সংবাদ শিরোনাম ::
জুলাই আন্দোলনের দ্বিতীয় বার্ষিকীতে বাবুগঞ্জে জামায়াতের সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল বাবুগঞ্জে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত মাদারীপুরে ড্রাম বিস্ফোরণে শিশু শ্রমিকের করুণ মৃত্যু চাঞ্চল্যকর ঘটনা: চোরের আঙুল কামড়ে ছিঁড়ে ফেললেন গৃহবধূ, মোবাইল নিয়ে চম্পট জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে ঝালকাঠিতে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা ও স্মারক সংবর্ধনা বরিশালে প্রবাসীর স্ত্রীর ঘর থেকে জামায়াতকর্মী আটক সভাপতি-আব্দুস সালাম, সাধারণ সম্পাদক- মনোয়ার হোসেন। বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি বাবুগঞ্জ উপজেলা শাখার ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা সবুজ বাংলাদেশ গড়তে ঝালকাঠিতে ১ হাজার ৫শ গাছের চারা বিতরণ করেন জেলা পরিষদ প্রশাসক অ্যাডভোকেট শাহাদাৎ হোসেন ৮২ নং পূর্ব চাঁদপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি মনোনীত হলেন আইটি বিশেষজ্ঞ ও শিক্ষানুরাগী ইঞ্জিনিয়ার তৌহিদুল ইসলাম মেমনগর বি.ডি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পুনরায় সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেলেন প্রভাষক মো. মশিউর রহমান

বিধবা ভাতার কার্ড চেয়ে চেয়ারম্যানের মারধরের শিকার বৃদ্ধা। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:৪৪:০৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২০ ২৬২ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক:: জামালপুর সদর উপজেলার শরিফপুর ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম আলম ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে এক বৃদ্ধাকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। বিধবা ভাতার কার্ড চাওয়ায় ওই বৃদ্ধাকে মারধর করে চেয়ারম্যান দম্পতি।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকালে ইউপি চেয়ারম্যানের নিজ বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন মারধরের শিকার বৃদ্ধা হনুফা বেওয়া। তিনি ওই ইউপির রাঙ্গামাটি গ্রামের আক্কাস আলী শেখের স্ত্রী।

ভুক্তভোগী হনুফা বেওয়া জানান, দুই বছর আগে তার স্বামী মারা যান। এরপর থেকে অন্যের বাড়িতে কাজ করে জীবন চালাচ্ছিলেন তিনি। সাত মাস আগে বিধবা ভাতা কার্ডের জন্য ইউপি চেয়ারম্যানের কাছে আবেদন করেন। বিনিময়ে পাঁচ হাজার টাকা নেন চেয়ারম্যান। কিন্তু টাকা নিয়েও কার্ড করে দেননি। মঙ্গলবার কার্ডের জন্য বাড়িতে গেলে হনুফা বেওয়াকে মারধর করেন চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম আলম ও তার স্ত্রী।

তিনি আরও বলেন, আমি চেয়ারম্যানকে বলেছি- কার্ড না দিলে, আমার টাকা ফেরত দেন। আমার মতো গরিব মানুষের কাছে পাঁচ হাজার টাকা অনেক। এ কথা শুনেই আমাকে মারধর করে বাড়ি থেকে বেড় করে দেয় আলম চেয়ারম্যান ও তার বউ। এখন ন্যায় বিচার চাইতে থানায় আসছি।

জামালপুর সদর থানার ওসি মো. সালেমুজ্জামান বলেন, বৃদ্ধা নারীকে মারধরের একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

অভিযুক্ত ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম আলম বলেন, আমি বা আমার স্ত্রী এমন কোনো ঘটনা ঘটাইনি। ওই বৃদ্ধা আমার বাড়িতে গিয়ে বিধবা ভাতা কার্ডের কথা বললে আমি বলি ভাতা কার্ডের তালিকা পরিষদে আছে। তালিকা দেখে বলতে পারবো আপনার নাম আছে কি না। এরপর আমার স্ত্রী তাকে বুঝিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বিধবা ভাতার কার্ড চেয়ে চেয়ারম্যানের মারধরের শিকার বৃদ্ধা। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০৬:৪৪:০৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২০

অনলাইন ডেস্ক:: জামালপুর সদর উপজেলার শরিফপুর ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম আলম ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে এক বৃদ্ধাকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। বিধবা ভাতার কার্ড চাওয়ায় ওই বৃদ্ধাকে মারধর করে চেয়ারম্যান দম্পতি।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকালে ইউপি চেয়ারম্যানের নিজ বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন মারধরের শিকার বৃদ্ধা হনুফা বেওয়া। তিনি ওই ইউপির রাঙ্গামাটি গ্রামের আক্কাস আলী শেখের স্ত্রী।

ভুক্তভোগী হনুফা বেওয়া জানান, দুই বছর আগে তার স্বামী মারা যান। এরপর থেকে অন্যের বাড়িতে কাজ করে জীবন চালাচ্ছিলেন তিনি। সাত মাস আগে বিধবা ভাতা কার্ডের জন্য ইউপি চেয়ারম্যানের কাছে আবেদন করেন। বিনিময়ে পাঁচ হাজার টাকা নেন চেয়ারম্যান। কিন্তু টাকা নিয়েও কার্ড করে দেননি। মঙ্গলবার কার্ডের জন্য বাড়িতে গেলে হনুফা বেওয়াকে মারধর করেন চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম আলম ও তার স্ত্রী।

তিনি আরও বলেন, আমি চেয়ারম্যানকে বলেছি- কার্ড না দিলে, আমার টাকা ফেরত দেন। আমার মতো গরিব মানুষের কাছে পাঁচ হাজার টাকা অনেক। এ কথা শুনেই আমাকে মারধর করে বাড়ি থেকে বেড় করে দেয় আলম চেয়ারম্যান ও তার বউ। এখন ন্যায় বিচার চাইতে থানায় আসছি।

জামালপুর সদর থানার ওসি মো. সালেমুজ্জামান বলেন, বৃদ্ধা নারীকে মারধরের একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

অভিযুক্ত ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম আলম বলেন, আমি বা আমার স্ত্রী এমন কোনো ঘটনা ঘটাইনি। ওই বৃদ্ধা আমার বাড়িতে গিয়ে বিধবা ভাতা কার্ডের কথা বললে আমি বলি ভাতা কার্ডের তালিকা পরিষদে আছে। তালিকা দেখে বলতে পারবো আপনার নাম আছে কি না। এরপর আমার স্ত্রী তাকে বুঝিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দেন।