সংবাদ শিরোনাম ::
ঘোড়াঘাটের সিংড়া ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্ল্যাণ কেন্দ্রটি ৪ বছর ধরে পরিত্যক্ত ,’অস্থায়ী’ ভবনে স্বাস্থ্যসেবা চুয়াডাঙ্গায় মাথাভাঙ্গা নদী থেকে মরদেহ উদ্ধার, পিবিআইয়ের সহায়তায় মিললো পরিচয় ঝালকাঠিতে রেড ক্রিসেন্টের পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও ডেঙ্গু সচেতনতা কর্মসূচি বরিশালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যাত্রীবাহী বাস পুকুরে: কাঁচামাল ব্যবসায়ী নিহত বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ পরিচ্ছন্ন রাখতে কাঠালিয়া পাইলট বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রাণবন্ত পরিচ্ছন্নতা অভিযান তেল, গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটময় অবস্থায় পৌঁছেছে ঝালকাঠিতে অ্যাডভোকেট মুয়াযযম হোসাইন হেলাল চুয়াডাঙ্গায় ইয়াবাসহ সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আ.লীগ নেতা আটক ভান্ডারিয়ায় নাম্বারপ্লেটবিহীন মোটরসাইকেলে মোবাইল কোর্ট, ৭ মামলায় ৩২ হাজার টাকা জরিমানা ঢাকা রেঞ্জের নবগত ডিআইজি কে নিয়ে অপপ্রচারের মেতে উঠেছে কুচক্রী মহল নারীসহ ফ্ল্যাটে ওসি আটক, ‘ষষ্ঠ স্ত্রী’র বিস্ফোরক অভিযোগ

পাথরঘাটায় এক ট্রলারেই ৭৫ মণ ইলিশ,১৮ লাখে বিক্রি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:১০:৫৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ অগাস্ট ২০২২ ১১১ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স
২৩ জুলাই মধ্য রাতে শেষ হয়েছে ৬৫ দিনের মাছ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা। এ নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ার পরেই চলছে ইলিশের ভরা মৌসুম।

এ ভরা মৌসুমেও দেখা মিলছে না জেলেদের জালে কাঙ্ক্ষিত ইলিশ, জেলেরা খুব অল্প মাছ নিয়ে ফিরে আসছেন। ঠিক এসময় পাথরঘাটার একটি ট্রলারে ৭৫ মণ ইলিশ ধরা পড়েছে আর তা বিক্রি হয়েছে ১৮ লাখ টাকায়।

পাথরঘাটা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোস্তফা গোলাম কবির মালিকানাধীন এফবি সাফওয়ান নামের একটি ট্রলারে জেলেদের জালে উঠে এসেছে ৭৫ মণ রুপালি ইলিশ।

মঙ্গলবার (২ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে এফবি সাফওয়ান ট্রলারের মাঝি মো. মহসিন মিয়ার বরাত দিয়ে এতথ্য নিশ্চিত করেছেন ট্রলার মালিক মোস্তফা গোলাম কবির।

এর আগে সোমবার (১ আগস্ট) বিকেলে বৃহত্তম মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রের ঘাটে গভীর সমুদ্র থেকে পাথরঘাটা বিএফডিসি ঘাটে ফিরে আসে ট্রলারটি।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কয়েকদিন আগে বাজার সওদা করে পাথরঘাটা বিএফডিসি ঘাট থেকে বঙ্গোপসাগরের গভীরে মাছ শিকারের উদ্দেশে পাঠান মালিক মোস্তফা গোলাম কবির। এর পরেই মাঝি মহসিন মিয়া বঙ্গোপসাগরের গভীরে জাল ফেলতেই উঠে অসে ঝাঁকে ঝাঁকে রুপালি ইলিশ। ইলিশের ভরা মৌসুমেও যখন দেখা মিলছে না জেলেদের জালে কাঙ্ক্ষিত ইলিশ, সে সময় মহসিন মিয়া ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ নিয়ে ঘাটে ফিরে এসেছেন। এদিকে অন্য ট্রলারের জেলেরা মাছ না পেয়ে হতাশ হয়ে ফিরে আসছেন ঘাটে।

পাথরঘাটা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোস্তফা গোলাম কবির মোবাইল ফোনে জানান, বর্তমান সময়ে ইলিশের ভরা মৌসুমেও যখন জেলেদের জালে মিলছে না ইলিশের দেখা সে সময়ই আমার জেলেরা ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ নিয়ে ঘাটে ফিরে এসেছেন। মহান আল্লাহর কাছে শুকরিয়া জ্ঞাপন করছি তিনি চাইলে সব হয়।

তিনি আরও জানান, রাতেই মাছগুলো বিক্রি করার জন্য বাগেরহাট পাঠিয়ে দিয়েছি সেখানে ১৮ লাখ টাকায় বিক্রি করা হয়েছে।

বরগুনা জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী বলেন, জেলেরা মাছ না পাওয়ায় হতাশ হয়েই ফিরে আসছে ঘাটে। খুব সমস্যার মধ্যেই তাদের দিন কাটছে, এরই মধ্যে পাথরঘাটা উপজেলা চেয়ারম্যানের ট্রলারের জেলেরা ৭৫ মণ ইলিশ পেয়েছে, এটাতো আমাদের জন্য খুশির খবর। মনে হয় ধীরে ধীরে মাছ ধরা পরতে শুরু করবে জেলেদের জালে। সব জেলেরা এ পরিমাণ মাছ পেলে ট্রলার মালিকরা পেছনের ধারদেনা কাটিয়ে উঠতে পারবেন বলে আশা করছি।

