সংবাদ শিরোনাম ::
জুলাই আন্দোলনের দ্বিতীয় বার্ষিকীতে বাবুগঞ্জে জামায়াতের সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল বাবুগঞ্জে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত মাদারীপুরে ড্রাম বিস্ফোরণে শিশু শ্রমিকের করুণ মৃত্যু চাঞ্চল্যকর ঘটনা: চোরের আঙুল কামড়ে ছিঁড়ে ফেললেন গৃহবধূ, মোবাইল নিয়ে চম্পট জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে ঝালকাঠিতে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা ও স্মারক সংবর্ধনা বরিশালে প্রবাসীর স্ত্রীর ঘর থেকে জামায়াতকর্মী আটক সভাপতি-আব্দুস সালাম, সাধারণ সম্পাদক- মনোয়ার হোসেন। বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি বাবুগঞ্জ উপজেলা শাখার ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা সবুজ বাংলাদেশ গড়তে ঝালকাঠিতে ১ হাজার ৫শ গাছের চারা বিতরণ করেন জেলা পরিষদ প্রশাসক অ্যাডভোকেট শাহাদাৎ হোসেন ৮২ নং পূর্ব চাঁদপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি মনোনীত হলেন আইটি বিশেষজ্ঞ ও শিক্ষানুরাগী ইঞ্জিনিয়ার তৌহিদুল ইসলাম মেমনগর বি.ডি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পুনরায় সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেলেন প্রভাষক মো. মশিউর রহমান

শের-ই বাংলা মেডিকেলে বিনা চিকিৎসায় স্কুলছাত্রের মৃত্যুর অভিযোগ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৪৭:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ অক্টোবর ২০২১ ৮২ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স

অষ্টম শ্রেণির ছাত্র আবির তালুকদার (১৪) জ্বর নিয়ে শুক্রবার সকাল ১০টায় হাসপাতালে ভর্তি হলেও সারাদিনে কোনো ডাক্তার তাকে দেখতে আসেনি। দেয়নি কোনো চিকিৎসা। বিনা চিকিৎসায় সন্ধ্যা ৭টার দিকে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে সে।

বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৪র্থ তলার মেডিসিন (পুরুষ) ওয়ার্ড-৩ এ ঘটনা ঘটেছে।

সে ওই ওয়ার্ডের ২৯ নম্বর শয্যায় চিকিৎসাধীন ছিল।
শুক্রবার সরকারি ছুটির দিনে হাসপাতালে মিড লেভেলের ডাক্তার না থাকার রেওয়াজের কারণে বিনা চিকিৎসায় শিশুটি মারা যায় বলে অভিযোগ তার স্বজনদের।

আবির জেলার উজিরপুর উপজেলার গুঠিয়া ইউনিয়নের আকবর তালুকদারের ছেলে এবং স্থানীয় পঞ্চগ্রাম হাউস্কুলের অষ্টম শ্রেণির ছাত্র ছিল। দুই ভাই-বোনের মধ্যে সে বড়।

আবিরের চাচা আব্দুল মাজেদ জানান, ৩ দিন ধরে জ্বর ছিল আবিরের। শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে তাকে শেবাচিমের মেডিসিন ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। সারাদিনেও মধ্যম সারির কিংবা বড় কোনো ডাক্তার ওয়ার্ডে রোগী দেখতে যায়নি। বিনা চিকিৎসায় সন্ধ্যা ৭টার দিকে শিশুটি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে।

এ জন্য ডাক্তারদের অবহেলাকে দায়ী করেছেন তিনি সহ তার স্বজনরা।
ওই ওয়ার্ডের দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, আবিরকে ভর্তি করার পর তার স্বজনরা কর্তব্যরত সেবিকার কাছে চিকিৎসার জন্য নানা আবেদন নিবেদন করেন। তারা তাদের ডাক্তার কক্ষে যেতে বলেন। ডাক্তার কক্ষে ছিল ইন্টার্ন চিকিৎসক। তারা রোগী দেখে তার অবস্থা খারাপ বলে চলে যায়।

