সংবাদ শিরোনাম ::
জুলাই আন্দোলনের দ্বিতীয় বার্ষিকীতে বাবুগঞ্জে জামায়াতের সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল বাবুগঞ্জে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত মাদারীপুরে ড্রাম বিস্ফোরণে শিশু শ্রমিকের করুণ মৃত্যু চাঞ্চল্যকর ঘটনা: চোরের আঙুল কামড়ে ছিঁড়ে ফেললেন গৃহবধূ, মোবাইল নিয়ে চম্পট জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে ঝালকাঠিতে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা ও স্মারক সংবর্ধনা বরিশালে প্রবাসীর স্ত্রীর ঘর থেকে জামায়াতকর্মী আটক সভাপতি-আব্দুস সালাম, সাধারণ সম্পাদক- মনোয়ার হোসেন। বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি বাবুগঞ্জ উপজেলা শাখার ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা সবুজ বাংলাদেশ গড়তে ঝালকাঠিতে ১ হাজার ৫শ গাছের চারা বিতরণ করেন জেলা পরিষদ প্রশাসক অ্যাডভোকেট শাহাদাৎ হোসেন ৮২ নং পূর্ব চাঁদপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি মনোনীত হলেন আইটি বিশেষজ্ঞ ও শিক্ষানুরাগী ইঞ্জিনিয়ার তৌহিদুল ইসলাম মেমনগর বি.ডি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পুনরায় সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেলেন প্রভাষক মো. মশিউর রহমান

বাবুগঞ্জে মরিয়ম হত্যায় জড়িতদের ফাঁসির দাবিতে এলাকাবাসীর বিক্ষোভ ও মানববন্ধন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:০৮:৪৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২২ ৭৩ বার পড়া হয়েছে

Exif_JPEG_420

আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাবুগঞ্জ প্রতিনিধিঃ শিশু-কিশোরদের হাতে হাতে প্ল্যাকার্ড। তাতে লেখা, ‘ফাঁসি চাই, ফাঁসি চাই, ধর্ষকের ফাঁসি চাই।’ সেখানে ধ্বনিত-প্রতিধ্বনিত হচ্ছে এই স্লোগান। তাদের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন শিক্ষক, এলাকাবাসী ও স্থানীয় রাজনীতিকরা। সবারই এক দাবি। ধর্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চান। মানববন্ধনে সমবেত বিক্ষুব্ধ জনতা একপর্যায়ে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করে।

সোমবার সকালে বাবুগঞ্জ উপজেলার কেদারপুর ইউনিয়নের ভূতেরদিয়া আলিম মাদ্রাসার সামনের সড়কে ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধনে ভূতেরদিয়া আলিম মাদ্রাসা ও ভূতেরদিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়সহ এলাকার কয়েক হাজার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

কেদারপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ নূরে আলম বেপারীর সভাপতিত্বে ও কেদারপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাহাবুবুল আলম মাছুম মৃধার সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য দেন,বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ জহিরুল হাসান অরুণ, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ নূর হোসেন নূর, সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন মৃধা, কেদারপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ মনিরুজ্জামান মিল্টন, সমাজসেবক আঃ রশিদ হাওলাদার, ইউপি সদস্য মোঃ মিজানুর রহমান সিকদার, আমির হোসেন মৃধা, পশ্চিম ভূতেরদিয়া আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মোঃ মাসুদুর রহমান প্রমূখ।

এ সময় বিক্ষোভকারীরা ধর্ষকদের ফাঁসি চেয়ে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন এবং ধর্ষকদের পরিবার কে এলাকা থেকে বয়কট করার ঘোষণা দেন।

এঘটনায় হত্যা মামলায় দুইজনকে আটক করেছে বাবুগঞ্জ থানা পুলিশ। শনিবার রাতে বাবুগঞ্জ থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ( ওসি) মোঃ মাহাবুবুর রহমানের নেতৃত্বে একদল চৌকস টিম উপজেলার কেদারপুর ইউনিয়নের লাশঘাটা চায়ের দোকান থেকে সুমনকে এবং শয়ন কে তার বাড়ি থেকে আটক করেন।

উল্লেখ্য গত বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার কেদারপুর ইউনিয়নের পূর্ব ভূতেরদিয়া গ্রামের সন্ধ্যা নদীর নালা থেকে মরিয়ম বেগমের মরদেহ উদ্ধার করেন বাবুগঞ্জ থানা পুলিশ। ওইদিন রাতেই বাবুগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন নিহতের ছেলে মোঃ ইমরান হোসেন। মামলা নং ৪। পরে লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য বরিশাল শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। নিহত মরিয়ম বেগম পূর্ব ভূতেরদিয়া গ্রামের মৃত মোঃ হারুন হাওলাদার এর স্ত্রী। নিহত মরিয়ম বেগম ৩ ছেলে ও ২ মেয়ে সন্তানের জননী। গত দুই বছর আগে তার স্বামী মৃত্যু বরণ করেন। ২ ছেলে চাকরি করেন এবং ২ মেয়ে কে বিবাহ দিয়েছেন। ছোট ছেলে মোঃ আসিফ(১০) ৫ম শ্রেণির ছাত্র।

