সংবাদ শিরোনাম ::
ঘোড়াঘাটের পাশা ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মোফাজ্জল হোসেনের চালক ও শ্রমিকদের সঙ্গে মতবিনিময় নাগরিক সেবা ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি চুয়াডাঙ্গার সকল সরকারী দপ্তরের প্রধানদের সঙ্গে বিনিময় সভা, বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের আয়োজনে মাদকবিরোধী ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রুমিন ফারহানাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা, বিএনপির ঝাড়ু মিছিল পরিচ্ছন্নতা শুধু প্রশাসনের দায়িত্ব নয়, এটি সবার দায়িত্ব’: বাবুগঞ্জে এমপি জয়নুল আবেদীন। তেঁতুলিয়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ কর্মসূচি ভার্চ্যুয়ালি উদ্বোধন ও বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান চুয়াডাঙ্গায় প্রাইভেট থেকে ফেরার পথে এএসআই’র শিশু কন্যা নিখোঁজ চুয়াডাঙ্গার জীবননগর লাইসেন্স বিহীন ক্লিনিকের মালিককে জরিমানা পরে ক্লিনিকে সিলগালা অগ্রিম সতর্কতা: শুরু হওয়ার আগেই ৭,০০০ রিংগিতের নতুন ‘ভিসা ফাঁদ’ পাকাচ্ছে সিন্ডিকেট বরিশালে সাংবাদিক পুলক চ্যাটার্জির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার”

বাবা-মায়ের লাশের পাশে কাঁদতে থাকা শিশুটির দায়িত্ব নিলেন জেলা প্রশাসক। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:০৯:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২০ ১৪৬ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ডেক্স প্রতিবেদক:: মা-বাবাসহ একই পরিবারের চারজনকে গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। কিন্তু ভাগ্যক্রমে খুনিদের হাত থেকে বেঁচে যায় ছয় মাসের শিশু মারিয়া সুলতানা। শিশুটির আপন বলতে আর কেউ না থাকায় দায়িত্ব নিয়েছেন সাতক্ষীরার ডিসি এসএম মোস্তফা কামাল।
বৃহস্পতিবার দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়ে শিশু মারিয়ার দায়িত্ব নেন তিনি। আপাতত শিশুটিকে দেখভালের জন্য স্থানীয় নারী ইউপি সদস্য নাসিমা খাতুনের কাছে বুঝিয়ে দেন ডিসি।

সাতক্ষীরার ডিসি এসএম মোস্তফা কামাল বলেন, নির্মম ও নৃশংসভাবে হত্যার শিকার হয়েছেন এক পরিবারের স্বামী-স্ত্রী ও ছেলে-মেয়ে। তবে খুনিরা ছয় মাসের শিশুটিকে হত্যা করেনি। ভাগ্যক্রমে বেঁচে যায় শিশুটি।

তিনি বলেন, মায়ের গলাকাটা লাশের পাশে কাঁদছিল শিশু মারিয়া। শিশুটির পরিবারে এখন আপনজন বলতে কেউ নেই। আত্মীয়-স্বজনও কেউ নেই। শিশুটির দায়িত্ব নিয়েছি আমি। আপতত দেখভালের জন্য স্থানীয় নারী ইউপি সদস্যকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। শিশুটির পরিবারের কোনো স্বজন শিশুটির দাবি করলে আইনিভাবে সমাধান করা হবে। শিশুটি এখন থেকে আমার তত্ত্বাবধানে থাকবে।

বৃহস্পতিবার ভোরে কলারোয়া উপজেলার হেলাতলা ইউপির খলিসা গ্রামে মাছের ঘের ব্যবসায়ী মো. শাহীনুর রহমান, তার স্ত্রী সাবিনা খাতুন, ছেলে সিয়াম হোসেন মাহি ও মেয়ে তাসমিন সুলতানাকে গলা কেটে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। পরিবারের পাঁচ সদস্যের মধ্যে চারজনকে হত্যা করলেও শিশু মারিয়াকে মায়ের লাশের পাশে ফেলে রেখে যায় খুনিরা। সেখানে পড়ে কাঁদছিল শিশুটি।

