অবশেষে স্থায়ী ঠিকানা পেল সেই আসপিয়া
- আপডেট সময় : ০৫:১৫:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২২ ৯১ বার পড়া হয়েছে

আজকের ক্রাইম ডেক্স
পুলিশ বাহিনীতে কনস্টেবল পদে চাকরির পর আসপিয়া ইসলামের স্থায়ী ঠিকানাও নিশ্চিত হলো। প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্পের আওতায় বরাদ্দ জমির দলিল ও নির্মিত ঘরের চাবি মঙ্গলবার দুপুরে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আসপিয়ার মা ঝর্না বেগমের হাতে তুলে দেন বরিশাল- ৪ আসনের সংসদ সদস্য পংকজ দেবনাথ।
এ সময় বরিশালের জেলা প্রশাসক মো. জসীম উদ্দীন হায়দার ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বকুল চন্দ্র কবিরাজ, উপজেলা চেয়ারম্যান বেলায়েত হোসেন ঢালীসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। নবনির্মিত বাড়ির উঠানেই দলিল ও চাবি প্রদান অনুষ্ঠানটির আয়োজন করা হয়।
নতুন ঘরের চাবি পেয়ে আপ্লুত আসপিয়ার মা ঝর্না বেগম প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তার দীর্ঘায়ু কামনা করেন। এর আগে গত ২৫ ডিসেম্বর বরিশাল জেলা পুলিশ সুপার মো. মারুফ হোসেনের পক্ষে হিজলা থানার উপ-পরিদর্শক মো. মিজান কলেজছাত্রী আসপিয়া ইসলামকে পুলিশ কনস্টেবল পদে নিয়োগপত্র হস্তান্তর করেন। আসপিয়া রংপুরে ৬ মাসের প্রশিক্ষণে আছেন।
আসপিয়ার মায়ের হাতে জমির দলিল ও ঘরের চাবি তুলে দেন বরিশাল-৪ আসনের সংসদ সদস্য পংকজ দেবনাথ
উল্লেখ্য, কনস্টেবল পদে নিয়োগ পরীক্ষায় বরিশাল জেলায় মেধাতালিকায় পঞ্চম স্থান অর্জন করেছিলেন হিজলা উপজেলার মৃত শফিকুল ইসলামের মেয়ে কলেজছাত্রী আসপিয়া। তাকে চূড়ান্ত নিয়োগপত্র দেওয়ার আগে পুলিশি তদন্তে জানা যায়, তার পরিবার হিজলা উপজেলার স্থায়ী বাসিন্দা নন। ভাড়াটিয়া। তাদের স্থায়ী নিবাস ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলায়। তবে আসপিয়ার জন্ম ও লেখাপড়া সবকিছুই হিজলাতে। চাকরির আবেদনপত্রে তার স্থায়ী ঠিকানা উল্লেখ করা হয়েছিল হিজলা উপজেলা।
স্থায়ী ঠিকানা নিয়ে আইনি জটিলতায় তার নিয়োগপত্র আটকে যায়। আসপিয়া পুলিশের রেঞ্জ ডিআইজি এসএম আক্তারুজ্জামানের সঙ্গে দেখা করলে তিনি সহানুভূতি দেখালেও আইনের কারণে নিয়োগপত্র দিতে পারছেন না বলে জানিয়ে দেন।
এ নিয়ে গত ১০ ডিসেম্বর সমকালসহ বিভিন্ন সংবাদপত্রে সংবাদ প্রকাশিত হলে বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের নজরে আসে। সেখান থেকে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে নির্দেশ দেওয়া হয়, আসপিয়ার পরিবারকে স্থায়ী ঠিকানা নিশ্চিত করতে হিজলায় খাসজমি থেকে জমি ও ঘর বরাদ্দ দিতে।

























