সংবাদ শিরোনাম ::
ঘোড়াঘাটের সিংড়া ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্ল্যাণ কেন্দ্রটি ৪ বছর ধরে পরিত্যক্ত ,’অস্থায়ী’ ভবনে স্বাস্থ্যসেবা চুয়াডাঙ্গায় মাথাভাঙ্গা নদী থেকে মরদেহ উদ্ধার, পিবিআইয়ের সহায়তায় মিললো পরিচয় ঝালকাঠিতে রেড ক্রিসেন্টের পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও ডেঙ্গু সচেতনতা কর্মসূচি বরিশালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যাত্রীবাহী বাস পুকুরে: কাঁচামাল ব্যবসায়ী নিহত বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ পরিচ্ছন্ন রাখতে কাঠালিয়া পাইলট বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রাণবন্ত পরিচ্ছন্নতা অভিযান তেল, গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটময় অবস্থায় পৌঁছেছে ঝালকাঠিতে অ্যাডভোকেট মুয়াযযম হোসাইন হেলাল চুয়াডাঙ্গায় ইয়াবাসহ সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আ.লীগ নেতা আটক ভান্ডারিয়ায় নাম্বারপ্লেটবিহীন মোটরসাইকেলে মোবাইল কোর্ট, ৭ মামলায় ৩২ হাজার টাকা জরিমানা ঢাকা রেঞ্জের নবগত ডিআইজি কে নিয়ে অপপ্রচারের মেতে উঠেছে কুচক্রী মহল নারীসহ ফ্ল্যাটে ওসি আটক, ‘ষষ্ঠ স্ত্রী’র বিস্ফোরক অভিযোগ

কাল‌কি‌নি‌তে বিপাকে পাট চাষিরা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:২৬:২৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ অগাস্ট ২০২২ ১১০ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মোঃ রাজু আহ‌ম্মেদকোল‌কি‌নি(মাদারীপুর) প্রতিনিধি ঃ
মাদারীপুর জেলার প্রধান ফসলের মধ্যে পাট অন্যতম এই জেলার মাটি পাট চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী হওয়ায় প্রতি বছর এই জেলায় ব্যপক আকারে পাট আবাদ করা হয়, প্রতি বছরের মতো এ বছর ও পাট চাষ করে এই জেলার কৃষকেরা, কিন্তু প্রকৃতির বৈরী আবাহওয়ায় জন্য ব্যপক ক্ষতির সম্মুখীন এই জেলার কৃষকরা। পাট চাষের মৌসুমে অতি খরার কারনে দুরথেকে সেচ মেশিনের সাহায্যে পানি এনে জমি ভিজিয়ে পাট বীজ বপন করে কৃষকরা, সাথে ছিল অতিরিক্ত সার ও কীটনাশকের খরচ। বৈশাখ মাসের শেষের দিকে বৃষ্টি হলে স্বপ্ন দেখা শুরু করে কৃষকরা, কিন্তু আষাঢ় শ্রাবণ মাসে পর্যাপ্ত পরিমাণের বৃষ্টি না হওয়ায় খাল ও বিলে কোথাও পানি নেই, এখন কৃষকরা পাট জাগ দিতে পারছেনা, ফলে পাট কেটে ভ্যান গাড়িতে করে অন্যত্র ছোট ছোট ডোবা নালায় পাট জাগ দিচ্ছে কৃষকরা এতে করে ডোবা নালার পানি যেমন দূষিত হচ্ছে সাথে পাটের গুনাগুন নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।
কাল‌কি‌নির পাট চাষি ম‌জিবুর হাওলাদার বলেন, আমি তিন বিঘা জনিতে পাট চাষ করেছি এখন পাট কাইটা পানির অভাবে পাট জাগ দিতে পারছিনা। এমন কি পাটের এক‌টি দুই‌টি বা‌ড়ীর ডোবায় দি‌য়ে ছিলাম সেই পাট ধোয়ার জন‌্য প্রায় এক কিঃ‌মিঃ দু‌রে পালরদী নদী‌তে যে‌তে হয়।একই ওয়া‌র্ডের পাট চাষী সুজন বেপারী বলেন, আমি আরাই বিঘা জমিতে পাট চাষ করেছি এখন পাট নিয়ে বিপদে আছি পাট কাটতে প্রতি বদলাকে পাঁচশো টাকা করে দিতে হয় এরপরে ভ্যান গাড়ি ভাড়া করে অন্য জায়গায় নিয়ে পাট জাগ দিতে হবে, পাটের যে দাম তাতে আমাদের অনেক বড় ক্ষতির মূখে পড়তে হচ্ছে তাই সরকার যদি পাটের ন্যায্য দাম নির্ধারণ করে দিত তাহলে ভালো হতো।

