সংবাদ শিরোনাম ::
বানারীপাড়ায় টেন্ডার ছাড়াই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ১৪টি গাছ বিক্রি প্রতিমন্ত্রীর জাল সিল-স্বাক্ষরে কোটি টাকার তদবির বাণিজ্যের অভিযোগ মোংলায় চক্রের মূলহোতা গ্রেফতার, উদ্ধার জাল সিল-স্ট্যাম্প ৫২ নম্বর রহমতপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি নির্বাচিত ইঞ্জিনিয়ার ইয়াছির আরাফাত নলছিটিতে ২ ভূমি কর্মকর্তা শোকজ, কানুনগো বদলি গৌরনদীতে সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনার দুইজন গ্রেপ্তার, মানববন্ধন ঝালকাঠিতে জাতীয় মৎস্য পক্ষ ২০২৬ উদযাপনের প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত নলছিটিতে ভোক্তা অধিকারের অভিযান: ৫টি দোকানকে ১৮ হাজার টাকা জরিমানা পটুয়াখালী নৌযান শ্রমিক ইউনিয়নের সাংগঠনিক পদে নতুন মুখ: নির্বাচিত হলেন আলোচিত অন্তর বাবুগঞ্জের দুর্গাসাগর থেকে হরিণ চুরির অভিযোগে কেয়ারটেকার ও মালী গ্রেপ্তার ঝালকাঠি প্রেস ক্লাবের দাতা সদস্য কুদ্দুস খান বাংলাদেশ বক্সিং ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় প্রেসক্লাবের সভাপতি শুভেচ্ছা

আমি তো সেদিনই মরে গেছি যেদিন কারাগারে এসেছি : ডা. সাবরিনা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:২০:০৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২০ জুলাই ২০২২ ১০৩ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক

অর্থের বিনিময়ে নমুনা সংগ্রহ করে করোনার ভুয়া সনদ দেওয়ার মামলায় জেকেজি হেলথকেয়ারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) আরিফুল হক চৌধুরী ও তার স্ত্রী ডা. সাবরিনা চৌধুরীসহ আটজনকে গতকাল ১১ বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সাজা ঘোষণার পর ডা. সাবরিনা বলেন, ‘বুঝতে পারছিলাম কিছু হবে, তবে এতটা হবে বুঝতে পারিনি। ’

আপিলের বিষয়ে সাবরিনা বলেন, ‘আমি জেকেজির চেয়ারম্যান ছিলাম না, এই সাজা কীভাবে হলো? আপিলের কথা তো পরে। একটা কথাই বলব।

আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সঙ্গেই আছেন। এক দিন প্রমাণ হবে সাবরিনা নির্দোষ ছিল। ’
এ সময় এক আইনজীবী তাকে সান্ত্বনা দিয়ে বলেন, ‘ম্যাডাম আপনি দ্রুত বের হয়ে যাবেন। আপিল করা হবে।

’ তখন সাবরিনা বলেন, ‘আমি তো সেদিনই মরে গেছি যেদিন আমাকে কারাগারে ঢুকানো হয়েছে। আমি বের হব কি না’ সেটা বড় বিষয় না। বড় কথা হলো আমি নির্দোষ কিন্তু দেশবাসী জানল আমি অপরাধী। ’
উল্লেখ্য, গতকাল দুপুরে অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. তোফাজ্জল হোসেন করোনার ভুয়া সনদ দেওয়ার মামলার রায় ঘোষণা করেন।

মামলার অন্য ছয় আসামি হলেন- আরিফুলের বোন জেবুন্নেছা রিমা, সাবেক কর্মচারী হুমায়ুন কবির হিমু ও তার স্ত্রী তানজিনা পাটোয়ারী, জেকেজির সমন্বয়ক আবু সাঈদ চৌধুরী, জেকেজির কর্মচারী বিপুল দাস ও শফিকুল ইসলাম রোমিও।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

আমি তো সেদিনই মরে গেছি যেদিন কারাগারে এসেছি : ডা. সাবরিনা

আপডেট সময় : ০৮:২০:০৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২০ জুলাই ২০২২

অনলাইন ডেস্ক

অর্থের বিনিময়ে নমুনা সংগ্রহ করে করোনার ভুয়া সনদ দেওয়ার মামলায় জেকেজি হেলথকেয়ারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) আরিফুল হক চৌধুরী ও তার স্ত্রী ডা. সাবরিনা চৌধুরীসহ আটজনকে গতকাল ১১ বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সাজা ঘোষণার পর ডা. সাবরিনা বলেন, ‘বুঝতে পারছিলাম কিছু হবে, তবে এতটা হবে বুঝতে পারিনি। ’

আপিলের বিষয়ে সাবরিনা বলেন, ‘আমি জেকেজির চেয়ারম্যান ছিলাম না, এই সাজা কীভাবে হলো? আপিলের কথা তো পরে। একটা কথাই বলব।

আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সঙ্গেই আছেন। এক দিন প্রমাণ হবে সাবরিনা নির্দোষ ছিল। ’
এ সময় এক আইনজীবী তাকে সান্ত্বনা দিয়ে বলেন, ‘ম্যাডাম আপনি দ্রুত বের হয়ে যাবেন। আপিল করা হবে।

’ তখন সাবরিনা বলেন, ‘আমি তো সেদিনই মরে গেছি যেদিন আমাকে কারাগারে ঢুকানো হয়েছে। আমি বের হব কি না’ সেটা বড় বিষয় না। বড় কথা হলো আমি নির্দোষ কিন্তু দেশবাসী জানল আমি অপরাধী। ’
উল্লেখ্য, গতকাল দুপুরে অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. তোফাজ্জল হোসেন করোনার ভুয়া সনদ দেওয়ার মামলার রায় ঘোষণা করেন।

মামলার অন্য ছয় আসামি হলেন- আরিফুলের বোন জেবুন্নেছা রিমা, সাবেক কর্মচারী হুমায়ুন কবির হিমু ও তার স্ত্রী তানজিনা পাটোয়ারী, জেকেজির সমন্বয়ক আবু সাঈদ চৌধুরী, জেকেজির কর্মচারী বিপুল দাস ও শফিকুল ইসলাম রোমিও।