সংবাদ শিরোনাম ::
ভরা মৌসুমেও ইলিশের আকাল বৈরী আবহাওয়া, জলবায়ু পরিবর্তন ও অবৈধ জালে সংকটে সুন্দরবন উপকূলের মৎস্য অর্থনীতি সাগরে নেই ট্রলার, আড়তে নেই মাছ বানারীপাড়ায় বিএনপি নেতা সাইফুল ইসলাম রকি তেতলা পিজিএস স্কুলের সভাপতি বরিশালে সিভিল সার্জনের অপসারনের দাবীতে কক্ষে তালা বাবুগঞ্জে মাদক, চুরি-ডাকাতি ও সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক সভা। বানারীপাড়ায় চাঁদাবাজি মামলায় জামিনে বের হয়ে বাদীসহ তিনজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম ঝালকাঠিতে গৃহবধূ মলিনা রায় হত্যা: মামলার দ্বিতীয় আসামি ঢাকায় গ্রেফতার সড়কে ঝড়লো সাংবাদিক পুত্রের প্রাণ, বিএমএসএফ’র শোক বাবুগঞ্জে ১ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারি আটক ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে রিকসা চালক নিহত, আহত-১০ ​ঝালকাঠিতে ‘ফ্রি নিউজ গ্রুপ’-এর সাংবাদিকদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত

আসল এন৯৫ মাস্ক চিনবেন যেভাবে। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:৪৬:৪১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২০ ১২৫ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক

মহামারী করোনাভাইরাসকে ঘিরে বাজারে নকল মাস্কের ছড়াছড়ি। যা সংক্রমণ রোখার বদলে ছড়ানোর আশঙ্কা বাড়িয়ে দিচ্ছে। আসল এন৯৫ মাস্ক চেনাটা সাধারণের জন্য বেশ মুশকিল। মেডিসিনের চিকিৎসক অরিন্দম বিশ্বাসের মতে, এন৯৫ মাস্ক, যেগুলিতে ভালভ রেসপিরেটর নেই, সেই মাস্কই সবথেকে ভাল।

এতে কোনও সন্দেহ নেই। কিন্তু বাজার এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ীতে ছেয়ে গিয়েছে। তবে বিশ্বস্ত দোকান থেকে এন৯৫ কিনলে ঠকে যাওয়ার আশঙ্কা কম।
জনস্বাস্থ্য বিষয়ক চিকিৎসক সুবর্ণ গোস্বামী বলেন, মাস্ক দেখে আসল না নকল চিনতে পারলেও একটা উপায় অবশ্যই রয়েছে।

সেটা হল একটি সার্টিফিকেট। আমেরিকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর অকুপেশনাল সেফটি অ্যান্ড হেলথ (এনআইওএসএইচ) দ্বারা মাস্ক অনুমোদিত কি না তা পরখ করে দেখে নেওয়া। যারা এন৯৫ মাস্ক কিনছেন সে ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট একটি নম্বর মাস্কের গায়ে উল্লেখ করা থাকে। সঙ্গে থাকে এনআইওএসএইচের কথাও। মাস্কের গায়ে লেবেলে বা প্যাকেজেও উল্লেখ থাকে।
যারা প্রযুক্তির ব্যবহারে সক্ষম, তারা এই সংস্থার ওয়েবসাইটে গিয়ে সেটি মিলিয়ে দেখে নিতে পারেন।
যদি ওয়েবসাইটে গিয়ে বুঝতে সমস্যা হয় সে ক্ষেত্রে মেল করাও যেতে পারে মাস্কটি আসল কি না তা জানার জন্য। তবে চিকিৎসক অমিতাভ নন্দীর মত, অনুমোদিত এন-৯৫ মাস্কের লোগোও নকল করা সম্ভব। তাই যাতে মানুষের কোনওরকম ক্ষতি না হয়, সেই ভিত্তিতে সরকারের ব্যবস্থা নিতে হবে। জাত-ধর্ম নির্বিশেষে প্রতিটি মানুষ যাতে সমান পরিসেবা পায়, সঠিক মাস্ক ও স্যানিটাইজার ব্যবহার করতে পারে তা দেখতে হবে সরকারকেই। তবেই সংক্রমণ সম্পূর্ণভাবে রোখা সম্ভব। ‘

কী কী দেখলে বোঝা যাবে যে মাস্কটি আসল এন৯৫ নয়

১. ফিল্টারিং রেসপিরেটরে কোনও মার্কিং না থাকলে

২. ফিল্টারিং মাস্কে কোনও টিসি নম্বর না থাকলে

৩. ক্যাপিটাল লেটারে এনআইওএসএইচ লেখা না থাকা বা ভুল বানানে লেখা

৪. সিকোয়েন্স বা কোনও নকশাদার কাপড় ব্যবহার হলে

৫. শিশুদের এই মাস্ক ব্যবহারে সম্মতির উল্লেখ থাকলে (এনআইওএসএইচ কখনওই শিশুদের ক্ষেত্রে এ জাতীয় মাস্কের কথা বলেনি)

৬. ফিল্টারিং রেসপিরেটর মাস্কে হেডব্যান্ড থাকার কথা। ইয়ারলুপ নয়। কারণ হেডব্যান্ড থাকলেই তা মুখে চেপে বসবে। সংক্রমণের আশঙ্কা কমবে।

