সংবাদ শিরোনাম ::
জুলাই আন্দোলনের দ্বিতীয় বার্ষিকীতে বাবুগঞ্জে জামায়াতের সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল বাবুগঞ্জে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত মাদারীপুরে ড্রাম বিস্ফোরণে শিশু শ্রমিকের করুণ মৃত্যু চাঞ্চল্যকর ঘটনা: চোরের আঙুল কামড়ে ছিঁড়ে ফেললেন গৃহবধূ, মোবাইল নিয়ে চম্পট জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে ঝালকাঠিতে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা ও স্মারক সংবর্ধনা বরিশালে প্রবাসীর স্ত্রীর ঘর থেকে জামায়াতকর্মী আটক সভাপতি-আব্দুস সালাম, সাধারণ সম্পাদক- মনোয়ার হোসেন। বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি বাবুগঞ্জ উপজেলা শাখার ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা সবুজ বাংলাদেশ গড়তে ঝালকাঠিতে ১ হাজার ৫শ গাছের চারা বিতরণ করেন জেলা পরিষদ প্রশাসক অ্যাডভোকেট শাহাদাৎ হোসেন ৮২ নং পূর্ব চাঁদপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি মনোনীত হলেন আইটি বিশেষজ্ঞ ও শিক্ষানুরাগী ইঞ্জিনিয়ার তৌহিদুল ইসলাম মেমনগর বি.ডি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পুনরায় সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেলেন প্রভাষক মো. মশিউর রহমান

টিকার নিবন্ধন করতে গিয়ে জানতে পারলেন তিনি ‘মৃত।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:১৭:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ ১৩৬ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স

ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলায় আছিয়া আক্তার নামে এক নারী করোনার টিকা নেওয়ার জন্য নিবন্ধন করাতে গিয়ে জানতে পারলেন তিনি মৃত। এ ঘটনায় তিনি ও তার পরিবারের সদস্যরা হতবাক হয়ে যান। জীবিত থাকার পরও কীভাবে জাতীয় পরিচয়পত্র থেকে নাম কর্তন করে মৃত দেখানো হয়েছে তা প্রথম দিকে তিনিসহ পরিবারের সদস্যরা বুঝতে পারেননি।

পরে তিনি উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ে গিয়ে জানতে পারেন, ২০১৭ সালে মৃত দেখিয়ে জাতীয় পরিচয়পত্র থেকে তার নাম কর্তন করা হয়েছে। এর পর আছিয়া আক্তারের স্বামী মোস্তাফিজুর রহমান নির্বাচন অফিসে পুনরায় ভোটার হওয়ার জন্য আবেদন করেন।

জানা যায়, ত্রিশাল পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডের স্থায়ী বাসিন্দা মোস্তাফিজুর রহমানের স্ত্রী আছিয়া আক্তার ২০০৮ সালে ভোটার হন। এর পর জাতীয় নির্বাচনসহ পৌর নির্বাচনে ভোট প্রয়োগ করেন। একাধারে ৯ বছর জাতীয় পরিচয়পত্রে জীবিত ছিলেন।

২০২১ সালে পৌরসভা নির্বাচনে আছিয়া ভোট দেওয়ার জন্য কেন্দ্রে গেলে জানানো হয় ভোটার তালিকায় তার নাম নেই। তখন আছিয়ার ধারণা ছিল কোনো কারণবশত তার নাম আসেনি। তাই সে ভোট দিতে পারেননি।

এদিকে করোনা ভ্যাকসিন প্রথম ডোজ টিকা দিতে গেলে ত্রিশাল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক আছিয়াকে জানান, সার্বিয়ারে তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। হাসপাতাল থেকে ফিরে এসে আছিয়া আক্তার ত্রিশাল পৌরসভা গণটিকা কর্মসূচিতে জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি দেখিয়ে টিকা নেন।

আছিয়ার স্বামী জাতীয় পরিচয়পত্র থেকে নাম বাদ পড়ার বিষয়টি নির্বাচন অফিসে জানতে চাইলে জানানো হয়, তিনি ২০১৭ সালে মৃত দেখিয়ে জাতীয় পরিচয়পত্র থেকে তার নাম কর্তন করা হয়েছে। এর পর আছিয়া আক্তারের স্বামী মোস্তাফিজুর রহমান নির্বাচন অফিসে পুনরায় ভোটার হওয়ার জন্য আবেদন করেন।

আছিয়া আক্তার জানান, আমি দুই সন্তানের জননী। বেশ কয়েকটি নির্বাচনে ভোট দিয়েছি। আমার পরিবারের কেউ মারা যায়নি। আমি এখনও বেঁচে আছি। আমার নাম জাতীয় পরিচয়পত্র থেকে কেন কর্তন করা হয়েছে জানি না। তিনি এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

