সংবাদ শিরোনাম ::
ভরা মৌসুমেও ইলিশের আকাল বৈরী আবহাওয়া, জলবায়ু পরিবর্তন ও অবৈধ জালে সংকটে সুন্দরবন উপকূলের মৎস্য অর্থনীতি সাগরে নেই ট্রলার, আড়তে নেই মাছ বানারীপাড়ায় বিএনপি নেতা সাইফুল ইসলাম রকি তেতলা পিজিএস স্কুলের সভাপতি বরিশালে সিভিল সার্জনের অপসারনের দাবীতে কক্ষে তালা বাবুগঞ্জে মাদক, চুরি-ডাকাতি ও সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক সভা। বানারীপাড়ায় চাঁদাবাজি মামলায় জামিনে বের হয়ে বাদীসহ তিনজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম ঝালকাঠিতে গৃহবধূ মলিনা রায় হত্যা: মামলার দ্বিতীয় আসামি ঢাকায় গ্রেফতার সড়কে ঝড়লো সাংবাদিক পুত্রের প্রাণ, বিএমএসএফ’র শোক বাবুগঞ্জে ১ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারি আটক ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে রিকসা চালক নিহত, আহত-১০ ​ঝালকাঠিতে ‘ফ্রি নিউজ গ্রুপ’-এর সাংবাদিকদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত

কুষ্টিয়ায় ভুল চিকিৎসায় প্রসূতির মৃত্যু, ক্লিনিক মালিক আটক। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৩৪:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২০ ১২৭ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক

কুষ্টিয়া শহরের একটি বেসরকারি ক্লিনিকে শাপলা খাতুন (২২) নামে এক প্রসূতির শরীরে ভুল রক্ত পুশ করায় তার মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ক্লিনিক মালিককে আটকের পাশাপাশি ক্লিনিক সীলগালা করে দিয়েছে প্রশাসন।

বুধবার সকাল ৯টার দিকে কুষ্টিয়া শহরের কাষ্টম মোড়স্থ শাপলা ক্লিনিকে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় রোগির স্বজন ও এলাকাবাসি ক্লিনিক ঘেরাও করে বিক্ষোভ শুরু করলে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

জানা গেছে, মঙ্গলবার রাতে কুমারখালী উপজেলার সোন্দা গ্রামের জুলের সন্তানসম্ভাবা স্ত্রী শাপলা খাতুনকে ওই ক্লিনিকে ভর্তি করেন স্বজনরা। সেখানে রাতেই তার সিজারিয়ান অপারেশন হয়। ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের চাহিদা মত রোগীর স্বজনরা রোগীর জন্য এবি+ রক্ত এনে দেন। তবে রোগির স্বজনদের অভিযোগ, তাদের সরবরাহ করা রক্ত না দিয়ে ক্লিনিকের লোকজন ভুল গ্রুপের রক্ত পুশ করে রোগীর শরীরে।

এতে রোগীর অবস্থার অবনতি হয়। পরে সকালে তিনি মারা যান। এ ঘটনায় রোগীর স্বজন ও এলাকাবাসী ক্লিনিকে বিক্ষোভ দেখায়। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। ওই ক্লিনিকে গিয়ে দেখা যায় শাপলার শরীরে যে রক্ত দেওয়া হয়েছে তার একটি ব্যাগে এবি+ লেখা থাকলেও অন্যটিতে কোন কিছু লেখা নেই।

এ ব্যাপারে ক্লিনিক মালিক মনিরুল ইসলামের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে, তিনি কোন জবাব দিতে পারেননি। এ ঘটনায় ক্লিনিক মালিক মনিরুল ইসলামকে আটক করেছে পুলিশ। পাশাপাশি ক্লিনিকটি সীলগালা করে দেওয়া হয়েছে।

খবর পেয়ে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জুবায়ের হোসেন চৌধুরী ঘটনাস্থলে যান। তিনি সাংবাদিকদের জানান, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ভুল রক্ত পুশের বিষয়টি প্রমাণ হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

কুষ্টিয়ায় ভুল চিকিৎসায় প্রসূতির মৃত্যু, ক্লিনিক মালিক আটক। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ১০:৩৪:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২০

অনলাইন ডেস্ক

কুষ্টিয়া শহরের একটি বেসরকারি ক্লিনিকে শাপলা খাতুন (২২) নামে এক প্রসূতির শরীরে ভুল রক্ত পুশ করায় তার মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ক্লিনিক মালিককে আটকের পাশাপাশি ক্লিনিক সীলগালা করে দিয়েছে প্রশাসন।

বুধবার সকাল ৯টার দিকে কুষ্টিয়া শহরের কাষ্টম মোড়স্থ শাপলা ক্লিনিকে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় রোগির স্বজন ও এলাকাবাসি ক্লিনিক ঘেরাও করে বিক্ষোভ শুরু করলে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

জানা গেছে, মঙ্গলবার রাতে কুমারখালী উপজেলার সোন্দা গ্রামের জুলের সন্তানসম্ভাবা স্ত্রী শাপলা খাতুনকে ওই ক্লিনিকে ভর্তি করেন স্বজনরা। সেখানে রাতেই তার সিজারিয়ান অপারেশন হয়। ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের চাহিদা মত রোগীর স্বজনরা রোগীর জন্য এবি+ রক্ত এনে দেন। তবে রোগির স্বজনদের অভিযোগ, তাদের সরবরাহ করা রক্ত না দিয়ে ক্লিনিকের লোকজন ভুল গ্রুপের রক্ত পুশ করে রোগীর শরীরে।

এতে রোগীর অবস্থার অবনতি হয়। পরে সকালে তিনি মারা যান। এ ঘটনায় রোগীর স্বজন ও এলাকাবাসী ক্লিনিকে বিক্ষোভ দেখায়। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। ওই ক্লিনিকে গিয়ে দেখা যায় শাপলার শরীরে যে রক্ত দেওয়া হয়েছে তার একটি ব্যাগে এবি+ লেখা থাকলেও অন্যটিতে কোন কিছু লেখা নেই।

এ ব্যাপারে ক্লিনিক মালিক মনিরুল ইসলামের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে, তিনি কোন জবাব দিতে পারেননি। এ ঘটনায় ক্লিনিক মালিক মনিরুল ইসলামকে আটক করেছে পুলিশ। পাশাপাশি ক্লিনিকটি সীলগালা করে দেওয়া হয়েছে।

খবর পেয়ে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জুবায়ের হোসেন চৌধুরী ঘটনাস্থলে যান। তিনি সাংবাদিকদের জানান, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ভুল রক্ত পুশের বিষয়টি প্রমাণ হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।