সংবাদ শিরোনাম ::
ঘোড়াঘাটে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে বাল্যবিবাহ , ঝুঁকিতে কিশোরীদের ভবিষ্যৎ ঘোড়াঘাটে ডেঙ্গু প্রতিরোধে আলোচনা সভা কাঠালিয়াতে অটোকে সাইড দিতে গিয়ে দেবে গেল বিআরটিসি বাস, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা সুমন হত্যার বিচার ও খুনির ফাঁসির দাবিতে কবাই ইউনিয়ন বিএনপির মানববন্ধন ঘোড়াঘাটের পাশা ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মোফাজ্জল হোসেনের চালক ও শ্রমিকদের সঙ্গে মতবিনিময় নাগরিক সেবা ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি চুয়াডাঙ্গার সকল সরকারী দপ্তরের প্রধানদের সঙ্গে বিনিময় সভা, বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের আয়োজনে মাদকবিরোধী ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রুমিন ফারহানাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা, বিএনপির ঝাড়ু মিছিল পরিচ্ছন্নতা শুধু প্রশাসনের দায়িত্ব নয়, এটি সবার দায়িত্ব’: বাবুগঞ্জে এমপি জয়নুল আবেদীন। তেঁতুলিয়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ কর্মসূচি ভার্চ্যুয়ালি উদ্বোধন ও বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান

হাজী সেলিমের দখলে থাকা ১৪ বিঘা জমি উদ্ধার। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৪৮:১৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২০ ১৮২ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে হাজী সেলিমের মালিকানাধীন মদিনা গ্রুপের নামে দখলকৃত ১৪ বিঘা জমি উদ্ধার করেছে প্রশাসন। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে সোনারগাঁও উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আতিকুল ইসলাম এই জমি দখলমুক্ত করেন। এ সময় পুলিশসহ উপজেলা প্রশাসনের অন্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে সোনারগাঁও উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আতিকুল ইসলাম সময় নিউজকে বলেন, সরকারি ১৪ বিঘা খাস জমিতে রাখা কয়লা, পাথর, বালুসহ যেসব অবৈধ টিনশেডের যেসব স্থাপনা ছিল তা ভেঙে ফেলা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সরকারি সাইনবোর্ড টাঙ্গিয়ে দেয়া হয়েছে। এই সরকারি সম্পত্তি পুরোপুরি সরকারের দখলে রয়েছে। এই জমির জন্য ২০১৮ সালে বরাদ্দের জন্য হাজী সেলিম আবেদন করেছিলেন। তবে সেই আবেদন জেলা প্রশাসন গ্রহণ করেনি।
এর আগে রোববার ১ নভেম্বর হাজী সেলিমের মালিকানাধীন মদিনা গ্রুপের জমি অবৈধ দখলে থাকা সিমেন্ট কারখানার দু’পাশের একটায় আছে ২ দশমিক ১১ একর, আরেকটায় ১ দশমিক ৮ একর, টোল প্লাজার ডান পাশে ১ দশমিক ২০ একরসহ এই মোট ৪ দশমিক ৩৯ একর জমি যা প্রায় ১৪ বিঘার সমতুল্য জমি চিহ্নিত করে উপজেলা প্রশাসন। যেখানে ২ দশমিক ১১ একর রয়েছে সেখানে ৩ টা স্থাপনা ভাঙ্গলেও, বাকি একটা শক্তিশালী হওয়ায় ভেকুতে সমস্যা হয়ে যায় তাই সেদিনের মতো উচ্ছেদ অভিযান বন্ধ করা হয়। অন্যান্য স্থাপনাগুলোকে অপসারণ করে জায়গা খালি করে দিতে ৩ দিনের সময় দিয়ে আসেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউ এন ও) আতিকুল ইসলাম ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আল মামুন।

