সংবাদ শিরোনাম ::
বাবুগঞ্জের চাঁদপাশা ইউপিতে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে মাঠে সক্রিয় জামায়াত নেতা রফিকুল ইসলাম। ঝালকাঠিতে ১০ পিস ইয়াবাসহ নারী মাদক কারবারি গ্রেফতার ঝালকাঠিতে স্টেকহোল্ডারদের সাথে নৌ পুলিশের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ভীমরুলি পেয়ারা বাগানে শব্দযন্ত্রের অবৈধ ব্যবহার রোধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, দুই ট্রলারকে জরিমানা ঝালকাঠির ঐতিহ্যবাহী পেয়ারা বাগান পরিদর্শনে গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক দেখার যেন কেউ নেই ! বানারীপাড়া-বরিশাল সড়কে খানাখন্দে অন্তহীণ জনদুর্ভোগ বাবুগঞ্জে গৃহবধূকে শ্লীলতাহানি ঘটনায় ৩জনকে আসামি করে মামলা কলাপাড়ায় স্কুলের সামনে নিম্নমানের শিশু খাদ্য বিক্রির অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা বরিশালে পূজা উদযাপন পরিষদের সম্মেলন: সম্প্রীতির আহ্বান, গুণীজনদের সম্মাননা মোরেলগঞ্জে জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীর অধিকার সুরক্ষায় সংলাপ

তালতলীতে সাবেক শ্রেষ্ঠ ইউপি সদস্যের মানবেতর জীবনযাপন। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৪৬:২৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২১ ১৭২ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

(তালতলী প্রতিনিধি)

বরগুনার তালতলী সদর উপজেলার বড়বগী ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য (মেম্বর) স্বপন হাওলাদার সহজ সরল মানুষ, সততার কারণে দুই বার পেয়েছিলেন বরগুনা জেলায় শ্রেষ্ঠ ইউপি সদস্য হিসেবে পুরষ্কার, এলাকায় অনেক উন্নয়নের কাজ করেছেন, সকলের কাছে স্বপন মেম্বার নামে পরিচিত।

সম্পত্তি বা জায়গা জমি বলতে ছিল একটি সরকারি খাস জমি ওই জমিতে বসবাস করত স্বপন হাওলাদার, অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে ভেঙে ফেলা হয় তাঁর স্বপ্নের বাড়ি, বৃদ্ধ মা ও স্ত্রী সহ তিন সন্তান নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন সাবেক এই ইউপি সদস্য।

একসময়ের ইউপি সদস্য পায়ে হেঁটে মানুষের দ্বারে দ্বারে গিয়ে তাদের দুঃখ, সুখের কথা শুনতেন, ভাগ্যের পরিহাসে তাকে এখন ছোট্ট একটি চায়ের দোকানে দিয়ে সংসার চালাতে হচ্ছে। স্বপন তালতলী সদর উপজেলার বড়বগী ইউনিয়নের তালতলী উপজেলা পরিষদের সাথে তালতলী পাড়া গ্রামের মৃত মহব্বত আলীর ছেলে। তার বয়স ৪৫ বছর।

এর আগে তিনি ২০১২ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত তালতলী পাড়া এলাকায় ইউপি সদস্য (মেম্বার) নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব পালন করেন। গ্রামের অবকাঠামো উন্নয়ন করলেও তিনি তার ভাগ্যের পরিবর্তন করতে পারেননি।
বর্তমানে তিনি যে ঘরে বসবাস করেন সেটি ঝুঁকিপূর্ণ। ঝড়-তুফানের মধ্যেও তিনি ঘরটি ছেড়ে কোথাও যান না। এ ঘরটি তার শেষ ঠিকানা।

কয়েকজন প্রতিবেশী জানান, মেম্বার থাকাকালে স্বপন সততার সঙ্গে কাজ করেছেন। সব সময় অসহায়দের পাশে ছিলেন। এখন তিনি নিজেই জীর্ণশীর্ণ ঘরে বসবাস করছেন।

স্বপন হাওলাদার বলেন, লোকলজ্জার ভয়ে দূরে গিয়ে রিক্সা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেছি। শেষ সম্বল টুকু সরকারি খাস জমি ছিল এখন তা ভেঙে ফেলা হয়েছে, একটি ঘর পেতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ চান তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

তালতলীতে সাবেক শ্রেষ্ঠ ইউপি সদস্যের মানবেতর জীবনযাপন। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ১১:৪৬:২৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২১

(তালতলী প্রতিনিধি)

বরগুনার তালতলী সদর উপজেলার বড়বগী ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য (মেম্বর) স্বপন হাওলাদার সহজ সরল মানুষ, সততার কারণে দুই বার পেয়েছিলেন বরগুনা জেলায় শ্রেষ্ঠ ইউপি সদস্য হিসেবে পুরষ্কার, এলাকায় অনেক উন্নয়নের কাজ করেছেন, সকলের কাছে স্বপন মেম্বার নামে পরিচিত।

সম্পত্তি বা জায়গা জমি বলতে ছিল একটি সরকারি খাস জমি ওই জমিতে বসবাস করত স্বপন হাওলাদার, অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে ভেঙে ফেলা হয় তাঁর স্বপ্নের বাড়ি, বৃদ্ধ মা ও স্ত্রী সহ তিন সন্তান নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন সাবেক এই ইউপি সদস্য।

একসময়ের ইউপি সদস্য পায়ে হেঁটে মানুষের দ্বারে দ্বারে গিয়ে তাদের দুঃখ, সুখের কথা শুনতেন, ভাগ্যের পরিহাসে তাকে এখন ছোট্ট একটি চায়ের দোকানে দিয়ে সংসার চালাতে হচ্ছে। স্বপন তালতলী সদর উপজেলার বড়বগী ইউনিয়নের তালতলী উপজেলা পরিষদের সাথে তালতলী পাড়া গ্রামের মৃত মহব্বত আলীর ছেলে। তার বয়স ৪৫ বছর।

এর আগে তিনি ২০১২ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত তালতলী পাড়া এলাকায় ইউপি সদস্য (মেম্বার) নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব পালন করেন। গ্রামের অবকাঠামো উন্নয়ন করলেও তিনি তার ভাগ্যের পরিবর্তন করতে পারেননি।
বর্তমানে তিনি যে ঘরে বসবাস করেন সেটি ঝুঁকিপূর্ণ। ঝড়-তুফানের মধ্যেও তিনি ঘরটি ছেড়ে কোথাও যান না। এ ঘরটি তার শেষ ঠিকানা।

কয়েকজন প্রতিবেশী জানান, মেম্বার থাকাকালে স্বপন সততার সঙ্গে কাজ করেছেন। সব সময় অসহায়দের পাশে ছিলেন। এখন তিনি নিজেই জীর্ণশীর্ণ ঘরে বসবাস করছেন।

স্বপন হাওলাদার বলেন, লোকলজ্জার ভয়ে দূরে গিয়ে রিক্সা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেছি। শেষ সম্বল টুকু সরকারি খাস জমি ছিল এখন তা ভেঙে ফেলা হয়েছে, একটি ঘর পেতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ চান তিনি।