সংবাদ শিরোনাম ::
মোরেলগঞ্জে জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীর অধিকার সুরক্ষায় সংলাপ মোরেলগঞ্জে দুদকের দুর্নীতিবিরোধী প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ চিতলমারীতে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা সাংবাদিকদের প্রাণনাশের হুমকির ঘটনায় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি বানারীপাড়ায় নবাগত জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত বিসিসির ৬৪৭ কোটি ৫৩ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা *‘স্মার্ট, সবুজ ও জনবান্ধব বরিশাল’ গড়ার অঙ্গীকার ঠিকাদারের মৃত্যুর পর বন্ধ সড়ক সংস্কার, দ্রুত কাজ শুরুর দাবিতে নলছিটিতে মানববন্ধন জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের লক্ষ্যে ঝালকাঠিতে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠি পৌরসভার নাগরিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিতের দাবিতে মানববন্ধন ঝালকাঠিতে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে ননদের জামাইকে ব্লেড দিয়ে আঘাত, গৃহবধূর দাবি আত্মরক্ষা বরিশালে হারানো মোবাইল ফিরে পেয়ে খুশি মালিকরা, প্রশংসিত কাউনিয়া থানা পুলিশ

লাল গেঞ্জি উড়িয়ে কয়েকশ যাত্রীর প্রাণ বাঁচাল কিশোর সাজিদ। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৩১:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২০ ১৮৮ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স
লাল গেঞ্জি উড়িয়ে ঢাকাগামী একটি ট্রেন থামিয়ে কয়েকশ যাত্রীর প্রাণ বাঁচিয়েছে সাজিদ হোসেন (১৫) নামের এক কিশোর।

সাজিদ হোসেন পাঁচবিবি উপজেলার খাসবাগুরী গ্রামের আনোয়ার হোসেন ও সহিদা বেগমের ছেলে। সে একই উপজেলার একটি বেসরকারি স্কুলের দশম শ্রেণিতে পড়াশোনা করছে।

ঘটনার বিষয়ে এলাকাবাসী জানান, সাজিদের মা সহিদা বেগম বাড়ির পার্শ্ববর্তী রেললাইন পার হচ্ছিলেন। এ সময় তিনি লোহার পাতের একটি অংশে ফাটল দেখতে পান। এরপর নিজের ছেলে সাজিদকে লাল গেঞ্জি বেঁধে তা উড়াতে বলেন। পরে সাজিদ লাল গেঞ্জি উড়িয়ে থামিয়ে দেন ঢাকাগামী আন্তঃনগর ট্রেনটি।

এ বিষয়ে সাজিদ হোসেন জানান, মায়ের নির্দেশে যাত্রীদের প্রাণ বাঁচাতেই লাল গেঞ্জি নিয়ে রেল লাইনে দাঁড়িয়েছিলাম। ট্রেন আসামাত্র আমি গেঞ্জি উড়াতে থাকি। যখন ট্রেন থামল, তখন ভীষণ ভয় পেয়েছিলাম। পরে ট্রেনের যাত্রী, চালক ও এলাকার অনেকে এসে সাধুবাদ জানিয়েছে। সবচেয়ে বড় কথা দুর্ঘটনার হাত থেকে শত শত যাত্রীসহ ট্রেনটিকে রক্ষা করতে পারায় নিজেকে ধন্য মনে করছি।

এদিকে ঘটনার বিষয়ে রেললাইন মেরামত কর্মচারী (কি-ম্যান) রায়হান হোসেন বলেন, সাজিদের ট্রেন থামানোর পর অফিস কর্মকর্তাদের নির্দেশে ঘটনাস্থলে গিয়ে রেললাইনের ফাটল জোড়া লাগানো হয়। প্রায় এক ঘণ্টা পর রেল চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।

এ ঘটনায় জয়পুরহাট থেকে হিলি (ওয়ে) ঊর্ধ্বতন উপ-সহকারী প্রকৌশলী বজলুর রশিদ জানান, শীতের কারণে লোহা সংকুচিত হওয়ার কারণে ফাটল দেখা দেয়, তবে ঝুঁকির কোনো কারণ নেই। যে জায়গায় এ ধরনের ঘটনা ঘটছে সেখানে ক্লিপ দিয়ে দেয়া হচ্ছে। এছাড়া আমাদের রেলের লোক সবসময় লাইন চেক করে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

লাল গেঞ্জি উড়িয়ে কয়েকশ যাত্রীর প্রাণ বাঁচাল কিশোর সাজিদ। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০৪:৩১:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২০

আজকের ক্রাইম ডেক্স
লাল গেঞ্জি উড়িয়ে ঢাকাগামী একটি ট্রেন থামিয়ে কয়েকশ যাত্রীর প্রাণ বাঁচিয়েছে সাজিদ হোসেন (১৫) নামের এক কিশোর।

সাজিদ হোসেন পাঁচবিবি উপজেলার খাসবাগুরী গ্রামের আনোয়ার হোসেন ও সহিদা বেগমের ছেলে। সে একই উপজেলার একটি বেসরকারি স্কুলের দশম শ্রেণিতে পড়াশোনা করছে।

ঘটনার বিষয়ে এলাকাবাসী জানান, সাজিদের মা সহিদা বেগম বাড়ির পার্শ্ববর্তী রেললাইন পার হচ্ছিলেন। এ সময় তিনি লোহার পাতের একটি অংশে ফাটল দেখতে পান। এরপর নিজের ছেলে সাজিদকে লাল গেঞ্জি বেঁধে তা উড়াতে বলেন। পরে সাজিদ লাল গেঞ্জি উড়িয়ে থামিয়ে দেন ঢাকাগামী আন্তঃনগর ট্রেনটি।

এ বিষয়ে সাজিদ হোসেন জানান, মায়ের নির্দেশে যাত্রীদের প্রাণ বাঁচাতেই লাল গেঞ্জি নিয়ে রেল লাইনে দাঁড়িয়েছিলাম। ট্রেন আসামাত্র আমি গেঞ্জি উড়াতে থাকি। যখন ট্রেন থামল, তখন ভীষণ ভয় পেয়েছিলাম। পরে ট্রেনের যাত্রী, চালক ও এলাকার অনেকে এসে সাধুবাদ জানিয়েছে। সবচেয়ে বড় কথা দুর্ঘটনার হাত থেকে শত শত যাত্রীসহ ট্রেনটিকে রক্ষা করতে পারায় নিজেকে ধন্য মনে করছি।

এদিকে ঘটনার বিষয়ে রেললাইন মেরামত কর্মচারী (কি-ম্যান) রায়হান হোসেন বলেন, সাজিদের ট্রেন থামানোর পর অফিস কর্মকর্তাদের নির্দেশে ঘটনাস্থলে গিয়ে রেললাইনের ফাটল জোড়া লাগানো হয়। প্রায় এক ঘণ্টা পর রেল চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।

এ ঘটনায় জয়পুরহাট থেকে হিলি (ওয়ে) ঊর্ধ্বতন উপ-সহকারী প্রকৌশলী বজলুর রশিদ জানান, শীতের কারণে লোহা সংকুচিত হওয়ার কারণে ফাটল দেখা দেয়, তবে ঝুঁকির কোনো কারণ নেই। যে জায়গায় এ ধরনের ঘটনা ঘটছে সেখানে ক্লিপ দিয়ে দেয়া হচ্ছে। এছাড়া আমাদের রেলের লোক সবসময় লাইন চেক করে।