সংবাদ শিরোনাম ::
ঝালকাঠিতে মাদকবিরোধী মাসুক স্মৃতি মিনিবার ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন ইকবাল সোবহান চৌধুরীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে ঝালকাঠিতে মানববন্ধন ঝালকাঠি জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীরের শপথ গ্রহণ সম্পন্ন চুয়াডাঙ্গার জেলা জামায়াতের জেলা আমির এমপি রুহুল আমিনের শপথ ঘোড়াঘাটে গবাদিপশুর খাদ্য সংকট জানাযার খাদ্যের দাম বৃদ্ধি বিপাকে গরুর মালিক ও খামারিরা চুয়াডাঙ্গার বালিকা বিদ্যালয়ের সামনের দেয়ালে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান!লিখন,পরে মুছন ঝালকাঠিতে ১৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন ড.জিয়াউদ্দিন হায়দার দামুড়হুদা মডেল থানা পুলিশের হাতে ইয়াবাসহ ৭ আসামী গ্রেফতার শিক্ষার্থীদের শুধু সনদ অর্জন নয়, দক্ষ ও মানবিক মানুষ হতে হবে: জিয়াউদ্দিন হায়দার উজিরপুরে শ্রমিকদল নেতার নেতৃত্বে সরকারি রাস্তার চার কিলোমিটার এলাকার গাছ লুটের মহোৎসব

ময়মনসিংহ মেডিকেল ছাত্রদলের প্রচার সম্পাদক ছিলেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৫৭:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২১ ১৯৬ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের (মমেক) ২৯তম ব্যাচের মাত্র একজন প্রকাশ্যে ছাত্রলীগ করতেন। তিনি ডা. বিজয় কুমার পাল। এরপরের ব্যাচেও কোনো ছাত্রলীগের দেখা মেলেনি। ৩১তম ব্যাচের অনেকেই ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত হয়েছেন।

কিন্তু ৯৪ সালে মমেকের ৩০তম ব্যাচের কোনো মুখই ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিল না।
এমন তথ্যই দিয়েছেন ৯৮’র মমেক ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ডা. বিজয় কুমার পাল। আর এই কমিটির সভাপতি ছিলেন আব্দুল ওয়াহাব সরকার বাদল। আর বাদল-বিজয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন বর্তমান সরকারের তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান।

পরবর্তীতে ২০০০ সালে ডা. মুরাদ হন মমেক ছাত্রলীগের সভাপতি।
তবে তৎকালীন ছাত্রলীগের একাধিক নেতৃস্থানীয়রা জানিয়েছেন, মুরাদ হাসান বিএনপির শাসনামলে (১৯৯৪) মমেকে ভর্তি হন। মমেক শাখা ছাত্রদলের প্রচার সম্পাদকের পদও বাগিয়েছিলেন। অনেকটা আয়েশি ভঙ্গিতেই বিএনপির শাসনামল অতিবাহিত করেন মুরাদ।

পরবর্তীতে ছাত্রলীগের রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন তিনি।
জানা যায়, বাদল-বিজয় কমিটিতে ডা. মুরাদকে পদ দিতে চাননি ছাত্রলীগের জ্যেষ্ঠ নেতারা। তৎকালীন ছাত্রলীগের সভাপতি মির্জা খালিদ আল আব্বাসও চাননি মুরাদ ছাত্রলীগের কমিটিতে আসুক। অপরদিকে অন্য একটি গ্রুপ মুরাদকে ছাত্রলীগের কমিটিতে অনুপ্রবেশ করানোর জন্য জোর ভূমিকা রাখে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ডা. বিজয় কুমার পাল বলেন, ডা. মুরাদের পিতা ছিলেন জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি।

উনি বঙ্গবন্ধুরও ঘনিষ্ঠ সহচর ছিলেন। মুরাদকে পদে আনতে চারদিক থেকে আমাদের চাপ ছিল। অনেকটা বাধ্য হয়ে আমরা তাকে সাংগঠনিক সম্পাদক বানিয়েছি।
ডা. মুরাদের এক ব্যাচ সিনিয়র ও ৯৮’র মমেক ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ডা. ইসহাক অনেকটা আক্ষেপের সুরেই জানান, বর্তমান তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান আদর্শচ্যুত হয়ে ছাত্রলীগের পদ বাগিয়েছেন তার পিতার জোরে। মুরাদ ছাত্রদলের প্রচার সম্পাদক থাকা অবস্থাতেই ক্ষমতার পালাবদল হয়। অর্থাৎ বিএনপি-আওয়ামী লীগ দুই আমলেই তিনি ছিলেন সর্বোচ্চ সুবিধাভোগী।

