সংবাদ শিরোনাম ::
নলছিটিতে ১৭ পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার চুয়াডাঙ্গায় জাতীয় নাগরিক পার্টির জুলাই পদযাত্রা ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত বিজয়নগর থানার, আহসান উল্লাহ, রাজাপুরে মাদকের আখড়ায় অভিযান: ইয়াবাসহ আটক ২, বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ঝালকাঠিতে রোগী বহনকারী অ্যাম্বুলেন্স খাদ্যে পড়ে আহত ১, পা ভাঙল রোগীর দামুড়হুদার মদনায় বিস্কুট ফ্যাক্টারিতে আগুন ক্ষতি প্রায় ৮ লক্ষাধিক ভরা মৌসুমেও ইলিশের আকাল বৈরী আবহাওয়া, জলবায়ু পরিবর্তন ও অবৈধ জালে সংকটে সুন্দরবন উপকূলের মৎস্য অর্থনীতি সাগরে নেই ট্রলার, আড়তে নেই মাছ বানারীপাড়ায় বিএনপি নেতা সাইফুল ইসলাম রকি তেতলা পিজিএস স্কুলের সভাপতি বরিশালে সিভিল সার্জনের অপসারনের দাবীতে কক্ষে তালা বাবুগঞ্জে মাদক, চুরি-ডাকাতি ও সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক সভা।

বিপদে হাজী সেলিম, ফোন ধরছেন না কোনো আ’লীগ নেতা! আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৩০:১৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২০ ২০২ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স:: রোববার রাতের ঘটনার পর হাজী সেলিম আওয়ামী লীগের গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছেন। এই ঘটনার মীমাংসা করার জন্য দেন-দরবারও করেছেন। কিন্তু হাজী সেলিমের পাশে কেউ নেই। প্রথমবার হাজী সেলিমের ফোন কয়েকজন সিনিয়র নেতা ধরলেও এর পর তারা হাজী সেলিমের ফোন ধরাও বন্ধ করে দিয়েছেন।
আওয়ামী লীগের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নেতার সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে জানা গেছে, হাজী সেলিমের ছেলে বাড়াবাড়ি করেছে। আর এই ঘটনার দায় তারা নিতে চান না। আওয়ামী লীগের একজন প্রেসিডিয়াম সদস্য বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী এই বিষয়টা নিয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। কাজেই এই বিষয়টা নিয়ে এখন হাজী সেলিমের প্রতি সহানুভূতি জানানোর কোন সুযোগ নেই।

গত রোববার সন্ধ্যায় হাজী সেলিমের সংসদ সদস্য স্টিকার যুক্ত গাড়িটি কলাবাগান হয়ে যাচ্ছিল, এই সময় নৌ-বাহিনীর একজন কর্মকর্তার মোটরসাইকেলের সঙ্গে তার গাড়িটির ধাক্কা লাগে। মোটরসাইকেলে নৌ-বাহিনী কর্মকর্তা ছাড়াও তার স্ত্রী ছিলেন। সে সময় হাজী সেলিমের ছেলে এবং তার দেহরক্ষীরা গাড়ি থেকে নেমে কোন রকম কথা-বার্তা ছাড়াই নৌ-বাহিনীর কর্মকর্তাকে মারধর শুরু করে। নৌ-বাহিনীর কর্মকর্তা তার নিজের পরিচয় দেওয়ার পরেও তারা বিরত হয়নি।

পরবর্তীতে পুলিশের হস্তক্ষেপে তাদের গাড়ি এবং মোটরসাইকেল ধানমণ্ডি থানায় যায়। এ ব্যাপারে সরকারের উচ্চ পর্যায়ের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে নীতি-নির্ধারণী মহল বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। সেইসাথে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। এরপরই ওই নৌ কর্মকর্তার ওপর হামলা এবং হত্যাচেষ্টার মামলা দায়েরসহ গাড়ি চালককে আটক করে পুলিশ।

