সংবাদ শিরোনাম ::
ইকবাল সোবহান চৌধুরীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে ঝালকাঠিতে মানববন্ধন ঝালকাঠি জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীরের শপথ গ্রহণ সম্পন্ন চুয়াডাঙ্গার জেলা জামায়াতের জেলা আমির এমপি রুহুল আমিনের শপথ ঘোড়াঘাটে গবাদিপশুর খাদ্য সংকট জানাযার খাদ্যের দাম বৃদ্ধি বিপাকে গরুর মালিক ও খামারিরা চুয়াডাঙ্গার বালিকা বিদ্যালয়ের সামনের দেয়ালে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান!লিখন,পরে মুছন ঝালকাঠিতে ১৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন ড.জিয়াউদ্দিন হায়দার দামুড়হুদা মডেল থানা পুলিশের হাতে ইয়াবাসহ ৭ আসামী গ্রেফতার শিক্ষার্থীদের শুধু সনদ অর্জন নয়, দক্ষ ও মানবিক মানুষ হতে হবে: জিয়াউদ্দিন হায়দার উজিরপুরে শ্রমিকদল নেতার নেতৃত্বে সরকারি রাস্তার চার কিলোমিটার এলাকার গাছ লুটের মহোৎসব ঝালকাঠিতে ৩০ পিস ইয়াবাসহ দুই যুবক আটক

আমরা যুদ্ধ চাই না, আমরা শান্তি চাই: প্রধানমন্ত্রী। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:১২:০৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২০ ১৯২ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক:: বাংলাদেশ শান্তিতে বিশ্বাস করে। কিন্তু সার্বভৌমত্বে আঘাত আসলে তা মোকাবিলা করতে হবে এবং প্রস্তুত থাকতে হবে সেনাবাহিনীকে। রোববার সকালে ন্যাশনাল ডিফেন্স কোর্স-২০২০ এবং আর্মড ফোর্সেস ওয়ার কোর্স-২০২০ এর গ্রাজুয়েশন অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে সেনাবাহিনীকে এমন নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
তিনি বলেন, ‘এ কথাটা আমাদের সকলের মনে রাখতে হবে, সকলের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রাখব আমরা। আমরা যুদ্ধ চাই না, আমরা শান্তি চাই।

‘কিন্তু কেউ যদি আমার সার্বভৌমত্বে আঘাত করতে আসে, প্রতিঘাত করবার মতো সক্ষমতা আমরা যেন অর্জন করতে পারি সেভাবেই আমাদের প্রশিক্ষণ এবং সেভাবেই আমাদের প্রস্তুতি থাকতে হবে। এ কথাটা আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর সকল সদস্যকে মনে রাখতে হবে।’

বাংলাদেশ শান্তিতে বিশ্বাস করে দেখেই রোহিঙ্গারা সীমান্ত পেরিয়ে এদেশে আসার পরেও মিয়ারমারের সঙ্গে কোনো সংঘাতে জড়ায়নি বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।

‘আমরা সব সময় শান্তিতে বিশ্বাস করি এবং শান্তি চাই। যেমন মিয়ানমার থেকে আমাদের এখানে আশ্রয় নিয়েছে, মিয়ানমারের নাগরিক প্রায় ১০ লাখের ওপরে। আমরা তাদের সঙ্গে কখনও সংঘাতে যাইনি, কিন্তু আলোচনা করে এটা সমাধানের চেষ্টা করছি।’

নিজের দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিতের পাশাপাশি আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য স্বশস্ত্র বাহিনীকে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেন সরকার প্রধান।

তিন বছর আগে মিয়ানমারের রাখাইনে সেনাবাহিনীর দমনপীড়নের মুখে সীমানা পেরিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয় দেশটির প্রায় ১১ লাখ রোহিঙ্গা নাগরিক। রোহিঙ্গাদের নিজেদের নাগরিক বলে স্বীকার করে না মিয়ানমার। রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে মিয়ানমারের সঙ্গে চুক্তি হলেও এখনও কাউকেই ফিরিয়ে নেয়নি দেশটির সরকার।