সাতক্ষীরার এসপি মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, সিআইডির ক্রাইম সিন টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও আলামত সংগ্রহ করেছে। ঘটনাস্থল ঘিরে রাখা হয়েছে। পারিবারিক বিরোধ ও শত্রুতার জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনার রহস্য উদঘাটন ও ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

কলারোয়া থানার ওসি হারান চন্দ্র পাল বলেন, বিকেল পর্যন্ত এ ঘটনায় কাউকে আটক করা হয়নি। এ নিয়ে তদন্ত চলছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বাবা-মায়ের লাশের পাশে কাঁদতে থাকা শিশুটির দায়িত্ব নিলেন জেলা প্রশাসক। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০২:০৯:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২০

ডেক্স প্রতিবেদক:: মা-বাবাসহ একই পরিবারের চারজনকে গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। কিন্তু ভাগ্যক্রমে খুনিদের হাত থেকে বেঁচে যায় ছয় মাসের শিশু মারিয়া সুলতানা। শিশুটির আপন বলতে আর কেউ না থাকায় দায়িত্ব নিয়েছেন সাতক্ষীরার ডিসি এসএম মোস্তফা কামাল।
বৃহস্পতিবার দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়ে শিশু মারিয়ার দায়িত্ব নেন তিনি। আপাতত শিশুটিকে দেখভালের জন্য স্থানীয় নারী ইউপি সদস্য নাসিমা খাতুনের কাছে বুঝিয়ে দেন ডিসি।

সাতক্ষীরার ডিসি এসএম মোস্তফা কামাল বলেন, নির্মম ও নৃশংসভাবে হত্যার শিকার হয়েছেন এক পরিবারের স্বামী-স্ত্রী ও ছেলে-মেয়ে। তবে খুনিরা ছয় মাসের শিশুটিকে হত্যা করেনি। ভাগ্যক্রমে বেঁচে যায় শিশুটি।

তিনি বলেন, মায়ের গলাকাটা লাশের পাশে কাঁদছিল শিশু মারিয়া। শিশুটির পরিবারে এখন আপনজন বলতে কেউ নেই। আত্মীয়-স্বজনও কেউ নেই। শিশুটির দায়িত্ব নিয়েছি আমি। আপতত দেখভালের জন্য স্থানীয় নারী ইউপি সদস্যকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। শিশুটির পরিবারের কোনো স্বজন শিশুটির দাবি করলে আইনিভাবে সমাধান করা হবে। শিশুটি এখন থেকে আমার তত্ত্বাবধানে থাকবে।

বৃহস্পতিবার ভোরে কলারোয়া উপজেলার হেলাতলা ইউপির খলিসা গ্রামে মাছের ঘের ব্যবসায়ী মো. শাহীনুর রহমান, তার স্ত্রী সাবিনা খাতুন, ছেলে সিয়াম হোসেন মাহি ও মেয়ে তাসমিন সুলতানাকে গলা কেটে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। পরিবারের পাঁচ সদস্যের মধ্যে চারজনকে হত্যা করলেও শিশু মারিয়াকে মায়ের লাশের পাশে ফেলে রেখে যায় খুনিরা। সেখানে পড়ে কাঁদছিল শিশুটি।

সাতক্ষীরার এসপি মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, সিআইডির ক্রাইম সিন টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও আলামত সংগ্রহ করেছে। ঘটনাস্থল ঘিরে রাখা হয়েছে। পারিবারিক বিরোধ ও শত্রুতার জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনার রহস্য উদঘাটন ও ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

কলারোয়া থানার ওসি হারান চন্দ্র পাল বলেন, বিকেল পর্যন্ত এ ঘটনায় কাউকে আটক করা হয়নি। এ নিয়ে তদন্ত চলছে।