সংবাদ শিরোনাম ::
জুলাই আন্দোলনের দ্বিতীয় বার্ষিকীতে বাবুগঞ্জে জামায়াতের সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল বাবুগঞ্জে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত মাদারীপুরে ড্রাম বিস্ফোরণে শিশু শ্রমিকের করুণ মৃত্যু চাঞ্চল্যকর ঘটনা: চোরের আঙুল কামড়ে ছিঁড়ে ফেললেন গৃহবধূ, মোবাইল নিয়ে চম্পট জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে ঝালকাঠিতে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা ও স্মারক সংবর্ধনা বরিশালে প্রবাসীর স্ত্রীর ঘর থেকে জামায়াতকর্মী আটক সভাপতি-আব্দুস সালাম, সাধারণ সম্পাদক- মনোয়ার হোসেন। বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি বাবুগঞ্জ উপজেলা শাখার ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা সবুজ বাংলাদেশ গড়তে ঝালকাঠিতে ১ হাজার ৫শ গাছের চারা বিতরণ করেন জেলা পরিষদ প্রশাসক অ্যাডভোকেট শাহাদাৎ হোসেন ৮২ নং পূর্ব চাঁদপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি মনোনীত হলেন আইটি বিশেষজ্ঞ ও শিক্ষানুরাগী ইঞ্জিনিয়ার তৌহিদুল ইসলাম মেমনগর বি.ডি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পুনরায় সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেলেন প্রভাষক মো. মশিউর রহমান

আওয়ামী লীগ ছাড়লেও বঙ্গবন্ধুকে ছাড়ি নাই : কাদের সিদ্দিকী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:০৩:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২১ ১২০ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক

আওয়ামী লীগ ছাড়লেও বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বুকে লালন করে যাবেন জানিয়ে বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বলেছেন, ‘আমি তো প্রধানমন্ত্রীকে ভালোবাসি। তার কর্মকাণ্ড ও দলের সমালোচনা করি। আওয়ামী লীগকে বঙ্গবন্ধু কবর দিয়ে গিয়েছিলেন। আমি আওয়ামী লীগ ছেড়েছি।

তবে বঙ্গবন্ধুকে ছাড়ি নাই। আজীবন বঙ্গবন্ধুকে আমার বুকে লালন করে যাব। ’
আজ শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে গণফোরাম একাংশের ষষ্ঠ জাতীয় কাউন্সিলে বক্তব্যকালে তিনি এ কথা বলেন। বঙ্গবীর বলেন, ‘মুখে মুখে ঐক্য করার চেষ্টা করলে হবে না।

ঐক্যের জন্য তাগিদ থাকতে হবে। মাহমুদুর রহমান মান্না খুব ভালো বক্তৃতা করেন। আমি ওর কাছ দিয়েও যেতে পারি না। আমাদের আন্তরিকতা থাকতে হবে।
ল্যাং মারা, কেনু মারার স্বভাব থাকলে হবে না। এ কাজ সবার আগে বিএনপিকে করতে হবে। মানুষ আমাদেরকে যতখানি বিশ্বাস করে, তার অর্ধেকও বিএনপিকে বিশ্বাস করে না। গণফোরামকে যতখানি বিশ্বাস করে, বিএনপিকে তা-ও বিশ্বাস করে না। ’
তিনি আরো বলেন, ‘৭৫ সালে সবাই আওয়ামী লীগ হয়েছিল।

এমনকি জিয়াউর রহমান পর্যন্ত বাকশালের সদস্য হয়েছিল। কিন্তু বঙ্গবন্ধু মারা যাওয়ার পর কেউ দাঁড়ায়নি। কেউ কথা বলেনি। আমি বলেছিলাম, বঙ্গবন্ধুর তিন ছেলে কামাল-জামাল-রাসেল মারা গেলেও আমি কাদের সিদ্দিকী মরিনি। বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রতিশোধ আমরা নেবই নেব। চেষ্টা করেছি। আজকে যারা ক্ষমতায় আছেন, সেদিন যদি আমি অস্ত্র হাতে না নিতাম, প্রতিবাদ না করতাম, তাহলে বহু নেতাকে কবরে পাঠিয়ে দেওয়া হতো। ’
বঙ্গবীর বলেন, ‘আমার কাছে মনে হয় জাতীয় একটা সহনশীলতা দরকার। বিএনপিকে দেখতে পারে না আওয়ামী লীগ। আবার বিএনপি দেখতে পারে না আওয়ামী লীগকে। একটা সময় এমন না হয় যে আওয়ামী লীগ মরলে বিএনপির লোক যাবে না, আবার বিএনপির লোক মরলে আওয়ামী লীগ যাবে না। মসজিদে নামাজ পড়তে আওয়ামী লীগ গেলে আওয়ামী লীগের মৌলভী লাগবে, বিএনপি গেলে বিএনপির মৌলভী লাগবে। এ রকম ভালো না। ’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