রোহিঙ্গাদের ওপর মিয়ানমার সেনাবাহিনীর নির্যাতনকে মানবতা বিরোধী অপরাধ বলছে জাতিসংঘ। আর এ নিয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মিয়ানমারের ডে ফ্যাক্টো নেতা অং সান সুচির বিরুদ্ধে একটি মামলাও চলছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও আমরা সকলকে এ আহ্বান জানিয়েছি যে, এই যে বিশাল একটা বোঝা আমাদের ওপর, এটা যেন খুব দ্রুত তারা সমাধান করেন।’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

আমরা যুদ্ধ চাই না, আমরা শান্তি চাই: প্রধানমন্ত্রী। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০৮:১২:০৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২০

অনলাইন ডেস্ক:: বাংলাদেশ শান্তিতে বিশ্বাস করে। কিন্তু সার্বভৌমত্বে আঘাত আসলে তা মোকাবিলা করতে হবে এবং প্রস্তুত থাকতে হবে সেনাবাহিনীকে। রোববার সকালে ন্যাশনাল ডিফেন্স কোর্স-২০২০ এবং আর্মড ফোর্সেস ওয়ার কোর্স-২০২০ এর গ্রাজুয়েশন অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে সেনাবাহিনীকে এমন নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
তিনি বলেন, ‘এ কথাটা আমাদের সকলের মনে রাখতে হবে, সকলের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রাখব আমরা। আমরা যুদ্ধ চাই না, আমরা শান্তি চাই।

‘কিন্তু কেউ যদি আমার সার্বভৌমত্বে আঘাত করতে আসে, প্রতিঘাত করবার মতো সক্ষমতা আমরা যেন অর্জন করতে পারি সেভাবেই আমাদের প্রশিক্ষণ এবং সেভাবেই আমাদের প্রস্তুতি থাকতে হবে। এ কথাটা আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর সকল সদস্যকে মনে রাখতে হবে।’

বাংলাদেশ শান্তিতে বিশ্বাস করে দেখেই রোহিঙ্গারা সীমান্ত পেরিয়ে এদেশে আসার পরেও মিয়ারমারের সঙ্গে কোনো সংঘাতে জড়ায়নি বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।

‘আমরা সব সময় শান্তিতে বিশ্বাস করি এবং শান্তি চাই। যেমন মিয়ানমার থেকে আমাদের এখানে আশ্রয় নিয়েছে, মিয়ানমারের নাগরিক প্রায় ১০ লাখের ওপরে। আমরা তাদের সঙ্গে কখনও সংঘাতে যাইনি, কিন্তু আলোচনা করে এটা সমাধানের চেষ্টা করছি।’

নিজের দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিতের পাশাপাশি আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য স্বশস্ত্র বাহিনীকে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেন সরকার প্রধান।

তিন বছর আগে মিয়ানমারের রাখাইনে সেনাবাহিনীর দমনপীড়নের মুখে সীমানা পেরিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয় দেশটির প্রায় ১১ লাখ রোহিঙ্গা নাগরিক। রোহিঙ্গাদের নিজেদের নাগরিক বলে স্বীকার করে না মিয়ানমার। রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে মিয়ানমারের সঙ্গে চুক্তি হলেও এখনও কাউকেই ফিরিয়ে নেয়নি দেশটির সরকার।

রোহিঙ্গাদের ওপর মিয়ানমার সেনাবাহিনীর নির্যাতনকে মানবতা বিরোধী অপরাধ বলছে জাতিসংঘ। আর এ নিয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মিয়ানমারের ডে ফ্যাক্টো নেতা অং সান সুচির বিরুদ্ধে একটি মামলাও চলছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও আমরা সকলকে এ আহ্বান জানিয়েছি যে, এই যে বিশাল একটা বোঝা আমাদের ওপর, এটা যেন খুব দ্রুত তারা সমাধান করেন।’