সংবাদ শিরোনাম ::
জুলাই আন্দোলনের দ্বিতীয় বার্ষিকীতে বাবুগঞ্জে জামায়াতের সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল বাবুগঞ্জে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত মাদারীপুরে ড্রাম বিস্ফোরণে শিশু শ্রমিকের করুণ মৃত্যু চাঞ্চল্যকর ঘটনা: চোরের আঙুল কামড়ে ছিঁড়ে ফেললেন গৃহবধূ, মোবাইল নিয়ে চম্পট জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে ঝালকাঠিতে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা ও স্মারক সংবর্ধনা বরিশালে প্রবাসীর স্ত্রীর ঘর থেকে জামায়াতকর্মী আটক সভাপতি-আব্দুস সালাম, সাধারণ সম্পাদক- মনোয়ার হোসেন। বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি বাবুগঞ্জ উপজেলা শাখার ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা সবুজ বাংলাদেশ গড়তে ঝালকাঠিতে ১ হাজার ৫শ গাছের চারা বিতরণ করেন জেলা পরিষদ প্রশাসক অ্যাডভোকেট শাহাদাৎ হোসেন ৮২ নং পূর্ব চাঁদপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি মনোনীত হলেন আইটি বিশেষজ্ঞ ও শিক্ষানুরাগী ইঞ্জিনিয়ার তৌহিদুল ইসলাম মেমনগর বি.ডি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পুনরায় সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেলেন প্রভাষক মো. মশিউর রহমান

কুমিল্লার ক্ষতিগ্রস্ত পূজামণ্ডপে গয়েশ্বর-ইনু

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:২৯:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২১ ১০২ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স
কুমিল্লার ক্ষতিগ্রস্ত পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। একইদিনে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু।

শনিবার (২৩ অক্টোবর) আলাদা সফরে পবিত্র কোরআন অবমাননার ঘটনাপরবর্তী সহিংসতায় ক্ষতিগ্রস্ত কুমিল্লা শহরের কাপড়িয়াপট্টি চাঁন্দমনি রক্ষাকারী মন্দির পরিদর্শন করেন তারা।

এসময় গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, সরকার পতনের আন্দোলনের রব চারদিকে। জাতীয় ঐক্যের মিছিল যেকোনো সময় একত্রিত হবে। নিশিরাতের সরকার টিকে থাকতে পারবে না। এই আশঙ্কাবোধ থেকে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের দুর্বল ভেবে তাদের উপর আক্রমণ করে একটি আতঙ্ক সৃষ্টি করা এবং বিরোধী দলীয় নেতাকর্মীদের গ্রেফতারের মাধ্যমে নিঃস্ব করে তারা আজীবন রাজত্ব করতে চায়।

তিনি বলেন, ’এসব ঘটনায় বিএনপি-জামায়াতকে দোষারোপ করলেও জামায়াতকে তো খুঁজেই পাওয়া যায় না। দিনেও না, রাতেও খুঁজে পাওয়া যায় না। এখন জামায়াতের অস্তিত্ব বলতে কিছু নেই।’

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় আরও বলেন, হিন্দু, মুসলিম নয়, মূলত সরকার নাগরিকদের নিরাপত্তা দিতে অনাগ্রহী। কারণ সরকারের জনপ্রিয়তা এবং দায়বদ্ধতা নেই। তবে বিএনপির দায়বদ্ধতা আছে বিধায় সবসময় জনগণের পাশে থাকে। শত বছরের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করতে চায় আওয়ামী লীগ। না হলে কুমিল্লার ঘটনায় সারাদেশে এক সপ্তাহের তাণ্ডবে হাজারো ঘটনা ঘটেছে, সরকার আন্তরিক হলে এতো ঘটনা ঘটতো না।

এদিকে কুমিল্লায় ক্ষতিগ্রস্ত পূজামণ্ডপ পরিদর্শন শেষে বিকেলে কুমিল্লা সার্কিট হাউজে সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেন, ’কুমিল্লার নানুয়ারদীঘি পাড় পূজামণ্ডপে পবিত্র কোরআন রাখা পরিকল্পিত ও সাজানো ঘটনা। একটি ওসিলা তৈরি করার জন্য চক্রান্ত করা হয়েছিল। তারপর যে হামলাগুলো কুমিল্লাসহ সারাদেশে হয়েছে তা পরিকল্পিত এবং প্রস্তুতি নিয়েই করা হয়েছে। সুতরাং আমরা একটি ধর্মান্ধ গোষ্ঠীর আক্রমণের শিকার হয়েছি।’

