সংবাদ শিরোনাম ::
বানারীপাড়ায় টেন্ডার ছাড়াই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ১৪টি গাছ বিক্রি প্রতিমন্ত্রীর জাল সিল-স্বাক্ষরে কোটি টাকার তদবির বাণিজ্যের অভিযোগ মোংলায় চক্রের মূলহোতা গ্রেফতার, উদ্ধার জাল সিল-স্ট্যাম্প ৫২ নম্বর রহমতপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি নির্বাচিত ইঞ্জিনিয়ার ইয়াছির আরাফাত নলছিটিতে ২ ভূমি কর্মকর্তা শোকজ, কানুনগো বদলি গৌরনদীতে সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনার দুইজন গ্রেপ্তার, মানববন্ধন ঝালকাঠিতে জাতীয় মৎস্য পক্ষ ২০২৬ উদযাপনের প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত নলছিটিতে ভোক্তা অধিকারের অভিযান: ৫টি দোকানকে ১৮ হাজার টাকা জরিমানা পটুয়াখালী নৌযান শ্রমিক ইউনিয়নের সাংগঠনিক পদে নতুন মুখ: নির্বাচিত হলেন আলোচিত অন্তর বাবুগঞ্জের দুর্গাসাগর থেকে হরিণ চুরির অভিযোগে কেয়ারটেকার ও মালী গ্রেপ্তার ঝালকাঠি প্রেস ক্লাবের দাতা সদস্য কুদ্দুস খান বাংলাদেশ বক্সিং ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় প্রেসক্লাবের সভাপতি শুভেচ্ছা

বাবুনগরীকে আমির করে হেফাজতের নতুন কমিটি, প্রত্যাখ্যান শফীপুত্রের।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:১৫:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ জুন ২০২১ ৭৮ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স
হেফাজতে ইসলামের আমির পদে জুনায়েদ বাবুনগরীকে বহাল রেখে ৩৩ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। মহাসচিব পদে থাকছেন নুরুল ইসলাম জিহাদী। গতকাল রাজধানীর খিলগাঁওয়ের মাখজানুল উলুম মাদরাসায় সংবাদ সম্মেলন করে এ কমিটি ঘোষণা করা হয়। হেফাজতের আহ্‌বায়ক কমিটির সদস্য সচিব নুরুল ইসলাম জিহাদী নতুন কমিটি ঘোষণা করেন।

এদিকে নতুন কমিটিতে নিজের নাম থাকায় হেফাজতের প্রয়াত আমির আহমদ শফীর বড় ছেলে ইউসুফ মাদানী মর্মাহত হয়ে তা প্রত্যাখ্যানের ঘোষণা দিয়েছেন।
নতুন কমিটির নায়েবে আমির মাওলানা আতাউল্লাহ হাফেজ্জী, আবদুল হক মোমেনশাহী, সালাউদ্দিন নানুপুরী, মিজানুর রহমান চৌধুরী (দেওনার পীর), মুহিব্বুল হক (গাছবাড়ি), ইয়াহইয়া (হাটহাজারী মাদরাসা), আবদুল কুদ্দুস (ফরিদাবাদ), তাজুল ইসলাম (ফিরোজ শাহ), জসিমুদ্দিন (হাটহাজারী মাদরাসা)। এ ছাড়া যুগ্ম মহাসচিব পদে স্থান পেয়েছেন সাজেদুর রহমান (ব্রাহ্মণবাড়িয়া), আবদুল আউয়াল (নারায়ণগঞ্জ), লোকমান হাকীম (চট্টগ্রাম), আনোয়ারুল করিম (যশোর) ও আইয়ুব বাবুনগরী।

হেফাজতের নতুন কমিটির বাকি সদস্যরা হলেন- সহকারী মহাসচিব মাওলানা জহুরুল ইসলাম (মাখজান), মাওলানা ইউসুফ মাদানী, সাংগঠনিক সম্পাদক মীর ইদ্রিস (চট্টগ্রাম), অর্থ সম্পাদক মুহাম্মদ আলী (মেখল), সহ-অর্থ সম্পাদক হাবিবুর রহমান কাশেমী (নাজিরহাট), প্রচার সম্পাদক মুহিউদ্দিন রব্বানী (সাভার), সহ-প্রচার সম্পাদক জামাল উদ্দিন (কুড়িগ্রাম), দাওয়াবিষয়ক সম্পাদক আবদুল কাইয়ুম সোবহানী (উত্তরা), সহ-দাওয়াবিষয়ক সম্পাদক ওমর ফারুক (নোয়াখালী)। কমিটির সদস্যরা হলেন মোবারক উল্লাহ (ব্রাহ্মণবাড়িয়া), ফয়জুল্লাহ (মাদানী নগরের পীর), ফোরকানুল্লাহ খলিল (চট্টগ্রাম), মোসতাক আহমদ (খুলনা), রশীদ আহমদ (কিশোরগঞ্জ), আনাস (ভোলা), মাহমুদুল হাসান (ফতেহপুরী) ও মাহমুদুল আলম (পঞ্চগড়)। ৯ সদস্যের একটি খাস (বিশেষ) কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটির প্রধান হিসেবে রয়েছেন মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী।

এ ছাড়া কমিটিতে রয়েছেন হেফাজতের আমির বাবুনগরী, নায়েবে আমির আতাউল্লাহ হাফেজ্জী, মহাসচিব নুরুল ইসলাম জিহাদী, মিজানুর রহমান চৌধুরী, মুহিব্বুল হক (গাছবাড়ী), সাজেদুর রহমান (ব্রাহ্মণবাড়িয়া), আবদুল আউয়াল (নারায়ণগঞ্জ) ও মুহিউদ্দিন রব্বানী (সাভার)। নুরুল ইসলাম জিহাদী বলেন, এই খাস কমিটি মজলিশে শূরা হিসেবে বিবেচিত হবে। তারা হেফাজতের মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে বিবেচিত হবে। এ ছাড়া তাৎক্ষণিক প্রয়োজনে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারবে খাস কমিটি। হেফাজতের যেসব নেতা কারাগারে আছেন তাদের কমিটিতে না রাখার বিষয়ে জানতে চাইলে সংগঠনটির নতুন কেন্দ্রীয় কমিটির মহাসচিব আল্লামা নুরুল ইসলাম জিহাদী বলেন, ‘তাদের নতুন কমিটিতে রাখা না রাখার এখানে বিষয় নয়। কারণ আগের কমিটি বিলুপ্ত হয়ে গেছে। আহ্‌বায়ক কমিটির দায়িত্ব ছিল নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করা। সে জন্য আজকে আমরা কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করেছি। কাউকে বাদ দেওয়া না দেওয়া, রাখা না রাখার প্রশ্ন এখানে না করলে ভালো হয়। ’ যারা কারাগারে আছেন তারা কি হেফাজতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নন? এমন প্রশ্নে নুরুল ইসলাম জিহাদী বলেন, ‘সবাই হেফাজতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট।
সব মুসলমান হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের সদস্য। আমাদের মুরব্বির ঘোষণা, যেহেতু এটা অরাজনৈতিক সংগঠন, সে জন্য এই কমিটির সব সময় অরাজনৈতিক কর্মসূচি ও কর্মকান্ড থাকবে। কাউকে বাদ দেওয়া, কাউকে বাছাই করার প্রশ্নই নেই। আহ্‌বায়ক কমিটি চিন্তাভাবনা করে এই কমিটি ঘোষণা করেছে। ’ ‘আগের কমিটিতে যারা ছিলেন দেখা যাচ্ছে তারা গ্রেফতার হওয়ার পর আপনারা বাদ দিয়েছেন’- জবাবে তিনি বলেন, ‘বাদ দেওয়ার প্রশ্নই নেই। আমাদের এখানে আজকে যারা উপস্থিত হয়েছেন, সবাই হেফাজতের কেন্দ্রীয় কমিটিতে ছিলেন। হেফাজতের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ১৫১ জন ছিল। এখন এটা প্রাথমিক অবস্থায় ছোট পরিসরে করেছি। এরপর কমিটি সিদ্ধান্ত নেবে কাদের রাখা হবে, না রাখা হবে। ’ ‘কমিটি ঘোষণা করে আপনারা খুশি কি না?’ এ প্রশ্নে নুরুল ইসলাম জিহাদী বলেন, ‘আমরা সবাই খুশি। অন্যদিকে আমাদের মনের মধ্যে একটা আশঙ্কা রয়েছে, আমরা ঠিকঠাক দায়িত্ব পালন করতে পারব কি না। ’
হেফাজতের কমিটি প্রত্যাখ্যান করে যা বললেন শফীপুত্র : হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের নতুন কমিটি প্রত্যাখ্যানের ঘোষণা দিয়েছেন সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা আমির আল্লামা আহমদ শফীর বড় ছেলে মাওলানা ইউসুফ মাদানী। গতকাল নতুন এ কমিটি ঘোষণার পরই হাতে লেখা এক চিঠিতে এ ঘোষণা দেন তিনি। ঘোষিত কমিটিতে সহকারী মহাসচিবের পদ দেওয়া হয়েছিল ইউসুফ মাদানীকে।

চিঠিতে তিনি বলেন, ‘আমি মাওলানা ইউসুফ মাদানী ৭/৬/২১ ঘোষিত তথাকথিত হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কমিটিতে আমার নাম দেখে আমি মর্মাহত। যারা আমার পিতাকে কষ্ট দিয়ে দুনিয়া থেকে বিদায় দিয়েছেন তাদের সঙ্গে আমি কখনো এক হতে পারি না। ঘোষিত তথাকথিত হেফাজতের কমিটি ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করছি। ’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বাবুনগরীকে আমির করে হেফাজতের নতুন কমিটি, প্রত্যাখ্যান শফীপুত্রের।

আপডেট সময় : ০২:১৫:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ জুন ২০২১

আজকের ক্রাইম ডেক্স
হেফাজতে ইসলামের আমির পদে জুনায়েদ বাবুনগরীকে বহাল রেখে ৩৩ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। মহাসচিব পদে থাকছেন নুরুল ইসলাম জিহাদী। গতকাল রাজধানীর খিলগাঁওয়ের মাখজানুল উলুম মাদরাসায় সংবাদ সম্মেলন করে এ কমিটি ঘোষণা করা হয়। হেফাজতের আহ্‌বায়ক কমিটির সদস্য সচিব নুরুল ইসলাম জিহাদী নতুন কমিটি ঘোষণা করেন।

এদিকে নতুন কমিটিতে নিজের নাম থাকায় হেফাজতের প্রয়াত আমির আহমদ শফীর বড় ছেলে ইউসুফ মাদানী মর্মাহত হয়ে তা প্রত্যাখ্যানের ঘোষণা দিয়েছেন।
নতুন কমিটির নায়েবে আমির মাওলানা আতাউল্লাহ হাফেজ্জী, আবদুল হক মোমেনশাহী, সালাউদ্দিন নানুপুরী, মিজানুর রহমান চৌধুরী (দেওনার পীর), মুহিব্বুল হক (গাছবাড়ি), ইয়াহইয়া (হাটহাজারী মাদরাসা), আবদুল কুদ্দুস (ফরিদাবাদ), তাজুল ইসলাম (ফিরোজ শাহ), জসিমুদ্দিন (হাটহাজারী মাদরাসা)। এ ছাড়া যুগ্ম মহাসচিব পদে স্থান পেয়েছেন সাজেদুর রহমান (ব্রাহ্মণবাড়িয়া), আবদুল আউয়াল (নারায়ণগঞ্জ), লোকমান হাকীম (চট্টগ্রাম), আনোয়ারুল করিম (যশোর) ও আইয়ুব বাবুনগরী।

হেফাজতের নতুন কমিটির বাকি সদস্যরা হলেন- সহকারী মহাসচিব মাওলানা জহুরুল ইসলাম (মাখজান), মাওলানা ইউসুফ মাদানী, সাংগঠনিক সম্পাদক মীর ইদ্রিস (চট্টগ্রাম), অর্থ সম্পাদক মুহাম্মদ আলী (মেখল), সহ-অর্থ সম্পাদক হাবিবুর রহমান কাশেমী (নাজিরহাট), প্রচার সম্পাদক মুহিউদ্দিন রব্বানী (সাভার), সহ-প্রচার সম্পাদক জামাল উদ্দিন (কুড়িগ্রাম), দাওয়াবিষয়ক সম্পাদক আবদুল কাইয়ুম সোবহানী (উত্তরা), সহ-দাওয়াবিষয়ক সম্পাদক ওমর ফারুক (নোয়াখালী)। কমিটির সদস্যরা হলেন মোবারক উল্লাহ (ব্রাহ্মণবাড়িয়া), ফয়জুল্লাহ (মাদানী নগরের পীর), ফোরকানুল্লাহ খলিল (চট্টগ্রাম), মোসতাক আহমদ (খুলনা), রশীদ আহমদ (কিশোরগঞ্জ), আনাস (ভোলা), মাহমুদুল হাসান (ফতেহপুরী) ও মাহমুদুল আলম (পঞ্চগড়)। ৯ সদস্যের একটি খাস (বিশেষ) কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটির প্রধান হিসেবে রয়েছেন মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী।