আওয়ামী লীগ ছাড়লেও বঙ্গবন্ধুকে ছাড়ি নাই : কাদের সিদ্দিকী

আপডেট সময় : ০৫:০৩:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২১

অনলাইন ডেস্ক

আওয়ামী লীগ ছাড়লেও বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বুকে লালন করে যাবেন জানিয়ে বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বলেছেন, ‘আমি তো প্রধানমন্ত্রীকে ভালোবাসি। তার কর্মকাণ্ড ও দলের সমালোচনা করি। আওয়ামী লীগকে বঙ্গবন্ধু কবর দিয়ে গিয়েছিলেন। আমি আওয়ামী লীগ ছেড়েছি।

তবে বঙ্গবন্ধুকে ছাড়ি নাই। আজীবন বঙ্গবন্ধুকে আমার বুকে লালন করে যাব। ’
আজ শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে গণফোরাম একাংশের ষষ্ঠ জাতীয় কাউন্সিলে বক্তব্যকালে তিনি এ কথা বলেন। বঙ্গবীর বলেন, ‘মুখে মুখে ঐক্য করার চেষ্টা করলে হবে না।

ঐক্যের জন্য তাগিদ থাকতে হবে। মাহমুদুর রহমান মান্না খুব ভালো বক্তৃতা করেন। আমি ওর কাছ দিয়েও যেতে পারি না। আমাদের আন্তরিকতা থাকতে হবে।
ল্যাং মারা, কেনু মারার স্বভাব থাকলে হবে না। এ কাজ সবার আগে বিএনপিকে করতে হবে। মানুষ আমাদেরকে যতখানি বিশ্বাস করে, তার অর্ধেকও বিএনপিকে বিশ্বাস করে না। গণফোরামকে যতখানি বিশ্বাস করে, বিএনপিকে তা-ও বিশ্বাস করে না। ’
তিনি আরো বলেন, ‘৭৫ সালে সবাই আওয়ামী লীগ হয়েছিল।

এমনকি জিয়াউর রহমান পর্যন্ত বাকশালের সদস্য হয়েছিল। কিন্তু বঙ্গবন্ধু মারা যাওয়ার পর কেউ দাঁড়ায়নি। কেউ কথা বলেনি। আমি বলেছিলাম, বঙ্গবন্ধুর তিন ছেলে কামাল-জামাল-রাসেল মারা গেলেও আমি কাদের সিদ্দিকী মরিনি। বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রতিশোধ আমরা নেবই নেব। চেষ্টা করেছি। আজকে যারা ক্ষমতায় আছেন, সেদিন যদি আমি অস্ত্র হাতে না নিতাম, প্রতিবাদ না করতাম, তাহলে বহু নেতাকে কবরে পাঠিয়ে দেওয়া হতো। ’
বঙ্গবীর বলেন, ‘আমার কাছে মনে হয় জাতীয় একটা সহনশীলতা দরকার। বিএনপিকে দেখতে পারে না আওয়ামী লীগ। আবার বিএনপি দেখতে পারে না আওয়ামী লীগকে। একটা সময় এমন না হয় যে আওয়ামী লীগ মরলে বিএনপির লোক যাবে না, আবার বিএনপির লোক মরলে আওয়ামী লীগ যাবে না। মসজিদে নামাজ পড়তে আওয়ামী লীগ গেলে আওয়ামী লীগের মৌলভী লাগবে, বিএনপি গেলে বিএনপির মৌলভী লাগবে। এ রকম ভালো না। ’