সংবাদ শিরোনাম ::
বাবুগঞ্জের দুর্গাসাগর থেকে হরিণ চুরির অভিযোগে কেয়ারটেকার ও মালী গ্রেপ্তার ঝালকাঠি প্রেস ক্লাবের দাতা সদস্য কুদ্দুস খান বাংলাদেশ বক্সিং ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় প্রেসক্লাবের সভাপতি শুভেচ্ছা রাজাপুরে টিসিবি ডিলার নিয়োগে অনিয়মের সত্যতা, পুনঃতদন্তে প্রশাসন রাজাপুরে বেহাল সড়ক পুনঃনির্মাণ ও সংস্কারের দাবিতে মানববন্ধন: দুই যুগের দুর্ভোগে ২০ হাজার মানুষ চুয়াডাঙ্গায় রাইচ কুকারের সুইচ দেবার কালে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে গৃহবধূর মৃত্যু রহমতপুর সমিতি ঢাকা আহ্বায়ক কমিটি গঠন বিজয়নগরে লুডু খেলাকে কেন্দ্র করে নিহত ১ আহত ৫ ঝালকাঠির ভীমরুলির ভাসমান পর্যটন কেন্দ্রে অতিরিক্ত ভাড়া ও উচ্চশব্দে সাউন্ড বক্স বাজানোর দায়ে অভিযান দর্শনায় বিজিবির অভিযানে ১৩ কোটি টাকার স্বর্ণসহ এক পাচারকারী আটক বিজয়নগর উপজেলা আমতলী বাজারের vision এর নতুন শো রুমের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে,

অন্যায়ের প্রতিবাদে গোসল করেন না ২২ বছর

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:২৯:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ জুলাই ২০২২ ৯২ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স: সমাজে বদল আনতে প্রায় দু’ দশক ধরে গোসল করেন না ধর্মদেব রাম। তিনি ভারতের বিহার রাজ্যের গোপালগঞ্জ জেলার বৈকুন্ঠপুর গ্রামের বাসিন্দা। গোসলের নাম শুনলে অনেকেরই অনীহা জাগে। বিশেষ করে শীতকালে এই অনীহা আরও বেড়ে যায়।

তবে একজন মানুষ সর্ব্বোচ্চ কত দিন গোসল ছাড়া থাকতে পারেন এটা ভাবনার বিষয়। জানা যায়, ৬২ বছর বয়সে বিহারের এক বৃদ্ধ টানা ২২ বছর ধরে গোসল করেননি। প্রায় দু’দশক ধরে গোসল না করেও দিব্যি সুস্থ আছেন তিনি। আনন্দবাজারের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়।

তবে কী কারণে এমন সিদ্ধান্ত তা খোঁজ নিয়ে জানা যায়, রামদেব প্রতিজ্ঞা করেছেন যত দিন না মহিলাদের ওপর অত্যাচার, নিরীহ পশু হত্যা এবং জমি নিয়ে বিবাদের মতো অন্যায় বন্ধ হবে তত দিন তিনি গোসল করবেন না।

তার স্ত্রী এবং পুত্রের মৃত্যুর সময়েও নিজের কঠোর প্রতিজ্ঞা থেকে সরে দাঁড়াননি তিনি। প্রবল গরমের সময়ও গত ২২ বছরে শরীরে পানি ছোঁয়াননি তিনি।

গোসল না করেও কোনও রকম শারীরিক অসুস্থতা ধর্মদেবকে কাবু করতে পারেনি। তিনি এখনো সুস্থ বলে জানা যায়। পশ্চিমবঙ্গের জগদ্দলে একটি কারখানায় ১৯৭৫ সাল থেকে কাজ করার সময় সব স্বাভাবিক ছিল ধর্মদেবের।

১৯৭৮ এ বিয়ে করেন তিনি। কিন্তু ১৯৮৭ সালে হঠাৎ করে একদিন তিনি উপলব্ধি করেন, ‘জমি সংক্রান্ত বিবাদ, মহিলাদের উপর হিংসার ঘটনা এবং নিরীহ পশুদের হত্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে।

