বুধবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২০, ০৪:০৪ অপরাহ্ন

Notice :
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন, মোবাইল নং 01712573978
সর্বশেষ সংবাদ :
বরিশাল থেকে ১০ রুটে বাস চলাচল বন্ধ। আজকের ক্রাইম-নিউজ নরসিংদীর মাধবদীতে বস্তাবন্দী অজ্ঞাত নারীর লাশ উদ্ধার। আজকের ক্রাইম-নিউজ লক্ষ্মীছড়িতে অস্ত্রসহ ইউপিডিএফ(মূল) নতা আটক। আজকের ক্রাইম-নিউজ ফরিদপুরে তিন ক্লিনিকে ৪লক্ষ ৩০ হাজার টাকা জরিমানা। আজকের ক্রাইম-নিউজ মদের সাথে বিষপান করিয়ে স্বামীকে হত্যা, চতুর্থ স্ত্রীর স্বীকারোক্তি। আজকের ক্রাইম-নিউজ এ মাসেই শৈত্যপ্রবাহ-বৃষ্টিপাতের আভাস। আজকের ক্রাইম-নিউজ যিনি পুলিশ, তিনিই সাংবাদিক; গ্রেফতারে মিলল চাঞ্চল্যকর তথ্য। আজকের ক্রাইম-নিউজ বাজারে আসছে পরীক্ষাগারে তৈরি মুরগির মাংস। আজকের ক্রাইম-নিউজ আঙ্কারায় বঙ্গবন্ধুর ঢাকায় আতাতুর্কের ভাস্কর্য নির্মাণ করবে তুরস্ক। আজকের ক্রাইম-নিউজ পরকীয়া প্রেমিককে পেতে তিন সন্তানের মুখে বিষ তুলে দেন মা! আজকের ক্রাইম-নিউজ
বানারীপাড়ায় বিদ্যুৎস্পর্শে ডক ইয়ার্ড মালিকের মর্মান্তিক মৃত্যু। আজকের ক্রাইম-নিউজ

বানারীপাড়ায় বিদ্যুৎস্পর্শে ডক ইয়ার্ড মালিকের মর্মান্তিক মৃত্যু। আজকের ক্রাইম-নিউজ

রাহাদ সুমন, বিশেষ প্রতিনিধি॥ বরিশালের বানারীপাড়ায় বিদুৎ স্পর্শে মহসিন (৩৫) নামের এক ডকইয়ার্ড মালিকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। ২০ অক্টোবর মঙ্গলবার বিকেল ৪টার দিকে বানারীপাড়া পৌরসভার ১নং ওয়ার্ড লাগোয়া সন্ধ্যা নদীর তীরে জেগে ওঠা চরে গড়ে তোলা ডকইয়ার্ডে স্টীলের ট্রলার নির্মাণ করতে ওয়ারিং করার সময় এ দূর্ঘটনা ঘটে। জানাগেছে ওই ডক ইয়ার্ডে তারা ৩ ভাই কাজ করতেন। ঘটনার দিন দুপুরের খাবার খেতে ৩ ভাই একসাথে ডকইয়ার্ড ত্যাগ করেন। সবার আগে খাবার শেষ করে মহসিন কাজে যোগদেন। এর অল্প সময় পরেই সে ওয়ারিং করার সময় মেশিনের ওপর পা পিছলে পড়ে বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হন। স্থানীয়রা তাৎক্ষনিক ডক ইয়ার্ডের বিদ্যুৎ লাইন বন্ধ করে অচেতন মহসিনকে বানারীপাড়া উপজেলা ৫০ শয্যা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষনা করেন। মহসিনের গ্রামের বাড়ি বানারীপাড়া উপজেলার সলিয়াবাকপুর ইউনিয়নের ছোটকারপাড় গ্রামে। তার পিতার নাম মো. সোহরাব হোসেন। মাত্র এক মাস আগে তার সংসার আলো করে স্ত্রীর কোলজুড়ে ফুটফুটে একটি কন্যা সন্তান জন্ম গ্রহন করে। এদিকে মহসিনের মৃত্যুর খবরে গোটা ডকইয়ার্ড এলাকায় এবং তাদের বাড়িতে শোকের মাতম চলছে। সরেজমিনে ওই এলাকায় গিয়ে জানা যায় সন্ধ্যা নদীর তীরের চরে বেশ কয়েকজন যুবক ডকইয়ার্ড নির্মাণ করে তাদের সংসার চালাচ্ছেন। এটি করতে গিয়ে ওই যুবকদের বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা (এনজিও) থেকে ঋণ নিতে হয়েছে। তবে এই যুবকদের একাডেমিক কোন সার্টিফিকেট না থাকলেও তারা প্রত্যেকেই একেক জন ক্ষুদে ইঞ্জিনিয়ার। তারা নিজ দক্ষতায় তৈরি করছেন ছোট বড় লঞ্চ,কার্গো ও ট্রলার। এতে করে তারা উপজেলার অর্থনৈতিক চাকা সচল রাখতেও বিশেষ ভূমিকা রাখছেন। ###

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019