সংবাদ শিরোনাম ::
ঘোড়াঘাটের সিংড়া ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্ল্যাণ কেন্দ্রটি ৪ বছর ধরে পরিত্যক্ত ,’অস্থায়ী’ ভবনে স্বাস্থ্যসেবা চুয়াডাঙ্গায় মাথাভাঙ্গা নদী থেকে মরদেহ উদ্ধার, পিবিআইয়ের সহায়তায় মিললো পরিচয় ঝালকাঠিতে রেড ক্রিসেন্টের পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও ডেঙ্গু সচেতনতা কর্মসূচি বরিশালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যাত্রীবাহী বাস পুকুরে: কাঁচামাল ব্যবসায়ী নিহত বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ পরিচ্ছন্ন রাখতে কাঠালিয়া পাইলট বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রাণবন্ত পরিচ্ছন্নতা অভিযান তেল, গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটময় অবস্থায় পৌঁছেছে ঝালকাঠিতে অ্যাডভোকেট মুয়াযযম হোসাইন হেলাল চুয়াডাঙ্গায় ইয়াবাসহ সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আ.লীগ নেতা আটক ভান্ডারিয়ায় নাম্বারপ্লেটবিহীন মোটরসাইকেলে মোবাইল কোর্ট, ৭ মামলায় ৩২ হাজার টাকা জরিমানা ঢাকা রেঞ্জের নবগত ডিআইজি কে নিয়ে অপপ্রচারের মেতে উঠেছে কুচক্রী মহল নারীসহ ফ্ল্যাটে ওসি আটক, ‘ষষ্ঠ স্ত্রী’র বিস্ফোরক অভিযোগ

নৌপুলিশের ওসি-এসআইসহ ৬ সদস্যকে পিটিয়ে নদীতে ফেলল ইজারাদার।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৫৩:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ জুলাই ২০২১ ১০২ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক :: অতর্কিত হামলা চালিয়ে ১১টি মোবাইল, ৪টি হাতকড়া, জব্দকৃত মালামাল ও নৌ পুলিশের গুরুত্বপূর্ণ ফাইল লুটপাটের পর মারধর করে নৌপুলিশের ওসি-এসআইসহ ৬ পুলিশ সদস্যকে চেলা নদীতে ফেলে দিয়েছে বালু উত্তোলনের ইজারাদাররা। পরে আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। গতকাল রোববার (০৪ জুলাই) সন্ধ্যা ৭টার দিকে সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের নিয়ামতপুর গ্রামের সামনে চেলা নদীতে হামলার এ ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন- নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মজুর আলম, এসআই হাবিবুর রহমান, এএসআই সবুজ হোসেন, কনস্টেবল সাব্বির আহমদ, শাহ জামাল ও সৌরভ কুমার দেব।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, যান্ত্রিক মেশিন দিয়ে চেলা নদীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ৪ বোমা মেশিন আটক করে নৌ পুলিশ। জব্দকৃত মালের সিজারলিস করায় সময় ইজারাদার হাজী বুলবুল ও আলাউদ্দিনের নেতৃত্বে নৌ পুলিশের উপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে ১১টি মোবাইল ফোন, ৪টি হাতকড়া জব্দকৃত মালামাল ও নৌ পুলিশের গুরুত্বপূর্ণ ফাইল লুটপাট করে নিয়েছেন বলে নৌ পুলিশ অভিযোগ করেন।

তারা হামলা চালিয়ে নৌ পুলিশের ওসি মজুর আলমসহ ৬ নৌপুলিশকে মারপিট করে ও নৌকা থেকে সুরমা নদীতে ফেলে দেয় ইজারাদাররা। ওসি মজুর আলমসহ ৬ জনকে চেলা নদী থেকে আহত অবস্থায় জনতা উদ্ধার করে নিয়ামতপুর গ্রামের সাবেক সেনা সদস্য আনা মিয়ার বাড়িতে নিয়ে তাদেরকে ইজারাদারদের হাত থেকে রক্ষা করেন। পরে তাদেরকে এলাকাবাসীর সহায়তায় ছাতক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এ ব্যাপারে ইজারাদারদের সঙ্গে একাধিক মোবাইলে যোগাযোগের চেষ্টা করে তাদের মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়।

