সংবাদ শিরোনাম ::
জুলাই আন্দোলনের দ্বিতীয় বার্ষিকীতে বাবুগঞ্জে জামায়াতের সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল বাবুগঞ্জে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত মাদারীপুরে ড্রাম বিস্ফোরণে শিশু শ্রমিকের করুণ মৃত্যু চাঞ্চল্যকর ঘটনা: চোরের আঙুল কামড়ে ছিঁড়ে ফেললেন গৃহবধূ, মোবাইল নিয়ে চম্পট জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে ঝালকাঠিতে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা ও স্মারক সংবর্ধনা বরিশালে প্রবাসীর স্ত্রীর ঘর থেকে জামায়াতকর্মী আটক সভাপতি-আব্দুস সালাম, সাধারণ সম্পাদক- মনোয়ার হোসেন। বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি বাবুগঞ্জ উপজেলা শাখার ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা সবুজ বাংলাদেশ গড়তে ঝালকাঠিতে ১ হাজার ৫শ গাছের চারা বিতরণ করেন জেলা পরিষদ প্রশাসক অ্যাডভোকেট শাহাদাৎ হোসেন ৮২ নং পূর্ব চাঁদপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি মনোনীত হলেন আইটি বিশেষজ্ঞ ও শিক্ষানুরাগী ইঞ্জিনিয়ার তৌহিদুল ইসলাম মেমনগর বি.ডি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পুনরায় সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেলেন প্রভাষক মো. মশিউর রহমান

নাগরপুরে প্রবাসীর অর্থায়নে ৫ টি বিদ্যালয়ে শহীদ মিনার নির্মাণ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:০৮:৫০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২২ ৭৭ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নাগরপুর (টাঙ্গাইল)প্রতিনিধিঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুরে সলিমাবাদ ইউনিয়নের ৫ টি বিদ্যালয়ে নিজ অর্থায়নে শহীদ মিনার নির্মাণ করেছেন প্রবাসী সুমন সিকদার। পুরো উপজেলায় বর্তমান সময়েও অনেক বিদ্যালয়ে কলা গাছ এবং বাশ দিয়ে অস্থায়ী শহীদ মিনার তৈরী করে ভাষা শহীদদের শ্রদ্ধা জানানো হয় । বীর শহীদদের এভাবে স্মরণ করার বিষয়টি মেনে নিতে পারেননি সুমন সিকদার নামের এক প্রবাসী তরুণ। তিনি প্রতিবছর একে একে পাঁচটি শহীদ মিনার নির্মাণ করেছেন। স্থানীয় এলাকাবাসীদের ভাষ্যমতে, সলিমাবাদ উত্তর,পূর্ব, পশ্চিম ও খাস ঘুনিপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পূর্বে কোনো স্থায়ী শহীদ মিনার ছিলো না। ফলে শিক্ষার্থীরা ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে বা স্মরণ করতে পারত না। এখন শহীদ মিনার নির্মাণ হওয়ায় ভাষা শহীদদের শ্রদ্ধা জানাতে পেরে শিক্ষার্থীরা আনন্দিত।
এ বিষয়ে সুমন সিকদার মুঠোফোনে বলেন, আমি যখন কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থী ছিলাম তখন কলা গাছ এবং বাশ দিয়ে তৈরি শহীদ মিনারে আমরা ভাষা শহীদদের স্মরণ করতাম। সেই সময় থেকেই আমার মন ব্যথিত হতো। ভাষা শহীদদের স্মরণ ও তাদের গুরত্ব ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মধ্য সঠিকভাবে যেনো বিকাশিত হয় সেই লক্ষ্যে পরবর্তীতে আমরা ১০ জন বন্ধু মিলে প্রথম স্থায়ী শহীদ মিনার নির্মাণ করি। এরপর একে একে আমি নিজেই ৫ টি শহীদ মিনার নির্মাণ করেছি। আমি দেশপ্রেম থেকেই মূলত এমন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করেছি।
নিজ উদ্যোগে শহীদ মিনার নির্মাণ প্রসঙ্গে নাগরপুর উপজেলা সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ সুজায়েত হোসেন জানান, সলিমাবাদ ইউনিয়নের কৃতি সন্তান সুমনের এমন উদ্যোগ অবশ্যই প্রশংসনীয়। উপজেলা অনেক বিদ্যালয়ে শহীদ মিনার না থাকার বিষয়টি অত্যন্ত দু:খ জনক। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি যেনো দ্রæত নাগরপুরের সকল বিদ্যালয়ে শহীদ মিনার নির্মাণ করা হোক।
শহীদ মিনার নির্মাণের এমন উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করে সলিমাবাদ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো: শাহীদুল ইসলাম অপু বলেন, আমার ইউনিয়নের একজন প্রবাসী সুমন সিকদার, তিনি প্রবাসে থেকেও দেশের প্রতি তার ভালবাসার বহিঃপ্রকাশ দেখিয়েছেন। তার মতো এমন উদ্যোগে আমাদের মধ্যে অনেকেই এগিয়ে আসবেন বলে আমি আশাবাদী।
উল্লেখ্য, উপজেলার প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে ১৫৬ টি, মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় রয়েছে ৪২ টি, কলেজ রয়েছে ৫ টি, মাদ্রাসা রয়েছে ১৩ টি। এর মধ্যে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১৫৬ টির মধ্যে ৩১ টি, মাধ্যমিক উচ্চ বিদ্যালয় ৪২ টির মধ্যে ৩৫ টি ও উপজেলার সরকারী,বেসরকারী সবগুলো কলেজে স্থায়ী শহীদ মিনার রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

