সংবাদ শিরোনাম ::
ঘোড়াঘাটের সিংড়া ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্ল্যাণ কেন্দ্রটি ৪ বছর ধরে পরিত্যক্ত ,’অস্থায়ী’ ভবনে স্বাস্থ্যসেবা চুয়াডাঙ্গায় মাথাভাঙ্গা নদী থেকে মরদেহ উদ্ধার, পিবিআইয়ের সহায়তায় মিললো পরিচয় ঝালকাঠিতে রেড ক্রিসেন্টের পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও ডেঙ্গু সচেতনতা কর্মসূচি বরিশালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যাত্রীবাহী বাস পুকুরে: কাঁচামাল ব্যবসায়ী নিহত বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ পরিচ্ছন্ন রাখতে কাঠালিয়া পাইলট বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রাণবন্ত পরিচ্ছন্নতা অভিযান তেল, গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটময় অবস্থায় পৌঁছেছে ঝালকাঠিতে অ্যাডভোকেট মুয়াযযম হোসাইন হেলাল চুয়াডাঙ্গায় ইয়াবাসহ সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আ.লীগ নেতা আটক ভান্ডারিয়ায় নাম্বারপ্লেটবিহীন মোটরসাইকেলে মোবাইল কোর্ট, ৭ মামলায় ৩২ হাজার টাকা জরিমানা ঢাকা রেঞ্জের নবগত ডিআইজি কে নিয়ে অপপ্রচারের মেতে উঠেছে কুচক্রী মহল নারীসহ ফ্ল্যাটে ওসি আটক, ‘ষষ্ঠ স্ত্রী’র বিস্ফোরক অভিযোগ

বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে ঝুলছে ‘পাকিস্তানি’ সাইনবোর্ড

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৪৭:১১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩০ জুলাই ২০২২ ১১৭ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স: দেশ স্বাধীন হয়েছে পঞ্চাশ বছর হলো। দেশ স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন করেছে। স্বাধীন দেশে এখনো ‘গভ. অফ ইস্ট পাকিস্তান’ লেখা সর্তকীকরণ সাইনবোর্ড ঝুলছে। বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বিদ্যুৎ সরবরাহের বাসবার ট্রাকিং সিস্টেমের বোর্ডে সাইনবোর্ড ঝুলছে।

১৯৬৪ সালের ৬ নভেম্বর থেকে বরিশাল শের-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের নির্মাণ কাজ শুরু হয়। ১৯৬৮ সালে এতে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়। স্থাপনকালীন এর নাম ছিল বরিশাল মেডিক্যাল কলেজ। যা পরবর্তীতে ১৯৭৭ সালে শের-ই-বাংলা আবুল কাশেম ফজলুল হকের নামে নামকরণ করা হয়।

হাসপাতাল ঘুরে দেখা গেছে, পঞ্চতলার ভবনের চারটি সিড়ি রয়েছে। প্রত্যেকটি সিঁড়ির পাতলা পর্যন্ত ৫টি করে মোট ২১টি প্যানেল বোর্ড রয়েছে। এর মধ্যে ১১টি প্যানেল বোর্ডের সাইনবোর্ডে গভ. ইস্ট পাকিস্তন লেখা রয়েছে। চারটি প্যানেল বোর্ডে কোনো সাইবোর্ড নেই। ৬টিতে সাদা রং দিয়ে মুছে ফেলা হয়েছে।

সাদা বোর্ডের ওপর লাল রঙ দিয়ে লেখা সাইন বোর্ডের নিচে স্বাধীনতা নার্সেস পরিষদের ‘বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন জাতীয় শিশু দিবস’ এবং ২৬ মার্চের স্বাধীনতা দিবসের পোস্টার লাগানো হলেও বিষয়টি কারো নজরে আসেনি। বঙ্গবন্ধুর ছবি সম্বলিত ও জাতীয় স্মৃতিসৌধের পোস্টারের উপরে রয়েছে গভ. অফ ইস্ট পাকিস্তান লেখা সতর্কীকরণ বোর্ডটি।

হাসপাতালে আসা রোগীর স্বজন নগরীর বাধ রোডের বাসিন্দা সাগর গভ. অফ ইস্ট পাকিস্তান লেখা বোর্ড দেখতে পেয়ে বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, এ ধরনের সাইনবোর্ড এখনো থাকতে পারে বিশ্বাস হচ্ছে না। বিষয়টি হাসপাতালের খেয়াল করা উচিত ছিল।

মহিউদ্দিন মানিক বীর প্রতীক ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তি‌নি বলেন, সাইনবোর্ড অপসারণের জন্য সবাইকে বলেছি। এ পর্যন্ত চারবার পরিচালক পরিবর্তন হলেও গভ. অফ ইস্ট পাকিস্তান লেখা সাইনবোর্ডটি পরিবর্তন করা হয়নি। এমন‌কি আইন-শৃঙ্খলা সভায় বিষয়টি তোলা হয়েছে।