ছোট ছেলে মোঃ আসিফ কে নিয়েই তিনি বাড়িতে বসবাস করতেন। বুধবার সন্ধ্যার পরে মোঃ আসিফ পার্শবর্তী সরিকল ইউনিয়নে তার ছোট বোনের শ্বশুর বাড়িতে বোনকে আনতে যান। বাড়িতে একা থাকার সুবাদে দুর্বৃত্তরা রাতের কোন এক সময় তাকে হত্যা করে তার লাশ বাড়ি থেকে প্রায় ১৫০ গজ দুরে সন্ধ্যা নদীর ( লাশঘাটা) নামক স্থানে ফেলে রাখে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বাবুগঞ্জে মরিয়ম হত্যায় জড়িতদের ফাঁসির দাবিতে এলাকাবাসীর বিক্ষোভ ও মানববন্ধন

আপডেট সময় : ১১:০৮:৪৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২২

বাবুগঞ্জ প্রতিনিধিঃ শিশু-কিশোরদের হাতে হাতে প্ল্যাকার্ড। তাতে লেখা, ‘ফাঁসি চাই, ফাঁসি চাই, ধর্ষকের ফাঁসি চাই।’ সেখানে ধ্বনিত-প্রতিধ্বনিত হচ্ছে এই স্লোগান। তাদের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন শিক্ষক, এলাকাবাসী ও স্থানীয় রাজনীতিকরা। সবারই এক দাবি। ধর্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চান। মানববন্ধনে সমবেত বিক্ষুব্ধ জনতা একপর্যায়ে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করে।

সোমবার সকালে বাবুগঞ্জ উপজেলার কেদারপুর ইউনিয়নের ভূতেরদিয়া আলিম মাদ্রাসার সামনের সড়কে ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধনে ভূতেরদিয়া আলিম মাদ্রাসা ও ভূতেরদিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়সহ এলাকার কয়েক হাজার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

কেদারপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ নূরে আলম বেপারীর সভাপতিত্বে ও কেদারপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাহাবুবুল আলম মাছুম মৃধার সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য দেন,বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ জহিরুল হাসান অরুণ, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ নূর হোসেন নূর, সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন মৃধা, কেদারপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ মনিরুজ্জামান মিল্টন, সমাজসেবক আঃ রশিদ হাওলাদার, ইউপি সদস্য মোঃ মিজানুর রহমান সিকদার, আমির হোসেন মৃধা, পশ্চিম ভূতেরদিয়া আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মোঃ মাসুদুর রহমান প্রমূখ।

এ সময় বিক্ষোভকারীরা ধর্ষকদের ফাঁসি চেয়ে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন এবং ধর্ষকদের পরিবার কে এলাকা থেকে বয়কট করার ঘোষণা দেন।

এঘটনায় হত্যা মামলায় দুইজনকে আটক করেছে বাবুগঞ্জ থানা পুলিশ। শনিবার রাতে বাবুগঞ্জ থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ( ওসি) মোঃ মাহাবুবুর রহমানের নেতৃত্বে একদল চৌকস টিম উপজেলার কেদারপুর ইউনিয়নের লাশঘাটা চায়ের দোকান থেকে সুমনকে এবং শয়ন কে তার বাড়ি থেকে আটক করেন।

উল্লেখ্য গত বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার কেদারপুর ইউনিয়নের পূর্ব ভূতেরদিয়া গ্রামের সন্ধ্যা নদীর নালা থেকে মরিয়ম বেগমের মরদেহ উদ্ধার করেন বাবুগঞ্জ থানা পুলিশ। ওইদিন রাতেই বাবুগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন নিহতের ছেলে মোঃ ইমরান হোসেন। মামলা নং ৪। পরে লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য বরিশাল শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। নিহত মরিয়ম বেগম পূর্ব ভূতেরদিয়া গ্রামের মৃত মোঃ হারুন হাওলাদার এর স্ত্রী। নিহত মরিয়ম বেগম ৩ ছেলে ও ২ মেয়ে সন্তানের জননী। গত দুই বছর আগে তার স্বামী মৃত্যু বরণ করেন। ২ ছেলে চাকরি করেন এবং ২ মেয়ে কে বিবাহ দিয়েছেন। ছোট ছেলে মোঃ আসিফ(১০) ৫ম শ্রেণির ছাত্র।

ছোট ছেলে মোঃ আসিফ কে নিয়েই তিনি বাড়িতে বসবাস করতেন। বুধবার সন্ধ্যার পরে মোঃ আসিফ পার্শবর্তী সরিকল ইউনিয়নে তার ছোট বোনের শ্বশুর বাড়িতে বোনকে আনতে যান। বাড়িতে একা থাকার সুবাদে দুর্বৃত্তরা রাতের কোন এক সময় তাকে হত্যা করে তার লাশ বাড়ি থেকে প্রায় ১৫০ গজ দুরে সন্ধ্যা নদীর ( লাশঘাটা) নামক স্থানে ফেলে রাখে।