নাগরপুরে প্রবাসীর অর্থায়নে ৫ টি বিদ্যালয়ে শহীদ মিনার নির্মাণ

আপডেট সময় : ০৮:০৮:৫০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২২

নাগরপুর (টাঙ্গাইল)প্রতিনিধিঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুরে সলিমাবাদ ইউনিয়নের ৫ টি বিদ্যালয়ে নিজ অর্থায়নে শহীদ মিনার নির্মাণ করেছেন প্রবাসী সুমন সিকদার। পুরো উপজেলায় বর্তমান সময়েও অনেক বিদ্যালয়ে কলা গাছ এবং বাশ দিয়ে অস্থায়ী শহীদ মিনার তৈরী করে ভাষা শহীদদের শ্রদ্ধা জানানো হয় । বীর শহীদদের এভাবে স্মরণ করার বিষয়টি মেনে নিতে পারেননি সুমন সিকদার নামের এক প্রবাসী তরুণ। তিনি প্রতিবছর একে একে পাঁচটি শহীদ মিনার নির্মাণ করেছেন। স্থানীয় এলাকাবাসীদের ভাষ্যমতে, সলিমাবাদ উত্তর,পূর্ব, পশ্চিম ও খাস ঘুনিপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পূর্বে কোনো স্থায়ী শহীদ মিনার ছিলো না। ফলে শিক্ষার্থীরা ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে বা স্মরণ করতে পারত না। এখন শহীদ মিনার নির্মাণ হওয়ায় ভাষা শহীদদের শ্রদ্ধা জানাতে পেরে শিক্ষার্থীরা আনন্দিত।
এ বিষয়ে সুমন সিকদার মুঠোফোনে বলেন, আমি যখন কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থী ছিলাম তখন কলা গাছ এবং বাশ দিয়ে তৈরি শহীদ মিনারে আমরা ভাষা শহীদদের স্মরণ করতাম। সেই সময় থেকেই আমার মন ব্যথিত হতো। ভাষা শহীদদের স্মরণ ও তাদের গুরত্ব ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মধ্য সঠিকভাবে যেনো বিকাশিত হয় সেই লক্ষ্যে পরবর্তীতে আমরা ১০ জন বন্ধু মিলে প্রথম স্থায়ী শহীদ মিনার নির্মাণ করি। এরপর একে একে আমি নিজেই ৫ টি শহীদ মিনার নির্মাণ করেছি। আমি দেশপ্রেম থেকেই মূলত এমন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করেছি।
নিজ উদ্যোগে শহীদ মিনার নির্মাণ প্রসঙ্গে নাগরপুর উপজেলা সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ সুজায়েত হোসেন জানান, সলিমাবাদ ইউনিয়নের কৃতি সন্তান সুমনের এমন উদ্যোগ অবশ্যই প্রশংসনীয়। উপজেলা অনেক বিদ্যালয়ে শহীদ মিনার না থাকার বিষয়টি অত্যন্ত দু:খ জনক। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি যেনো দ্রæত নাগরপুরের সকল বিদ্যালয়ে শহীদ মিনার নির্মাণ করা হোক।
শহীদ মিনার নির্মাণের এমন উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করে সলিমাবাদ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো: শাহীদুল ইসলাম অপু বলেন, আমার ইউনিয়নের একজন প্রবাসী সুমন সিকদার, তিনি প্রবাসে থেকেও দেশের প্রতি তার ভালবাসার বহিঃপ্রকাশ দেখিয়েছেন। তার মতো এমন উদ্যোগে আমাদের মধ্যে অনেকেই এগিয়ে আসবেন বলে আমি আশাবাদী।
উল্লেখ্য, উপজেলার প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে ১৫৬ টি, মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় রয়েছে ৪২ টি, কলেজ রয়েছে ৫ টি, মাদ্রাসা রয়েছে ১৩ টি। এর মধ্যে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১৫৬ টির মধ্যে ৩১ টি, মাধ্যমিক উচ্চ বিদ্যালয় ৪২ টির মধ্যে ৩৫ টি ও উপজেলার সরকারী,বেসরকারী সবগুলো কলেজে স্থায়ী শহীদ মিনার রয়েছে।