এ ছাড়া কমিটিতে রয়েছেন হেফাজতের আমির বাবুনগরী, নায়েবে আমির আতাউল্লাহ হাফেজ্জী, মহাসচিব নুরুল ইসলাম জিহাদী, মিজানুর রহমান চৌধুরী, মুহিব্বুল হক (গাছবাড়ী), সাজেদুর রহমান (ব্রাহ্মণবাড়িয়া), আবদুল আউয়াল (নারায়ণগঞ্জ) ও মুহিউদ্দিন রব্বানী (সাভার)। নুরুল ইসলাম জিহাদী বলেন, এই খাস কমিটি মজলিশে শূরা হিসেবে বিবেচিত হবে। তারা হেফাজতের মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে বিবেচিত হবে। এ ছাড়া তাৎক্ষণিক প্রয়োজনে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারবে খাস কমিটি। হেফাজতের যেসব নেতা কারাগারে আছেন তাদের কমিটিতে না রাখার বিষয়ে জানতে চাইলে সংগঠনটির নতুন কেন্দ্রীয় কমিটির মহাসচিব আল্লামা নুরুল ইসলাম জিহাদী বলেন, ‘তাদের নতুন কমিটিতে রাখা না রাখার এখানে বিষয় নয়। কারণ আগের কমিটি বিলুপ্ত হয়ে গেছে। আহ্‌বায়ক কমিটির দায়িত্ব ছিল নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করা। সে জন্য আজকে আমরা কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করেছি। কাউকে বাদ দেওয়া না দেওয়া, রাখা না রাখার প্রশ্ন এখানে না করলে ভালো হয়। ’ যারা কারাগারে আছেন তারা কি হেফাজতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নন? এমন প্রশ্নে নুরুল ইসলাম জিহাদী বলেন, ‘সবাই হেফাজতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট।
সব মুসলমান হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের সদস্য। আমাদের মুরব্বির ঘোষণা, যেহেতু এটা অরাজনৈতিক সংগঠন, সে জন্য এই কমিটির সব সময় অরাজনৈতিক কর্মসূচি ও কর্মকান্ড থাকবে। কাউকে বাদ দেওয়া, কাউকে বাছাই করার প্রশ্নই নেই। আহ্‌বায়ক কমিটি চিন্তাভাবনা করে এই কমিটি ঘোষণা করেছে। ’ ‘আগের কমিটিতে যারা ছিলেন দেখা যাচ্ছে তারা গ্রেফতার হওয়ার পর আপনারা বাদ দিয়েছেন’- জবাবে তিনি বলেন, ‘বাদ দেওয়ার প্রশ্নই নেই। আমাদের এখানে আজকে যারা উপস্থিত হয়েছেন, সবাই হেফাজতের কেন্দ্রীয় কমিটিতে ছিলেন। হেফাজতের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ১৫১ জন ছিল। এখন এটা প্রাথমিক অবস্থায় ছোট পরিসরে করেছি। এরপর কমিটি সিদ্ধান্ত নেবে কাদের রাখা হবে, না রাখা হবে। ’ ‘কমিটি ঘোষণা করে আপনারা খুশি কি না?’ এ প্রশ্নে নুরুল ইসলাম জিহাদী বলেন, ‘আমরা সবাই খুশি। অন্যদিকে আমাদের মনের মধ্যে একটা আশঙ্কা রয়েছে, আমরা ঠিকঠাক দায়িত্ব পালন করতে পারব কি না। ’
হেফাজতের কমিটি প্রত্যাখ্যান করে যা বললেন শফীপুত্র : হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের নতুন কমিটি প্রত্যাখ্যানের ঘোষণা দিয়েছেন সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা আমির আল্লামা আহমদ শফীর বড় ছেলে মাওলানা ইউসুফ মাদানী। গতকাল নতুন এ কমিটি ঘোষণার পরই হাতে লেখা এক চিঠিতে এ ঘোষণা দেন তিনি। ঘোষিত কমিটিতে সহকারী মহাসচিবের পদ দেওয়া হয়েছিল ইউসুফ মাদানীকে।

চিঠিতে তিনি বলেন, ‘আমি মাওলানা ইউসুফ মাদানী ৭/৬/২১ ঘোষিত তথাকথিত হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কমিটিতে আমার নাম দেখে আমি মর্মাহত। যারা আমার পিতাকে কষ্ট দিয়ে দুনিয়া থেকে বিদায় দিয়েছেন তাদের সঙ্গে আমি কখনো এক হতে পারি না। ঘোষিত তথাকথিত হেফাজতের কমিটি ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করছি। ’