দামুড়হুদা উপজেলায় শক্ত হস্তে লকডাউন চলমান।
- আপডেট সময় : ০৫:৪৭:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ জুন ২০২১ ৮৫ বার পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট :
মহামারী করোনা ভাইরাসের কবল হতে মুক্তির লক্ষ্যে দামুড়হুদা উপজেলার অধিভূক্ত অঞ্চল গুলোতে এখানকার স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে কঠিনতর লকডাউন বিরাজমান। এই লকডাউনের কার্যক্রম শুরু হয় ১৫/০৬/২০২১ রোজ সোমবার এবং শেষ হবে ২৮/০৬/২০২১ ইং মোট ১৪ দিন। লকডাউনের কার্যকারিতা সম্পূর্ণ ভাবে সফল করার লক্ষ্যে উপজেলার অধিকর্তা দিলারা রহমান অক্লান্ত পরিশ্রম করে চলেছেন। তিনি লকডাউন সফলতায় সার্বক্ষণিক মনিটরিং করছেন। উপজেলা শহরসহ বিভিন্ন অঞ্চলের প্রধান রাস্তা গুলোতে বাঁশ বেঁধে লকডাউনের ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন। জন সাধারণ যাতে লকডাউন অমান্য না করেন সে জন্য বিভিন্ন পয়েন্টে পুলিশ এবং আনসার সদস্য মোতায়েন করেছেন। মরণব্যাধি করোনা ভাইরাসের প্রভাব হ্রাসে জনগণকে মাস্ক ব্যবহার,সাবান দিয়ে সুন্দরভাবে হাত ধোঁতকরণ,হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার,সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার নির্দেশ প্রদান করেন।
দামুড়হুদা উপজেলায় চলমান লকডাউন শতভাগ সফল করতে উপজেলা অধিকর্তা দিলারা রহমান তীক্ষ্ম পন্থা গ্রহণ করেছেন। তিনি উপজেলা শহরসহ বিভিন্ন অঞ্চলের প্রধান সড়কগুলো বাঁশ বেঁধে লকডাউনের ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন। তাছাড়া সঙ্গীয় ম্যাজিস্ট্রেটসহ সকল অঞ্চল পরিদর্শন করছেন। সার্বক্ষণিক পুলিশ টহলের ব্যবস্হা গ্রহণ করেছেন। বিভিন্ন পয়েন্টে পুলিশ এবং আনসার সদস্য মোতায়েন রেখেছেন। তাছাড়া জনশূন্য পরিবেশ বজায় রাখতে দৌকানপাট,খাদ্য সামগ্রীর দৌকান,বস্ত্রের দৌকান সকাল ৬.0 টা হতে বেলা ১২.০ টা পর্যন্ত খোলার নির্দেশ দিয়েছেন। ঔষধের দৌকান এই নির্দেশনার আওতামুক্ত।
যেহেতু দামুড়হুদা উপজেলা অঞ্চলটি ভারতীয় সীমান্ত সংযুক্ত তাই এখানে ভারতীয় করোনা ভাইরাসের ভেরিয়েন্ট দেখার সম্ভাবনা খুব বেশি। এই ভেরিয়েন্ট খুব ভয়ংকর। এই লক্ষণ বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী অঞ্চলে দেখা দিয়েছে যার ফলশ্রুতিতে ইতিমধ্যেই অনেক লোক মৃত্যুবরণ করেছেন। এই লক্ষ্যে দামুড়হুদা উপজেলার অধিভুক্ত জনগণকে মরণব্যাধি এ ধরনের ভাইরাসের কবল থেকে মুক্ত রাখতে লকডাউনের ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন এবং এটা সার্বক্ষণিক বাস্তবায়নের চেষ্টা করছেন। এখনও পযর্ন্ত যে সকল অঞ্চল লকডাউন সম্পূর্ণ হয়নি তা পর্যায়ক্রমে এর আওতাভুক্ত হবে বলে উপজেলা প্রশাসন মতামত ব্যক্ত করেন।