এর পর ওই ওয়ার্ডের মেডিকেল অফিসার ডা. মেজবাকে খবর দেয় হয়। তিনি যখন ওয়ার্ডে পৌঁছান ততক্ষণে রোগী মারা যায়।
ওয়ার্ডে মধ্যম সারির ডাক্তার না থাকায় বিনা চিকিৎসায় রোগী মারা যাওয়ার অভিযোগের বিষয়ে জানতে হাসপাতালের পরিচালক ডা. এইচএম সাইফুল ইসলামের মুঠোফোনে একধিকবার কল দেয়া হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মো. মনিরুজ্জামান বলেন, এ রকম তো হওয়ার কথা নয়। তারা তো নিজেদের মধ্যে রোস্টার করে নেয়, কে কখন ডিউটিতে থাকবে। বিষয়টি বিভাগীয় প্রধান ভালো জানেন। ওয়ার্ডে সার্বক্ষণিক ডিউটি ডাক্তার থাকার বিধান রয়েছে। কর্তৃপক্ষ তো জানেই না যে কোন ওয়ার্ডে ডিউটি ডাক্তার থাকে না। এ বিষয়ে খোঁজ নিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়ার কথা বলেন তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

শের-ই বাংলা মেডিকেলে বিনা চিকিৎসায় স্কুলছাত্রের মৃত্যুর অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৫:৪৭:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ অক্টোবর ২০২১

আজকের ক্রাইম ডেক্স

অষ্টম শ্রেণির ছাত্র আবির তালুকদার (১৪) জ্বর নিয়ে শুক্রবার সকাল ১০টায় হাসপাতালে ভর্তি হলেও সারাদিনে কোনো ডাক্তার তাকে দেখতে আসেনি। দেয়নি কোনো চিকিৎসা। বিনা চিকিৎসায় সন্ধ্যা ৭টার দিকে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে সে।

বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৪র্থ তলার মেডিসিন (পুরুষ) ওয়ার্ড-৩ এ ঘটনা ঘটেছে।

সে ওই ওয়ার্ডের ২৯ নম্বর শয্যায় চিকিৎসাধীন ছিল।
শুক্রবার সরকারি ছুটির দিনে হাসপাতালে মিড লেভেলের ডাক্তার না থাকার রেওয়াজের কারণে বিনা চিকিৎসায় শিশুটি মারা যায় বলে অভিযোগ তার স্বজনদের।

আবির জেলার উজিরপুর উপজেলার গুঠিয়া ইউনিয়নের আকবর তালুকদারের ছেলে এবং স্থানীয় পঞ্চগ্রাম হাউস্কুলের অষ্টম শ্রেণির ছাত্র ছিল। দুই ভাই-বোনের মধ্যে সে বড়।

আবিরের চাচা আব্দুল মাজেদ জানান, ৩ দিন ধরে জ্বর ছিল আবিরের। শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে তাকে শেবাচিমের মেডিসিন ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। সারাদিনেও মধ্যম সারির কিংবা বড় কোনো ডাক্তার ওয়ার্ডে রোগী দেখতে যায়নি। বিনা চিকিৎসায় সন্ধ্যা ৭টার দিকে শিশুটি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে।

এ জন্য ডাক্তারদের অবহেলাকে দায়ী করেছেন তিনি সহ তার স্বজনরা।
ওই ওয়ার্ডের দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, আবিরকে ভর্তি করার পর তার স্বজনরা কর্তব্যরত সেবিকার কাছে চিকিৎসার জন্য নানা আবেদন নিবেদন করেন। তারা তাদের ডাক্তার কক্ষে যেতে বলেন। ডাক্তার কক্ষে ছিল ইন্টার্ন চিকিৎসক। তারা রোগী দেখে তার অবস্থা খারাপ বলে চলে যায়।

এর পর ওই ওয়ার্ডের মেডিকেল অফিসার ডা. মেজবাকে খবর দেয় হয়। তিনি যখন ওয়ার্ডে পৌঁছান ততক্ষণে রোগী মারা যায়।
ওয়ার্ডে মধ্যম সারির ডাক্তার না থাকায় বিনা চিকিৎসায় রোগী মারা যাওয়ার অভিযোগের বিষয়ে জানতে হাসপাতালের পরিচালক ডা. এইচএম সাইফুল ইসলামের মুঠোফোনে একধিকবার কল দেয়া হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মো. মনিরুজ্জামান বলেন, এ রকম তো হওয়ার কথা নয়। তারা তো নিজেদের মধ্যে রোস্টার করে নেয়, কে কখন ডিউটিতে থাকবে। বিষয়টি বিভাগীয় প্রধান ভালো জানেন। ওয়ার্ডে সার্বক্ষণিক ডিউটি ডাক্তার থাকার বিধান রয়েছে। কর্তৃপক্ষ তো জানেই না যে কোন ওয়ার্ডে ডিউটি ডাক্তার থাকে না। এ বিষয়ে খোঁজ নিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়ার কথা বলেন তিনি।