নিউ মডেল বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলাম সাথে। প্রধান শিক্ষক উপজেলার সাংবাদিকের ব্যক্তিগত বিষয় তুলেও গালাগালি করেন।
এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার ৪ আগস্ট ( বৃহস্পতিবার) বিকেলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী সাংবাদিকরা।
“মনুষ্যত্ববোধের মানুষ তৈরীর প্রধান হাতিয়ার হচ্ছে শিক্ষা সেই জাতিকে শিক্ষা দেন একজন শিক্ষক। সেই শিক্ষকের ভাষা যখন অশালীন তখন সেই শিক্ষক জাতিকে কি শিক্ষা দিবে”
জানা গেছে, গত ১৯ জুলাই উপজেলা উন্নয়ন সহায়তা খাতের আওতায় বালাপাড়া নিউ মডেল বালিকা বিদ্যালয়ে বিআরবি কোম্পানির ৮টি বৈদ্যুতিক পাখা (ফ্যান) দেয় উপজেলা প্রশাসন। এসব বৈদ্যুতিক পাখা বিদ্যালয়ের শ্রেণী কক্ষে ব্যাবহারের নির্দেশনা থাকলেও তা মানা হয়নি। স্থানীয় অভিভাবকদের এমন অভিযোগে প্রেক্ষিতে সংবাদ সংগ্রহের জন্য প্রধান শিক্ষকের নিকট তথ্য চাওয়া হলে প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলাম সাংবাদিকের সাথে দুরব্যবহার ও অশালীন আচরন করেন।এ ঘটনায় ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন জেলা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার শফিকুল ইসলাম ।
সরজমিনে দেখা যায়, বিদ্যালয়ের বিভিন্ন শ্রেণীকক্ষে এপি ব্রান্ডের পুরাতন বৈদ্যুতিক পাখা লাগানো রয়েছে। শুধুমাত্র দশম শ্রেণীর কক্ষে একটি নতুন বৈদ্যুতিক পাখা রয়েছে। বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোস্তাহেদুল ইসলাম, রোকনুজ্জামান রোকন, অফিস সহকারী মজিদুল ইসলাম জানান, প্রধান শিক্ষক গত সপ্তাহে দশম শ্রেণীর কক্ষে বিআরবি ব্রান্ডের ১টি নতুন বৈদ্যুতিক পাখা লাগিয়েছিলেন, আর স্টোর রুমে দুটি বৈদ্যুতিক পাখা প্যাকেটজাত অবস্থায় আছে । বাকী বৈদ্যুতিক পাখার বিষয় আমরা কিছু জানি না। নবম ও দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থীরা জানান,গত ২ সপ্তাহের মধ্যে তাদের শ্রেণী কক্ষে নতুন কোনো বৈদ্যুতিক পাখা লাগানো হয়নি। পুরনো বৈদ্যুতিক পাখার বাতাসে চলছে তাদের পাঠদান কার্যক্রম।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সহকারী শিক্ষক জানান, নতুন বৈদ্যুতিক পাখাগুলো প্রধান শিক্ষক বাড়িতে নিজ বাড়িতে ব্যবহার করছেন।
সাংবাদিকরা প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলামকে স্কুলে না পেয়ে তার সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি ওই সাংবাদিককে তুই তুকারি বলতে শুরু করেন, তোকে তুই না বলে কি আপনি বলবো ? তুই কেন আমার স্কুলে গেছিস বলে অসৌজন্যমূলক অশালীন আচরন করেন।এ সময় তিনি বৈদ্যুতিক পাখার বিষয়ে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলায় বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের নিয়েও অশালীন মন্তব্য করেন।
প্রেসক্লাব ডিমলার সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক মাসুদ পারভেজ রুবেল বলেন, বৈদ্যুতিক পাখার বিষয়ে প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছে তথ্য চাইলে তিনি মুঠোফোনে আমাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বেলায়েত হোসেন জানান,এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ একটি কল রেকডিং পেয়েছি।তদন্ত করে এই ঘটনার ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি।
