তিনি প্রশাসনের গাফিলতির কথা উল্লেখ করে বলেন, ’তাদের ব্যর্থতা ও অদক্ষতা দুইটাই আছে। প্রশাসন সর্তক থাকলে এই হামলাও আটকাতে পারতো। তবে প্রশাসনের মধ্যে লুকিয়ে থাকা সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠীর উদ্দেশ্যমূলক নিষ্ক্রিয়তাও আমার কাছে রহস্যজনক মনে হচ্ছে। ফলে ঘটনা ঘটার সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে। এটি ভালো লক্ষণ না। এই মূহুর্তে রাজনীতির মূল চ্যালেঞ্জ হচ্ছে পূজামণ্ডপে সংখ্যালঘুদের উপর আর হামলা হবে না, এটাই অর্জন করা।’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

কুমিল্লার ক্ষতিগ্রস্ত পূজামণ্ডপে গয়েশ্বর-ইনু

আপডেট সময় : ০২:২৯:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২১

আজকের ক্রাইম ডেক্স
কুমিল্লার ক্ষতিগ্রস্ত পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। একইদিনে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু।

শনিবার (২৩ অক্টোবর) আলাদা সফরে পবিত্র কোরআন অবমাননার ঘটনাপরবর্তী সহিংসতায় ক্ষতিগ্রস্ত কুমিল্লা শহরের কাপড়িয়াপট্টি চাঁন্দমনি রক্ষাকারী মন্দির পরিদর্শন করেন তারা।

এসময় গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, সরকার পতনের আন্দোলনের রব চারদিকে। জাতীয় ঐক্যের মিছিল যেকোনো সময় একত্রিত হবে। নিশিরাতের সরকার টিকে থাকতে পারবে না। এই আশঙ্কাবোধ থেকে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের দুর্বল ভেবে তাদের উপর আক্রমণ করে একটি আতঙ্ক সৃষ্টি করা এবং বিরোধী দলীয় নেতাকর্মীদের গ্রেফতারের মাধ্যমে নিঃস্ব করে তারা আজীবন রাজত্ব করতে চায়।

তিনি বলেন, ’এসব ঘটনায় বিএনপি-জামায়াতকে দোষারোপ করলেও জামায়াতকে তো খুঁজেই পাওয়া যায় না। দিনেও না, রাতেও খুঁজে পাওয়া যায় না। এখন জামায়াতের অস্তিত্ব বলতে কিছু নেই।’

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় আরও বলেন, হিন্দু, মুসলিম নয়, মূলত সরকার নাগরিকদের নিরাপত্তা দিতে অনাগ্রহী। কারণ সরকারের জনপ্রিয়তা এবং দায়বদ্ধতা নেই। তবে বিএনপির দায়বদ্ধতা আছে বিধায় সবসময় জনগণের পাশে থাকে। শত বছরের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করতে চায় আওয়ামী লীগ। না হলে কুমিল্লার ঘটনায় সারাদেশে এক সপ্তাহের তাণ্ডবে হাজারো ঘটনা ঘটেছে, সরকার আন্তরিক হলে এতো ঘটনা ঘটতো না।

এদিকে কুমিল্লায় ক্ষতিগ্রস্ত পূজামণ্ডপ পরিদর্শন শেষে বিকেলে কুমিল্লা সার্কিট হাউজে সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেন, ’কুমিল্লার নানুয়ারদীঘি পাড় পূজামণ্ডপে পবিত্র কোরআন রাখা পরিকল্পিত ও সাজানো ঘটনা। একটি ওসিলা তৈরি করার জন্য চক্রান্ত করা হয়েছিল। তারপর যে হামলাগুলো কুমিল্লাসহ সারাদেশে হয়েছে তা পরিকল্পিত এবং প্রস্তুতি নিয়েই করা হয়েছে। সুতরাং আমরা একটি ধর্মান্ধ গোষ্ঠীর আক্রমণের শিকার হয়েছি।’

তিনি প্রশাসনের গাফিলতির কথা উল্লেখ করে বলেন, ’তাদের ব্যর্থতা ও অদক্ষতা দুইটাই আছে। প্রশাসন সর্তক থাকলে এই হামলাও আটকাতে পারতো। তবে প্রশাসনের মধ্যে লুকিয়ে থাকা সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠীর উদ্দেশ্যমূলক নিষ্ক্রিয়তাও আমার কাছে রহস্যজনক মনে হচ্ছে। ফলে ঘটনা ঘটার সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে। এটি ভালো লক্ষণ না। এই মূহুর্তে রাজনীতির মূল চ্যালেঞ্জ হচ্ছে পূজামণ্ডপে সংখ্যালঘুদের উপর আর হামলা হবে না, এটাই অর্জন করা।’