সংবাদ শিরোনাম ::
সুমন হত্যার বিচার ও খুনির ফাঁসির দাবিতে কবাই ইউনিয়ন বিএনপির মানববন্ধন ঘোড়াঘাটের পাশা ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মোফাজ্জল হোসেনের চালক ও শ্রমিকদের সঙ্গে মতবিনিময় নাগরিক সেবা ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি চুয়াডাঙ্গার সকল সরকারী দপ্তরের প্রধানদের সঙ্গে বিনিময় সভা, বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের আয়োজনে মাদকবিরোধী ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রুমিন ফারহানাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা, বিএনপির ঝাড়ু মিছিল পরিচ্ছন্নতা শুধু প্রশাসনের দায়িত্ব নয়, এটি সবার দায়িত্ব’: বাবুগঞ্জে এমপি জয়নুল আবেদীন। তেঁতুলিয়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ কর্মসূচি ভার্চ্যুয়ালি উদ্বোধন ও বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান চুয়াডাঙ্গায় প্রাইভেট থেকে ফেরার পথে এএসআই’র শিশু কন্যা নিখোঁজ চুয়াডাঙ্গার জীবননগর লাইসেন্স বিহীন ক্লিনিকের মালিককে জরিমানা পরে ক্লিনিকে সিলগালা অগ্রিম সতর্কতা: শুরু হওয়ার আগেই ৭,০০০ রিংগিতের নতুন ‘ভিসা ফাঁদ’ পাকাচ্ছে সিন্ডিকেট

বানারীপাড়ায় বিদ্যুৎস্পর্শে ডক ইয়ার্ড মালিকের মর্মান্তিক মৃত্যু। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:২৭:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২০ ১৪১ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাহাদ সুমন, বিশেষ প্রতিনিধি॥ বরিশালের বানারীপাড়ায় বিদুৎ স্পর্শে মহসিন (৩৫) নামের এক ডকইয়ার্ড মালিকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। ২০ অক্টোবর মঙ্গলবার বিকেল ৪টার দিকে বানারীপাড়া পৌরসভার ১নং ওয়ার্ড লাগোয়া সন্ধ্যা নদীর তীরে জেগে ওঠা চরে গড়ে তোলা ডকইয়ার্ডে স্টীলের ট্রলার নির্মাণ করতে ওয়ারিং করার সময় এ দূর্ঘটনা ঘটে। জানাগেছে ওই ডক ইয়ার্ডে তারা ৩ ভাই কাজ করতেন। ঘটনার দিন দুপুরের খাবার খেতে ৩ ভাই একসাথে ডকইয়ার্ড ত্যাগ করেন। সবার আগে খাবার শেষ করে মহসিন কাজে যোগদেন। এর অল্প সময় পরেই সে ওয়ারিং করার সময় মেশিনের ওপর পা পিছলে পড়ে বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হন। স্থানীয়রা তাৎক্ষনিক ডক ইয়ার্ডের বিদ্যুৎ লাইন বন্ধ করে অচেতন মহসিনকে বানারীপাড়া উপজেলা ৫০ শয্যা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষনা করেন। মহসিনের গ্রামের বাড়ি বানারীপাড়া উপজেলার সলিয়াবাকপুর ইউনিয়নের ছোটকারপাড় গ্রামে। তার পিতার নাম মো. সোহরাব হোসেন। মাত্র এক মাস আগে তার সংসার আলো করে স্ত্রীর কোলজুড়ে ফুটফুটে একটি কন্যা সন্তান জন্ম গ্রহন করে। এদিকে মহসিনের মৃত্যুর খবরে গোটা ডকইয়ার্ড এলাকায় এবং তাদের বাড়িতে শোকের মাতম চলছে। সরেজমিনে ওই এলাকায় গিয়ে জানা যায় সন্ধ্যা নদীর তীরের চরে বেশ কয়েকজন যুবক ডকইয়ার্ড নির্মাণ করে তাদের সংসার চালাচ্ছেন। এটি করতে গিয়ে ওই যুবকদের বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা (এনজিও) থেকে ঋণ নিতে হয়েছে। তবে এই যুবকদের একাডেমিক কোন সার্টিফিকেট না থাকলেও তারা প্রত্যেকেই একেক জন ক্ষুদে ইঞ্জিনিয়ার। তারা নিজ দক্ষতায় তৈরি করছেন ছোট বড় লঞ্চ,কার্গো ও ট্রলার। এতে করে তারা উপজেলার অর্থনৈতিক চাকা সচল রাখতেও বিশেষ ভূমিকা রাখছেন। ###

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বানারীপাড়ায় বিদ্যুৎস্পর্শে ডক ইয়ার্ড মালিকের মর্মান্তিক মৃত্যু। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০৪:২৭:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২০

রাহাদ সুমন, বিশেষ প্রতিনিধি॥ বরিশালের বানারীপাড়ায় বিদুৎ স্পর্শে মহসিন (৩৫) নামের এক ডকইয়ার্ড মালিকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। ২০ অক্টোবর মঙ্গলবার বিকেল ৪টার দিকে বানারীপাড়া পৌরসভার ১নং ওয়ার্ড লাগোয়া সন্ধ্যা নদীর তীরে জেগে ওঠা চরে গড়ে তোলা ডকইয়ার্ডে স্টীলের ট্রলার নির্মাণ করতে ওয়ারিং করার সময় এ দূর্ঘটনা ঘটে। জানাগেছে ওই ডক ইয়ার্ডে তারা ৩ ভাই কাজ করতেন। ঘটনার দিন দুপুরের খাবার খেতে ৩ ভাই একসাথে ডকইয়ার্ড ত্যাগ করেন। সবার আগে খাবার শেষ করে মহসিন কাজে যোগদেন। এর অল্প সময় পরেই সে ওয়ারিং করার সময় মেশিনের ওপর পা পিছলে পড়ে বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হন। স্থানীয়রা তাৎক্ষনিক ডক ইয়ার্ডের বিদ্যুৎ লাইন বন্ধ করে অচেতন মহসিনকে বানারীপাড়া উপজেলা ৫০ শয্যা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষনা করেন। মহসিনের গ্রামের বাড়ি বানারীপাড়া উপজেলার সলিয়াবাকপুর ইউনিয়নের ছোটকারপাড় গ্রামে। তার পিতার নাম মো. সোহরাব হোসেন। মাত্র এক মাস আগে তার সংসার আলো করে স্ত্রীর কোলজুড়ে ফুটফুটে একটি কন্যা সন্তান জন্ম গ্রহন করে। এদিকে মহসিনের মৃত্যুর খবরে গোটা ডকইয়ার্ড এলাকায় এবং তাদের বাড়িতে শোকের মাতম চলছে। সরেজমিনে ওই এলাকায় গিয়ে জানা যায় সন্ধ্যা নদীর তীরের চরে বেশ কয়েকজন যুবক ডকইয়ার্ড নির্মাণ করে তাদের সংসার চালাচ্ছেন। এটি করতে গিয়ে ওই যুবকদের বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা (এনজিও) থেকে ঋণ নিতে হয়েছে। তবে এই যুবকদের একাডেমিক কোন সার্টিফিকেট না থাকলেও তারা প্রত্যেকেই একেক জন ক্ষুদে ইঞ্জিনিয়ার। তারা নিজ দক্ষতায় তৈরি করছেন ছোট বড় লঞ্চ,কার্গো ও ট্রলার। এতে করে তারা উপজেলার অর্থনৈতিক চাকা সচল রাখতেও বিশেষ ভূমিকা রাখছেন। ###