সংবাদ শিরোনাম ::
ঘোড়াঘাটের সিংড়া ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্ল্যাণ কেন্দ্রটি ৪ বছর ধরে পরিত্যক্ত ,’অস্থায়ী’ ভবনে স্বাস্থ্যসেবা চুয়াডাঙ্গায় মাথাভাঙ্গা নদী থেকে মরদেহ উদ্ধার, পিবিআইয়ের সহায়তায় মিললো পরিচয় ঝালকাঠিতে রেড ক্রিসেন্টের পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও ডেঙ্গু সচেতনতা কর্মসূচি বরিশালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যাত্রীবাহী বাস পুকুরে: কাঁচামাল ব্যবসায়ী নিহত বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ পরিচ্ছন্ন রাখতে কাঠালিয়া পাইলট বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রাণবন্ত পরিচ্ছন্নতা অভিযান তেল, গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটময় অবস্থায় পৌঁছেছে ঝালকাঠিতে অ্যাডভোকেট মুয়াযযম হোসাইন হেলাল চুয়াডাঙ্গায় ইয়াবাসহ সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আ.লীগ নেতা আটক ভান্ডারিয়ায় নাম্বারপ্লেটবিহীন মোটরসাইকেলে মোবাইল কোর্ট, ৭ মামলায় ৩২ হাজার টাকা জরিমানা ঢাকা রেঞ্জের নবগত ডিআইজি কে নিয়ে অপপ্রচারের মেতে উঠেছে কুচক্রী মহল নারীসহ ফ্ল্যাটে ওসি আটক, ‘ষষ্ঠ স্ত্রী’র বিস্ফোরক অভিযোগ

দেশে ভয়াবহ ভারতীয় ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত হয়ে একজনের মৃত্যু।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৪১:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ মে ২০২১ ১০৯ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ওয়েব ডেস্ক

দেশে ভয়াবহ ভারতীয় ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত হয়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে। তিনদিন আগে ঢাকার বারডেম হাসপাতালে মারা যান তিনি। মঙ্গলবার (২৪ মে) মাইক্রোবায়োলজির প্রাথমিক পরীক্ষায় মারা যাওয়া ব্যক্তির নমুনায় মিউকরমাইকোসিস বা ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের উপস্থিতি পাওয়া যায়। আরও একজন উপসর্গ নিয়ে একই হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।

মঙ্গলবার (২৫ মে) সকালে এ বিষয়ে বারডেম হাসপাতালের রেসপিরেটরি মেডিসিন বিভাগের প্রধান অধ্যাপক এম দেলোয়ার হোসেন বলেন, মারা যাওয়া ব্যক্তি বাদে বাকী একজনেরও মিউকরমাইকোসিসের সব ধরনের উপসর্গ আছে। কিন্তু এখনও কালচার রিপোর্ট পাইনি। তারপরও আমরা তার চিকিৎসা শুরু করে দিয়েছি।
তিনি বলেন, কোভিড যতটা ছোঁয়াতে, এটি কিন্তু ছোঁয়াচে নয়।

এর আগে রাজধানীর বারডেম জেনারেল হাসপাতালে গত ৮ মে ৪৫ বছর বয়সী এক রোগীর এবং পরে গত ২৩ মে ৬০ বছর বয়সী আরেক রোগীর দেহে ব্ল্যাক ফাঙ্গাস শনাক্ত হয়।

এ বিষয়ে গত সোমবার (২৪ মে) বারডেম হাসপাতালের মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. লাভলি বাড়ৈ গণমাধ্যমকে জানান, আমাদের ল্যাবে দুইজনের শরীরে মিউকোরমাইকোসিস শনাক্ত হয়েছে। আমরা তাদের চিকিৎসা দিচ্ছি এবং ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করছি। বারডেমের ল্যাবরেটরিতে করোনা রোগীর শরীরের এবারই প্রথম রোগটি শনাক্ত হয়।
ডা. লাভলি বাড়ৈ জানান, ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত রোগীর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকলে অবস্থা গুরুতর হতে পারে। তাই তাদের সতর্কভাবে চিকিৎসা দিতে হয়।
এদিকে দেশে প্রথমবারের মতো ‘ব্ল্যাক ফাঙ্গাস’ শনাক্ত হওয়ার বিষয়ে কোনো তথ্য জানা নেই স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কাছে।

