সংবাদ শিরোনাম ::
নলছিটিতে ১৭ পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার চুয়াডাঙ্গায় জাতীয় নাগরিক পার্টির জুলাই পদযাত্রা ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত বিজয়নগর থানার, আহসান উল্লাহ, রাজাপুরে মাদকের আখড়ায় অভিযান: ইয়াবাসহ আটক ২, বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ঝালকাঠিতে রোগী বহনকারী অ্যাম্বুলেন্স খাদ্যে পড়ে আহত ১, পা ভাঙল রোগীর দামুড়হুদার মদনায় বিস্কুট ফ্যাক্টারিতে আগুন ক্ষতি প্রায় ৮ লক্ষাধিক ভরা মৌসুমেও ইলিশের আকাল বৈরী আবহাওয়া, জলবায়ু পরিবর্তন ও অবৈধ জালে সংকটে সুন্দরবন উপকূলের মৎস্য অর্থনীতি সাগরে নেই ট্রলার, আড়তে নেই মাছ বানারীপাড়ায় বিএনপি নেতা সাইফুল ইসলাম রকি তেতলা পিজিএস স্কুলের সভাপতি বরিশালে সিভিল সার্জনের অপসারনের দাবীতে কক্ষে তালা বাবুগঞ্জে মাদক, চুরি-ডাকাতি ও সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক সভা।

আপনি কি জুডিশিয়াল অফিসার নাকি সিল মারা অফিসার?’

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:১৪:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২০ ১০৯ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক:: বরিশালের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এনায়েত উল্লাহকে হাইকোর্ট জিজ্ঞেস করেছেন, ‘আপনি কি জুডিশিয়াল অফিসার নাকি সিল মারা অফিসার?’ চার শিশুর বিষয়ে আদালতের এখতিয়ারের বাইরে গিয়ে নির্দেশনা দেওয়ার ঘটনা নিয়ে শুনানির সময় বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মহিউদ্দিন শামীমের হাইকোর্ট বেঞ্চ ম্যাজিস্ট্রেট এনায়েত উল্লাহকে এমন জিজ্ঞাসা করেন।
এ সময় সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এনায়েত উল্লাহ নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করলে আদালত নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন কত সালের এবং ধারা কয়টি তা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে জানতে চান। আদালত আরও বলেন, ‘আপনি মামলার অভিযোগ (এফআইআর) পড়ে সিল মেরে দিলেন দেখলাম। এটা কোন ধরনের ম্যাজিস্ট্রেটের কাজ। এটা কি আপনি জুডিশিয়াল অফিসার হিসেবে ঠিক করেছেন?

এ সময় হাইকোর্ট সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এনায়েত উল্লাহকে প্রশ্ন করেন, আপনি কি সিল মারা অফিসার নাকি জুডিশিয়াল অফিসার?’ আদালতে এ দিন কারও পক্ষে কোনো আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন না। শুধু সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে শিশুদের বিষয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে ওই চার শিশুকে কারাগারে পাঠানোর ঘটনায় তলবে হাইকোর্টে উপস্থিত হন বরিশালের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এনায়েত উল্লাহ, বাকেরগঞ্জের ওসি মো. আকবর আলী ও চার শিশুর অভিভাবক। শুনানি শেষে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এনায়েত উল্লাহর বিরুদ্ধে কেন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। এ বিষয়ে আদেশ দিতে ২২ নভেম্বর পরবর্তী দিন ঠিক করা হয়। এ ছাড়া ছয় বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে বাকেরগঞ্জ থানায় করা মামলার কার্যক্রম ২২ নভেম্বর পর্যন্ত স্থগিত থাকবে বলেও জানান আদালত। একই সঙ্গে বাকেরগঞ্জ থানার ওসিকে ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে শিশুদের নিরাপদে বাড়ি পর্যন্ত পৌঁছে দিতে বাকেরগঞ্জ থানার ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

বাকেরগঞ্জে ৬ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া যশোর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রের চার শিশুকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশদাতা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এনায়েত উল্লাহ হাইকোর্টে উপস্থিত হয়ে নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়ে আবেদন করেন। এর আগে সকালে তিনি আদালতে হাজির হন। এ বিষয়ে চার শিশুর বক্তব্য শুনতে তাদের বেলা ১১টা ৫০ মিনিটের দিকে বিচারকের খাস কামরায় নিয়ে যাওয়া হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

আপনি কি জুডিশিয়াল অফিসার নাকি সিল মারা অফিসার?’

আপডেট সময় : ০৭:১৪:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২০

অনলাইন ডেস্ক:: বরিশালের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এনায়েত উল্লাহকে হাইকোর্ট জিজ্ঞেস করেছেন, ‘আপনি কি জুডিশিয়াল অফিসার নাকি সিল মারা অফিসার?’ চার শিশুর বিষয়ে আদালতের এখতিয়ারের বাইরে গিয়ে নির্দেশনা দেওয়ার ঘটনা নিয়ে শুনানির সময় বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মহিউদ্দিন শামীমের হাইকোর্ট বেঞ্চ ম্যাজিস্ট্রেট এনায়েত উল্লাহকে এমন জিজ্ঞাসা করেন।
এ সময় সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এনায়েত উল্লাহ নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করলে আদালত নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন কত সালের এবং ধারা কয়টি তা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে জানতে চান। আদালত আরও বলেন, ‘আপনি মামলার অভিযোগ (এফআইআর) পড়ে সিল মেরে দিলেন দেখলাম। এটা কোন ধরনের ম্যাজিস্ট্রেটের কাজ। এটা কি আপনি জুডিশিয়াল অফিসার হিসেবে ঠিক করেছেন?

এ সময় হাইকোর্ট সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এনায়েত উল্লাহকে প্রশ্ন করেন, আপনি কি সিল মারা অফিসার নাকি জুডিশিয়াল অফিসার?’ আদালতে এ দিন কারও পক্ষে কোনো আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন না। শুধু সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে শিশুদের বিষয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে ওই চার শিশুকে কারাগারে পাঠানোর ঘটনায় তলবে হাইকোর্টে উপস্থিত হন বরিশালের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এনায়েত উল্লাহ, বাকেরগঞ্জের ওসি মো. আকবর আলী ও চার শিশুর অভিভাবক। শুনানি শেষে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এনায়েত উল্লাহর বিরুদ্ধে কেন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। এ বিষয়ে আদেশ দিতে ২২ নভেম্বর পরবর্তী দিন ঠিক করা হয়। এ ছাড়া ছয় বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে বাকেরগঞ্জ থানায় করা মামলার কার্যক্রম ২২ নভেম্বর পর্যন্ত স্থগিত থাকবে বলেও জানান আদালত। একই সঙ্গে বাকেরগঞ্জ থানার ওসিকে ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে শিশুদের নিরাপদে বাড়ি পর্যন্ত পৌঁছে দিতে বাকেরগঞ্জ থানার ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

বাকেরগঞ্জে ৬ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া যশোর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রের চার শিশুকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশদাতা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এনায়েত উল্লাহ হাইকোর্টে উপস্থিত হয়ে নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়ে আবেদন করেন। এর আগে সকালে তিনি আদালতে হাজির হন। এ বিষয়ে চার শিশুর বক্তব্য শুনতে তাদের বেলা ১১টা ৫০ মিনিটের দিকে বিচারকের খাস কামরায় নিয়ে যাওয়া হয়।