ট্রেড লাইসেন্স না পেয়ে মেয়রসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা
- আপডেট সময় : ০৫:৩৬:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ নভেম্বর ২০২১ ১২৩ বার পড়া হয়েছে

অনলাইন ডেস্ক
বরিশাল সিটি করপোরেশনের (বিসিসি) মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহসহ চারজনকে বিবাদী করে আদালতে নালিশি মামলা করেছেন এক ব্যবসায়ী। ট্রেড লাইসেন্স না দেওয়ার অভিযোগে রোববার দুপুরে বরিশাল জ্যেষ্ঠ সহকারী জজ আদালতে এ মামলাটি করেন ব্যবসায়ী এস এ এম রেজা তাহের।
আদালত সূত্র জানায়, বরিশাল জ্যেষ্ঠ সহকারী জজ আদালতের বিচারক রুবাইয়া আমেনা বাদীর আবেদনটি গ্রহণের পর পরবর্তী আদেশের জন্য রেখেছেন।
মামলা দায়েরকারী ব্যবসায়ী এস এ এম রেজা তাহের নগরীর বিসিক শিল্পনগরীর এসএমকে প্লেনশিট অ্যান্ড ঢেউটিন মেকিং নামের একটি প্রতিষ্ঠানের মালিক। তিনি মামলায় মেয়র ছাড়াও সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা এবং ট্রেড লাইসেন্স শাখার তত্ত্বাবধায়ককে বিবাদী করেছেন।
বাদীর আইনজীবী আজাদ রহমান বলেন, রেজা তাহের ঢেউটিন ও প্লেনশিট তৈরির জন্য প্রতি মাসে ১৮ হাজার টাকায় বিসিক শিল্পনগরীতে ৪১ নম্বর প্লটে ২ হাজার বর্গফুটের কারখানা ভাড়া নেন। ব্যবসা পরিচালনার জন্য তিনি গত ১২ অক্টোবর বিসিসির ট্রেড লাইসেন্স শাখায় লাইসেন্স চেয়ে আবেদন করেন। ওই শাখা এ ব্যাপারে কোনো পদক্ষেপ না নিলে তিনি ৩ নভেম্বর বিসিসি মেয়র বরাবর ট্রেড লাইসেন্সের অনুমতি চেয়ে আবেদন করেন। আবেদনের ৪ দিন অতিবাহিত হলেও বিবাদীরা কোনো ব্যবস্থা নেননি। এতে রেজা তাহেরের প্রায় ২৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয় এবং ভবিষ্যতে আরও অপূরণীয় ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে দাবি করেছেন।
আইনজীবী আজাদ রহমান আরও বলেন, তিনি ১৮ নভেম্বর বিবাদীদের কার্যালয়ে গিয়ে ট্রেড লাইসেন্স দাবি করলে বিবাদীরা ট্রেড লাইসেন্স না দেওয়ার কথা জানিয়ে দেন। এর আগে ৮ নভেম্বর ব্যবসায়ী সিটি করপোরেশনে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছিলেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে রেজা তাহির রোববার আদালতে মামলা করেন।
সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ফারুক হোসেন এবং প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা বাবুল হালদারের কাছে ব্যবসায়ী রেজা তাহেরের অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তাঁরা এসব বিষয়ে অবগত নন বলে জানান। বিষয়টি তাঁরা খোঁজখবর নিয়ে দেখবেন বলে জানান।
ট্রেড লাইসেন্স শাখার তত্ত্বাবধায়ক শহীদুল ইসলাম বলেন, বরিশাল শিল্পনগরীতে ৭৫টি শিল্পপ্রতিষ্ঠান আছে। তাদের তিন বছরের হোল্ডিং ট্যাক্স বকেয়া আছে। এ কারণে শিল্পনগরীতে ট্রেড লাইসেন্স প্রদান সাময়িকভাবে স্থগিত রয়েছে।

