এই ঘটনা জানার পরই হাজী সেলিম বিভিন্ন মহলে দেন-দরবার এবং দৌড়াদৌড়ি করছেন। কিন্তু কেউই তাকে সহযোগিতা করছে না। আওয়ামী লীগের একজন সিনিয়র নেতা ও মন্ত্রী বলেছেন যে, আওয়ামী লীগ কোন ব্যক্তির অপকর্মের দায় নিবে না। সে যেই হোক না কেন, অপকর্মকারীর পাশে আওয়ামী লীগ নেই। এখন হাজী সেলিম তার ছেলেকে বাঁচানোর জন্য বিভিন্ন মহলে যোগাযোগ করলেও কেউ তার পাশে দাঁড়াচ্ছে না এবং কেউ তাকে সহযোগিতাও করছে না। বরং তারা এই বিষয়টি নিয়ে দেন-দরবার না করার জন্য হাজী সেলিমকে পরামর্শ দিয়েছেন।’

সূত্র: বাংলা ইনসাইডার।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বিপদে হাজী সেলিম, ফোন ধরছেন না কোনো আ’লীগ নেতা! আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০৯:৩০:১৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২০

আজকের ক্রাইম ডেক্স:: রোববার রাতের ঘটনার পর হাজী সেলিম আওয়ামী লীগের গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছেন। এই ঘটনার মীমাংসা করার জন্য দেন-দরবারও করেছেন। কিন্তু হাজী সেলিমের পাশে কেউ নেই। প্রথমবার হাজী সেলিমের ফোন কয়েকজন সিনিয়র নেতা ধরলেও এর পর তারা হাজী সেলিমের ফোন ধরাও বন্ধ করে দিয়েছেন।
আওয়ামী লীগের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নেতার সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে জানা গেছে, হাজী সেলিমের ছেলে বাড়াবাড়ি করেছে। আর এই ঘটনার দায় তারা নিতে চান না। আওয়ামী লীগের একজন প্রেসিডিয়াম সদস্য বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী এই বিষয়টা নিয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। কাজেই এই বিষয়টা নিয়ে এখন হাজী সেলিমের প্রতি সহানুভূতি জানানোর কোন সুযোগ নেই।

গত রোববার সন্ধ্যায় হাজী সেলিমের সংসদ সদস্য স্টিকার যুক্ত গাড়িটি কলাবাগান হয়ে যাচ্ছিল, এই সময় নৌ-বাহিনীর একজন কর্মকর্তার মোটরসাইকেলের সঙ্গে তার গাড়িটির ধাক্কা লাগে। মোটরসাইকেলে নৌ-বাহিনী কর্মকর্তা ছাড়াও তার স্ত্রী ছিলেন। সে সময় হাজী সেলিমের ছেলে এবং তার দেহরক্ষীরা গাড়ি থেকে নেমে কোন রকম কথা-বার্তা ছাড়াই নৌ-বাহিনীর কর্মকর্তাকে মারধর শুরু করে। নৌ-বাহিনীর কর্মকর্তা তার নিজের পরিচয় দেওয়ার পরেও তারা বিরত হয়নি।

পরবর্তীতে পুলিশের হস্তক্ষেপে তাদের গাড়ি এবং মোটরসাইকেল ধানমণ্ডি থানায় যায়। এ ব্যাপারে সরকারের উচ্চ পর্যায়ের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে নীতি-নির্ধারণী মহল বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। সেইসাথে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। এরপরই ওই নৌ কর্মকর্তার ওপর হামলা এবং হত্যাচেষ্টার মামলা দায়েরসহ গাড়ি চালককে আটক করে পুলিশ।

এই ঘটনা জানার পরই হাজী সেলিম বিভিন্ন মহলে দেন-দরবার এবং দৌড়াদৌড়ি করছেন। কিন্তু কেউই তাকে সহযোগিতা করছে না। আওয়ামী লীগের একজন সিনিয়র নেতা ও মন্ত্রী বলেছেন যে, আওয়ামী লীগ কোন ব্যক্তির অপকর্মের দায় নিবে না। সে যেই হোক না কেন, অপকর্মকারীর পাশে আওয়ামী লীগ নেই। এখন হাজী সেলিম তার ছেলেকে বাঁচানোর জন্য বিভিন্ন মহলে যোগাযোগ করলেও কেউ তার পাশে দাঁড়াচ্ছে না এবং কেউ তাকে সহযোগিতাও করছে না। বরং তারা এই বিষয়টি নিয়ে দেন-দরবার না করার জন্য হাজী সেলিমকে পরামর্শ দিয়েছেন।’

সূত্র: বাংলা ইনসাইডার।