এরপর তিনি এর উত্তর খুঁজতে এক গুরুর কাছে যান। সেই গুরু ধর্মদেব রামকে তার শিষ্য করে নেন এবং সেই গুরু তাকে ত্যাগের পথে চলার পরামর্শ দেন। তখন থেকে রামচন্দ্রের ধ্যান করেন ধর্মদেব রাম এবং বন্ধ করে দেন গোসল। শুধু গোসল নয়, খাওয়া-দাওয়াও বন্ধ করে দিয়েছিলেন তিনি।

পরে মালিক এ ব্যাপারে জানতে পেরে কারখানার চাকরি থেকে বরখাস্ত দেন ধর্মদেবকে। আবারও গ্রামে ফিরে আসেন ধর্মদেব। তবে এরপর খাওয়া শুরু করলেও গোসল করেননি আর কখনো।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

অন্যায়ের প্রতিবাদে গোসল করেন না ২২ বছর

আপডেট সময় : ০৫:২৯:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ জুলাই ২০২২

আজকের ক্রাইম ডেক্স: সমাজে বদল আনতে প্রায় দু’ দশক ধরে গোসল করেন না ধর্মদেব রাম। তিনি ভারতের বিহার রাজ্যের গোপালগঞ্জ জেলার বৈকুন্ঠপুর গ্রামের বাসিন্দা। গোসলের নাম শুনলে অনেকেরই অনীহা জাগে। বিশেষ করে শীতকালে এই অনীহা আরও বেড়ে যায়।

তবে একজন মানুষ সর্ব্বোচ্চ কত দিন গোসল ছাড়া থাকতে পারেন এটা ভাবনার বিষয়। জানা যায়, ৬২ বছর বয়সে বিহারের এক বৃদ্ধ টানা ২২ বছর ধরে গোসল করেননি। প্রায় দু’দশক ধরে গোসল না করেও দিব্যি সুস্থ আছেন তিনি। আনন্দবাজারের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়।

তবে কী কারণে এমন সিদ্ধান্ত তা খোঁজ নিয়ে জানা যায়, রামদেব প্রতিজ্ঞা করেছেন যত দিন না মহিলাদের ওপর অত্যাচার, নিরীহ পশু হত্যা এবং জমি নিয়ে বিবাদের মতো অন্যায় বন্ধ হবে তত দিন তিনি গোসল করবেন না।

তার স্ত্রী এবং পুত্রের মৃত্যুর সময়েও নিজের কঠোর প্রতিজ্ঞা থেকে সরে দাঁড়াননি তিনি। প্রবল গরমের সময়ও গত ২২ বছরে শরীরে পানি ছোঁয়াননি তিনি।

গোসল না করেও কোনও রকম শারীরিক অসুস্থতা ধর্মদেবকে কাবু করতে পারেনি। তিনি এখনো সুস্থ বলে জানা যায়। পশ্চিমবঙ্গের জগদ্দলে একটি কারখানায় ১৯৭৫ সাল থেকে কাজ করার সময় সব স্বাভাবিক ছিল ধর্মদেবের।

১৯৭৮ এ বিয়ে করেন তিনি। কিন্তু ১৯৮৭ সালে হঠাৎ করে একদিন তিনি উপলব্ধি করেন, ‘জমি সংক্রান্ত বিবাদ, মহিলাদের উপর হিংসার ঘটনা এবং নিরীহ পশুদের হত্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে।

এরপর তিনি এর উত্তর খুঁজতে এক গুরুর কাছে যান। সেই গুরু ধর্মদেব রামকে তার শিষ্য করে নেন এবং সেই গুরু তাকে ত্যাগের পথে চলার পরামর্শ দেন। তখন থেকে রামচন্দ্রের ধ্যান করেন ধর্মদেব রাম এবং বন্ধ করে দেন গোসল। শুধু গোসল নয়, খাওয়া-দাওয়াও বন্ধ করে দিয়েছিলেন তিনি।

পরে মালিক এ ব্যাপারে জানতে পেরে কারখানার চাকরি থেকে বরখাস্ত দেন ধর্মদেবকে। আবারও গ্রামে ফিরে আসেন ধর্মদেব। তবে এরপর খাওয়া শুরু করলেও গোসল করেননি আর কখনো।