সংবাদ শিরোনাম ::
জুলাই আন্দোলনের দ্বিতীয় বার্ষিকীতে বাবুগঞ্জে জামায়াতের সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল বাবুগঞ্জে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত মাদারীপুরে ড্রাম বিস্ফোরণে শিশু শ্রমিকের করুণ মৃত্যু চাঞ্চল্যকর ঘটনা: চোরের আঙুল কামড়ে ছিঁড়ে ফেললেন গৃহবধূ, মোবাইল নিয়ে চম্পট জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে ঝালকাঠিতে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা ও স্মারক সংবর্ধনা বরিশালে প্রবাসীর স্ত্রীর ঘর থেকে জামায়াতকর্মী আটক সভাপতি-আব্দুস সালাম, সাধারণ সম্পাদক- মনোয়ার হোসেন। বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি বাবুগঞ্জ উপজেলা শাখার ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা সবুজ বাংলাদেশ গড়তে ঝালকাঠিতে ১ হাজার ৫শ গাছের চারা বিতরণ করেন জেলা পরিষদ প্রশাসক অ্যাডভোকেট শাহাদাৎ হোসেন ৮২ নং পূর্ব চাঁদপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি মনোনীত হলেন আইটি বিশেষজ্ঞ ও শিক্ষানুরাগী ইঞ্জিনিয়ার তৌহিদুল ইসলাম মেমনগর বি.ডি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পুনরায় সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেলেন প্রভাষক মো. মশিউর রহমান

শশুরের সাথে পুত্রবধূর বিয়ে নিয়ে এলাকায় তোলপাড়।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৪১:১০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১ ২৬১ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মাসুমা জাহান,ঝালকাঠি প্রতিনিধি:

