সংবাদ শিরোনাম ::
ঘোড়াঘাটের সিংড়া ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্ল্যাণ কেন্দ্রটি ৪ বছর ধরে পরিত্যক্ত ,’অস্থায়ী’ ভবনে স্বাস্থ্যসেবা চুয়াডাঙ্গায় মাথাভাঙ্গা নদী থেকে মরদেহ উদ্ধার, পিবিআইয়ের সহায়তায় মিললো পরিচয় ঝালকাঠিতে রেড ক্রিসেন্টের পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও ডেঙ্গু সচেতনতা কর্মসূচি বরিশালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যাত্রীবাহী বাস পুকুরে: কাঁচামাল ব্যবসায়ী নিহত বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ পরিচ্ছন্ন রাখতে কাঠালিয়া পাইলট বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রাণবন্ত পরিচ্ছন্নতা অভিযান তেল, গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটময় অবস্থায় পৌঁছেছে ঝালকাঠিতে অ্যাডভোকেট মুয়াযযম হোসাইন হেলাল চুয়াডাঙ্গায় ইয়াবাসহ সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আ.লীগ নেতা আটক ভান্ডারিয়ায় নাম্বারপ্লেটবিহীন মোটরসাইকেলে মোবাইল কোর্ট, ৭ মামলায় ৩২ হাজার টাকা জরিমানা ঢাকা রেঞ্জের নবগত ডিআইজি কে নিয়ে অপপ্রচারের মেতে উঠেছে কুচক্রী মহল নারীসহ ফ্ল্যাটে ওসি আটক, ‘ষষ্ঠ স্ত্রী’র বিস্ফোরক অভিযোগ

আমি তো সেদিনই মরে গেছি যেদিন কারাগারে এসেছি : ডা. সাবরিনা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:২০:০৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২০ জুলাই ২০২২ ১১৪ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক

অর্থের বিনিময়ে নমুনা সংগ্রহ করে করোনার ভুয়া সনদ দেওয়ার মামলায় জেকেজি হেলথকেয়ারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) আরিফুল হক চৌধুরী ও তার স্ত্রী ডা. সাবরিনা চৌধুরীসহ আটজনকে গতকাল ১১ বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সাজা ঘোষণার পর ডা. সাবরিনা বলেন, ‘বুঝতে পারছিলাম কিছু হবে, তবে এতটা হবে বুঝতে পারিনি। ’

আপিলের বিষয়ে সাবরিনা বলেন, ‘আমি জেকেজির চেয়ারম্যান ছিলাম না, এই সাজা কীভাবে হলো? আপিলের কথা তো পরে। একটা কথাই বলব।

আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সঙ্গেই আছেন। এক দিন প্রমাণ হবে সাবরিনা নির্দোষ ছিল। ’
এ সময় এক আইনজীবী তাকে সান্ত্বনা দিয়ে বলেন, ‘ম্যাডাম আপনি দ্রুত বের হয়ে যাবেন। আপিল করা হবে।

’ তখন সাবরিনা বলেন, ‘আমি তো সেদিনই মরে গেছি যেদিন আমাকে কারাগারে ঢুকানো হয়েছে। আমি বের হব কি না’ সেটা বড় বিষয় না। বড় কথা হলো আমি নির্দোষ কিন্তু দেশবাসী জানল আমি অপরাধী। ’
উল্লেখ্য, গতকাল দুপুরে অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. তোফাজ্জল হোসেন করোনার ভুয়া সনদ দেওয়ার মামলার রায় ঘোষণা করেন।

মামলার অন্য ছয় আসামি হলেন- আরিফুলের বোন জেবুন্নেছা রিমা, সাবেক কর্মচারী হুমায়ুন কবির হিমু ও তার স্ত্রী তানজিনা পাটোয়ারী, জেকেজির সমন্বয়ক আবু সাঈদ চৌধুরী, জেকেজির কর্মচারী বিপুল দাস ও শফিকুল ইসলাম রোমিও।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

আমি তো সেদিনই মরে গেছি যেদিন কারাগারে এসেছি : ডা. সাবরিনা

আপডেট সময় : ০৮:২০:০৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২০ জুলাই ২০২২

অনলাইন ডেস্ক

অর্থের বিনিময়ে নমুনা সংগ্রহ করে করোনার ভুয়া সনদ দেওয়ার মামলায় জেকেজি হেলথকেয়ারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) আরিফুল হক চৌধুরী ও তার স্ত্রী ডা. সাবরিনা চৌধুরীসহ আটজনকে গতকাল ১১ বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সাজা ঘোষণার পর ডা. সাবরিনা বলেন, ‘বুঝতে পারছিলাম কিছু হবে, তবে এতটা হবে বুঝতে পারিনি। ’

আপিলের বিষয়ে সাবরিনা বলেন, ‘আমি জেকেজির চেয়ারম্যান ছিলাম না, এই সাজা কীভাবে হলো? আপিলের কথা তো পরে। একটা কথাই বলব।

আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সঙ্গেই আছেন। এক দিন প্রমাণ হবে সাবরিনা নির্দোষ ছিল। ’
এ সময় এক আইনজীবী তাকে সান্ত্বনা দিয়ে বলেন, ‘ম্যাডাম আপনি দ্রুত বের হয়ে যাবেন। আপিল করা হবে।

’ তখন সাবরিনা বলেন, ‘আমি তো সেদিনই মরে গেছি যেদিন আমাকে কারাগারে ঢুকানো হয়েছে। আমি বের হব কি না’ সেটা বড় বিষয় না। বড় কথা হলো আমি নির্দোষ কিন্তু দেশবাসী জানল আমি অপরাধী। ’
উল্লেখ্য, গতকাল দুপুরে অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. তোফাজ্জল হোসেন করোনার ভুয়া সনদ দেওয়ার মামলার রায় ঘোষণা করেন।

মামলার অন্য ছয় আসামি হলেন- আরিফুলের বোন জেবুন্নেছা রিমা, সাবেক কর্মচারী হুমায়ুন কবির হিমু ও তার স্ত্রী তানজিনা পাটোয়ারী, জেকেজির সমন্বয়ক আবু সাঈদ চৌধুরী, জেকেজির কর্মচারী বিপুল দাস ও শফিকুল ইসলাম রোমিও।