সংবাদ শিরোনাম ::
চুয়াডাঙ্গার বালিকা বিদ্যালয়ের সামনের দেয়ালে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান!লিখন,পরে মুছন ঝালকাঠিতে ১৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন ড.জিয়াউদ্দিন হায়দার দামুড়হুদা মডেল থানা পুলিশের হাতে ইয়াবাসহ ৭ আসামী গ্রেফতার শিক্ষার্থীদের শুধু সনদ অর্জন নয়, দক্ষ ও মানবিক মানুষ হতে হবে: জিয়াউদ্দিন হায়দার উজিরপুরে শ্রমিকদল নেতার নেতৃত্বে সরকারি রাস্তার চার কিলোমিটার এলাকার গাছ লুটের মহোৎসব ঝালকাঠিতে ৩০ পিস ইয়াবাসহ দুই যুবক আটক আলমডাঙ্গার স্বপন ফেসবুকে রাজনৈতিক পোস্ট দেয়ায় যুবলীগ নেতা গ্রেপ্তার বাবুগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে দ্বিতীয় পর্যায়ের প্রশিক্ষণ শুরু। প্রবাসীর ৬৭ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ দুলাভাইয়ের বিরুদ্ধে, বাড়ি থেকেও উচ্ছেদের হুমকি ডিসেম্বরে আপা আসবে তাই চলে যাচ্ছি বিদায় বাংলাদেশ আসিফ মাহমুদ

অচিরেই বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ অস্ত্র নির্মাণ কেন্দ্রে পরিণত হবে ইরান।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:২৩:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২০ ১৭০ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক

ইরানের বিরুদ্ধে জাতিসংঘের অস্ত্র নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ শেষ হতে চলেছে। অনেকের ধারণা বহু বছর পর এ নিষেধাজ্ঞা উঠে গেলে হয়তো ইরান আবারও সমরাস্ত্রের বাজারে প্রবেশ করবে এবং দেশটি অচিরেই বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ অস্ত্র নির্মাণ কেন্দ্রে পরিণত হবে।

এ ব্যাপারে ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আমির হাতামি জাতীয় নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্র নীতি বিষয়ক সংসদীয় কমিশনের সঙ্গে বৈঠকে বলেছেন, জাতীয় নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা অক্ষুণ্ণ রেখে এ ক্ষেত্রে উন্নয়ন অব্যাহত রাখবে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। ব্যাপক হারে উৎপাদনের বছরে কৌশলগত অস্ত্র তৈরির অবকাঠামো আমাদের রয়েছে এবং অস্ত্র তৈরির ক্ষেত্রে আমাদের কোনো সমস্যা নেই এ কথা উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, অর্থনীতিসহ বেসামরিক বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা করতেও এই মন্ত্রণালয় প্রস্তুত রয়েছে।

আট বছরের পবিত্র প্রতিরক্ষা যুদ্ধ এবং যুদ্ধ পরবর্তী সময়ে শত্রুর চাপিয়ে দেয়া নিষেধাজ্ঞা ও সীমাবদ্ধতা সত্বেও ইরান প্রমাণ করেছে আত্মরক্ষায় তারা কতখানি পারদর্শী। নিজস্ব প্রযুক্তি ও সুযোগ সুবিধাকে কাজে লাগিয়ে প্রতিরক্ষা শিল্পে ইরান আজ স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছে। উদাহরণ স্বরূপ, ক্ষেপণাস্ত্র শক্তির কথা উল্লেখ করা যায় যা কিনা চাপিয়ে দেয়া যুদ্ধের সময় প্রয়োজনের তাগিদে ইরান এ অস্ত্র তৈরির পদক্ষেপ নিয়েছিল। বর্তমানে নিখুঁতভাবে আঘাত হানতে সক্ষম ব্যালেস্টিক ও ক্রুজসহ বিভিন্ন ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করে ইরান বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে।

সমরবিদরা বলছেন, নতুন নতুন প্রযুক্তির ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করে ইরান এ অঞ্চলে সামরিক শক্তির ভারসাম্য নিজের অনুকূলে নিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছে।

ইরান সম্প্রতি সফলভাবে নূর নামে সামরিক স্যাটেলাইট মহাকাশে পাঠাতে সক্ষম হওয়ায় ভূ-রাজনৈতিক বিষয়ক মার্কিন বিশ্লেষক অ্যান্থেনিও কার্তুলুসি বলেছেন, ইরান এমন এক অবস্থানে পৌঁছে গেছে যা বহুমেরু কেন্দ্রিক নতুন বিশ্ব ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখবে।

নৌ শক্তির ক্ষেত্রেও ইরান অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জন করেছে। এ ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের ডুবো জাহাজ নির্মাণের কথা উল্লেখ করা যায় যা কিনা আলাদা আলাদা বৈশিষ্ট্যের অধিকারী। পাইলটবিহীন বিমান বা ড্রোন প্রযুক্তিতে ইরান আঞ্চলিক পরাশক্তিতে এবং বিশ্বে চতুর্থ বৃহৎ শক্তিতে পরিণত হয়েছে।

