সংবাদ শিরোনাম ::
বানারীপাড়ায় টেন্ডার ছাড়াই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ১৪টি গাছ বিক্রি প্রতিমন্ত্রীর জাল সিল-স্বাক্ষরে কোটি টাকার তদবির বাণিজ্যের অভিযোগ মোংলায় চক্রের মূলহোতা গ্রেফতার, উদ্ধার জাল সিল-স্ট্যাম্প ৫২ নম্বর রহমতপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি নির্বাচিত ইঞ্জিনিয়ার ইয়াছির আরাফাত নলছিটিতে ২ ভূমি কর্মকর্তা শোকজ, কানুনগো বদলি গৌরনদীতে সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনার দুইজন গ্রেপ্তার, মানববন্ধন ঝালকাঠিতে জাতীয় মৎস্য পক্ষ ২০২৬ উদযাপনের প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত নলছিটিতে ভোক্তা অধিকারের অভিযান: ৫টি দোকানকে ১৮ হাজার টাকা জরিমানা পটুয়াখালী নৌযান শ্রমিক ইউনিয়নের সাংগঠনিক পদে নতুন মুখ: নির্বাচিত হলেন আলোচিত অন্তর বাবুগঞ্জের দুর্গাসাগর থেকে হরিণ চুরির অভিযোগে কেয়ারটেকার ও মালী গ্রেপ্তার ঝালকাঠি প্রেস ক্লাবের দাতা সদস্য কুদ্দুস খান বাংলাদেশ বক্সিং ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় প্রেসক্লাবের সভাপতি শুভেচ্ছা

রাজাপুরে নির্মাণ শেষের আগেই ভেঙে পড়ল প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্পের ১১ ঘর।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৩২:৫৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ জুলাই ২০২১ ৯৭ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ঝালকাঠি প্রতিনিধি:: ঝালকাঠির রাজাপুরে মুজিববর্ষের উপহার আশ্রয়ণ প্রকল্পের ১১টি ঘর নির্মাণকালেই ভেঙে পড়েছে।

উপজেলার গালুয়া দুর্গাপুরের এ প্রকল্প সঠিক পরিকল্পনার অভাবে সরকারের এমন মহতী উদ্যোগ এখন ভেস্তে যেতে বসেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, যাদের জমি নেই ঘর নেই এমন পরিবারের জন্য মুজিববর্ষে প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্প-২ এর আওতায় উপজেলায় ৩৩৩টি ঘরের মধ্যে এই প্রকল্পে ৪৬টি ঘর বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। প্রতিটি ঘর নির্মাণের ব্যয় রাখা হয়েছে ১ লাখ ৭১ হাজার টাকা।

এ প্রকল্প ছাড়া অন্যান্য প্রকল্প থেকে ইতিমধ্যে ১১৫টি গৃহনির্মাণ শেষে সুবিধাভোগীদের মাঝে চাবি হস্তান্তর করা হয়েছে। বাকি কাজ চলমান রয়েছে। উপজেলা প্রশাসন সরাসরি এ নির্মাণকাজের তত্ত্বাবধান করেন।

সরেজমিনে গিয়ে স্থানীয় গোলাম মোস্তাফ, মিয়া আব্দুল খলিল, দুলাল গাজী, মাওলানা ওহিদুল ইসলামের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, পোনা নদীর পাড়ে নিচু জমিতে স্বাভাবিক জোয়ারেই পানিতে ডুবে যায়। এই নিচু জায়গায় আষাঢ়, শ্রাবণ ও ভাদ্র এ তিন মাস সব সময় পানিতে ডুবে থাকে। তারপরে আবার ইয়াসের প্রভাবে পূর্ণিমার জোয়ারের স্রোতে নির্মাণাধীন স্থানে পানি উঠে ঘরের ভিত্তি না থাকায় নিচের বালু সরে গিয়ে ১১টি ঘরের বারান্দাসহ বিভিন্ন অংশ ভেঙে পড়েছে।

নামমাত্র বালু ভরাট করে সঙ্গে সঙ্গে ইট বিছিয়ে নির্মাণকাজ করায় এমনটা হয়েছে বলে দাবি স্থানীয়দের।

এছাড়াও বড়ইয়ার চল্লিশকাহনিয়া প্রকল্প, কৈবর্তখালী ক্লাব প্রকল্পের কয়েকটি ঘরের আংশিক ক্ষতি হয়েছে। নিম্নমানের সামগ্রী ছাড়াও প্রয়োজন মতো বালি ফেলে উচু না করে নিচু জমিতে এসব ঘর করারও অভিযোগ করেন তারা।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মামুন অর রশীদের দাবি, নিয়ম মেনেই প্রকল্পের কাজ করা হয়েছে। বন্যার ক্ষতি আমাদেরতো কারও হাতে নেই।

রাজাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মোক্তার হোসেন সাংবাদিকদের’কে বলেন, আমরা প্রকল্পে কাজ শুরু করার আগে এই জমিতে প্রায় আড়াই ফুট বালি ফেলে আশপাশের ঘরের সমান উচু করে কাজ শুরু করেছি। কিন্তু ইয়াসের প্রভাবে পানি বৃদ্ধির কারণে বালু সরে গিয়ে কয়েকটি ঘরের আংশিক ক্ষতি হয়েছে। আমরা ইতিমধ্যেই ক্ষতিগ্রস্ত ঘরের মেরামত শুরু করেছি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

রাজাপুরে নির্মাণ শেষের আগেই ভেঙে পড়ল প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্পের ১১ ঘর।

আপডেট সময় : ০৯:৩২:৫৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ জুলাই ২০২১

ঝালকাঠি প্রতিনিধি:: ঝালকাঠির রাজাপুরে মুজিববর্ষের উপহার আশ্রয়ণ প্রকল্পের ১১টি ঘর নির্মাণকালেই ভেঙে পড়েছে।

উপজেলার গালুয়া দুর্গাপুরের এ প্রকল্প সঠিক পরিকল্পনার অভাবে সরকারের এমন মহতী উদ্যোগ এখন ভেস্তে যেতে বসেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, যাদের জমি নেই ঘর নেই এমন পরিবারের জন্য মুজিববর্ষে প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্প-২ এর আওতায় উপজেলায় ৩৩৩টি ঘরের মধ্যে এই প্রকল্পে ৪৬টি ঘর বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। প্রতিটি ঘর নির্মাণের ব্যয় রাখা হয়েছে ১ লাখ ৭১ হাজার টাকা।

এ প্রকল্প ছাড়া অন্যান্য প্রকল্প থেকে ইতিমধ্যে ১১৫টি গৃহনির্মাণ শেষে সুবিধাভোগীদের মাঝে চাবি হস্তান্তর করা হয়েছে। বাকি কাজ চলমান রয়েছে। উপজেলা প্রশাসন সরাসরি এ নির্মাণকাজের তত্ত্বাবধান করেন।

সরেজমিনে গিয়ে স্থানীয় গোলাম মোস্তাফ, মিয়া আব্দুল খলিল, দুলাল গাজী, মাওলানা ওহিদুল ইসলামের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, পোনা নদীর পাড়ে নিচু জমিতে স্বাভাবিক জোয়ারেই পানিতে ডুবে যায়। এই নিচু জায়গায় আষাঢ়, শ্রাবণ ও ভাদ্র এ তিন মাস সব সময় পানিতে ডুবে থাকে। তারপরে আবার ইয়াসের প্রভাবে পূর্ণিমার জোয়ারের স্রোতে নির্মাণাধীন স্থানে পানি উঠে ঘরের ভিত্তি না থাকায় নিচের বালু সরে গিয়ে ১১টি ঘরের বারান্দাসহ বিভিন্ন অংশ ভেঙে পড়েছে।

নামমাত্র বালু ভরাট করে সঙ্গে সঙ্গে ইট বিছিয়ে নির্মাণকাজ করায় এমনটা হয়েছে বলে দাবি স্থানীয়দের।

এছাড়াও বড়ইয়ার চল্লিশকাহনিয়া প্রকল্প, কৈবর্তখালী ক্লাব প্রকল্পের কয়েকটি ঘরের আংশিক ক্ষতি হয়েছে। নিম্নমানের সামগ্রী ছাড়াও প্রয়োজন মতো বালি ফেলে উচু না করে নিচু জমিতে এসব ঘর করারও অভিযোগ করেন তারা।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মামুন অর রশীদের দাবি, নিয়ম মেনেই প্রকল্পের কাজ করা হয়েছে। বন্যার ক্ষতি আমাদেরতো কারও হাতে নেই।

রাজাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মোক্তার হোসেন সাংবাদিকদের’কে বলেন, আমরা প্রকল্পে কাজ শুরু করার আগে এই জমিতে প্রায় আড়াই ফুট বালি ফেলে আশপাশের ঘরের সমান উচু করে কাজ শুরু করেছি। কিন্তু ইয়াসের প্রভাবে পানি বৃদ্ধির কারণে বালু সরে গিয়ে কয়েকটি ঘরের আংশিক ক্ষতি হয়েছে। আমরা ইতিমধ্যেই ক্ষতিগ্রস্ত ঘরের মেরামত শুরু করেছি।