এ ব্যাপারে ওসি শেখ নাজিম উদ্দিন এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, হামলাকারীদের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্ততি চলছে।

এ ঘটনার খবর পেয়ে নৌ পুলিশ এসপি চম্পা ইয়ামিন আহতদের দেখতে ছাতক হাসপাতালে আসেন। এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে তিনি বলেন, অপরাধী যে হোক তাদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে।

এ হামলার ঘটনার খবর পেয়ে সুনামগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান বিপিএম আহতদের দেখতে আসেন। এ সময় হামলাকারীদের গ্রেপ্তার এবং লুটকৃত মালমাল উদ্ধারের নির্দেশ দেন। পুলিশ হামলাকারীদের গ্রেপ্তারে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চলছে বলে জানিয়েছেন তিনি।’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

নৌপুলিশের ওসি-এসআইসহ ৬ সদস্যকে পিটিয়ে নদীতে ফেলল ইজারাদার।

আপডেট সময় : ০৩:৫৩:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ জুলাই ২০২১

অনলাইন ডেস্ক :: অতর্কিত হামলা চালিয়ে ১১টি মোবাইল, ৪টি হাতকড়া, জব্দকৃত মালামাল ও নৌ পুলিশের গুরুত্বপূর্ণ ফাইল লুটপাটের পর মারধর করে নৌপুলিশের ওসি-এসআইসহ ৬ পুলিশ সদস্যকে চেলা নদীতে ফেলে দিয়েছে বালু উত্তোলনের ইজারাদাররা। পরে আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। গতকাল রোববার (০৪ জুলাই) সন্ধ্যা ৭টার দিকে সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের নিয়ামতপুর গ্রামের সামনে চেলা নদীতে হামলার এ ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন- নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মজুর আলম, এসআই হাবিবুর রহমান, এএসআই সবুজ হোসেন, কনস্টেবল সাব্বির আহমদ, শাহ জামাল ও সৌরভ কুমার দেব।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, যান্ত্রিক মেশিন দিয়ে চেলা নদীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ৪ বোমা মেশিন আটক করে নৌ পুলিশ। জব্দকৃত মালের সিজারলিস করায় সময় ইজারাদার হাজী বুলবুল ও আলাউদ্দিনের নেতৃত্বে নৌ পুলিশের উপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে ১১টি মোবাইল ফোন, ৪টি হাতকড়া জব্দকৃত মালামাল ও নৌ পুলিশের গুরুত্বপূর্ণ ফাইল লুটপাট করে নিয়েছেন বলে নৌ পুলিশ অভিযোগ করেন।

তারা হামলা চালিয়ে নৌ পুলিশের ওসি মজুর আলমসহ ৬ নৌপুলিশকে মারপিট করে ও নৌকা থেকে সুরমা নদীতে ফেলে দেয় ইজারাদাররা। ওসি মজুর আলমসহ ৬ জনকে চেলা নদী থেকে আহত অবস্থায় জনতা উদ্ধার করে নিয়ামতপুর গ্রামের সাবেক সেনা সদস্য আনা মিয়ার বাড়িতে নিয়ে তাদেরকে ইজারাদারদের হাত থেকে রক্ষা করেন। পরে তাদেরকে এলাকাবাসীর সহায়তায় ছাতক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এ ব্যাপারে ইজারাদারদের সঙ্গে একাধিক মোবাইলে যোগাযোগের চেষ্টা করে তাদের মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়।

এ ব্যাপারে ওসি শেখ নাজিম উদ্দিন এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, হামলাকারীদের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্ততি চলছে।

এ ঘটনার খবর পেয়ে নৌ পুলিশ এসপি চম্পা ইয়ামিন আহতদের দেখতে ছাতক হাসপাতালে আসেন। এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে তিনি বলেন, অপরাধী যে হোক তাদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে।

এ হামলার ঘটনার খবর পেয়ে সুনামগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান বিপিএম আহতদের দেখতে আসেন। এ সময় হামলাকারীদের গ্রেপ্তার এবং লুটকৃত মালমাল উদ্ধারের নির্দেশ দেন। পুলিশ হামলাকারীদের গ্রেপ্তারে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চলছে বলে জানিয়েছেন তিনি।’