আছিয়া আক্তারের স্বামীর মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, জাতীয় পরিচয়পত্র থেকে নাম কর্তন করায় অনেক ঝামেলার সৃষ্টি হয়। অনেক জায়গায় দৌড়াদৌড়ি করতে হয়েছে। আবার ভোটার আইডি কার্ড সংশোধনের জন্য নির্বাচন অফিসে দরখাস্ত জমা দিয়েছি।

রোববার ত্রিশাল নির্বাচন কর্মকর্তা ফারুক মিয়া জানান, আছিয়া আক্তারকে ২০১৭ সাল থেকে মৃত দেখানো হচ্ছে। মনে হয় তথ্য সংগ্রহকারীরা কোথাও ভুল করেছেন। তার ভোটার কার্ডটি সংশোধনের জন্য একটি আবেদন করেছেন। বিষয়টির সমাধান করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

টিকার নিবন্ধন করতে গিয়ে জানতে পারলেন তিনি ‘মৃত।

আপডেট সময় : ০৩:১৭:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১

আজকের ক্রাইম ডেক্স

ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলায় আছিয়া আক্তার নামে এক নারী করোনার টিকা নেওয়ার জন্য নিবন্ধন করাতে গিয়ে জানতে পারলেন তিনি মৃত। এ ঘটনায় তিনি ও তার পরিবারের সদস্যরা হতবাক হয়ে যান। জীবিত থাকার পরও কীভাবে জাতীয় পরিচয়পত্র থেকে নাম কর্তন করে মৃত দেখানো হয়েছে তা প্রথম দিকে তিনিসহ পরিবারের সদস্যরা বুঝতে পারেননি।

পরে তিনি উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ে গিয়ে জানতে পারেন, ২০১৭ সালে মৃত দেখিয়ে জাতীয় পরিচয়পত্র থেকে তার নাম কর্তন করা হয়েছে। এর পর আছিয়া আক্তারের স্বামী মোস্তাফিজুর রহমান নির্বাচন অফিসে পুনরায় ভোটার হওয়ার জন্য আবেদন করেন।

জানা যায়, ত্রিশাল পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডের স্থায়ী বাসিন্দা মোস্তাফিজুর রহমানের স্ত্রী আছিয়া আক্তার ২০০৮ সালে ভোটার হন। এর পর জাতীয় নির্বাচনসহ পৌর নির্বাচনে ভোট প্রয়োগ করেন। একাধারে ৯ বছর জাতীয় পরিচয়পত্রে জীবিত ছিলেন।

২০২১ সালে পৌরসভা নির্বাচনে আছিয়া ভোট দেওয়ার জন্য কেন্দ্রে গেলে জানানো হয় ভোটার তালিকায় তার নাম নেই। তখন আছিয়ার ধারণা ছিল কোনো কারণবশত তার নাম আসেনি। তাই সে ভোট দিতে পারেননি।

এদিকে করোনা ভ্যাকসিন প্রথম ডোজ টিকা দিতে গেলে ত্রিশাল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক আছিয়াকে জানান, সার্বিয়ারে তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। হাসপাতাল থেকে ফিরে এসে আছিয়া আক্তার ত্রিশাল পৌরসভা গণটিকা কর্মসূচিতে জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি দেখিয়ে টিকা নেন।

আছিয়ার স্বামী জাতীয় পরিচয়পত্র থেকে নাম বাদ পড়ার বিষয়টি নির্বাচন অফিসে জানতে চাইলে জানানো হয়, তিনি ২০১৭ সালে মৃত দেখিয়ে জাতীয় পরিচয়পত্র থেকে তার নাম কর্তন করা হয়েছে। এর পর আছিয়া আক্তারের স্বামী মোস্তাফিজুর রহমান নির্বাচন অফিসে পুনরায় ভোটার হওয়ার জন্য আবেদন করেন।

আছিয়া আক্তার জানান, আমি দুই সন্তানের জননী। বেশ কয়েকটি নির্বাচনে ভোট দিয়েছি। আমার পরিবারের কেউ মারা যায়নি। আমি এখনও বেঁচে আছি। আমার নাম জাতীয় পরিচয়পত্র থেকে কেন কর্তন করা হয়েছে জানি না। তিনি এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

আছিয়া আক্তারের স্বামীর মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, জাতীয় পরিচয়পত্র থেকে নাম কর্তন করায় অনেক ঝামেলার সৃষ্টি হয়। অনেক জায়গায় দৌড়াদৌড়ি করতে হয়েছে। আবার ভোটার আইডি কার্ড সংশোধনের জন্য নির্বাচন অফিসে দরখাস্ত জমা দিয়েছি।

রোববার ত্রিশাল নির্বাচন কর্মকর্তা ফারুক মিয়া জানান, আছিয়া আক্তারকে ২০১৭ সাল থেকে মৃত দেখানো হচ্ছে। মনে হয় তথ্য সংগ্রহকারীরা কোথাও ভুল করেছেন। তার ভোটার কার্ডটি সংশোধনের জন্য একটি আবেদন করেছেন। বিষয়টির সমাধান করা হবে।