হাসপাতাল সংস্কার ও মেরামতসহ যাবতীয় কার্যক্রম পরিচালনাকারী গণপূর্ত অধিদপ্তরের সাব এসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার মো. ফিরোজ। তি‌নি বলেন, সাবস্টেশন থেকে পাওয়ার বাসবার ট্রাকিং সিস্টেম বোর্ডে দেওয়া হয়।

সেখান থেকে হাসপাতালের বিভিন্ন স্থানে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়। এ জন্য এটা বিপদজনক। তাই সাইনবোর্ড লাগানো রয়েছে। সাইনবোর্ডে ইস্ট পাকিস্তান লেখা রয়েছে কিনা খেয়াল করেননি বলে জানিয়েছেন তিনি। হাসপাতালের পরিচালক এসএম সাইফুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি দেখতেছি। এর বে‌শি কিছু বল‌তে তি‌নি নারাজ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে ঝুলছে ‘পাকিস্তানি’ সাইনবোর্ড

আপডেট সময় : ০৮:৪৭:১১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩০ জুলাই ২০২২

আজকের ক্রাইম ডেক্স: দেশ স্বাধীন হয়েছে পঞ্চাশ বছর হলো। দেশ স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন করেছে। স্বাধীন দেশে এখনো ‘গভ. অফ ইস্ট পাকিস্তান’ লেখা সর্তকীকরণ সাইনবোর্ড ঝুলছে। বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বিদ্যুৎ সরবরাহের বাসবার ট্রাকিং সিস্টেমের বোর্ডে সাইনবোর্ড ঝুলছে।

১৯৬৪ সালের ৬ নভেম্বর থেকে বরিশাল শের-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের নির্মাণ কাজ শুরু হয়। ১৯৬৮ সালে এতে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়। স্থাপনকালীন এর নাম ছিল বরিশাল মেডিক্যাল কলেজ। যা পরবর্তীতে ১৯৭৭ সালে শের-ই-বাংলা আবুল কাশেম ফজলুল হকের নামে নামকরণ করা হয়।

হাসপাতাল ঘুরে দেখা গেছে, পঞ্চতলার ভবনের চারটি সিড়ি রয়েছে। প্রত্যেকটি সিঁড়ির পাতলা পর্যন্ত ৫টি করে মোট ২১টি প্যানেল বোর্ড রয়েছে। এর মধ্যে ১১টি প্যানেল বোর্ডের সাইনবোর্ডে গভ. ইস্ট পাকিস্তন লেখা রয়েছে। চারটি প্যানেল বোর্ডে কোনো সাইবোর্ড নেই। ৬টিতে সাদা রং দিয়ে মুছে ফেলা হয়েছে।

সাদা বোর্ডের ওপর লাল রঙ দিয়ে লেখা সাইন বোর্ডের নিচে স্বাধীনতা নার্সেস পরিষদের ‘বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন জাতীয় শিশু দিবস’ এবং ২৬ মার্চের স্বাধীনতা দিবসের পোস্টার লাগানো হলেও বিষয়টি কারো নজরে আসেনি। বঙ্গবন্ধুর ছবি সম্বলিত ও জাতীয় স্মৃতিসৌধের পোস্টারের উপরে রয়েছে গভ. অফ ইস্ট পাকিস্তান লেখা সতর্কীকরণ বোর্ডটি।

হাসপাতালে আসা রোগীর স্বজন নগরীর বাধ রোডের বাসিন্দা সাগর গভ. অফ ইস্ট পাকিস্তান লেখা বোর্ড দেখতে পেয়ে বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, এ ধরনের সাইনবোর্ড এখনো থাকতে পারে বিশ্বাস হচ্ছে না। বিষয়টি হাসপাতালের খেয়াল করা উচিত ছিল।

মহিউদ্দিন মানিক বীর প্রতীক ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তি‌নি বলেন, সাইনবোর্ড অপসারণের জন্য সবাইকে বলেছি। এ পর্যন্ত চারবার পরিচালক পরিবর্তন হলেও গভ. অফ ইস্ট পাকিস্তান লেখা সাইনবোর্ডটি পরিবর্তন করা হয়নি। এমন‌কি আইন-শৃঙ্খলা সভায় বিষয়টি তোলা হয়েছে।

হাসপাতাল সংস্কার ও মেরামতসহ যাবতীয় কার্যক্রম পরিচালনাকারী গণপূর্ত অধিদপ্তরের সাব এসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার মো. ফিরোজ। তি‌নি বলেন, সাবস্টেশন থেকে পাওয়ার বাসবার ট্রাকিং সিস্টেম বোর্ডে দেওয়া হয়।

সেখান থেকে হাসপাতালের বিভিন্ন স্থানে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়। এ জন্য এটা বিপদজনক। তাই সাইনবোর্ড লাগানো রয়েছে। সাইনবোর্ডে ইস্ট পাকিস্তান লেখা রয়েছে কিনা খেয়াল করেননি বলে জানিয়েছেন তিনি। হাসপাতালের পরিচালক এসএম সাইফুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি দেখতেছি। এর বে‌শি কিছু বল‌তে তি‌নি নারাজ।