ঝালকাঠি জেলার কাঠালিয়া উপজেলার হেতালবুনিয়া গ্রামে পুত্রবধুর সাথে শ্বশুরের পরকীয়া অতপর বিয়ে। উপজেলার হেতালবুনিয়া গ্রামের আ: রহমান হাওলাদারের ছেলে মামুন হাওলাদার , ইসলাম শরীয়ত মোতাবেক ১১ মার্চ ২০০৯ তারিখ রেজিস্ট্রিকৃত কাবিন মূলে ৭০ হাজার টাকা দেনমোহর ধার্য করিয়া বিবাহ করেন দক্ষিণ চেচরী গ্রামের হায়দার আলী হাওলাদারের মেয়ে শিরিন আক্তার কে|বছর যেতেই তাদের সংসারে একটি কন্যা সন্তান জন্মগ্রহণ করে। স্ত্রী সন্তানকে রেখে মামুন হাওলাদার চাকরিতে যান|চাকরির সুবাদে তাকে বিভিন্ন জায়গায় যেতে হয় সেই সুযোগে স্ত্রী শিরিন বেগম মামুনের চাচা মৃত মোশন হাওলাদারের ছেলে মাহাবুব হাওলাদার ওরফে (রুস্তম) এর সাথে শিরিন পরকীয়ায় লিপ্ত হয়। এ সংবাদ এলাকাবাসী মধ্য ছড়িয়ে পরলে মামুনের স্ত্রী চাচা শশুর কে বিবাহ করে। পালিয়ে দীর্ঘদিন ভাণ্ডারিয়ায় বাসা ভাড়া করে গোপনে বসবাস করতে থাকেন।শিরিনের স্বামী মোঃ মামুন হাওলাদার, ভোলাতে আনসার ভিডিপি ডিউটি কালীন অবস্থায় স্টোক করে মারা যায়। এদিকে মামুন হাওলাদার মারা যাবার পরে ওই বাড়ীতে নাটকীয় ভাবে আসবার চেষ্টা করে স্ত্রী শিরিন।চেষ্টায় ব্যর্থ হলে পুনরায় মামুন হাওলাদারের সম্পত্তি হাতিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে নিজের মেয়ে ফারজানাকে( ৮) কে সু কৌশলে মোটরসাইকেল যোগে অপহরণ করে নিয়ে যায়। এলাকাবাসীর সহযোগিতায় ফারজানাকে উদ্ধার করা হয়।বর্তমানে ফারজানা তার ফুপু ও দাদার কাছে রয়েছে। এলাকাবাসীর সহযোগিতায় চাচা শশুর কে বিবাহ করেছে এমন তথ্যপ্রমাণ জনসম্মুখে প্রমাণিত হলে (৮) বছরের শিশু সন্তান ফারজানাকে ফেলে রেখে এলাকা থেকে চলে যায়। স্বামী চাচা শশুর মাহবুবুর রহমান ওরফে( রুস্তুম) হাওলাদারকে নিয়ে একই এলাকায় বসবাস করে আসছিলেন দুশ্চরিত্রা শিরিন বেগম। এই বিষয় মামুন হাওলাদারের চাচা মো: মাহবুবুর রহমান রুস্তুম সাংবাদিকদের বলেন, মামুনের সাথে ডিভোর্স হওয়ার ১ বছর পরে আমি মামুনের স্ত্রী শিরিনকে বিবাহ করেছি।তার স্ত্রী থাকা অবস্থায় আমি শিরিনকে বিবাহ করি নাই।তিনি আরো বলেন,দুশ্চরিত্রা শিরিন আমাকে জোড় করে বিবাহ করতে বাধ্য করছে।আবার ভান্ডারিয়ার কাজীর মাধ্যমে ৬ মাস আগে ডিভোর্স দিয়ে চলে গেছে। মৃত মামুন হাওলাদারের বোন লাইলী বেগম সাংবাদিকদের বলেন, বিভিন্ন সময় মামুনের সন্তান ফারজানাকে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে আসছেন মাহাবুব ওরফে রোস্তম।বর্তমানে শিশুটিকে নিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি ।যেকোনো সময় শিশুটিকে গুম করে ফেলতে পারে রুস্তম ও শিরিন। এলাকাবাসী জানিয়েছেন এরকম ন্যক্কারজনক ঘটনাকে মাটি চাপা দেওয়ার জন্য প্রভাবশালী রুস্তম পুত্রবধূকে বিবাহ করে এলাকার মান সম্মান ক্ষুন্ন করেছে। অতি দ্রুত একে আইনের আওতায় নিয়ে কঠিন শাস্তি দেওয়া হোক।বিভিন্ন ভাবে তথ্য উদ্ঘাটন করে জানা যায়।মাহবুব ওরফে রুস্তুম মার্ডার কেসের মামলায় জেল হাজতে ছিলেন।তার নামে কাঠালিয়া থানা ও ঝালাকাঠি আদালতে একাধিক মামলা চলমান। এর কারণে এলাকার সাধারণ মানুষ অতিষ্ঠ। এই বিষয়ে কাঠালিয়া থানা অফিসার ইনর্চাজ পুলক চন্দ্র রায় বলেন,আমি লিখিত কোন অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

শশুরের সাথে পুত্রবধূর বিয়ে নিয়ে এলাকায় তোলপাড়।

আপডেট সময় : ১১:৪১:১০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১

মাসুমা জাহান,ঝালকাঠি প্রতিনিধি:

