সংবাদ শিরোনাম ::
ভরা মৌসুমেও ইলিশের আকাল বৈরী আবহাওয়া, জলবায়ু পরিবর্তন ও অবৈধ জালে সংকটে সুন্দরবন উপকূলের মৎস্য অর্থনীতি সাগরে নেই ট্রলার, আড়তে নেই মাছ বানারীপাড়ায় বিএনপি নেতা সাইফুল ইসলাম রকি তেতলা পিজিএস স্কুলের সভাপতি বরিশালে সিভিল সার্জনের অপসারনের দাবীতে কক্ষে তালা বাবুগঞ্জে মাদক, চুরি-ডাকাতি ও সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক সভা। বানারীপাড়ায় চাঁদাবাজি মামলায় জামিনে বের হয়ে বাদীসহ তিনজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম ঝালকাঠিতে গৃহবধূ মলিনা রায় হত্যা: মামলার দ্বিতীয় আসামি ঢাকায় গ্রেফতার সড়কে ঝড়লো সাংবাদিক পুত্রের প্রাণ, বিএমএসএফ’র শোক বাবুগঞ্জে ১ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারি আটক ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে রিকসা চালক নিহত, আহত-১০ ​ঝালকাঠিতে ‘ফ্রি নিউজ গ্রুপ’-এর সাংবাদিকদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত

ছদ্মবেশে খালেদা জিয়াকে দেখতে গিয়েছিলেন কাজী জাফর: ফখরুল। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:০১:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২০ ১৪৫ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক

কাজী জাফর আহমেদের সঙ্গে বিএনপির সম্পর্কের ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘আমরা জাতীয় পার্টিসহ তাকে আমাদের জোটে আনার জন্য কাজ করছিলাম। সেই সময়ে কয়েক দফা আমাদের সভা হয়েছে। প্রথম যে সভাটা উনি আমাদের ম্যাডামের সঙ্গে করতে গেলেন সেটা খুব স্মরণীয়। তখন সরাসরি ম্যাডামের সঙ্গে দেখা করাটা তার জন্য বিপজ্জনক ছিল।

কারণ দলীয়প্রধান ও অন্যরা জানতে পারলে তার ক্ষতি হতে পারে। এজন্য তিনি বললেন, আমি ছদ্মবেশে যাব। ’
কাজী জাফরের পঞ্চম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে শনিবার এক ভার্চুয়াল আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

কাজী জাফরের মেয়ে কাজী জয়া আহমেদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় যোগ দিয়ে ফখরুল বলেন, ‘এখনো আমার মনে আছে, তিনি আবদুল্লাহ ভাইয়ের বাসায় ছদ্মবেশ ধারণ করেছিলেন।

আমি যখন প্রথম দেখলাম তাকে চিনতে পারিনি। আসকান পরা, মাথায় টুপি, মুখে দাড়ি। আমাকে বললেন, কী? চিনতে পারছ? আমার বেশ কিছু সময় লাগছে চিনতে। এরপর গাড়ি বদল করে ম্যাডামের বাসায় গিয়েছিলাম। জাফর ভাইকে সেদিন ম্যাডামও চিনতে পারেননি।
ম্যাডাম বললেন, কাকে নিয়ে এলেন? উনাকে কিন্তু চিনতে পারছি না। ’
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘জাফর ভাই অসাধারণ নেতা ছিলেন। তার একটা মেমোরি ছিল, একটা অসাধারণ ক্ষমতা ছিল মানুষকে আপন করে নেয়ার এবং নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা করর। আমাদের কাছে নায়ক ছিলেন, হিরো ছিলেন। সত্যি উনি একেবারে কেন্দ্রবিন্দু হয়ে থাকতেন। ’

তিনি বলেন, ‘তাকে আমার প্রায় মনে পড়ে। আজকাল তাকে মিস করি। তার অনুপস্থিতিটা আমি অনুভব করি। আজকে যখন আমরা এই একটা অবস্থার মধ্যে পড়েছি, সেই অবস্থায় কাজী জাফরের প্রয়োজন ছিল। ’

জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) সভাপতি মোস্তফা জামাল হায়দারের সভাপতিত্বে ভার্চুয়াল সভায় শান্তিতে নোবেল বিজয়ী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন, প্রবাসী শিক্ষাবিদ আতিকুর রহমান সালু, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী প্রমুখ বক্তব্য দেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ছদ্মবেশে খালেদা জিয়াকে দেখতে গিয়েছিলেন কাজী জাফর: ফখরুল। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০৩:০১:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২০

অনলাইন ডেস্ক

কাজী জাফর আহমেদের সঙ্গে বিএনপির সম্পর্কের ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘আমরা জাতীয় পার্টিসহ তাকে আমাদের জোটে আনার জন্য কাজ করছিলাম। সেই সময়ে কয়েক দফা আমাদের সভা হয়েছে। প্রথম যে সভাটা উনি আমাদের ম্যাডামের সঙ্গে করতে গেলেন সেটা খুব স্মরণীয়। তখন সরাসরি ম্যাডামের সঙ্গে দেখা করাটা তার জন্য বিপজ্জনক ছিল।

কারণ দলীয়প্রধান ও অন্যরা জানতে পারলে তার ক্ষতি হতে পারে। এজন্য তিনি বললেন, আমি ছদ্মবেশে যাব। ’
কাজী জাফরের পঞ্চম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে শনিবার এক ভার্চুয়াল আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

কাজী জাফরের মেয়ে কাজী জয়া আহমেদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় যোগ দিয়ে ফখরুল বলেন, ‘এখনো আমার মনে আছে, তিনি আবদুল্লাহ ভাইয়ের বাসায় ছদ্মবেশ ধারণ করেছিলেন।

আমি যখন প্রথম দেখলাম তাকে চিনতে পারিনি। আসকান পরা, মাথায় টুপি, মুখে দাড়ি। আমাকে বললেন, কী? চিনতে পারছ? আমার বেশ কিছু সময় লাগছে চিনতে। এরপর গাড়ি বদল করে ম্যাডামের বাসায় গিয়েছিলাম। জাফর ভাইকে সেদিন ম্যাডামও চিনতে পারেননি।
ম্যাডাম বললেন, কাকে নিয়ে এলেন? উনাকে কিন্তু চিনতে পারছি না। ’
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘জাফর ভাই অসাধারণ নেতা ছিলেন। তার একটা মেমোরি ছিল, একটা অসাধারণ ক্ষমতা ছিল মানুষকে আপন করে নেয়ার এবং নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা করর। আমাদের কাছে নায়ক ছিলেন, হিরো ছিলেন। সত্যি উনি একেবারে কেন্দ্রবিন্দু হয়ে থাকতেন। ’

তিনি বলেন, ‘তাকে আমার প্রায় মনে পড়ে। আজকাল তাকে মিস করি। তার অনুপস্থিতিটা আমি অনুভব করি। আজকে যখন আমরা এই একটা অবস্থার মধ্যে পড়েছি, সেই অবস্থায় কাজী জাফরের প্রয়োজন ছিল। ’

জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) সভাপতি মোস্তফা জামাল হায়দারের সভাপতিত্বে ভার্চুয়াল সভায় শান্তিতে নোবেল বিজয়ী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন, প্রবাসী শিক্ষাবিদ আতিকুর রহমান সালু, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী প্রমুখ বক্তব্য দেন।