সংবাদ শিরোনাম ::
পাকিস্তান হাইকমিশনারের বাসভবনে অগ্নিকাণ্ড, হাইকমিশনার ও স্ত্রী হাসপাতালে কীর্ত্তিপাশায় আওয়ামী লীগ নেতার ফুলেল সংবর্ধনা ঘিরে বিএনপিতে অসন্তোষ, হলরুমে তালা চুয়াডাঙ্গায় ১১ দলীয় ঐক্য জোটের উদ্যোগে গ্যাস, লোডশেডিং, বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি, ভুতুড়ে বিল, নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদ ও স্মারকলিপি প্রদান ১১দলীয় ঐক্যজোট ঝালকাঠি জেলা জামায়াতে ইসলামী জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি প্রদান অভিযোগের ভিত্তিতে ঝালকাঠি খাদ্য গুদাম পরিদর্শন; চালের মান সন্তোষজনক, বললেন এসএম জিয়া উদ্দিন হায়দার বিজয়নগরে জুলাই গণঅদ্ভুত্থান উপলক্ষে সংবর্ধনা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে হাত কড়া পড়েই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু জুলাই আন্দোলনের দ্বিতীয় বার্ষিকীতে বাবুগঞ্জে জামায়াতের সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল বাবুগঞ্জে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত মাদারীপুরে ড্রাম বিস্ফোরণে শিশু শ্রমিকের করুণ মৃত্যু

ক্ষমতায় থাকতে ১২শ’ সেনা কর্মকর্তাকে হত্যা করেন জিয়া : হানিফ।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৩৯:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ অক্টোবর ২০২১ ৯৬ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স
জিয়াউর রহমানের মরণোত্তর বিচার হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ। তিনি বলেছেন, ‘অবৈধ উপায়ে ক্ষমতা দখলের পর ১২শ’ সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেন জিয়া। এরপর তাদেরকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যা করেন। ’

আজ রবিবার চাঁদপুর সার্কিট হাউসে অনুষ্ঠিত জেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভাশেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

হানিফ বলেন, ‘১৯৭৭ সালের ২ অক্টোবর জাপান এয়ারলাইন্সের একটি বিমান ছিনতাই হয়। সেটা ঢাকা তেজগাঁও বিমানবন্দরে আসে। সেই বিমান ছিনতাইয়ের সঙ্গে বাংলাদেশের কোনও সম্পর্ক ছিল না, তা জাপানের অভ্যন্তরীণ বিষয় ছিল। অথচ এটাকে পুঁজি করে সেই সময়ের স্বৈরশাসক তার ক্ষমতা কুক্ষিগত করে রাখার জন্য মুক্তিযুদ্ধের সামরিক যেসব অফিসার ছিল- সেনাবাহিনী, বিমান বাহিনী ও নৌ বাহিনী, তাদেরকে মিথ্যা মামলা দিয়ে প্রায় ১২শ’ সামরিক কর্মকর্তাদের ফাঁসিতে ঝুলিয়েছিল।
এটা গণহত্যার শামিল। আমরা মনে করি, ওই সময় যেসব সেনা কর্মকর্তাদের মিথ্যা মামলা দিয়ে ফাঁসিতে ঝোলানো হয়েছিল, তাদের স্বজনরা যে বিচার দাবি করেছেন তা যৌক্তিক। এ বিষয়ে জিয়াউর রহমানের মরণোত্তর বিচার হওয়া উচিত। ’
তিনি আরও বলেন, ‘অবৈধভাবে ক্ষমতায় আসা বা থাকার কোনও রিপোর্ট আওয়ামী লীগের নেই।

বরাবরই এই অভ্যাসটি বিএনপির ছিল। বন্দুকের নল দিয়ে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করে জিয়াউর রহমান দল গঠন করেছিলেন। বিএনপি কখনও নিয়মতান্ত্রিক পন্থায় ক্ষমতা ছাড়েনি। ’
হানিফ বলেন, ‘চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের তৃণমূল প্রতিনিধি সভা এবং বর্ধিত সভার মধ্য দিয়ে সংগঠন আরও শক্তিশালী হওয়ার ক্ষেত্রে একধাপ এগিয়ে গেলো। এটা তৃণমূল নেতাকর্মীদের মাঝে ভালো ঝাঁকি দিয়েছে।

তারা উজ্জীবিত হয়েছে। ’ এ সময় উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, চাঁদপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট নূরুল আমিন রুহুলসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ক্ষমতায় থাকতে ১২শ’ সেনা কর্মকর্তাকে হত্যা করেন জিয়া : হানিফ।

আপডেট সময় : ০৫:৩৯:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ অক্টোবর ২০২১

আজকের ক্রাইম ডেক্স
জিয়াউর রহমানের মরণোত্তর বিচার হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ। তিনি বলেছেন, ‘অবৈধ উপায়ে ক্ষমতা দখলের পর ১২শ’ সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেন জিয়া। এরপর তাদেরকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যা করেন। ’

আজ রবিবার চাঁদপুর সার্কিট হাউসে অনুষ্ঠিত জেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভাশেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

হানিফ বলেন, ‘১৯৭৭ সালের ২ অক্টোবর জাপান এয়ারলাইন্সের একটি বিমান ছিনতাই হয়। সেটা ঢাকা তেজগাঁও বিমানবন্দরে আসে। সেই বিমান ছিনতাইয়ের সঙ্গে বাংলাদেশের কোনও সম্পর্ক ছিল না, তা জাপানের অভ্যন্তরীণ বিষয় ছিল। অথচ এটাকে পুঁজি করে সেই সময়ের স্বৈরশাসক তার ক্ষমতা কুক্ষিগত করে রাখার জন্য মুক্তিযুদ্ধের সামরিক যেসব অফিসার ছিল- সেনাবাহিনী, বিমান বাহিনী ও নৌ বাহিনী, তাদেরকে মিথ্যা মামলা দিয়ে প্রায় ১২শ’ সামরিক কর্মকর্তাদের ফাঁসিতে ঝুলিয়েছিল।
এটা গণহত্যার শামিল। আমরা মনে করি, ওই সময় যেসব সেনা কর্মকর্তাদের মিথ্যা মামলা দিয়ে ফাঁসিতে ঝোলানো হয়েছিল, তাদের স্বজনরা যে বিচার দাবি করেছেন তা যৌক্তিক। এ বিষয়ে জিয়াউর রহমানের মরণোত্তর বিচার হওয়া উচিত। ’
তিনি আরও বলেন, ‘অবৈধভাবে ক্ষমতায় আসা বা থাকার কোনও রিপোর্ট আওয়ামী লীগের নেই।

বরাবরই এই অভ্যাসটি বিএনপির ছিল। বন্দুকের নল দিয়ে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করে জিয়াউর রহমান দল গঠন করেছিলেন। বিএনপি কখনও নিয়মতান্ত্রিক পন্থায় ক্ষমতা ছাড়েনি। ’
হানিফ বলেন, ‘চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের তৃণমূল প্রতিনিধি সভা এবং বর্ধিত সভার মধ্য দিয়ে সংগঠন আরও শক্তিশালী হওয়ার ক্ষেত্রে একধাপ এগিয়ে গেলো। এটা তৃণমূল নেতাকর্মীদের মাঝে ভালো ঝাঁকি দিয়েছে।

তারা উজ্জীবিত হয়েছে। ’ এ সময় উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, চাঁদপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট নূরুল আমিন রুহুলসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ।