সংবাদ শিরোনাম ::
মোরেলগঞ্জে জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীর অধিকার সুরক্ষায় সংলাপ মোরেলগঞ্জে দুদকের দুর্নীতিবিরোধী প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ চিতলমারীতে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা সাংবাদিকদের প্রাণনাশের হুমকির ঘটনায় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি বানারীপাড়ায় নবাগত জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত বিসিসির ৬৪৭ কোটি ৫৩ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা *‘স্মার্ট, সবুজ ও জনবান্ধব বরিশাল’ গড়ার অঙ্গীকার ঠিকাদারের মৃত্যুর পর বন্ধ সড়ক সংস্কার, দ্রুত কাজ শুরুর দাবিতে নলছিটিতে মানববন্ধন জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের লক্ষ্যে ঝালকাঠিতে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠি পৌরসভার নাগরিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিতের দাবিতে মানববন্ধন ঝালকাঠিতে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে ননদের জামাইকে ব্লেড দিয়ে আঘাত, গৃহবধূর দাবি আত্মরক্ষা বরিশালে হারানো মোবাইল ফিরে পেয়ে খুশি মালিকরা, প্রশংসিত কাউনিয়া থানা পুলিশ

মেয়েকে অস্বীকার বাবার, দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন মা। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:০১:২৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৪ জানুয়ারী ২০২১ ১২৮ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক

প্রায় ১২ বছর আগে বিয়ে হয়েছে মাকসুদা বেগমের। স্বামী মান্নান জোমাদ্দার ও তিন বছরের কন্যাসন্তান নিয়ে সংসার ভালোই চলছিল। কিন্তু বিধিবাম একপর্যায়ে স্বামী তাকে ও সন্তানকে অস্বীকার করতে শুরু করেন।

এর পর তাদের ঢাকায় রেখে নিজ এলাকায় পালিয়ে যান স্বামী। এখন শিশুর পিতৃ পরিচয় ও তার স্বীকৃতির জন্য দ্বারে দ্বারে ধরনা দিচ্ছেন মাকসুদা বেগম।

সোমবার বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলায় ভুক্তভোগী মাকসুদা বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে এ কথাগুলো জানান।

তিনি বলেন, আমার সংসারে তিন বছরের একটি কন্যাসন্তান আছে। তার নাম তাইয়্যেবা। তাকে নিয়ে আমি এখন মানবতার জীবনযাপন করছি। এখন কোথায় যাব? কার কাছে যাব; কি করব? কিছুই বুঝে উঠতে পারছি না।

তার অভিযোগ, সম্প্রতি কন্যাসন্তানকে নিয়ে স্বামী মান্নান জোমাদ্দারের বাড়িতে গেলে তাকে বেধড়ক পিটুনি দেয়া হয়। এ ঘটনায় থানা পুলিশের কাছে গিয়েও আইনি সহায়তা পাচ্ছি না।

জানা যায়, বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার গারুড়িয়া ইউনিয়নের রবিপুর গ্রামের মৃত হোসেন জোমাদ্দারের ছেলে মান্নান জোমাদ্দার ২০০৯ সালে একই গ্রামের মৃত মুনসুর আলী খানের মেয়ে মাকসুদা বেগমকে আইন মোতাবেক বিয়ে করেন।

বিয়ের পর তারা ঢাকার একটি ভাড়া বাসায় কয়েক বছর সংসার করেন। এরই মধ্যে তাদের তাইয়্যেবা নামে একটি কন্যাসন্তান জন্ম নেয়।

বিয়ের কয়েক বছর যেতে না যেতেই স্বামী মান্নান তাকে ও তার তিন বছরের কন্যাসন্তানকে অস্বীকার করতে শুরু করেন। একপর্যায় তাদের ঢাকা রেখে তার নিজ এলাকায় পালিয়ে আসেন। উপায় না পেয়ে মাকসুদা বেগম তার সন্তান তাইয়্যেবাকে নিয়ে তার বাবা বাড়ি চলে আসেন।

ওই থেকে দীর্ঘ ১২ বছর ধরে তার ও তার মেয়ের পিতৃত্ব পরিচয় ও তার স্বীকৃতি পেতে স্থানীয় সালিশদের দ্বারে দ্বারে ধরনা দিচ্ছেন। এর পরও তিনি স্বীকৃতি পাননি।

এ বিষয় জানতে চাইলে বাকেরগঞ্জ থানার ওসি আবুল কালাম বলেন, আমার কাছে অভিযোগ নিয়ে আসছেন ওই নারী, আমি খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নেব।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

মেয়েকে অস্বীকার বাবার, দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন মা। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০৭:০১:২৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৪ জানুয়ারী ২০২১

অনলাইন ডেস্ক

প্রায় ১২ বছর আগে বিয়ে হয়েছে মাকসুদা বেগমের। স্বামী মান্নান জোমাদ্দার ও তিন বছরের কন্যাসন্তান নিয়ে সংসার ভালোই চলছিল। কিন্তু বিধিবাম একপর্যায়ে স্বামী তাকে ও সন্তানকে অস্বীকার করতে শুরু করেন।

এর পর তাদের ঢাকায় রেখে নিজ এলাকায় পালিয়ে যান স্বামী। এখন শিশুর পিতৃ পরিচয় ও তার স্বীকৃতির জন্য দ্বারে দ্বারে ধরনা দিচ্ছেন মাকসুদা বেগম।

সোমবার বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলায় ভুক্তভোগী মাকসুদা বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে এ কথাগুলো জানান।

তিনি বলেন, আমার সংসারে তিন বছরের একটি কন্যাসন্তান আছে। তার নাম তাইয়্যেবা। তাকে নিয়ে আমি এখন মানবতার জীবনযাপন করছি। এখন কোথায় যাব? কার কাছে যাব; কি করব? কিছুই বুঝে উঠতে পারছি না।

তার অভিযোগ, সম্প্রতি কন্যাসন্তানকে নিয়ে স্বামী মান্নান জোমাদ্দারের বাড়িতে গেলে তাকে বেধড়ক পিটুনি দেয়া হয়। এ ঘটনায় থানা পুলিশের কাছে গিয়েও আইনি সহায়তা পাচ্ছি না।

জানা যায়, বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার গারুড়িয়া ইউনিয়নের রবিপুর গ্রামের মৃত হোসেন জোমাদ্দারের ছেলে মান্নান জোমাদ্দার ২০০৯ সালে একই গ্রামের মৃত মুনসুর আলী খানের মেয়ে মাকসুদা বেগমকে আইন মোতাবেক বিয়ে করেন।

বিয়ের পর তারা ঢাকার একটি ভাড়া বাসায় কয়েক বছর সংসার করেন। এরই মধ্যে তাদের তাইয়্যেবা নামে একটি কন্যাসন্তান জন্ম নেয়।

বিয়ের কয়েক বছর যেতে না যেতেই স্বামী মান্নান তাকে ও তার তিন বছরের কন্যাসন্তানকে অস্বীকার করতে শুরু করেন। একপর্যায় তাদের ঢাকা রেখে তার নিজ এলাকায় পালিয়ে আসেন। উপায় না পেয়ে মাকসুদা বেগম তার সন্তান তাইয়্যেবাকে নিয়ে তার বাবা বাড়ি চলে আসেন।

ওই থেকে দীর্ঘ ১২ বছর ধরে তার ও তার মেয়ের পিতৃত্ব পরিচয় ও তার স্বীকৃতি পেতে স্থানীয় সালিশদের দ্বারে দ্বারে ধরনা দিচ্ছেন। এর পরও তিনি স্বীকৃতি পাননি।

এ বিষয় জানতে চাইলে বাকেরগঞ্জ থানার ওসি আবুল কালাম বলেন, আমার কাছে অভিযোগ নিয়ে আসছেন ওই নারী, আমি খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নেব।