সংবাদ শিরোনাম ::
ঘোড়াঘাটের সিংড়া ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্ল্যাণ কেন্দ্রটি ৪ বছর ধরে পরিত্যক্ত ,’অস্থায়ী’ ভবনে স্বাস্থ্যসেবা চুয়াডাঙ্গায় মাথাভাঙ্গা নদী থেকে মরদেহ উদ্ধার, পিবিআইয়ের সহায়তায় মিললো পরিচয় ঝালকাঠিতে রেড ক্রিসেন্টের পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও ডেঙ্গু সচেতনতা কর্মসূচি বরিশালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যাত্রীবাহী বাস পুকুরে: কাঁচামাল ব্যবসায়ী নিহত বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ পরিচ্ছন্ন রাখতে কাঠালিয়া পাইলট বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রাণবন্ত পরিচ্ছন্নতা অভিযান তেল, গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটময় অবস্থায় পৌঁছেছে ঝালকাঠিতে অ্যাডভোকেট মুয়াযযম হোসাইন হেলাল চুয়াডাঙ্গায় ইয়াবাসহ সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আ.লীগ নেতা আটক ভান্ডারিয়ায় নাম্বারপ্লেটবিহীন মোটরসাইকেলে মোবাইল কোর্ট, ৭ মামলায় ৩২ হাজার টাকা জরিমানা ঢাকা রেঞ্জের নবগত ডিআইজি কে নিয়ে অপপ্রচারের মেতে উঠেছে কুচক্রী মহল নারীসহ ফ্ল্যাটে ওসি আটক, ‘ষষ্ঠ স্ত্রী’র বিস্ফোরক অভিযোগ

রাজাপুরে নির্মাণ শেষের আগেই ভেঙে পড়ল প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্পের ১১ ঘর।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৩২:৫৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ জুলাই ২০২১ ১১৪ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ঝালকাঠি প্রতিনিধি:: ঝালকাঠির রাজাপুরে মুজিববর্ষের উপহার আশ্রয়ণ প্রকল্পের ১১টি ঘর নির্মাণকালেই ভেঙে পড়েছে।

উপজেলার গালুয়া দুর্গাপুরের এ প্রকল্প সঠিক পরিকল্পনার অভাবে সরকারের এমন মহতী উদ্যোগ এখন ভেস্তে যেতে বসেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, যাদের জমি নেই ঘর নেই এমন পরিবারের জন্য মুজিববর্ষে প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্প-২ এর আওতায় উপজেলায় ৩৩৩টি ঘরের মধ্যে এই প্রকল্পে ৪৬টি ঘর বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। প্রতিটি ঘর নির্মাণের ব্যয় রাখা হয়েছে ১ লাখ ৭১ হাজার টাকা।

এ প্রকল্প ছাড়া অন্যান্য প্রকল্প থেকে ইতিমধ্যে ১১৫টি গৃহনির্মাণ শেষে সুবিধাভোগীদের মাঝে চাবি হস্তান্তর করা হয়েছে। বাকি কাজ চলমান রয়েছে। উপজেলা প্রশাসন সরাসরি এ নির্মাণকাজের তত্ত্বাবধান করেন।

সরেজমিনে গিয়ে স্থানীয় গোলাম মোস্তাফ, মিয়া আব্দুল খলিল, দুলাল গাজী, মাওলানা ওহিদুল ইসলামের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, পোনা নদীর পাড়ে নিচু জমিতে স্বাভাবিক জোয়ারেই পানিতে ডুবে যায়। এই নিচু জায়গায় আষাঢ়, শ্রাবণ ও ভাদ্র এ তিন মাস সব সময় পানিতে ডুবে থাকে। তারপরে আবার ইয়াসের প্রভাবে পূর্ণিমার জোয়ারের স্রোতে নির্মাণাধীন স্থানে পানি উঠে ঘরের ভিত্তি না থাকায় নিচের বালু সরে গিয়ে ১১টি ঘরের বারান্দাসহ বিভিন্ন অংশ ভেঙে পড়েছে।

নামমাত্র বালু ভরাট করে সঙ্গে সঙ্গে ইট বিছিয়ে নির্মাণকাজ করায় এমনটা হয়েছে বলে দাবি স্থানীয়দের।

এছাড়াও বড়ইয়ার চল্লিশকাহনিয়া প্রকল্প, কৈবর্তখালী ক্লাব প্রকল্পের কয়েকটি ঘরের আংশিক ক্ষতি হয়েছে। নিম্নমানের সামগ্রী ছাড়াও প্রয়োজন মতো বালি ফেলে উচু না করে নিচু জমিতে এসব ঘর করারও অভিযোগ করেন তারা।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মামুন অর রশীদের দাবি, নিয়ম মেনেই প্রকল্পের কাজ করা হয়েছে। বন্যার ক্ষতি আমাদেরতো কারও হাতে নেই।

রাজাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মোক্তার হোসেন সাংবাদিকদের’কে বলেন, আমরা প্রকল্পে কাজ শুরু করার আগে এই জমিতে প্রায় আড়াই ফুট বালি ফেলে আশপাশের ঘরের সমান উচু করে কাজ শুরু করেছি। কিন্তু ইয়াসের প্রভাবে পানি বৃদ্ধির কারণে বালু সরে গিয়ে কয়েকটি ঘরের আংশিক ক্ষতি হয়েছে। আমরা ইতিমধ্যেই ক্ষতিগ্রস্ত ঘরের মেরামত শুরু করেছি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

রাজাপুরে নির্মাণ শেষের আগেই ভেঙে পড়ল প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্পের ১১ ঘর।

আপডেট সময় : ০৯:৩২:৫৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ জুলাই ২০২১

ঝালকাঠি প্রতিনিধি:: ঝালকাঠির রাজাপুরে মুজিববর্ষের উপহার আশ্রয়ণ প্রকল্পের ১১টি ঘর নির্মাণকালেই ভেঙে পড়েছে।

উপজেলার গালুয়া দুর্গাপুরের এ প্রকল্প সঠিক পরিকল্পনার অভাবে সরকারের এমন মহতী উদ্যোগ এখন ভেস্তে যেতে বসেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, যাদের জমি নেই ঘর নেই এমন পরিবারের জন্য মুজিববর্ষে প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্প-২ এর আওতায় উপজেলায় ৩৩৩টি ঘরের মধ্যে এই প্রকল্পে ৪৬টি ঘর বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। প্রতিটি ঘর নির্মাণের ব্যয় রাখা হয়েছে ১ লাখ ৭১ হাজার টাকা।

এ প্রকল্প ছাড়া অন্যান্য প্রকল্প থেকে ইতিমধ্যে ১১৫টি গৃহনির্মাণ শেষে সুবিধাভোগীদের মাঝে চাবি হস্তান্তর করা হয়েছে। বাকি কাজ চলমান রয়েছে। উপজেলা প্রশাসন সরাসরি এ নির্মাণকাজের তত্ত্বাবধান করেন।

সরেজমিনে গিয়ে স্থানীয় গোলাম মোস্তাফ, মিয়া আব্দুল খলিল, দুলাল গাজী, মাওলানা ওহিদুল ইসলামের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, পোনা নদীর পাড়ে নিচু জমিতে স্বাভাবিক জোয়ারেই পানিতে ডুবে যায়। এই নিচু জায়গায় আষাঢ়, শ্রাবণ ও ভাদ্র এ তিন মাস সব সময় পানিতে ডুবে থাকে। তারপরে আবার ইয়াসের প্রভাবে পূর্ণিমার জোয়ারের স্রোতে নির্মাণাধীন স্থানে পানি উঠে ঘরের ভিত্তি না থাকায় নিচের বালু সরে গিয়ে ১১টি ঘরের বারান্দাসহ বিভিন্ন অংশ ভেঙে পড়েছে।

নামমাত্র বালু ভরাট করে সঙ্গে সঙ্গে ইট বিছিয়ে নির্মাণকাজ করায় এমনটা হয়েছে বলে দাবি স্থানীয়দের।

এছাড়াও বড়ইয়ার চল্লিশকাহনিয়া প্রকল্প, কৈবর্তখালী ক্লাব প্রকল্পের কয়েকটি ঘরের আংশিক ক্ষতি হয়েছে। নিম্নমানের সামগ্রী ছাড়াও প্রয়োজন মতো বালি ফেলে উচু না করে নিচু জমিতে এসব ঘর করারও অভিযোগ করেন তারা।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মামুন অর রশীদের দাবি, নিয়ম মেনেই প্রকল্পের কাজ করা হয়েছে। বন্যার ক্ষতি আমাদেরতো কারও হাতে নেই।

রাজাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মোক্তার হোসেন সাংবাদিকদের’কে বলেন, আমরা প্রকল্পে কাজ শুরু করার আগে এই জমিতে প্রায় আড়াই ফুট বালি ফেলে আশপাশের ঘরের সমান উচু করে কাজ শুরু করেছি। কিন্তু ইয়াসের প্রভাবে পানি বৃদ্ধির কারণে বালু সরে গিয়ে কয়েকটি ঘরের আংশিক ক্ষতি হয়েছে। আমরা ইতিমধ্যেই ক্ষতিগ্রস্ত ঘরের মেরামত শুরু করেছি।