তিনি আরও জানান, মুরাদ হাসান ৯৫ সালে মমেক শাখা ছাত্রদলের প্রচার সম্পাদক ছিলেন। এর এক বছর পর আমরা মেডিকেল কলেজ ছাড়তে বাধ্য হলেও তিনি এক পদ থেকে আরেক পদে চলে যান। পার্থক্য শুধু দল আর আদর্শের।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ময়মনসিংহ মেডিকেল ছাত্রদলের প্রচার সম্পাদক ছিলেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৩:৫৭:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২১

অনলাইন ডেস্ক

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের (মমেক) ২৯তম ব্যাচের মাত্র একজন প্রকাশ্যে ছাত্রলীগ করতেন। তিনি ডা. বিজয় কুমার পাল। এরপরের ব্যাচেও কোনো ছাত্রলীগের দেখা মেলেনি। ৩১তম ব্যাচের অনেকেই ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত হয়েছেন।

কিন্তু ৯৪ সালে মমেকের ৩০তম ব্যাচের কোনো মুখই ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিল না।
এমন তথ্যই দিয়েছেন ৯৮’র মমেক ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ডা. বিজয় কুমার পাল। আর এই কমিটির সভাপতি ছিলেন আব্দুল ওয়াহাব সরকার বাদল। আর বাদল-বিজয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন বর্তমান সরকারের তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান।

পরবর্তীতে ২০০০ সালে ডা. মুরাদ হন মমেক ছাত্রলীগের সভাপতি।
তবে তৎকালীন ছাত্রলীগের একাধিক নেতৃস্থানীয়রা জানিয়েছেন, মুরাদ হাসান বিএনপির শাসনামলে (১৯৯৪) মমেকে ভর্তি হন। মমেক শাখা ছাত্রদলের প্রচার সম্পাদকের পদও বাগিয়েছিলেন। অনেকটা আয়েশি ভঙ্গিতেই বিএনপির শাসনামল অতিবাহিত করেন মুরাদ।

পরবর্তীতে ছাত্রলীগের রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন তিনি।
জানা যায়, বাদল-বিজয় কমিটিতে ডা. মুরাদকে পদ দিতে চাননি ছাত্রলীগের জ্যেষ্ঠ নেতারা। তৎকালীন ছাত্রলীগের সভাপতি মির্জা খালিদ আল আব্বাসও চাননি মুরাদ ছাত্রলীগের কমিটিতে আসুক। অপরদিকে অন্য একটি গ্রুপ মুরাদকে ছাত্রলীগের কমিটিতে অনুপ্রবেশ করানোর জন্য জোর ভূমিকা রাখে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ডা. বিজয় কুমার পাল বলেন, ডা. মুরাদের পিতা ছিলেন জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি।

উনি বঙ্গবন্ধুরও ঘনিষ্ঠ সহচর ছিলেন। মুরাদকে পদে আনতে চারদিক থেকে আমাদের চাপ ছিল। অনেকটা বাধ্য হয়ে আমরা তাকে সাংগঠনিক সম্পাদক বানিয়েছি।
ডা. মুরাদের এক ব্যাচ সিনিয়র ও ৯৮’র মমেক ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ডা. ইসহাক অনেকটা আক্ষেপের সুরেই জানান, বর্তমান তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান আদর্শচ্যুত হয়ে ছাত্রলীগের পদ বাগিয়েছেন তার পিতার জোরে। মুরাদ ছাত্রদলের প্রচার সম্পাদক থাকা অবস্থাতেই ক্ষমতার পালাবদল হয়। অর্থাৎ বিএনপি-আওয়ামী লীগ দুই আমলেই তিনি ছিলেন সর্বোচ্চ সুবিধাভোগী।

তিনি আরও জানান, মুরাদ হাসান ৯৫ সালে মমেক শাখা ছাত্রদলের প্রচার সম্পাদক ছিলেন। এর এক বছর পর আমরা মেডিকেল কলেজ ছাড়তে বাধ্য হলেও তিনি এক পদ থেকে আরেক পদে চলে যান। পার্থক্য শুধু দল আর আদর্শের।