পাথরঘাটা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা জয়ন্ত কুমার অপু জানান, গভীর সমুদ্রে এখন প্রচুর পরিমাণে ইলিশ ধরা পড়ছে এবং ওই ইলিশের সাইজেও এখন বড়। তবে উপকূলের কাছাকাছি এখনও অনেক কম মাছ পাওয়া যাচ্ছে। ধারণা করছি সামনের সময় জেলেদের জলে আরও ইলিশ ধরা পরবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

পাথরঘাটায় এক ট্রলারেই ৭৫ মণ ইলিশ,১৮ লাখে বিক্রি

আপডেট সময় : ১০:১০:৫৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ অগাস্ট ২০২২

আজকের ক্রাইম ডেক্স
২৩ জুলাই মধ্য রাতে শেষ হয়েছে ৬৫ দিনের মাছ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা। এ নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ার পরেই চলছে ইলিশের ভরা মৌসুম।

এ ভরা মৌসুমেও দেখা মিলছে না জেলেদের জালে কাঙ্ক্ষিত ইলিশ, জেলেরা খুব অল্প মাছ নিয়ে ফিরে আসছেন। ঠিক এসময় পাথরঘাটার একটি ট্রলারে ৭৫ মণ ইলিশ ধরা পড়েছে আর তা বিক্রি হয়েছে ১৮ লাখ টাকায়।

পাথরঘাটা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোস্তফা গোলাম কবির মালিকানাধীন এফবি সাফওয়ান নামের একটি ট্রলারে জেলেদের জালে উঠে এসেছে ৭৫ মণ রুপালি ইলিশ।

মঙ্গলবার (২ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে এফবি সাফওয়ান ট্রলারের মাঝি মো. মহসিন মিয়ার বরাত দিয়ে এতথ্য নিশ্চিত করেছেন ট্রলার মালিক মোস্তফা গোলাম কবির।

এর আগে সোমবার (১ আগস্ট) বিকেলে বৃহত্তম মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রের ঘাটে গভীর সমুদ্র থেকে পাথরঘাটা বিএফডিসি ঘাটে ফিরে আসে ট্রলারটি।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কয়েকদিন আগে বাজার সওদা করে পাথরঘাটা বিএফডিসি ঘাট থেকে বঙ্গোপসাগরের গভীরে মাছ শিকারের উদ্দেশে পাঠান মালিক মোস্তফা গোলাম কবির। এর পরেই মাঝি মহসিন মিয়া বঙ্গোপসাগরের গভীরে জাল ফেলতেই উঠে অসে ঝাঁকে ঝাঁকে রুপালি ইলিশ। ইলিশের ভরা মৌসুমেও যখন দেখা মিলছে না জেলেদের জালে কাঙ্ক্ষিত ইলিশ, সে সময় মহসিন মিয়া ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ নিয়ে ঘাটে ফিরে এসেছেন। এদিকে অন্য ট্রলারের জেলেরা মাছ না পেয়ে হতাশ হয়ে ফিরে আসছেন ঘাটে।

পাথরঘাটা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোস্তফা গোলাম কবির মোবাইল ফোনে জানান, বর্তমান সময়ে ইলিশের ভরা মৌসুমেও যখন জেলেদের জালে মিলছে না ইলিশের দেখা সে সময়ই আমার জেলেরা ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ নিয়ে ঘাটে ফিরে এসেছেন। মহান আল্লাহর কাছে শুকরিয়া জ্ঞাপন করছি তিনি চাইলে সব হয়।

তিনি আরও জানান, রাতেই মাছগুলো বিক্রি করার জন্য বাগেরহাট পাঠিয়ে দিয়েছি সেখানে ১৮ লাখ টাকায় বিক্রি করা হয়েছে।

বরগুনা জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী বলেন, জেলেরা মাছ না পাওয়ায় হতাশ হয়েই ফিরে আসছে ঘাটে। খুব সমস্যার মধ্যেই তাদের দিন কাটছে, এরই মধ্যে পাথরঘাটা উপজেলা চেয়ারম্যানের ট্রলারের জেলেরা ৭৫ মণ ইলিশ পেয়েছে, এটাতো আমাদের জন্য খুশির খবর। মনে হয় ধীরে ধীরে মাছ ধরা পরতে শুরু করবে জেলেদের জালে। সব জেলেরা এ পরিমাণ মাছ পেলে ট্রলার মালিকরা পেছনের ধারদেনা কাটিয়ে উঠতে পারবেন বলে আশা করছি।

পাথরঘাটা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা জয়ন্ত কুমার অপু জানান, গভীর সমুদ্রে এখন প্রচুর পরিমাণে ইলিশ ধরা পড়ছে এবং ওই ইলিশের সাইজেও এখন বড়। তবে উপকূলের কাছাকাছি এখনও অনেক কম মাছ পাওয়া যাচ্ছে। ধারণা করছি সামনের সময় জেলেদের জলে আরও ইলিশ ধরা পরবে।