চিকিৎসক বা স্বাস্থ্যকর্মী নন, তবে রোজ রাস্তায় বেরোতে হচ্ছে, বাড়িতে এন৯৫ মাস্ক থাকলেও সেটি আসল কি না তা নিয়ে সংশয়ও রয়েছে, সে ক্ষেত্রে ত্রিস্তরীয় সার্জিক্যাল মাস্ক পরতেই পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা। ভালভ রেসপিরেটরবিহীন এন৯৫ মাস্ক পরলে দেখে নিতে হবে তা অনুমোদিত কি না। তবে মাস্ক পরার সঙ্গে সামাজিক দূরত্বও মেনে চলতে হবে। বার বার হাত ধোওয়ার বিষয় মাথায় রাখতে হবে।

সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

আসল এন৯৫ মাস্ক চিনবেন যেভাবে। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০৬:৪৬:৪১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২০

অনলাইন ডেস্ক

মহামারী করোনাভাইরাসকে ঘিরে বাজারে নকল মাস্কের ছড়াছড়ি। যা সংক্রমণ রোখার বদলে ছড়ানোর আশঙ্কা বাড়িয়ে দিচ্ছে। আসল এন৯৫ মাস্ক চেনাটা সাধারণের জন্য বেশ মুশকিল। মেডিসিনের চিকিৎসক অরিন্দম বিশ্বাসের মতে, এন৯৫ মাস্ক, যেগুলিতে ভালভ রেসপিরেটর নেই, সেই মাস্কই সবথেকে ভাল।

এতে কোনও সন্দেহ নেই। কিন্তু বাজার এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ীতে ছেয়ে গিয়েছে। তবে বিশ্বস্ত দোকান থেকে এন৯৫ কিনলে ঠকে যাওয়ার আশঙ্কা কম।
জনস্বাস্থ্য বিষয়ক চিকিৎসক সুবর্ণ গোস্বামী বলেন, মাস্ক দেখে আসল না নকল চিনতে পারলেও একটা উপায় অবশ্যই রয়েছে।

সেটা হল একটি সার্টিফিকেট। আমেরিকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর অকুপেশনাল সেফটি অ্যান্ড হেলথ (এনআইওএসএইচ) দ্বারা মাস্ক অনুমোদিত কি না তা পরখ করে দেখে নেওয়া। যারা এন৯৫ মাস্ক কিনছেন সে ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট একটি নম্বর মাস্কের গায়ে উল্লেখ করা থাকে। সঙ্গে থাকে এনআইওএসএইচের কথাও। মাস্কের গায়ে লেবেলে বা প্যাকেজেও উল্লেখ থাকে।
যারা প্রযুক্তির ব্যবহারে সক্ষম, তারা এই সংস্থার ওয়েবসাইটে গিয়ে সেটি মিলিয়ে দেখে নিতে পারেন।
যদি ওয়েবসাইটে গিয়ে বুঝতে সমস্যা হয় সে ক্ষেত্রে মেল করাও যেতে পারে মাস্কটি আসল কি না তা জানার জন্য। তবে চিকিৎসক অমিতাভ নন্দীর মত, অনুমোদিত এন-৯৫ মাস্কের লোগোও নকল করা সম্ভব। তাই যাতে মানুষের কোনওরকম ক্ষতি না হয়, সেই ভিত্তিতে সরকারের ব্যবস্থা নিতে হবে। জাত-ধর্ম নির্বিশেষে প্রতিটি মানুষ যাতে সমান পরিসেবা পায়, সঠিক মাস্ক ও স্যানিটাইজার ব্যবহার করতে পারে তা দেখতে হবে সরকারকেই। তবেই সংক্রমণ সম্পূর্ণভাবে রোখা সম্ভব। ‘

কী কী দেখলে বোঝা যাবে যে মাস্কটি আসল এন৯৫ নয়

১. ফিল্টারিং রেসপিরেটরে কোনও মার্কিং না থাকলে

২. ফিল্টারিং মাস্কে কোনও টিসি নম্বর না থাকলে

৩. ক্যাপিটাল লেটারে এনআইওএসএইচ লেখা না থাকা বা ভুল বানানে লেখা

৪. সিকোয়েন্স বা কোনও নকশাদার কাপড় ব্যবহার হলে

৫. শিশুদের এই মাস্ক ব্যবহারে সম্মতির উল্লেখ থাকলে (এনআইওএসএইচ কখনওই শিশুদের ক্ষেত্রে এ জাতীয় মাস্কের কথা বলেনি)

৬. ফিল্টারিং রেসপিরেটর মাস্কে হেডব্যান্ড থাকার কথা। ইয়ারলুপ নয়। কারণ হেডব্যান্ড থাকলেই তা মুখে চেপে বসবে। সংক্রমণের আশঙ্কা কমবে।

চিকিৎসক বা স্বাস্থ্যকর্মী নন, তবে রোজ রাস্তায় বেরোতে হচ্ছে, বাড়িতে এন৯৫ মাস্ক থাকলেও সেটি আসল কি না তা নিয়ে সংশয়ও রয়েছে, সে ক্ষেত্রে ত্রিস্তরীয় সার্জিক্যাল মাস্ক পরতেই পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা। ভালভ রেসপিরেটরবিহীন এন৯৫ মাস্ক পরলে দেখে নিতে হবে তা অনুমোদিত কি না। তবে মাস্ক পরার সঙ্গে সামাজিক দূরত্বও মেনে চলতে হবে। বার বার হাত ধোওয়ার বিষয় মাথায় রাখতে হবে।

সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা