সংবাদ শিরোনাম ::
বানারীপাড়ায় টেন্ডার ছাড়াই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ১৪টি গাছ বিক্রি প্রতিমন্ত্রীর জাল সিল-স্বাক্ষরে কোটি টাকার তদবির বাণিজ্যের অভিযোগ মোংলায় চক্রের মূলহোতা গ্রেফতার, উদ্ধার জাল সিল-স্ট্যাম্প ৫২ নম্বর রহমতপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি নির্বাচিত ইঞ্জিনিয়ার ইয়াছির আরাফাত নলছিটিতে ২ ভূমি কর্মকর্তা শোকজ, কানুনগো বদলি গৌরনদীতে সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনার দুইজন গ্রেপ্তার, মানববন্ধন ঝালকাঠিতে জাতীয় মৎস্য পক্ষ ২০২৬ উদযাপনের প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত নলছিটিতে ভোক্তা অধিকারের অভিযান: ৫টি দোকানকে ১৮ হাজার টাকা জরিমানা পটুয়াখালী নৌযান শ্রমিক ইউনিয়নের সাংগঠনিক পদে নতুন মুখ: নির্বাচিত হলেন আলোচিত অন্তর বাবুগঞ্জের দুর্গাসাগর থেকে হরিণ চুরির অভিযোগে কেয়ারটেকার ও মালী গ্রেপ্তার ঝালকাঠি প্রেস ক্লাবের দাতা সদস্য কুদ্দুস খান বাংলাদেশ বক্সিং ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় প্রেসক্লাবের সভাপতি শুভেচ্ছা

ময়মনসিংহ মেডিকেল ছাত্রদলের প্রচার সম্পাদক ছিলেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৫৭:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২১ ১৭৭ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের (মমেক) ২৯তম ব্যাচের মাত্র একজন প্রকাশ্যে ছাত্রলীগ করতেন। তিনি ডা. বিজয় কুমার পাল। এরপরের ব্যাচেও কোনো ছাত্রলীগের দেখা মেলেনি। ৩১তম ব্যাচের অনেকেই ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত হয়েছেন।

কিন্তু ৯৪ সালে মমেকের ৩০তম ব্যাচের কোনো মুখই ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিল না।
এমন তথ্যই দিয়েছেন ৯৮’র মমেক ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ডা. বিজয় কুমার পাল। আর এই কমিটির সভাপতি ছিলেন আব্দুল ওয়াহাব সরকার বাদল। আর বাদল-বিজয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন বর্তমান সরকারের তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান।

পরবর্তীতে ২০০০ সালে ডা. মুরাদ হন মমেক ছাত্রলীগের সভাপতি।
তবে তৎকালীন ছাত্রলীগের একাধিক নেতৃস্থানীয়রা জানিয়েছেন, মুরাদ হাসান বিএনপির শাসনামলে (১৯৯৪) মমেকে ভর্তি হন। মমেক শাখা ছাত্রদলের প্রচার সম্পাদকের পদও বাগিয়েছিলেন। অনেকটা আয়েশি ভঙ্গিতেই বিএনপির শাসনামল অতিবাহিত করেন মুরাদ।

পরবর্তীতে ছাত্রলীগের রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন তিনি।
জানা যায়, বাদল-বিজয় কমিটিতে ডা. মুরাদকে পদ দিতে চাননি ছাত্রলীগের জ্যেষ্ঠ নেতারা। তৎকালীন ছাত্রলীগের সভাপতি মির্জা খালিদ আল আব্বাসও চাননি মুরাদ ছাত্রলীগের কমিটিতে আসুক। অপরদিকে অন্য একটি গ্রুপ মুরাদকে ছাত্রলীগের কমিটিতে অনুপ্রবেশ করানোর জন্য জোর ভূমিকা রাখে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ডা. বিজয় কুমার পাল বলেন, ডা. মুরাদের পিতা ছিলেন জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি।

উনি বঙ্গবন্ধুরও ঘনিষ্ঠ সহচর ছিলেন। মুরাদকে পদে আনতে চারদিক থেকে আমাদের চাপ ছিল। অনেকটা বাধ্য হয়ে আমরা তাকে সাংগঠনিক সম্পাদক বানিয়েছি।
ডা. মুরাদের এক ব্যাচ সিনিয়র ও ৯৮’র মমেক ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ডা. ইসহাক অনেকটা আক্ষেপের সুরেই জানান, বর্তমান তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান আদর্শচ্যুত হয়ে ছাত্রলীগের পদ বাগিয়েছেন তার পিতার জোরে। মুরাদ ছাত্রদলের প্রচার সম্পাদক থাকা অবস্থাতেই ক্ষমতার পালাবদল হয়। অর্থাৎ বিএনপি-আওয়ামী লীগ দুই আমলেই তিনি ছিলেন সর্বোচ্চ সুবিধাভোগী।