এ প্রসঙ্গে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এবিএম খুরশীদ আলম সংবাদমাধ্যমকে বলেন, দেশে ব্ল্যাক ফাঙ্গাস শনাক্ত হওয়ার কোনো তথ্য আমরা এখনো পাইনি। তবে আমাদের প্রস্তুতি রয়েছে। আমাদের বিশেষজ্ঞরাও করণীয় নির্ধারণ করছেন। শিগগিরই রোগটির চিকিৎসা ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে আমরা গাইডলাইন দেব।
ব্ল্যাক ফাঙ্গাস ছত্রাক–জাতীয় এক রোগ, যা প্রধানত কোভিড রোগীদের মধ্যে ছড়াচ্ছে। মাত্রা ছাড়া স্টেরয়েড নিলে, বেশি দিন হাসপাতালে নিবিড় পর্যবেক্ষণে থাকলে অথবা উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের এই ছত্রাকের শিকার হওয়ার আশঙ্কা বেশি। শাকসবজি, মাটি, ফল, একই মাস্ক প্রতিদিন পরা থেকে এই রোগ ছড়ায় বলে সতর্ক করা হয়েছে।
উপসর্গ হলো জ্বর, মাথাব্যথা, নাক ও চোখ লাল হয়ে যাওয়া, দৃষ্টি কমে যাওয়া, শ্বাসকষ্ট, বুকে ব্যথা, রক্তবমি ইত্যাদি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

দেশে ভয়াবহ ভারতীয় ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত হয়ে একজনের মৃত্যু।

আপডেট সময় : ০৯:৪১:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ মে ২০২১

ওয়েব ডেস্ক

দেশে ভয়াবহ ভারতীয় ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত হয়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে। তিনদিন আগে ঢাকার বারডেম হাসপাতালে মারা যান তিনি। মঙ্গলবার (২৪ মে) মাইক্রোবায়োলজির প্রাথমিক পরীক্ষায় মারা যাওয়া ব্যক্তির নমুনায় মিউকরমাইকোসিস বা ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের উপস্থিতি পাওয়া যায়। আরও একজন উপসর্গ নিয়ে একই হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।

মঙ্গলবার (২৫ মে) সকালে এ বিষয়ে বারডেম হাসপাতালের রেসপিরেটরি মেডিসিন বিভাগের প্রধান অধ্যাপক এম দেলোয়ার হোসেন বলেন, মারা যাওয়া ব্যক্তি বাদে বাকী একজনেরও মিউকরমাইকোসিসের সব ধরনের উপসর্গ আছে। কিন্তু এখনও কালচার রিপোর্ট পাইনি। তারপরও আমরা তার চিকিৎসা শুরু করে দিয়েছি।
তিনি বলেন, কোভিড যতটা ছোঁয়াতে, এটি কিন্তু ছোঁয়াচে নয়।

এর আগে রাজধানীর বারডেম জেনারেল হাসপাতালে গত ৮ মে ৪৫ বছর বয়সী এক রোগীর এবং পরে গত ২৩ মে ৬০ বছর বয়সী আরেক রোগীর দেহে ব্ল্যাক ফাঙ্গাস শনাক্ত হয়।

এ বিষয়ে গত সোমবার (২৪ মে) বারডেম হাসপাতালের মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. লাভলি বাড়ৈ গণমাধ্যমকে জানান, আমাদের ল্যাবে দুইজনের শরীরে মিউকোরমাইকোসিস শনাক্ত হয়েছে। আমরা তাদের চিকিৎসা দিচ্ছি এবং ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করছি। বারডেমের ল্যাবরেটরিতে করোনা রোগীর শরীরের এবারই প্রথম রোগটি শনাক্ত হয়।
ডা. লাভলি বাড়ৈ জানান, ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত রোগীর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকলে অবস্থা গুরুতর হতে পারে। তাই তাদের সতর্কভাবে চিকিৎসা দিতে হয়।
এদিকে দেশে প্রথমবারের মতো ‘ব্ল্যাক ফাঙ্গাস’ শনাক্ত হওয়ার বিষয়ে কোনো তথ্য জানা নেই স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কাছে।

এ প্রসঙ্গে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এবিএম খুরশীদ আলম সংবাদমাধ্যমকে বলেন, দেশে ব্ল্যাক ফাঙ্গাস শনাক্ত হওয়ার কোনো তথ্য আমরা এখনো পাইনি। তবে আমাদের প্রস্তুতি রয়েছে। আমাদের বিশেষজ্ঞরাও করণীয় নির্ধারণ করছেন। শিগগিরই রোগটির চিকিৎসা ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে আমরা গাইডলাইন দেব।
ব্ল্যাক ফাঙ্গাস ছত্রাক–জাতীয় এক রোগ, যা প্রধানত কোভিড রোগীদের মধ্যে ছড়াচ্ছে। মাত্রা ছাড়া স্টেরয়েড নিলে, বেশি দিন হাসপাতালে নিবিড় পর্যবেক্ষণে থাকলে অথবা উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের এই ছত্রাকের শিকার হওয়ার আশঙ্কা বেশি। শাকসবজি, মাটি, ফল, একই মাস্ক প্রতিদিন পরা থেকে এই রোগ ছড়ায় বলে সতর্ক করা হয়েছে।
উপসর্গ হলো জ্বর, মাথাব্যথা, নাক ও চোখ লাল হয়ে যাওয়া, দৃষ্টি কমে যাওয়া, শ্বাসকষ্ট, বুকে ব্যথা, রক্তবমি ইত্যাদি।