কালকিনি উপজেলা কৃষি কমকর্তা মিল্টন বিশ্বাস বলেন, এ বছর বৃষ্টি কম হওয়ার পাট চাষিরা ব্যপক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে এটি প্রকৃতিক দূর্যোগ এখানে করো হাত নেই, কৃষকদের সরকারি ভাবে সহযোগিতার কোন সুযোগ আমাদের হাতে নেই।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

কাল‌কি‌নি‌তে বিপাকে পাট চাষিরা

আপডেট সময় : ০৮:২৬:২৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ অগাস্ট ২০২২

মোঃ রাজু আহ‌ম্মেদকোল‌কি‌নি(মাদারীপুর) প্রতিনিধি ঃ
মাদারীপুর জেলার প্রধান ফসলের মধ্যে পাট অন্যতম এই জেলার মাটি পাট চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী হওয়ায় প্রতি বছর এই জেলায় ব্যপক আকারে পাট আবাদ করা হয়, প্রতি বছরের মতো এ বছর ও পাট চাষ করে এই জেলার কৃষকেরা, কিন্তু প্রকৃতির বৈরী আবাহওয়ায় জন্য ব্যপক ক্ষতির সম্মুখীন এই জেলার কৃষকরা। পাট চাষের মৌসুমে অতি খরার কারনে দুরথেকে সেচ মেশিনের সাহায্যে পানি এনে জমি ভিজিয়ে পাট বীজ বপন করে কৃষকরা, সাথে ছিল অতিরিক্ত সার ও কীটনাশকের খরচ। বৈশাখ মাসের শেষের দিকে বৃষ্টি হলে স্বপ্ন দেখা শুরু করে কৃষকরা, কিন্তু আষাঢ় শ্রাবণ মাসে পর্যাপ্ত পরিমাণের বৃষ্টি না হওয়ায় খাল ও বিলে কোথাও পানি নেই, এখন কৃষকরা পাট জাগ দিতে পারছেনা, ফলে পাট কেটে ভ্যান গাড়িতে করে অন্যত্র ছোট ছোট ডোবা নালায় পাট জাগ দিচ্ছে কৃষকরা এতে করে ডোবা নালার পানি যেমন দূষিত হচ্ছে সাথে পাটের গুনাগুন নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।
কাল‌কি‌নির পাট চাষি ম‌জিবুর হাওলাদার বলেন, আমি তিন বিঘা জনিতে পাট চাষ করেছি এখন পাট কাইটা পানির অভাবে পাট জাগ দিতে পারছিনা। এমন কি পাটের এক‌টি দুই‌টি বা‌ড়ীর ডোবায় দি‌য়ে ছিলাম সেই পাট ধোয়ার জন‌্য প্রায় এক কিঃ‌মিঃ দু‌রে পালরদী নদী‌তে যে‌তে হয়।একই ওয়া‌র্ডের পাট চাষী সুজন বেপারী বলেন, আমি আরাই বিঘা জমিতে পাট চাষ করেছি এখন পাট নিয়ে বিপদে আছি পাট কাটতে প্রতি বদলাকে পাঁচশো টাকা করে দিতে হয় এরপরে ভ্যান গাড়ি ভাড়া করে অন্য জায়গায় নিয়ে পাট জাগ দিতে হবে, পাটের যে দাম তাতে আমাদের অনেক বড় ক্ষতির মূখে পড়তে হচ্ছে তাই সরকার যদি পাটের ন্যায্য দাম নির্ধারণ করে দিত তাহলে ভালো হতো।

কালকিনি উপজেলা কৃষি কমকর্তা মিল্টন বিশ্বাস বলেন, এ বছর বৃষ্টি কম হওয়ার পাট চাষিরা ব্যপক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে এটি প্রকৃতিক দূর্যোগ এখানে করো হাত নেই, কৃষকদের সরকারি ভাবে সহযোগিতার কোন সুযোগ আমাদের হাতে নেই।