সংবাদ শিরোনাম ::
বানারীপাড়ায় টেন্ডার ছাড়াই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ১৪টি গাছ বিক্রি প্রতিমন্ত্রীর জাল সিল-স্বাক্ষরে কোটি টাকার তদবির বাণিজ্যের অভিযোগ মোংলায় চক্রের মূলহোতা গ্রেফতার, উদ্ধার জাল সিল-স্ট্যাম্প ৫২ নম্বর রহমতপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি নির্বাচিত ইঞ্জিনিয়ার ইয়াছির আরাফাত নলছিটিতে ২ ভূমি কর্মকর্তা শোকজ, কানুনগো বদলি গৌরনদীতে সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনার দুইজন গ্রেপ্তার, মানববন্ধন ঝালকাঠিতে জাতীয় মৎস্য পক্ষ ২০২৬ উদযাপনের প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত নলছিটিতে ভোক্তা অধিকারের অভিযান: ৫টি দোকানকে ১৮ হাজার টাকা জরিমানা পটুয়াখালী নৌযান শ্রমিক ইউনিয়নের সাংগঠনিক পদে নতুন মুখ: নির্বাচিত হলেন আলোচিত অন্তর বাবুগঞ্জের দুর্গাসাগর থেকে হরিণ চুরির অভিযোগে কেয়ারটেকার ও মালী গ্রেপ্তার ঝালকাঠি প্রেস ক্লাবের দাতা সদস্য কুদ্দুস খান বাংলাদেশ বক্সিং ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় প্রেসক্লাবের সভাপতি শুভেচ্ছা

ইকোপার্ক রক্ষার দাবিতে ঝালকাঠিতে মানববন্ধন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৪০:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ জুলাই ২০২২ ১০৯ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ঝালকাঠি প্রতিনিধি :ঝালকাঠি বিষখালী, ধানসিঁড়ি ও গাবখান নদীর মোহনায় গড়ে ওঠা ইকোপার্ক দখদারদের হাত থেকে রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী।
সোমবার (২৫ জুলাই) সকাল ১০টায় ঝালকাঠি জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনের সড়কে ঝালকাঠি ইকোপার্ক রক্ষা পরিষদ এবং খাল-নদী ও পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন কমিটির উদ্যোগে এ মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন ইকোপার্ক রক্ষা এবং খাল-নদী ও পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন কমিটির আহবায়ক ইলিয়াছ সিকদার ফরহাদ, যুগ্ম আহবায়ক সদর উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান মঈন তালুকদার, জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি অ্যাডভোকেট আনোয়ার হোসেন আনু ও নারী নেত্রী কবিতা হালদার প্রমুখ।
বক্তারা অভিযোগ করেন, ঝালকাঠির সুগন্ধা, বিষখালী, ধানসিঁড়ি ও গাবখান নদীর মোহনায় জেগে ওঠা চরের ৪৫ একর খাস জমিতে ২০০২ সালে ইকোপার্ক স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেয় জেলা প্রশাসন। ২০০৭-০৮ অর্থবছরে প্রকল্পের জন্য চার কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়। ওই সময় বালু দিয়ে ভরাট করা হয় প্রকল্প এলাকা। ঝালকাঠির একটি ভূমিগ্রাসী চক্র প্রকল্প এলাকার প্রায় ৩৫ একর জমির মালিকানা দাবি করে আদালতে মামলা করলে আদালতের নিষেধাজ্ঞায় থমকে যায় ইকোপার্কের কার্যক্রম। একটি চক্রের পক্ষে আদালত রায় দিলে ক্ষুব্দ হয় ঝালকাঠির সর্বস্তরের মানুষ। তারা ইকোপার্ক রক্ষায় আন্দোলনের ঘোষণা দেন। ইকোপার্ক রক্ষায় একটি কমিটিও করা হয়। ওই কমিটির উদ্যোগে প্রথম আন্দোলন হিসেবে মানববন্ধন করা হয়। মানববন্ধনে জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতা, সাংবাদিক, আইনজীবী, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতা, শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ অংশ নেন।
এ সময় বক্তারা ইকোপার্ক রক্ষায় কঠোর আন্দোলনের হুশিয়ারী দিয়ে বলেন,অনতিবিলম্বে জণস্বার্থে এলাকাবাসীর দাবীতে পার্কের উপর থেকে মামলা তুলে নিতে হবে ও পরিবেশ বান্ধব ইকোপার্কের জমির ফিরিয়ে দিয়ে জাতির কাছে ক্ষমা চাইতে হবে? আর যদি তাহা না করে তাহলে উক্ত ভ‚মিগ্রাসী চক্রের বিভিন্ন কুকীর্তির মুখোশ উন্মোচন করে দেবেন এলাকার জনগন।
এ ভ‚মিগ্রাসী চক্ররা ইকোপার্ক ছাড়াও ঝালকাঠির একটি সরকারী প্রতিষ্ঠানের নামে মামলা দিয়ে সরকারের কোটি কোটি টাকা রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ বনে গেছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে। অর্থের দাপটে প্রশাসনকে ম্যানেজ করে এভাবে একেরপর এক দ্বিতীয় কলকাতা খ্যাত ঝালকাঠির বুকের উপর ছোবল দিয়ে পারপেয়ে যাচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ইকোপার্ক রক্ষার দাবিতে ঝালকাঠিতে মানববন্ধন