ঝালকাঠি জেলার কাঠালিয়া উপজেলার হেতালবুনিয়া গ্রামে পুত্রবধুর সাথে শ্বশুরের পরকীয়া অতপর বিয়ে। উপজেলার হেতালবুনিয়া গ্রামের আ: রহমান হাওলাদারের ছেলে মামুন হাওলাদার , ইসলাম শরীয়ত মোতাবেক ১১ মার্চ ২০০৯ তারিখ রেজিস্ট্রিকৃত কাবিন মূলে ৭০ হাজার টাকা দেনমোহর ধার্য করিয়া বিবাহ করেন দক্ষিণ চেচরী গ্রামের হায়দার আলী হাওলাদারের মেয়ে শিরিন আক্তার কে|বছর যেতেই তাদের সংসারে একটি কন্যা সন্তান জন্মগ্রহণ করে। স্ত্রী সন্তানকে রেখে মামুন হাওলাদার চাকরিতে যান|চাকরির সুবাদে তাকে বিভিন্ন জায়গায় যেতে হয় সেই সুযোগে স্ত্রী শিরিন বেগম মামুনের চাচা মৃত মোশন হাওলাদারের ছেলে মাহাবুব হাওলাদার ওরফে (রুস্তম) এর সাথে শিরিন পরকীয়ায় লিপ্ত হয়। এ সংবাদ এলাকাবাসী মধ্য ছড়িয়ে পরলে মামুনের স্ত্রী চাচা শশুর কে বিবাহ করে। পালিয়ে দীর্ঘদিন ভাণ্ডারিয়ায় বাসা ভাড়া করে গোপনে বসবাস করতে থাকেন।শিরিনের স্বামী মোঃ মামুন হাওলাদার, ভোলাতে আনসার ভিডিপি ডিউটি কালীন অবস্থায় স্টোক করে মারা যায়। এদিকে মামুন হাওলাদার মারা যাবার পরে ওই বাড়ীতে নাটকীয় ভাবে আসবার চেষ্টা করে স্ত্রী শিরিন।চেষ্টায় ব্যর্থ হলে পুনরায় মামুন হাওলাদারের সম্পত্তি হাতিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে নিজের মেয়ে ফারজানাকে( ৮) কে সু কৌশলে মোটরসাইকেল যোগে অপহরণ করে নিয়ে যায়। এলাকাবাসীর সহযোগিতায় ফারজানাকে উদ্ধার করা হয়।বর্তমানে ফারজানা তার ফুপু ও দাদার কাছে রয়েছে। এলাকাবাসীর সহযোগিতায় চাচা শশুর কে বিবাহ করেছে এমন তথ্যপ্রমাণ জনসম্মুখে প্রমাণিত হলে (৮) বছরের শিশু সন্তান ফারজানাকে ফেলে রেখে এলাকা থেকে চলে যায়। স্বামী চাচা শশুর মাহবুবুর রহমান ওরফে( রুস্তুম) হাওলাদারকে নিয়ে একই এলাকায় বসবাস করে আসছিলেন দুশ্চরিত্রা শিরিন বেগম। এই বিষয় মামুন হাওলাদারের চাচা মো: মাহবুবুর রহমান রুস্তুম সাংবাদিকদের বলেন, মামুনের সাথে ডিভোর্স হওয়ার ১ বছর পরে আমি মামুনের স্ত্রী শিরিনকে বিবাহ করেছি।তার স্ত্রী থাকা অবস্থায় আমি শিরিনকে বিবাহ করি নাই।তিনি আরো বলেন,দুশ্চরিত্রা শিরিন আমাকে জোড় করে বিবাহ করতে বাধ্য করছে।আবার ভান্ডারিয়ার কাজীর মাধ্যমে ৬ মাস আগে ডিভোর্স দিয়ে চলে গেছে। মৃত মামুন হাওলাদারের বোন লাইলী বেগম সাংবাদিকদের বলেন, বিভিন্ন সময় মামুনের সন্তান ফারজানাকে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে আসছেন মাহাবুব ওরফে রোস্তম।বর্তমানে শিশুটিকে নিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি ।যেকোনো সময় শিশুটিকে গুম করে ফেলতে পারে রুস্তম ও শিরিন। এলাকাবাসী জানিয়েছেন এরকম ন্যক্কারজনক ঘটনাকে মাটি চাপা দেওয়ার জন্য প্রভাবশালী রুস্তম পুত্রবধূকে বিবাহ করে এলাকার মান সম্মান ক্ষুন্ন করেছে। অতি দ্রুত একে আইনের আওতায় নিয়ে কঠিন শাস্তি দেওয়া হোক।বিভিন্ন ভাবে তথ্য উদ্ঘাটন করে জানা যায়।মাহবুব ওরফে রুস্তুম মার্ডার কেসের মামলায় জেল হাজতে ছিলেন।তার নামে কাঠালিয়া থানা ও ঝালাকাঠি আদালতে একাধিক মামলা চলমান। এর কারণে এলাকার সাধারণ মানুষ অতিষ্ঠ। এই বিষয়ে কাঠালিয়া থানা অফিসার ইনর্চাজ পুলক চন্দ্র রায় বলেন,আমি লিখিত কোন অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।