১ নভেম্বর রোববার উপজেলা প্রশাসনের অভিযানের সময় মদিনা গ্রুপের উপ-ব্যবস্থাপক (ল্যান্ড) মহিউদ্দিন আহম্মেদ দখলের বিষয়টি স্বীকার করে গণমাধ্যম কর্মীদের বলেছিলেন, ‘আমাদের কারখানার ভেতরে সরকারি সম্পত্তি রয়েছে, এ কথা সত্য। সম্পত্তিগুলোর স্থায়ী বন্দোবস্ত পাওয়ার জন্য আমাদের কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক হাজি সেলিম নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক বরাবর আবেদন করেছিলেন। আমাদের আবেদনে প্রশাসন কোনো সাড়া না দেওয়ার কারণে আমরা আর সামনে এগিয়ে যেতে পারিনি। প্রশাসন এখনো যদি খাস জমিগুলো আমাদের কোম্পানির নামে বন্দোবস্ত দিতে রাজি হয় তবে আমরা নিয়ম মোতাবেক সরকারি কোষাগারে অর্থ জমা দিয়ে বন্দোবস্ত নিতে রাজি আছি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

হাজী সেলিমের দখলে থাকা ১৪ বিঘা জমি উদ্ধার। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০৫:৪৮:১৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২০

অনলাইন ডেস্ক
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে হাজী সেলিমের মালিকানাধীন মদিনা গ্রুপের নামে দখলকৃত ১৪ বিঘা জমি উদ্ধার করেছে প্রশাসন। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে সোনারগাঁও উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আতিকুল ইসলাম এই জমি দখলমুক্ত করেন। এ সময় পুলিশসহ উপজেলা প্রশাসনের অন্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে সোনারগাঁও উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আতিকুল ইসলাম সময় নিউজকে বলেন, সরকারি ১৪ বিঘা খাস জমিতে রাখা কয়লা, পাথর, বালুসহ যেসব অবৈধ টিনশেডের যেসব স্থাপনা ছিল তা ভেঙে ফেলা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সরকারি সাইনবোর্ড টাঙ্গিয়ে দেয়া হয়েছে। এই সরকারি সম্পত্তি পুরোপুরি সরকারের দখলে রয়েছে। এই জমির জন্য ২০১৮ সালে বরাদ্দের জন্য হাজী সেলিম আবেদন করেছিলেন। তবে সেই আবেদন জেলা প্রশাসন গ্রহণ করেনি।
এর আগে রোববার ১ নভেম্বর হাজী সেলিমের মালিকানাধীন মদিনা গ্রুপের জমি অবৈধ দখলে থাকা সিমেন্ট কারখানার দু’পাশের একটায় আছে ২ দশমিক ১১ একর, আরেকটায় ১ দশমিক ৮ একর, টোল প্লাজার ডান পাশে ১ দশমিক ২০ একরসহ এই মোট ৪ দশমিক ৩৯ একর জমি যা প্রায় ১৪ বিঘার সমতুল্য জমি চিহ্নিত করে উপজেলা প্রশাসন। যেখানে ২ দশমিক ১১ একর রয়েছে সেখানে ৩ টা স্থাপনা ভাঙ্গলেও, বাকি একটা শক্তিশালী হওয়ায় ভেকুতে সমস্যা হয়ে যায় তাই সেদিনের মতো উচ্ছেদ অভিযান বন্ধ করা হয়। অন্যান্য স্থাপনাগুলোকে অপসারণ করে জায়গা খালি করে দিতে ৩ দিনের সময় দিয়ে আসেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউ এন ও) আতিকুল ইসলাম ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আল মামুন।

১ নভেম্বর রোববার উপজেলা প্রশাসনের অভিযানের সময় মদিনা গ্রুপের উপ-ব্যবস্থাপক (ল্যান্ড) মহিউদ্দিন আহম্মেদ দখলের বিষয়টি স্বীকার করে গণমাধ্যম কর্মীদের বলেছিলেন, ‘আমাদের কারখানার ভেতরে সরকারি সম্পত্তি রয়েছে, এ কথা সত্য। সম্পত্তিগুলোর স্থায়ী বন্দোবস্ত পাওয়ার জন্য আমাদের কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক হাজি সেলিম নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক বরাবর আবেদন করেছিলেন। আমাদের আবেদনে প্রশাসন কোনো সাড়া না দেওয়ার কারণে আমরা আর সামনে এগিয়ে যেতে পারিনি। প্রশাসন এখনো যদি খাস জমিগুলো আমাদের কোম্পানির নামে বন্দোবস্ত দিতে রাজি হয় তবে আমরা নিয়ম মোতাবেক সরকারি কোষাগারে অর্থ জমা দিয়ে বন্দোবস্ত নিতে রাজি আছি।