আপডেট সময় : ০২:৪০:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ জুলাই ২০২২

ঝালকাঠি প্রতিনিধি :ঝালকাঠি বিষখালী, ধানসিঁড়ি ও গাবখান নদীর মোহনায় গড়ে ওঠা ইকোপার্ক দখদারদের হাত থেকে রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী।
সোমবার (২৫ জুলাই) সকাল ১০টায় ঝালকাঠি জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনের সড়কে ঝালকাঠি ইকোপার্ক রক্ষা পরিষদ এবং খাল-নদী ও পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন কমিটির উদ্যোগে এ মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন ইকোপার্ক রক্ষা এবং খাল-নদী ও পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন কমিটির আহবায়ক ইলিয়াছ সিকদার ফরহাদ, যুগ্ম আহবায়ক সদর উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান মঈন তালুকদার, জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি অ্যাডভোকেট আনোয়ার হোসেন আনু ও নারী নেত্রী কবিতা হালদার প্রমুখ।
বক্তারা অভিযোগ করেন, ঝালকাঠির সুগন্ধা, বিষখালী, ধানসিঁড়ি ও গাবখান নদীর মোহনায় জেগে ওঠা চরের ৪৫ একর খাস জমিতে ২০০২ সালে ইকোপার্ক স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেয় জেলা প্রশাসন। ২০০৭-০৮ অর্থবছরে প্রকল্পের জন্য চার কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়। ওই সময় বালু দিয়ে ভরাট করা হয় প্রকল্প এলাকা। ঝালকাঠির একটি ভূমিগ্রাসী চক্র প্রকল্প এলাকার প্রায় ৩৫ একর জমির মালিকানা দাবি করে আদালতে মামলা করলে আদালতের নিষেধাজ্ঞায় থমকে যায় ইকোপার্কের কার্যক্রম। একটি চক্রের পক্ষে আদালত রায় দিলে ক্ষুব্দ হয় ঝালকাঠির সর্বস্তরের মানুষ। তারা ইকোপার্ক রক্ষায় আন্দোলনের ঘোষণা দেন। ইকোপার্ক রক্ষায় একটি কমিটিও করা হয়। ওই কমিটির উদ্যোগে প্রথম আন্দোলন হিসেবে মানববন্ধন করা হয়। মানববন্ধনে জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতা, সাংবাদিক, আইনজীবী, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতা, শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ অংশ নেন।
এ সময় বক্তারা ইকোপার্ক রক্ষায় কঠোর আন্দোলনের হুশিয়ারী দিয়ে বলেন,অনতিবিলম্বে জণস্বার্থে এলাকাবাসীর দাবীতে পার্কের উপর থেকে মামলা তুলে নিতে হবে ও পরিবেশ বান্ধব ইকোপার্কের জমির ফিরিয়ে দিয়ে জাতির কাছে ক্ষমা চাইতে হবে? আর যদি তাহা না করে তাহলে উক্ত ভ‚মিগ্রাসী চক্রের বিভিন্ন কুকীর্তির মুখোশ উন্মোচন করে দেবেন এলাকার জনগন।
এ ভ‚মিগ্রাসী চক্ররা ইকোপার্ক ছাড়াও ঝালকাঠির একটি সরকারী প্রতিষ্ঠানের নামে মামলা দিয়ে সরকারের কোটি কোটি টাকা রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ বনে গেছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে। অর্থের দাপটে প্রশাসনকে ম্যানেজ করে এভাবে একেরপর এক দ্বিতীয় কলকাতা খ্যাত ঝালকাঠির বুকের উপর ছোবল দিয়ে পারপেয়ে যাচ্ছে।