যুদ্ধবিমানের দিক থেকেও ইরান অনেক এগিয়ে। বভার-৩৭৩, খোরদাদ-তিন, তাবাস-দুই ও সাইয়াদের মতো বিমানগুলো ইরান নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি করেছে। এ ছাড়া লেজার প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায়ও ইরান হাতে গোনা কয়েকটি দেশের কাতারে শামিল হয়েছে যা কিনা তাদের সামরিক শক্তির বড় প্রমাণ।
প্রকৃতপক্ষে, নিজস্ব প্রযুক্তির সহায়তায় ইরান কৌশলগত অস্ত্র তৈরির অবকাঠামো গড়ে তুলেছে। এ কারণে ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেছেন, অস্ত্র তৈরির ক্ষেত্রে আমাদের কোনো সমস্যা নেই।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

অচিরেই বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ অস্ত্র নির্মাণ কেন্দ্রে পরিণত হবে ইরান।

আপডেট সময় : ০৫:২৩:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২০

অনলাইন ডেস্ক

ইরানের বিরুদ্ধে জাতিসংঘের অস্ত্র নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ শেষ হতে চলেছে। অনেকের ধারণা বহু বছর পর এ নিষেধাজ্ঞা উঠে গেলে হয়তো ইরান আবারও সমরাস্ত্রের বাজারে প্রবেশ করবে এবং দেশটি অচিরেই বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ অস্ত্র নির্মাণ কেন্দ্রে পরিণত হবে।

এ ব্যাপারে ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আমির হাতামি জাতীয় নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্র নীতি বিষয়ক সংসদীয় কমিশনের সঙ্গে বৈঠকে বলেছেন, জাতীয় নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা অক্ষুণ্ণ রেখে এ ক্ষেত্রে উন্নয়ন অব্যাহত রাখবে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। ব্যাপক হারে উৎপাদনের বছরে কৌশলগত অস্ত্র তৈরির অবকাঠামো আমাদের রয়েছে এবং অস্ত্র তৈরির ক্ষেত্রে আমাদের কোনো সমস্যা নেই এ কথা উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, অর্থনীতিসহ বেসামরিক বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা করতেও এই মন্ত্রণালয় প্রস্তুত রয়েছে।

আট বছরের পবিত্র প্রতিরক্ষা যুদ্ধ এবং যুদ্ধ পরবর্তী সময়ে শত্রুর চাপিয়ে দেয়া নিষেধাজ্ঞা ও সীমাবদ্ধতা সত্বেও ইরান প্রমাণ করেছে আত্মরক্ষায় তারা কতখানি পারদর্শী। নিজস্ব প্রযুক্তি ও সুযোগ সুবিধাকে কাজে লাগিয়ে প্রতিরক্ষা শিল্পে ইরান আজ স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছে। উদাহরণ স্বরূপ, ক্ষেপণাস্ত্র শক্তির কথা উল্লেখ করা যায় যা কিনা চাপিয়ে দেয়া যুদ্ধের সময় প্রয়োজনের তাগিদে ইরান এ অস্ত্র তৈরির পদক্ষেপ নিয়েছিল। বর্তমানে নিখুঁতভাবে আঘাত হানতে সক্ষম ব্যালেস্টিক ও ক্রুজসহ বিভিন্ন ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করে ইরান বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে।

সমরবিদরা বলছেন, নতুন নতুন প্রযুক্তির ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করে ইরান এ অঞ্চলে সামরিক শক্তির ভারসাম্য নিজের অনুকূলে নিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছে।

ইরান সম্প্রতি সফলভাবে নূর নামে সামরিক স্যাটেলাইট মহাকাশে পাঠাতে সক্ষম হওয়ায় ভূ-রাজনৈতিক বিষয়ক মার্কিন বিশ্লেষক অ্যান্থেনিও কার্তুলুসি বলেছেন, ইরান এমন এক অবস্থানে পৌঁছে গেছে যা বহুমেরু কেন্দ্রিক নতুন বিশ্ব ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখবে।

নৌ শক্তির ক্ষেত্রেও ইরান অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জন করেছে। এ ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের ডুবো জাহাজ নির্মাণের কথা উল্লেখ করা যায় যা কিনা আলাদা আলাদা বৈশিষ্ট্যের অধিকারী। পাইলটবিহীন বিমান বা ড্রোন প্রযুক্তিতে ইরান আঞ্চলিক পরাশক্তিতে এবং বিশ্বে চতুর্থ বৃহৎ শক্তিতে পরিণত হয়েছে।

যুদ্ধবিমানের দিক থেকেও ইরান অনেক এগিয়ে। বভার-৩৭৩, খোরদাদ-তিন, তাবাস-দুই ও সাইয়াদের মতো বিমানগুলো ইরান নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি করেছে। এ ছাড়া লেজার প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায়ও ইরান হাতে গোনা কয়েকটি দেশের কাতারে শামিল হয়েছে যা কিনা তাদের সামরিক শক্তির বড় প্রমাণ।
প্রকৃতপক্ষে, নিজস্ব প্রযুক্তির সহায়তায় ইরান কৌশলগত অস্ত্র তৈরির অবকাঠামো গড়ে তুলেছে। এ কারণে ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেছেন, অস্ত্র তৈরির ক্ষেত্রে আমাদের কোনো সমস্যা নেই।