তিনি আরও জানান, মুরাদ হাসান ৯৫ সালে মমেক শাখা ছাত্রদলের প্রচার সম্পাদক ছিলেন। এর এক বছর পর আমরা মেডিকেল কলেজ ছাড়তে বাধ্য হলেও তিনি এক পদ থেকে আরেক পদে চলে যান। পার্থক্য শুধু দল আর আদর্শের।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ময়মনসিংহ মেডিকেল ছাত্রদলের প্রচার সম্পাদক ছিলেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৩:৫৭:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২১

অনলাইন ডেস্ক

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের (মমেক) ২৯তম ব্যাচের মাত্র একজন প্রকাশ্যে ছাত্রলীগ করতেন। তিনি ডা. বিজয় কুমার পাল। এরপরের ব্যাচেও কোনো ছাত্রলীগের দেখা মেলেনি। ৩১তম ব্যাচের অনেকেই ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত হয়েছেন।

কিন্তু ৯৪ সালে মমেকের ৩০তম ব্যাচের কোনো মুখই ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিল না।
এমন তথ্যই দিয়েছেন ৯৮’র মমেক ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ডা. বিজয় কুমার পাল। আর এই কমিটির সভাপতি ছিলেন আব্দুল ওয়াহাব সরকার বাদল। আর বাদল-বিজয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন বর্তমান সরকারের তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান।

পরবর্তীতে ২০০০ সালে ডা. মুরাদ হন মমেক ছাত্রলীগের সভাপতি।
তবে তৎকালীন ছাত্রলীগের একাধিক নেতৃস্থানীয়রা জানিয়েছেন, মুরাদ হাসান বিএনপির শাসনামলে (১৯৯৪) মমেকে ভর্তি হন। মমেক শাখা ছাত্রদলের প্রচার সম্পাদকের পদও বাগিয়েছিলেন। অনেকটা আয়েশি ভঙ্গিতেই বিএনপির শাসনামল অতিবাহিত করেন মুরাদ।

পরবর্তীতে ছাত্রলীগের রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন তিনি।
জানা যায়, বাদল-বিজয় কমিটিতে ডা. মুরাদকে পদ দিতে চাননি ছাত্রলীগের জ্যেষ্ঠ নেতারা। তৎকালীন ছাত্রলীগের সভাপতি মির্জা খালিদ আল আব্বাসও চাননি মুরাদ ছাত্রলীগের কমিটিতে আসুক। অপরদিকে অন্য একটি গ্রুপ মুরাদকে ছাত্রলীগের কমিটিতে অনুপ্রবেশ করানোর জন্য জোর ভূমিকা রাখে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ডা. বিজয় কুমার পাল বলেন, ডা. মুরাদের পিতা ছিলেন জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি।

উনি বঙ্গবন্ধুরও ঘনিষ্ঠ সহচর ছিলেন। মুরাদকে পদে আনতে চারদিক থেকে আমাদের চাপ ছিল। অনেকটা বাধ্য হয়ে আমরা তাকে সাংগঠনিক সম্পাদক বানিয়েছি।
ডা. মুরাদের এক ব্যাচ সিনিয়র ও ৯৮’র মমেক ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ডা. ইসহাক অনেকটা আক্ষেপের সুরেই জানান, বর্তমান তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান আদর্শচ্যুত হয়ে ছাত্রলীগের পদ বাগিয়েছেন তার পিতার জোরে। মুরাদ ছাত্রদলের প্রচার সম্পাদক থাকা অবস্থাতেই ক্ষমতার পালাবদল হয়। অর্থাৎ বিএনপি-আওয়ামী লীগ দুই আমলেই তিনি ছিলেন সর্বোচ্চ সুবিধাভোগী।

তিনি আরও জানান, মুরাদ হাসান ৯৫ সালে মমেক শাখা ছাত্রদলের প্রচার সম্পাদক ছিলেন। এর এক বছর পর আমরা মেডিকেল কলেজ ছাড়তে বাধ্য হলেও তিনি এক পদ থেকে আরেক পদে চলে যান। পার্থক্য শুধু দল আর আদর্শের।